অভিযান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অভিযান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বরদীতে কুরিয়ার থেকে নকল ও ভেজাল ফিড জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীর সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস প্রাইভেট লিমিটেডের অফিস থেকে বিপুল পরিমাণ নকল ও ভেজাল ফিড জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঈশ্বরদী-পাবনা আঞ্চলিক সড়কে কোম্পানিটির অফিসে অভিযান পরিচালনা করে প্রায় ২০০ বস্তা এসব ফিড উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, উদ্ধারকৃত ফিডগুলো ফিস ফিড, ক্যাটল ফিড ও পোল্ট্রি ফিড হিসেবে লেবেলযুক্ত ছিল। এগুলো পাবনার আটঘড়িয়া উপজেলা থেকে বুকিং করে ঈশ্বরদীতে পাঠানো হয়েছিল।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা মৎস্য অফিসারের সহায়তায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ফিড উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় লাইসেন্স না থাকা, মান নিয়ন্ত্রণে ঘাটতি এবং উৎপাদনের তারিখ আগাম দেখানোর মতো বেআইনি কার্যক্রমের অভিযোগে এসব পণ্য জব্দ করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বাজারে নকল ও ভেজাল ফিড সরবরাহ রোধে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি। আজকের অভিযানেই যে ফিডগুলো জব্দ করা হয়েছে, তা প্রাণিসম্পদের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযানে মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ঈশ্বরদীতে পদ্মা নদীতে মাছ শিকারে নয় জেলে আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঈশ্বরদীতে পদ্মা নদীতে মাছ শিকারের অভিযোগে নয় জনকে আটক করেছে লক্ষীকুন্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। ১২ অক্টোবর রোববার দিবাগত রাত ২টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত পদ্মা নদীর পাকশী ও লালপুর পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

আটককৃতরা হলেন পাশ্ববর্তী নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার নূরুল্লাপুর এলাকার মৃত মজিবার রহমানের ছেলে ময়নাল মন্ডল ও জয়নুল আবেদীন, একই এলাকার আশরাফ প্রাংয়ের ছেলে ফরহাদ হোসেন, মৃত টেংরা সরদারের ছেলে মনিরুল ইসলাম ও শামীম সরদার, মুনসুর রহমানের ছেলে নাঈমুদ্দীন, রেজাউল সরদারের ছেলে রুবেল সরদার, রশিদ সরদারের ছেলে রহিম সরদার এবং মৃত কাশেম বিশ্বাসের ছেলে শহীদুল বিশ্বাস।

নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ খন্দকার শফিকুল ইসলাম জানান, সরকার ঘোষিত ২২ দিনের মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ইলিশ প্রজনন মৌসুমে নদীতে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যারা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মৎস্য সংরক্ষণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুদকের হঠাৎ অভিযান, দুর্নীতি-অনিয়মের তথ্য উঠে এসেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) হঠাৎ অভিযান চালিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির সন্ধান পেয়েছে। বুধবার  দুপুরে পরিচালিত এ অভিযানে নিম্নমানের খাবার পরিবেশন, প্রয়োজনীয় ওষুধের অনিয়ম এবং এক্সরে বিভাগের যন্ত্রপাতি ব্যবস্থাপনায় গোপন দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেছে।

দুদকের পাবনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাধন সূত্রধরের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়। শুরুতে হাসপাতালের বহির্ভাগে আসা রোগীদের সঙ্গে কথা বলে স্বাস্থ্যসেবা পরিস্থিতি যাচাই করা হয়। এরপর গুরুতর অনিয়মের তথ্য পেয়ে হাসপাতাল ভবনে অভিযান চালানো হয়।

জানা যায়, রোগীদের খাবারের নিয়মমাফিক তালিকা মেনে খাবার দেওয়া হয় না। প্রয়োজনীয় ওষুধ হাসপাতালে মজুদ থাকলেও তা দেওয়া হয় না, ফলে রোগীদের বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হয়। তাছাড়া, উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসাররাই ওষুধের নির্দেশনা দিচ্ছেন, যা চিকিৎসার নিয়মের বিরুদ্ধে। এক্সরে বিভাগের কাজ দীর্ঘদিন থেকে বন্ধ থাকলেও সেখানে থাকা যন্ত্রপাতির সঠিক তালিকা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দিতে পারেননি। পুরনো যন্ত্রগুলো কোথায় রাখা আছে এবং তাদের অবস্থা কী, সে বিষয়ে কেউ স্পষ্ট ধারণা দিতে পারেননি।

হাসপাতালে ভর্তি রোগী ও তাদের স্বজনরা অভিযোগ করেছেন, চিকিৎসা নিতে গিয়ে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে থাকতে হচ্ছে। শৌচাগার ব্যবহারের অযোগ্য ও রোগীদের বাজার থেকে দামি ওষুধ কিনতে হচ্ছে। তারা বলছেন, এখানে সুস্থ হওয়ার বদলে যেন অসুস্থ হয়ে ফেরার ঘটনা ঘটে।

দুদকের সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র মজুমদার জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে তারা উল্লেখযোগ্য অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছেন। হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক ব্যবস্থায় দুই দিক থেকেই সমস্যা লক্ষ্য করা গেছে। তাদের অভিযান এখনও চলমান রয়েছে।

পদ্মায় যৌথ অভিযানে অস্ত্র-মাদক ও টাকা উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীর পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে তিনটি পিস্তল, গুলি, মাদক, একটি মানুষের খুলি ও নগদ ১২ লাখ টাকার বেশি উদ্ধার করেছে যৌথ বাহিনী। এ সময় দুজনকে আটক করা হয়।

বৃহস্পতিবার  সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নদীর দিয়াড় বাহাদুরপুর এলাকায় ‘মোল্লা ট্রেডার্স’-এর বালু মহালে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশ অংশ নেয়।

আটক দুজন হলেন—মাহফুজুর রহমান সোহাগ ও আশরাফুল ইসলাম বাপ্পি।

পুলিশ জানায়, নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বালুবোঝাই নৌকা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে এ অভিযান চালানো হয়। বালু মহালে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয় তিনটি বিদেশি পিস্তল, ৪৮টি গুলি, একটি মানুষের খুলি, বেশ কিছু মাদকদ্রব্য ও নগদ ১২ লাখ ৩৬ হাজার টাকা।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, ঈশ্বরদী ও নাটোরের লালপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী মোল্লার চরে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রসহ দুজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের ঈশ্বরদীর লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে হস্তান্তর করা হয়।

লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ফিরোজ উদ্দিন বলেন, ‘আটকদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

ঈশ্বরদী আধিপত্য নিয়ে সেনাবাহিনী-র‍্যাব-পুলিশের অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে জমি দখল ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কুষ্টিয়ার ‘মুকুল বাহিনী’ আবারও শক্তি প্রদর্শন করেছে।

আজ রোববার সকালে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কয়েক দফা ফাঁকা গুলি ছুড়ে উপজেলার লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়নের চরকুড়ুলিয়া গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয় তারা। এ সময় পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন। শনিবার সকালেও ওই গ্রামে ফের গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। উত্তপ্ত পরিস্থিতি সামাল দিতে শনিবার দুপুরের পর সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশের যৌথবাহিনী অভিযান চালায়। দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলা অভিযানে চারজনকে আটক করা হয়।

তবে পুলিশ আটক ব্যক্তিদের নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেনি।

গুলিবিদ্ধদের মধ্যে রয়েছেন, চরকুড়লিয়া গ্রামের ইয়াছিন আলীর ছেলে মো. পিঙ্গু আলী এবং হাবিবুল ইসলামের ছেলে সোয়াইব হোসেন। তাদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে গুলিবিদ্ধ আরও দুইজনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

সরজমিনে দেখা যায়, চরকুড়ুলিয়া গ্রামজুড়ে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। ভীত-সন্ত্রস্ত সাধারণ মানুষ অনেকেই ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। রাস্তার মোড়ে মোড়ে সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পিকআপ ভ্যান ও মোটরসাইকেলে করে চরাঞ্চলের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে টহল দিচ্ছেন। বেশ কিছু বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। অভিযানের সময় সন্দেহভাজন চারজনকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যান।

স্থানীয় সূত্র বলছে, শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে ইয়াছিন আলীর নেতৃত্বে ৩০-৩৫টি মোটরসাইকেলযোগে একদল লোক ডিগ্রির চরে যায়। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছিল কুষ্টিয়ার মুকুল-তরিকুল বাহিনীর অন্তত ৫০ জনের একটি দল। দুই পক্ষ কাছাকাছি এলে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

চরের একজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, 'ডিগ্রির চর ঈশ্বরদী উপজেলার মধ্যে হলেও এর অনেক অংশ কুষ্টিয়ার সীমান্ত লাগোয়া হওয়ায় মুকুল বাহিনী জমিগুলো দখলে রাখতে চায়। অন্যদিকে ইয়াছিন বাহিনীও চরের দখলে মরিয়া।'

স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দা আলম মিয়া বলেন, ‘অনেক বছর পর এমন আতঙ্ক দেখলাম। শিশুরা কাঁদছে, মানুষ রাতের বেলা বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে গেছে।’

গ্রামের গৃহবধূ রোকেয়া খাতুন আতঙ্কের মধ্যে জানান, 'বাচ্চাগুলারে কোলে নিয়ে দুপুর থেকে ঘরের ভেতর লুকাইয়া ছিলাম। জানি না কখন গুলি লাগবে। এখনো ভয়ে কাঁপতেছি।'

চরকুড়ুলিয়ার কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান জানায়, 'শুক্রবার হঠাৎ গুলির শব্দে চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এখন তো জীবন বাঁচানই মুশকিল।'

স্থানীয় দোকানি আজিজুল হক বলেন, 'দোকানপাট বন্ধ। কেউ বাজারে আসে না। দুইদিনে এক টাকাও বিক্রি হয়নি। এমন চলতে থাকলে আমরা না খেয়ে মরবো।'

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বলেন, 'আধিপত্য ও চর দখল নিয়ে গোলাগুলির খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করা হয়েছে।'

পদ্মা নদীতে যৌথ প্রশাসনের অভিযান. দু'জনের অর্থদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক: পদ্মানদীর বিভিন্ন স্থানে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে ঈশ্বরদী ও কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে পাকশীর পদ্মানদীতে এ অভিযান পরিচালনা করে। এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ভেড়ামারা সীমানায় নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে দুই ব্যক্তির প্রত্যেককে ৫০ হাজার করে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

দন্ডিতরা হলেন ভেড়ামারার ফয়জুল্লাহপুর গ্রামের ইদ্রিস প্রামাণিকের ছেলে আরিফুল ইসলাম এবং একই ইউনিয়নের রায়টা গ্রামের বজলু মসলদারের ছেলে রফিকুল ইসলাম। 

ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকাশ কুমার কুন্ডু ও ঈশ্বরদীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) টি এম রাহসিন কবির এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন।

ঈশ্বরদী উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুরে পদ্মা নদীর সাঁড়াঘাট, পাকশী ও ভেড়ামারা প্রান্তে বালু উত্তোলন বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় পাকশীর নদীপ্রান্তে কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে ভেড়ামারা প্রান্তে নদীর মাঝ থেকে বালু উত্তোলনের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত 'বালুবহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ১৫ ধারা’ অনুযায়ী জড়িত দুইজনের প্রতিজনকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও সর্তক করেন। ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

ঈশ্বরদীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) টি এম রাহসিন কবির বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলন ও মাটিকাটা বন্ধে প্রশাসনের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। শীঘ্রই অভিযান চালানো হবে।
স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন