গ্রেপ্তার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গ্রেপ্তার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বরদীতে রূপপুর প্রকল্পের কর্মীকে মারধর ও অপহরণ, গ্রেপ্তার ২

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের এক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কর্মীকে পথ আটকে মারধর, অপহরণ ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত প্রধান দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

রোববার বিকেলে উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের দিয়ার বাঘইল ক্লাব মোড়সংলগ্ন পাকা রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী সারোয়ার জাহান (২৮) ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলার প্রতাপপুর গ্রামের মো. শাহজাহানের ছেলে। তিনি ঈশ্বরদীর দিয়াড় সাহাপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে রূপপুর প্রকল্পের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ‘নিকিম কোম্পানি’তে কাজ করেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ঈশ্বরদীর সাহাপুর ইউনিয়নের আজিজলতলা এলাকার মো. জহুরুল মোল্লার ছেলে মো. তারেক হাসান রোকন (৩২) এবং সাহাপুর মন্ত্রী মোড় এলাকার মৃত আকবর আলীর ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (৪৫)।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রধান আসামি তারেক হাসান রোকন ও ভুক্তভোগী সারোয়ার জাহান আগে একই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। সম্প্রতি মাদকাসক্ত প্রমাণিত হওয়ায় তারেক চাকরিচ্যুত হন। এই চাকরি হারানোর পেছনে সারোয়ারকে দায়ী করে আসছিলেন তিনি। এর জেরে রোববার বিকেলে কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে তারেক ও তাঁর সহযোগীরা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সারোয়ারের পথ আটকান। পরে তাঁকে জোর করে সিএনজিতে তুলে পাকড়িপাড়া এলাকায় নিয়ে পিটিয়ে জখম করা হয়। এ সময় তাঁর নগদ টাকা, মুঠোফোন ও এটিএম কার্ড ছিনিয়ে নেওয়া হয়। কার্ডের পাসওয়ার্ড বা পিন নম্বর না দেওয়ায় তাঁকে নির্যাতন এবং ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা চালানো হয়।

ভুক্তভোগীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে পুলিশকে খবর দিলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুর রহমান জানান, এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

ঈশ্বরদীতে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ মাসুদ রানা (৩২) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

শনিবার রাতে উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল উত্তরপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঈশ্বরদী সার্কেলের পরিদর্শক মো. আব্দুর রহিম জানান, অভিযানে মাসুদ রানার কাছ থেকে ৮০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

ঈশ্বরদীতে ৫৫ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে ৫৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ রানা ঘোরামী (২৪) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

সোমবার উপজেলার রহিমপুর বাজারের একটি কীটনাশকের দোকানের সামনের সড়ক থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার রানা ঘোরামী উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের দিঘা বাগানপাড়া গ্রামের আব্দুল মান্নান ঘোরামীর ছেলে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর পাবনা জেলা কার্যালয়ের উপপরিদর্শক মোহাম্মদ শের আলমের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ ঘটনায় শের আলম বাদী হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ঈশ্বরদী থানায় একটি মামলা করেছেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর পাবনা জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ শহিদুল মান্নাফ কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকায় ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ৩ শীর্ষ নেতা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার সন্ধ্যায় মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের প্রিয়াঙ্কা কমিউনিটি সেন্টারের পাশের একটি ভবনের পঞ্চম তলায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হালিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মকলেছুর রহমান মিন্টু, ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র আলহাজ আবুল কালাম আজাদ মিন্টু এবং আটঘরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র শহিদুল ইসলাম রতন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার এই তিন নেতার সঙ্গে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের মুঠোফোনে নিয়মিত যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ঢাকায় অবস্থান করে দলীয় কার্যক্রম জোরদারের বিষয়েও তাঁরা তৎপর ছিলেন।

এদিকে তিন নেতার গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

মোহাম্মদপুর থানার ওসি মো. আব্দুল হালিম বলেন, ‘গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের ঈশ্বরদী থানায় হস্তান্তর করা হবে।’

রূপপুর প্রকল্পে কাজ দেওয়ার নামে ২ কোটি টাকা আত্মসাৎ, দুই ভাই গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদন: ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে কাজ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক ঠিকাদারের কাছ থেকে ২ কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ঈশ্বরদীর পাকশী ইউনিয়নের নতুন রূপপুর এলাকার ইসলাম মণ্ডলের ছেলে সুপ্ত ইসলাম জীবন (২৭) ও দীপ্ত ইসলাম (২৫)। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁরা এলাকায় একটি কিশোর গ্যাং পরিচালনার সঙ্গে জড়িত।

প্রতারণার এই ঘটনায় ৩ সেপ্টেম্বর ঈশ্বরদী থানায় মামলা হলেও বুধবার পুলিশ সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চক্রটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাশিয়ার ‘এটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট’ (এএসই) ও ‘ইএসকেএম’ কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয়ে বিভিন্ন ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিত। পরবর্তীতে ভুয়া কার্যাদেশ (ওয়ার্ক অর্ডার), মালামাল কেনাকাটা, বিল পাস ও ভ্যাট-ট্যাক্স পরিশোধসহ নানা অজুহাতে অর্থ হাতিয়ে নিত। এভাবে পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল পূর্বপাড়ার বাসিন্দা ঠিকাদার মোহাম্মদ বিন ছালামের কাছ থেকে নগদ ২ কোটি ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং ৪৪ লাখ টাকার মালামাল আত্মসাৎ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) সঞ্জয় চক্রবর্তী জানান, গত ৬ সেপ্টেম্বর আসামি দীপ্ত ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। অপর আসামি সুপ্ত ইসলাম জীবন গত ৬ জুলাই অস্ত্রসহ র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছেন।

পুলিশ জানায়, প্রতারণার পাশাপাশি এই চক্রটি মাদক কারবারের সঙ্গেও জড়িত।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান জানান, দীর্ঘদিন ধরে চক্রটির বিরুদ্ধে প্রতারণার নানা অভিযোগ আসছিল। সুনির্দিষ্ট মামলার ভিত্তিতে দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ঈশ্বরদীতে ফাঁদে ফেলে ব্যবসায়ীর ৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে এক মুদি ব্যবসায়ীকে বাসায় ডেকে আপত্তিকর দৃশ্য ধারণ ও মারধরের পর সাত লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় জড়িত চক্রের মূলহোতাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর এজাহারের ভিত্তিতে ঈশ্বরদী থানায় মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. সিরাজুল ইসলাম ওরফে চঞ্চল (৪৭), তাঁর স্ত্রী বৃষ্টি খাতুন (৩৫) এবং মোছা. মুক্তি খাতুন (২৫)। তাঁদের মূল বাড়ি নাটোরের লালপুর উপজেলার মহরকয়া গ্রামে। তবে তাঁরা ঈশ্বরদী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পিয়ারাখালী জামতলী এলাকার ‘মমতাজ ভিলা’য় ভাড়া থেকে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, নাটোরের বাগাতিপাড়ার চত্বর বাজারের মুদি ব্যবসায়ী মো. আমিরুল ইসলামের (৫২) সঙ্গে আসামিদের আগে থেকেই চেনা-জানা ছিল। গত ২৬ মার্চ সকালে আসামি মুক্তি খাতুন মুঠোফোনে কল করে তাঁকে ঈশ্বরদীর ওই ভাড়াবাসায় ডেকে নেন। সেখানে পৌছালে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী তাঁর কিছু আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর ও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।

পরবর্তী সময়ে কোনো উপায় না পেয়ে ভুক্তভোগীর স্ত্রী আসমা খাতুন স্বজনদের সহায়তায় নগদ সাত লাখ টাকা নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামীদের হাতে দেন। টাকা রাখার পর আসামিরা তাঁকে ছেড়ে দেন এবং ঘটনাটি কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেন।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান আসাদ বলেন, ব্ল্যাকমেইল করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। আদালতের মাধ্যমে তাঁদের পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই চক্রের অন্য সহযোগীদের ধরতেও পুলিশি অভিযান চলছে।

মাদক সেবনের দায়ে ঈশ্বরদীতে তাঁতীদল নেতাকে সাজা, ভাড়াটিয়ার বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে মাদক সেবনের সময় উপজেলা তাঁতীদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ আলমকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। একই অভিযানে তাঁর বাড়ির ভাড়াটিয়া মো. আব্দুর রাজ্জাককে ৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের যুক্তিতলা এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর পাবনা জেলা কার্যালয়ের ‘খ’ সার্কেলের উপপরিদর্শক মোরাম হোসেন আলমের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মাহফুজের বাড়ির পেছন থেকে আব্দুর রাজ্জাককে আটক করে তাঁর পকেটে থাকা সিগারেটের প্যাকেট তল্লাশি করে ৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার করা হয়। পরে মাহফুজের শয়নকক্ষে অভিযান চালিয়ে তাঁকে মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়।

অধিদপ্তর জানায়, গ্রেপ্তার আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। অন্যদিকে মাহফুজ আলমকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে মাহফুজের দলীয় পদের বিষয়ে ঈশ্বরদী উপজেলা জাতীয়তাবাদী তাঁতীদলের সভাপতি নাফিস আহমেদ আরিফ বলেন, ‘মাদকসহ আটকের বিষয়টি জানার পর তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা কমিটির কাছে জানানো হয়েছে। অচিরেই তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।’

ঈশ্বরদীতে ব্যাংক কর্মকর্তা সেজে টাকা হাতিয়ে নেওয়া প্রতারক চক্রের মূল হোতা গ্রেপ্তার


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে সাউথইস্ট ব্যাংকের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে এক ব্যবসায়ীর ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার মূল হোতাকে লালমনিরহাট থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার মো. তারেক উদ্দিন (৪০) কক্সবাজারের রামু উপজেলার শিকদারপাড়ার সেলিম উদ্দিনের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ১১টি প্রতারণাসহ মোট ২০টি মামলা রয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত ১১ জুন ঈশ্বরদী পৌর এলাকার ‘সততা ইলেকট্রিক’-এর মালিক জিয়াউর রহমান এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। এর ধারাবাহিকতায় গত রোববার লালমনিরহাটে অভিযান চালিয়ে তারেককে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, চক্রের সদস্যরা দোকানে এসে নিজেদের ব্যাংক কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে নতুন হিসাব খোলার লোভ দেখান। পরে ব্যাংকে নিয়ে কৌশলে বিভিন্ন বিকাশ ও নগদ নম্বরে ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন তাঁরা।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান জানান, তারেক একজন পেশাদার প্রতারক। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি প্রতারণার কথা স্বীকার করেছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ঈশ্বরদীতে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদন: ঈশ্বরদীতে ওয়ারেছ আলী ফকির (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বুধবার রাতে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের ফকিরপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ওয়ারেছ আলী ফকির সাহাপুর ইউনিয়নের ফকিরপাড়া এলাকার মৃত রিয়াজ উদ্দিন ফকিরের ছেলে। তিনি স্থানীয় সাহাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে ঈশ্বরদী থানা পুলিশের একটি দল সাহাপুর ইউনিয়নের ফকিরপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুর রহমান জানান, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে ওয়ারেছ আলী ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর কাজ চলছে।

ঈশ্বরদীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার, ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে রায়হান আহামেদ রনি (৩২) নামের এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার ভোররাতে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের মহাদেবপুর এলাকায় নিজ বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার রায়হান আহামেদ মহাদেবপুর গ্রামের মো. শাহজাহানের ছেলে। তিনি সাহাপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক বলে জানা গেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারের পর রায়হানকে ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযান চালিয়ে রায়হান আহামেদকে তাঁর নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার নথিপত্র জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পুলিশের কাছে থাকায় ঠিক কোন মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হয়নি।

ঈশ্বরদীতে ১২০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে ১২০ পিস ইয়াবাসহ মো. ইমরান হোসেন রনো (৩৪) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। আজ বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে পৌর শহরের ফতেহ মোহাম্মদপুর লোকো কলোনি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ইমরান হোসেন রনো লোকো কলোনি ফতেহ মোহাম্মদপুর উত্তর এলাকার মৃত মোক্তার হোসেনের ছেলে।

ডিবি পুলিশ জানায়, ঈশ্বরদী থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনার সময় গোপন সংবাদ মেলে যে লোকো কলোনি এলাকায় ইয়াবা বিক্রির জন্য এক ব্যক্তি অবস্থান করছেন। সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির দলটি সেখানে অভিযান চালালে ইমরান পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাঁকে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে পকেটে থাকা একটি জিপার ব্যাগ থেকে ১২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়; যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩৬ হাজার টাকা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইমরান জানান, তিনি পাবনার বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে খুচরা বিক্রি করতেন।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ইমরানের বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মাদকের বিরুদ্ধে ডিবির এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ঈশ্বরদীতে তিন মাদকসেবীকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে তিন মাদকসেবীকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার মশুরিয়াপাড়া ও দাশুড়িয়া এলাকার বিভিন্ন মাদক স্পটে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন ঈশ্বরদীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান সরকার। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন দাশুড়িয়া এলাকার মো. হৃদয়ের ছেলে মো. মানিক (৪০), মাহাতাব কলোনি এলাকার আব্দুল আজিজের ছেলে মো. আকাশ (২০) এবং মশুরিয়াপাড়া এলাকার মৃত নূর ইসলামের ছেলে মো. হারুন (২৮)।

ডিএনসি পাবনার উপপরিদর্শক মোহাম্মদ শের আলম আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউশন দাখিল করেন। পরে আদালত তাঁদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়ে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর পাবনা জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ শহিদুল মান্নাফ কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে এ পর্যন্ত মাদক অপরাধে মোট ২৭ জনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ঈশ্বরদীতে যুবলীগের ঝটিকা মিছিল, এক নেতা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিলের পর আতিকুর রহমান (৪০) নামের এক যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার বিকেলে ঈশ্বরদী পৌর শহরের অরণকোলা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আতিকুর রহমান পৌর শহরের অরণকোলা এলাকার রহমত আলী রুনুর ছেলে। তিনি ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী আমবাগান পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আফজাল হোসেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ভোরে ঈশ্বরদী-ঢাকা মহাসড়কের হাড়ুখালি এলাকায় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শিরহান শরীফ তমালের নির্দেশ ও হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে একটি ঝটিকা মিছিল বের হয়। মিছিলে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পর মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় রাজনীতিতে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। পরে বিকেলে অভিযান চালিয়ে যুবলীগ নেতা আতিকুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ঈশ্বরদী আমবাগান পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আফজাল হোসেন জানান, প্রথমে তাঁকে ফাঁড়িতে রাখা হলেও পরে ঈশ্বরদী থানায় স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হতে পারে।

ঈশ্বরদীতে ১৪ কেজি গাঁজাসহ কারবারি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে ১৪ কেজি ২৫০ গ্রাম শুকনা গাঁজাসহ সোহেল রানা (৪০) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। আজ রোববার সকাল ছয়টার দিকে উপজেলার চর রূপপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।

সোহেল রানা ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রামের মো. রায়হান জোয়ার্দ্দারের ছেলে। তিনি বর্তমানে ঈশ্বরদীর চর রূপপুর জিগাতলা এলাকায় ভাড়া থাকেন।

জানা গেছে, র‍্যাব-১২, সিপিসি-২ পাবনা ক্যাম্প জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার ডলি রানী সরকারের নেতৃত্বে র‍্যাবের একটি দল চর রূপপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় সোহেল রানাকে আটকের পর তাঁর হেফাজত থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা, মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল, দুটি মোবাইল ফোন ও চারটি সিমকার্ড জব্দ করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সহকারী পুলিশ সুপার ডলি রানী সরকার জানান, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাঁকে পাবনা সদর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে ঈশ্বরদীতে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে সাত বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মাসুদ রানা মদন (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার বিবরণ দিয়ে ভুক্তভোগী শিশুর নানি ঈশ্বরদী থানায় লিখিত এজাহার দেওয়ার পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার মাসুদ রানা উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের বহরপুর গ্রামের বাসিন্দা।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে অভিযুক্ত ব্যক্তির মেয়ের কাছে বেসরকারিভাবে পড়ার পাশাপাশি মাঝেমধ্যে তাঁদের বাড়িতে খেলাধুলা করতে যেত।

অভিযোগে বলা হয়, গত ৩১ জুলাই সকালে শিশুটি খেলাধুলার উদ্দেশ্যে ওই বাড়িতে যায়। সে সময় বাড়িতে অন্য কেউ না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে টাকার লোভ দেখিয়ে ঘরে নিয়ে নির্যাতন চালান। পরে বিষয়টি কাউকে না জানাতে ভয়ভীতি দেখান।

পরদিন ১ আগস্ট বিকেলে শিশুটির জ্বর এলে নানি তাকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকের কাছে শিশুটি তার ওপর ঘটা নির্যাতনের কথা প্রকাশ করে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, চিকিৎসক শিশুটিকে পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। হাসপাতাল থেকে স্বজনেরা থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে।

শিশুটির নানি বলেন, আমার অবুঝ নাতনিকে লোভ ও ভয় দেখিয়ে এই অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছে। আমরা চিকিৎসার ব্যবস্থা করে থানায় মামলা করেছি। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান।

ঈশ্বরদীতে মোটরসাইকেল চুরির চেষ্টায় তিনজন গ্রেপ্তার, উদ্ধার দুই বাইক

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীর ঐতিহাসিক হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকা থেকে মোটরসাইকেল চুরি করার সময় তিনজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এক সপ্তাহ আগে একই এলাকা থেকে চুরি হওয়া আরও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নিচের পার্কিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সংগ্রামপুর গ্রামের মো. রোমান (২৫), সোনাইকান্দি গ্রামের মো. আসিফ রহমান (১৮) এবং শীতলাপাড়া গ্রামের কিশোর আপন (১৪)।

পুলিশ জানায়, ঈশ্বরদীর যুক্তিতলা এলাকার বাসিন্দা মো. আরাফাত তাঁর তিন বন্ধুকে নিয়ে একটি মোটরসাইকেল ব্রিজের নিচে পার্কিং করে পাশে ঘুরতে যান। এ সুযোগে ওত পেতে থাকা চোর চক্রের তিন সদস্য মোটরসাইকেলটির তালা ভেঙে চুরি করার চেষ্টা চালায়। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে টহলরত পাকশী পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা তাঁদের আটক করেন। পরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৭ জুলাই একই এলাকা থেকে চুরি হওয়া অপর একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে পুলিশ।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান জানান, উদ্ধার করা মোটরসাইকেলসহ অন্য আলামত পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ঈশ্বরদীতে ছিনতাই হওয়া সিএনজি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে চালককে ছুরিকাঘাত করে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত অভিযোগে শফিকুল ইসলাম (৩০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় পাবনা সদর উপজেলার দাপুনিয়া এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ছিনতাই হওয়া অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ ও ঘটনার বিবরণ থেকে জানা গেছে, গত ১৭ জুলাই রাত ১১টার দিকে পাবনা শহরের বাস কাউন্টার এলাকা থেকে ঈশ্বরদীর রূপপুরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে দুজন যাত্রী অটোরিকশাটি ভাড়া করেন। রিকশাটি দাশুড়িয়া ইউনিয়নের তেঁতুলতলা এলাকায় পৌঁছালে পেছনের দুই যাত্রী চালক নিশাতের ওপর হামলা চালান। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে জখম করা হয়। আত্ম রক্ষার্থে চালক নিশাত চলন্ত গাড়ি থেকে রাস্তায় লাফিয়ে পড়েন। পরে ছিনতাইকারীরা অটোরিকশাটি নিয়ে পালিয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা আহত নিশাতকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী থানায় নিয়ে যান। পুলিশ ঘটনা শুনে তাঁকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী চালক থানায় মামলা করেছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার বিকেলে দাপুনিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শফিকুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও জানান, আজ বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেপ্তার আসামিকে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধার করা অটোরিকশাটি প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ঈশ্বরদীতে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় চা বিক্রেতা গ্রেপ্তার


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় এক চা বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার দিবাগত রাত প্রায় ১১টার দিকে পৌর এলাকার নারিচা স্কুলপাড়া গ্রামে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মো. মাহাবুল (৩৫) ওই এলাকার মৃত হাজীরুদ্দীনের ছেলে।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সাবেক ভূমিমন্ত্রীর বাসভবনে অনুষ্ঠিত একটি গোপন বৈঠককে কেন্দ্র করে দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলার তদন্তে মাহাবুলের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ওসি আরও বলেন, মামলার প্রধান আসামিসহ পলাতক অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে।

সুজানগরে পুলিশের ওপর হামলা: আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার


নিজস্ব প্রতিবেদক: পাবনার সুজানগরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা, মারধর ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার মধ্যরাত থেকে আজ শনিবার ভোর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

পুলিশ জানায়, এ হামলার ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার রাতে সুজানগর থানায় দলটির জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের আসামি করে দুটি মামলা করা হয়।

ডিবির ওসি রাশিদুল ইসলাম বলেন, মামলার পর সুজানগরের বিভিন্ন স্থানে রাতভর অভিযান চালিয়ে এক নারীসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতপরিচয় আসামি রয়েছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হচ্ছে।

ঈশ্বরদীতে গাঁজাসহ একজন গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার ভোররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার দাদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ২৫০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়।

পাবনা জেলা পুলিশ জানায়, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালিত হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ঈশ্বরদী থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

জেলা পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ  জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি মাদকমুক্ত পাবনা গড়ে তুলতে জনসাধারণকে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন