নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে পদ্মা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। এতে নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের চারণভূমি পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে গবাদিপশু পালনকারীরা খামার ও মালপত্র নিয়ে নিরাপদ এলাকায় সরে যাচ্ছেন।
শুক্রবার বিকেলে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পদ্মার পানি ১২ দশমিক ৯৪ মিটার রেকর্ড করা হয়। বিপৎসীমা ১৩ দশমিক ৮০ মিটার হওয়ায় পানি দ্রুত বাড়ছে বলে জানা গেছে।
এদিন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোছা. আকলিমা খাতুনের নেতৃত্বে একটি দল নৌকায় চরজাজিরা এলাকায় গিয়ে খামারিদের খোঁজখবর নেন। তিনি জানান, দুটি পরিবার ছাড়া সবাই তাদের পশু-পাখি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছেন। বন্যার সময় খাদ্য সংকট মোকাবেলায় খামারিরা ভুষি, ধৈঞ্চা, আখ, গমের খোসা ও গামা ঘাস ব্যবহার করছেন।
উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের চরাঞ্চলে প্রায় ৬০টি পরিবার বসবাস করে। চর ডুবে যাওয়ায় অন্তত এক হাজার মহিষ, সাড়ে চার শ গরু, পাঁচ শ পঞ্চাশ ভেড়া, দুই শ ছাগল, আড়াই শ হাঁস এবং দেশি মুরগি ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। চর ডুবে যাওয়ার পর খামারিরা নিরাপদ জায়গায় চলে যান এবং দুই মাস পর চর ভেসে উঠলে আবার ফিরে আসেন।
ডুবে যাওয়া চর এলাকার খামারি আবুল ফজল বলেন, তিনি তাঁর ১৫টি মহিষ আগেই সরিয়ে নিয়েছেন।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের পক্ষ থেকে খামারিদের বন্যাকালে গবাদিপশুর সেবা, টিকা ও কৃমিনাশক ব্যবহারের বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
.jpg)


.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)


