গ্রেপ্তার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গ্রেপ্তার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বরদীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার, ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে রায়হান আহামেদ রনি (৩২) নামের এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার ভোররাতে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের মহাদেবপুর এলাকায় নিজ বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার রায়হান আহামেদ মহাদেবপুর গ্রামের মো. শাহজাহানের ছেলে। তিনি সাহাপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক বলে জানা গেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারের পর রায়হানকে ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযান চালিয়ে রায়হান আহামেদকে তাঁর নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার নথিপত্র জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পুলিশের কাছে থাকায় ঠিক কোন মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হয়নি।

ঈশ্বরদীতে ১২০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে ১২০ পিস ইয়াবাসহ মো. ইমরান হোসেন রনো (৩৪) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। আজ বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে পৌর শহরের ফতেহ মোহাম্মদপুর লোকো কলোনি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ইমরান হোসেন রনো লোকো কলোনি ফতেহ মোহাম্মদপুর উত্তর এলাকার মৃত মোক্তার হোসেনের ছেলে।

ডিবি পুলিশ জানায়, ঈশ্বরদী থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনার সময় গোপন সংবাদ মেলে যে লোকো কলোনি এলাকায় ইয়াবা বিক্রির জন্য এক ব্যক্তি অবস্থান করছেন। সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির দলটি সেখানে অভিযান চালালে ইমরান পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাঁকে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে পকেটে থাকা একটি জিপার ব্যাগ থেকে ১২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়; যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩৬ হাজার টাকা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইমরান জানান, তিনি পাবনার বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে খুচরা বিক্রি করতেন।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ইমরানের বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মাদকের বিরুদ্ধে ডিবির এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ঈশ্বরদীতে তিন মাদকসেবীকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে তিন মাদকসেবীকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার মশুরিয়াপাড়া ও দাশুড়িয়া এলাকার বিভিন্ন মাদক স্পটে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন ঈশ্বরদীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান সরকার। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন দাশুড়িয়া এলাকার মো. হৃদয়ের ছেলে মো. মানিক (৪০), মাহাতাব কলোনি এলাকার আব্দুল আজিজের ছেলে মো. আকাশ (২০) এবং মশুরিয়াপাড়া এলাকার মৃত নূর ইসলামের ছেলে মো. হারুন (২৮)।

ডিএনসি পাবনার উপপরিদর্শক মোহাম্মদ শের আলম আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউশন দাখিল করেন। পরে আদালত তাঁদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়ে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর পাবনা জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ শহিদুল মান্নাফ কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে এ পর্যন্ত মাদক অপরাধে মোট ২৭ জনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ঈশ্বরদীতে যুবলীগের ঝটিকা মিছিল, এক নেতা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিলের পর আতিকুর রহমান (৪০) নামের এক যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার বিকেলে ঈশ্বরদী পৌর শহরের অরণকোলা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আতিকুর রহমান পৌর শহরের অরণকোলা এলাকার রহমত আলী রুনুর ছেলে। তিনি ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী আমবাগান পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আফজাল হোসেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ভোরে ঈশ্বরদী-ঢাকা মহাসড়কের হাড়ুখালি এলাকায় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শিরহান শরীফ তমালের নির্দেশ ও হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে একটি ঝটিকা মিছিল বের হয়। মিছিলে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পর মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় রাজনীতিতে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। পরে বিকেলে অভিযান চালিয়ে যুবলীগ নেতা আতিকুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ঈশ্বরদী আমবাগান পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আফজাল হোসেন জানান, প্রথমে তাঁকে ফাঁড়িতে রাখা হলেও পরে ঈশ্বরদী থানায় স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হতে পারে।

ঈশ্বরদীতে ১৪ কেজি গাঁজাসহ কারবারি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে ১৪ কেজি ২৫০ গ্রাম শুকনা গাঁজাসহ সোহেল রানা (৪০) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। আজ রোববার সকাল ছয়টার দিকে উপজেলার চর রূপপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।

সোহেল রানা ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রামের মো. রায়হান জোয়ার্দ্দারের ছেলে। তিনি বর্তমানে ঈশ্বরদীর চর রূপপুর জিগাতলা এলাকায় ভাড়া থাকেন।

জানা গেছে, র‍্যাব-১২, সিপিসি-২ পাবনা ক্যাম্প জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার ডলি রানী সরকারের নেতৃত্বে র‍্যাবের একটি দল চর রূপপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় সোহেল রানাকে আটকের পর তাঁর হেফাজত থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা, মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল, দুটি মোবাইল ফোন ও চারটি সিমকার্ড জব্দ করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সহকারী পুলিশ সুপার ডলি রানী সরকার জানান, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাঁকে পাবনা সদর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে ঈশ্বরদীতে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে সাত বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মাসুদ রানা মদন (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার বিবরণ দিয়ে ভুক্তভোগী শিশুর নানি ঈশ্বরদী থানায় লিখিত এজাহার দেওয়ার পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার মাসুদ রানা উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের বহরপুর গ্রামের বাসিন্দা।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে অভিযুক্ত ব্যক্তির মেয়ের কাছে বেসরকারিভাবে পড়ার পাশাপাশি মাঝেমধ্যে তাঁদের বাড়িতে খেলাধুলা করতে যেত।

অভিযোগে বলা হয়, গত ৩১ জুলাই সকালে শিশুটি খেলাধুলার উদ্দেশ্যে ওই বাড়িতে যায়। সে সময় বাড়িতে অন্য কেউ না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে টাকার লোভ দেখিয়ে ঘরে নিয়ে নির্যাতন চালান। পরে বিষয়টি কাউকে না জানাতে ভয়ভীতি দেখান।

পরদিন ১ আগস্ট বিকেলে শিশুটির জ্বর এলে নানি তাকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকের কাছে শিশুটি তার ওপর ঘটা নির্যাতনের কথা প্রকাশ করে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, চিকিৎসক শিশুটিকে পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। হাসপাতাল থেকে স্বজনেরা থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে।

শিশুটির নানি বলেন, আমার অবুঝ নাতনিকে লোভ ও ভয় দেখিয়ে এই অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছে। আমরা চিকিৎসার ব্যবস্থা করে থানায় মামলা করেছি। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান।

ঈশ্বরদীতে মোটরসাইকেল চুরির চেষ্টায় তিনজন গ্রেপ্তার, উদ্ধার দুই বাইক

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীর ঐতিহাসিক হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকা থেকে মোটরসাইকেল চুরি করার সময় তিনজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এক সপ্তাহ আগে একই এলাকা থেকে চুরি হওয়া আরও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নিচের পার্কিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সংগ্রামপুর গ্রামের মো. রোমান (২৫), সোনাইকান্দি গ্রামের মো. আসিফ রহমান (১৮) এবং শীতলাপাড়া গ্রামের কিশোর আপন (১৪)।

পুলিশ জানায়, ঈশ্বরদীর যুক্তিতলা এলাকার বাসিন্দা মো. আরাফাত তাঁর তিন বন্ধুকে নিয়ে একটি মোটরসাইকেল ব্রিজের নিচে পার্কিং করে পাশে ঘুরতে যান। এ সুযোগে ওত পেতে থাকা চোর চক্রের তিন সদস্য মোটরসাইকেলটির তালা ভেঙে চুরি করার চেষ্টা চালায়। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে টহলরত পাকশী পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা তাঁদের আটক করেন। পরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৭ জুলাই একই এলাকা থেকে চুরি হওয়া অপর একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে পুলিশ।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান জানান, উদ্ধার করা মোটরসাইকেলসহ অন্য আলামত পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ঈশ্বরদীতে ছিনতাই হওয়া সিএনজি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে চালককে ছুরিকাঘাত করে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত অভিযোগে শফিকুল ইসলাম (৩০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় পাবনা সদর উপজেলার দাপুনিয়া এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ছিনতাই হওয়া অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ ও ঘটনার বিবরণ থেকে জানা গেছে, গত ১৭ জুলাই রাত ১১টার দিকে পাবনা শহরের বাস কাউন্টার এলাকা থেকে ঈশ্বরদীর রূপপুরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে দুজন যাত্রী অটোরিকশাটি ভাড়া করেন। রিকশাটি দাশুড়িয়া ইউনিয়নের তেঁতুলতলা এলাকায় পৌঁছালে পেছনের দুই যাত্রী চালক নিশাতের ওপর হামলা চালান। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে জখম করা হয়। আত্ম রক্ষার্থে চালক নিশাত চলন্ত গাড়ি থেকে রাস্তায় লাফিয়ে পড়েন। পরে ছিনতাইকারীরা অটোরিকশাটি নিয়ে পালিয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা আহত নিশাতকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী থানায় নিয়ে যান। পুলিশ ঘটনা শুনে তাঁকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী চালক থানায় মামলা করেছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার বিকেলে দাপুনিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শফিকুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও জানান, আজ বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেপ্তার আসামিকে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধার করা অটোরিকশাটি প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ঈশ্বরদীতে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় চা বিক্রেতা গ্রেপ্তার


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় এক চা বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার দিবাগত রাত প্রায় ১১টার দিকে পৌর এলাকার নারিচা স্কুলপাড়া গ্রামে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মো. মাহাবুল (৩৫) ওই এলাকার মৃত হাজীরুদ্দীনের ছেলে।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সাবেক ভূমিমন্ত্রীর বাসভবনে অনুষ্ঠিত একটি গোপন বৈঠককে কেন্দ্র করে দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলার তদন্তে মাহাবুলের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ওসি আরও বলেন, মামলার প্রধান আসামিসহ পলাতক অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে।

সুজানগরে পুলিশের ওপর হামলা: আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার


নিজস্ব প্রতিবেদক: পাবনার সুজানগরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা, মারধর ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার মধ্যরাত থেকে আজ শনিবার ভোর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

পুলিশ জানায়, এ হামলার ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার রাতে সুজানগর থানায় দলটির জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের আসামি করে দুটি মামলা করা হয়।

ডিবির ওসি রাশিদুল ইসলাম বলেন, মামলার পর সুজানগরের বিভিন্ন স্থানে রাতভর অভিযান চালিয়ে এক নারীসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতপরিচয় আসামি রয়েছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হচ্ছে।

ঈশ্বরদীতে গাঁজাসহ একজন গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার ভোররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার দাদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ২৫০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়।

পাবনা জেলা পুলিশ জানায়, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালিত হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ঈশ্বরদী থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

জেলা পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ  জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি মাদকমুক্ত পাবনা গড়ে তুলতে জনসাধারণকে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ঈশ্বরদীতে পৃথক অভিযানে দুই মাদকসেবী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদীতে আলাদা অভিযানে দুই মাদকসেবীকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

বৃহস্পতিবার উপজেলার সাহাপুর, মুলাডুলি ও আওতাপাড়া এলাকার বিভিন্ন মাদকের আস্তানায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুজ্জামান সরকারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত এই অভিযান চালান।

আটক দুজন হলেন—উপজেলার দিয়ার সাহাপুর এলাকার ছাইদুল প্রামাণিকের ছেলে শাহীন প্রামাণিক (৪১) এবং চর সাহাপুর এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে জিন্নাহ হোসেন (৩১)।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আটক দুজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাঁদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও জরিমানা করেন। পরে তাঁদের পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঈশ্বরদী সার্কেলের পরিদর্শক মো. আব্দুর রহিম বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

ঈশ্বরদীতে অস্ত্রসহ চার যুবক র‍্যাবের হাতে আটক


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, গুলি ও বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রসহ চার যুবককে আটক করেছে র‍্যাব-১২।

সোমবার ভোরে উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের চর রূপপুর এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।

র‍্যাব-১২, সিপিসি-২ (পাবনা)–এর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার ওয়াহিদুজ্জামান গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—পাকশী ইউনিয়নের নতুন রূপপুর দক্ষিণপাড়া এলাকার ইসলাম মণ্ডলের ছেলে মো. সুপ্ত ইসলাম জীবন (২৬), একই এলাকার মৃত আমিরুল ইসলামের ছেলে মো. চঞ্চল ইসলাম নীরব (২৬), চর রূপপুর বিবিসি বাজার এলাকার খবির ইসলামের ছেলে মো. বাঁধন ইসলাম (২৩) এবং একই এলাকার আকবর মণ্ডলের ছেলে মো. শাকিল হোসেন (৩০)।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, র‍্যাব-১২ (সিরাজগঞ্জ)–এর অধিনায়কের নির্দেশনায় সোমবার ভোর সোয়া ৪টার দিকে র‍্যাবের একটি বিশেষ দল চর রূপপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় সন্দেহভাজন চার যুবককে আটক করে তাঁদের দেহ তল্লাশি ও সঙ্গে থাকা মালামাল পরীক্ষা করে একটি বিদেশি পিস্তলসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

আটকদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, পাঁচ রাউন্ড কার্তুজ, তিনটি ম্যাগাজিন, পাঁচটি ম্যাগাজিন স্লাইড, পাঁচটি ব্যারেল, তিনটি সুইচ গিয়ার চাকু, একটি হাতচাপ ব্লেড, একটি ইলেকট্রিক শুটার, ১০০টি এয়ারগানের কার্তুজ, অপরাধমূলক কাজে ব্যবহৃত নয়টি মোবাইল ফোন, ১১টি সিম কার্ড এবং দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

র‍্যাব জানায়, আটক চারজনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়েছে। পরে উদ্ধার হওয়া আলামতসহ তাঁদের ঈশ্বরদী থানায় হস্তান্তর করা হয়।

ঈশ্বরদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ১২ জনের জেল-জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ১২ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারা ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাঁদের মধ্যে সাতজনকে পাঁচ দিন থেকে তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি পাঁচজনকে শুধু অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ঈশ্বরদীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান সরকার। অভিযানে থানা-পুলিশ সহযোগিতা করে।

কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন শহরের ফতেমোহাম্মদপুর এলাকার রনি বিশ্বাস (২৩), নূরমহল্লার মো. আক্কাস (২০), পূর্ব টেংরি এলাকার বাচ্চু মিয়া (৩৫), আব্দুস সালাম তাহসিন (১৯), উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল খাঁপাড়ার মো. মিঠু (৫৫), মেরিনপাড়ার সাইফুল ইসলাম (২৭) এবং ছলিমপুর ইউনিয়নের মানিকনগর গ্রামের মো. রানা মণ্ডল (৩২)। তাঁদের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর ৩৬(৫) ধারায় সাজা দেওয়া হয়।

এ ছাড়া ছলিমপুর ইউনিয়নের মানিকনগর গ্রামের সেজান মাহমুদ বাঁধন (১৯), মাহমুদ তাসিন (২৯), সাহাপুর ইউনিয়নের মসজিদ মোড় এলাকার মো. হাফিজুল (৩০), পাকশী হরিজন কলোনির মুন্নি (৪০) এবং বহরপুর এলাকার মো. বনি (২৫)–কে মাদক আইনের আরেকটি ধারায় এক হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

রোববার বিষয়টি নিশ্চিত করে ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জামাল উদ্দিন বলেন, ‘নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান সরকারের নেতৃত্বে এবং থানা-পুলিশের সহযোগিতায় মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এর অংশ হিসেবে শনিবার দিন ও রাতে পরিচালিত অভিযানে মাদক-সংশ্লিষ্ট অভিযোগে সাতজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড এবং পাঁচজনকে এক হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।’

চিত্রা এক্সপ্রেস থেকে মাদক সিরাপসহ নারী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা থেকে খুলনাগামী আন্তনগর চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনে অভিযান চালিয়ে ৭৬ বোতল কোডিনযুক্ত আমদানি-নিষিদ্ধ মাদক সিরাপসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানা-পুলিশ।

গ্রেপ্তার হওয়া নারীর নাম মোছা. নাজমা খাতুন। তাঁর বয়স ৪৫ বছর। তিনি চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার ছোট দুধপাতিলা গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ৭৬ বোতল মাদক সিরাপের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ ২৮ হাজার টাকা।

রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনটি নাটোরের মুলাডুলি রেলওয়ে স্টেশন অতিক্রম করার সময় ট্রেনের গ বগিতে নিয়মিত তল্লাশি শুরু করেন রেলওয়ে পুলিশের সদস্যরা। এ সময় নাজমা খাতুনের আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

পরে ট্রেনটি ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনের ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মে পৌঁছালে তাঁর দেহ ও সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করা হয়। এ সময় হাতব্যাগ থেকে ৩২ বোতল ইএসকাফ এবং শরীরের সঙ্গে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ৪৪ বোতল উইংস কোডিনযুক্ত সিরাপ উদ্ধার করা হয়। এরপর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া নারীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। মাদক চোরাচালান রোধে রেলওয়ে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ঈশ্বরদীতে অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ‘টেম্পু আলম’

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীর আলোচিত খালেক খাঁন হত্যাচেষ্টা মামলার অন্যতম আসামি আলম প্রামাণিক ওরফে ‘টেম্পু আলম’কে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় তাঁর কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি তাজা গুলি ও বিভিন্ন দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। তাঁর বয়স ৪০ বছর।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পাবনার পুলিশ সুপার ছুফি উল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, চলমান অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে বুধবার রাতে ঈশ্বরদী থানা এলাকায় গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান চালায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আলমের বসতবাড়ি ও আশপাশে তল্লাশি চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি তাজা গুলি এবং বিভিন্ন দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার আলম প্রামাণিক ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের চর-রূপপুর বিশুতলা এলাকার মৃত খবির প্রামাণিকের ছেলে।

ঈশ্বরদীতে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে খালু কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদী পৌর এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে তার আপন খালুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকেলে পৌরসভার দক্ষিণ নারিচা বকুলের মোড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম রানা (৪০)। তিনি ওই এলাকার বাবুর আলীর ছেলে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় মামলা করার পর পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে তাঁকে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুর মা ঈশ্বরদী ইপিজেডের একটি কারখানায় কর্মরত। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবারও তিনি বড় বোনের বাড়িতে মেয়েকে রেখে কর্মস্থলে যান। বিকেলে শিশুটিকে ঘরে ঘুম পাড়িয়ে রেখে তার খালা গোসল করতে গেলে এই সুযোগে রানা তাকে ধর্ষণ করেন। বিকেলে কাজ থেকে ফিরে বিস্তারিত জানার পর শিশুটির মা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুর রহমান জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর মায়ের মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অপরাধ দমনে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

ঈশ্বরদীতে দাদি ও নাতনিকে হত্যা: নেপথ্যে কিশোরীর চাচার প্রতিহিংসা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী উপজেলায় দাদি ও নাতনিকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। পারিবারিক সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে শরিফুল ইসলাম শরীফ (৩৫) নামের এক ব্যক্তি এই হত্যাকাণ্ড ঘটান। অভিযুক্ত শরিফুল নিহত কিশোরীর সম্পর্কে চাচা হন। গতকাল শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন—দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর উত্তরপাড়া এলাকার সুফিয়া খাতুন (৬৫) ও তার নাতনি জামিলা আক্তার (১৫)।

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শরিফুল হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন। জানা গেছে, কিছুদিন আগে ওই কিশোরীর সঙ্গে অশালীন আচরণের চেষ্টা করেছিলেন শরিফুল। এতে বাধা পেয়ে তিনি অপমানিত বোধ করেন এবং নাতনি ও দাদির ওপর ক্ষুব্ধ হন। সেই প্রতিশোধ নিতেই তিনি এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেন।

ঘটনার রাতে ক্ষমা চাওয়ার অযুহাতে শরিফুল তাদের ঘরে প্রবেশ করেন। সেখানে তর্কের একপর্যায়ে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে দাদি ও নাতনির ওপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালান। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়।

পরদিন সকালে স্থানীয়রা ঘরটিতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। ঈশ্বরদী থানা পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় পাবনা জেলা ডিবি পুলিশ দ্রুত তদন্তে নামে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শরিফুলের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে শনিবার রাতে তাকে আটক করা হয়।

পাবনা জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, ধৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ঈশ্বরদীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার ওপর হামলা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ঈশ্বরদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম শরিফকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার দিবাগত রাত ১২টায় পাবনা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সহায়তায় ঈশ্বরদী থানা পুলিশ পাবনা শহরের ঈদগাহ পাড়ার একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিম।

থানার উপ-পরিদর্শক মো. শরিফুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তারকৃত শরিফুল ইসলাম শরিফ গত ৪ আগস্ট ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া ট্রাফিক মোড়ে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান নিশ্চিত করে পাবনা শহরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঈশ্বরদী থানার ওসি আ স ম আব্দুন নুর বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শরিফকে পাবনা শহরের একটি ভাড়া বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে আদালতের মাধ্যমে তাকে পাবনা জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

ঈশ্বরদীতে ৪ কেজি গাঁজাসহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে পাবনা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ পৃথক দুই অভিযানে ৪ কেজি গাঁজা সহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার  করেছে। 

শনিবার জেলা গোয়েন্দা শাখা মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

জানা গেছে, ওইদিন দুপুরে সরকারি সাঁড়া মাড়োয়ারী মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে অভিযান চালিয়ে ১ কেজি গাঁজা সহ দুইজনকে আটক করা হয়। রাতে উপজেলার দাশুরিয়া ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামে  অভিযানে ৩ কেজি গাঁজা সহ আরও একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

গ্রেফতারকৃতরা হলেন—কাচারীপাড়া পশ্চিম টেংরীর মৃত বাবলু আহমেদের ছেলে রাসেল আহমেদ (৩৯) ,সাঁড়া ইউনিয়নের মাজদিয়া মাদ্রাসাপাড়া এলাকার মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে আরজ খাঁ (৪৩) ও কামালপুর গ্রামে  আদম আলীর ছেলে হাফিজুর রহমান (৩৪)।

ঈশ্বরদী থানার ওসি আ স ম আব্দুন নুর জানান, গ্রেপ্তারকৃত তিনজনের বিরুদ্ধে আলাদা আলাদা  দায়ের করা হয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে।

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন