ছাত্রলীগ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ছাত্রলীগ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বরদীর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আরমান গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী উপজেলা  নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক খোন্দকার মোহাম্মদ আরমান উদ্দিন (২৮) গ্রেপ্তার হয়েছেন। তিনি পৌরসভার পূর্ব টেংরি এলাকার মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে।

শনিবার ঈশ্বরদী থানার ওসি আ স ম আব্দুন নুর এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আরমানকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত দুটি মামলার আসামি। 

ওসি আরও বলেন, “দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তাকে ঈশ্বরদী থানায় আনা হয় এবং বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার এড়াতে আরমান কিছু সময় চাঁদপুর জেলায় অবস্থান করছিলেন। সেখানে তিনি একটিবেসরকারি প্রতিষ্ঠানে তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে তার অবস্থান শনাক্ত করে বুধবার চাঁদপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পালানোর সময় বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার ঈশ্বরদী ছাত্রলীগ সভাপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আবির হাসান শৈশব (২৭) কাতারে পালানোর চেষ্টা করার সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন। শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

শৈশব পিয়ারাখালী জামতলা মহল্লার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিনের ছেলে। শুক্রবার বিকেলে বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে থেকে ধরা পড়ে।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট শহরে যুবদল কর্মী নজরুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হন। এই ঘটনায় নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে ৭১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৮০–৯০ জনকে আসামি করেন। শৈশবও ওই মামলার একজন আসামি ছিলেন।

ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম বলেন, 'ঈশ্বরদীতে যুবদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজনের নাম আদালতের নির্দেশে ইমিগ্রেশনে পাঠানো হয়েছিল। শৈশব বিমানবন্দরে পৌঁছালে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে আটক করা হয়।'

থানার ওসি আ ফ ম আব্দুর নূর বলেন, শৈশব ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার মিছিলে হামলার মামলায় এজাহারে ১০ নম্বর আসামি ছিলেন। ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে ছিলেন। শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করল সরকার

সংবাদ সাতদিন ডেস্ক: বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

বুধবার সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে গত ১৫ বছরে ছাত্রলীগ হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন, ছাত্রাবাসে হয়রানি, টেন্ডারবাজিসহ জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করে এমন বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও ছাত্রলীগ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক, ধ্বংসাত্মক ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে বলে যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে।

ফলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ এর ১৮(১) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে মামলা ও গণতদন্ত কমিশন গঠন করা হবে : হাসনাত

নিজস্ব প্রতিবেদক: গত ১৬ বছর ধরে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের দ্বারা দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিরোধীমতের ওপর হামলা-নির্যাতন, ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, জুলাই অভ্যুত্থানে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারী ছাত্রলীগের নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা ও গণতদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ। 

শনিবার রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব কথা জানান।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, গত ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে রক্তাক্ত করেছে ছাত্রলীগ। নারী শিক্ষার্থীরাও ছাত্রলীগের নৃশংসতা থেকে এদিন রেহাই পায়নি। ঢাকা মেডিকেলকে মনে হচ্ছিল কোনো যুদ্ধের আহত ক্যাম্প। এই নরপশুরা সেদিন ঢাকা মেডিকেলের ভেতর চিকিৎসাধীন অবস্থায়ও হামলার নির্মম নজির স্থাপন করেছিল। জুলাই বিপ্লবের পুরোটা সময় দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্রলীগ ধারাবাহিকভাবে হামলা চালিয়েছে এবং আন্দোলনকারীদের বিভিন্নভাবে বাধা দিয়েছে।

গণতদন্ত কমিটি গঠন ও ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে উল্লেখ করে হাসনাত বলেন, জুলাই বিপ্লবে ক্যাম্পাসগুলোতে হামলাকারী ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, হল প্রশাসন এবং শিক্ষার্থীদের নিয়ে আগামীকাল গণতদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। জুলাই বিপ্লবের আগেও গত ১৬ বছর ধরে ছাত্রলীগের যারা নানা সময়ে নৈরাজ্য, হামলা, নির্যাতন-নিপীড়নে যুক্ত ছিল, বিশ্ববিদ্যালয় ও হল প্রশাসনকে তাদের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করতে হবে। 

ছাত্রলীগকে পুনর্বাসনের সুযোগ দিলে প্রশাসনকে জবাবদিহি করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গণতদন্ত কমিটি গঠন করে হল প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন উদ্যোগ নিয়ে ছাত্রলীগের হামলাকারী ও নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করবে। এটাই জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোতে শিক্ষার্থীদের অন্যতম প্রধান দাবি। এই দাবিতে কালক্ষেপণের সুযোগ নেই। কালক্ষেপণ করে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের পুনর্বাসনের সুযোগ করে দিলে শিক্ষার্থীদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জবাবদিহি করতে হবে।

বিগত বছরগুলোতে ছাত্রলীগের নৈরাজ্য তুলে ধরে হাসনাত বলেন, গত ১৬ বছর ধরে আওয়ামী লীগের পোষ্য গুন্ডা বাহিনী ছাত্রলীগ দেশের শিক্ষাঙ্গনগুলোতে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। ছাত্রলীগ বিরোধীমতের শিক্ষার্থীদের ওপর নগ্ন হামলা, নির্যাতন ও নিপীড়ন চালিয়েছে। এমনকি ছাত্রদল, ছাত্রশিবির কিংবা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগ এনে অনেক সময় শিক্ষার্থীদের ওপরও অমানবিক নির্যাতন করেছে তারা।

ঈশ্বরদীতে ১৫ আগস্টের প্রথম প্রহরে ছাত্রলীগের মোমবাতি প্রজ্বলন


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে ১৫ আগস্টের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুসহ সকল শহীদদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বলন করেছে ছাত্রলীগ। 

বুধবার রাতে শহরের ষ্টেশন রোড আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শিরহান শরীফ তমাল, পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম লিটন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক মাসুদ রানা, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিলন মল্লিক তন্ময়, সাবেক সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রনি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুমন দাশ ও পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আবির হোসেন শৈশবসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা।

ঈশ্বরদীতে হরতালের বিপক্ষে ছাত্রলীগের মিছিল


নিজস্ব প্রতিবেদক: হরতালের নামে বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও শান্তি সমাবেশ করেছে ছাত্রলীগ। ঈশ্বরদী উপজেলা ও কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে এসব হয়।

মঙ্গলবার সকালে ঈশ্বরদী শহরের পোষ্ট অফিস মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে স্টেশন রোড পুরাতন মোটরস্ট্যান্ডে গিয়ে শান্তি সমাবেশ করে।  

পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি আবির হাসান শৈশবের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মল্লিক মিলন মাহমুদ তন্ময় ও পৌর ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মারুফ হাসান প্রমুখ।

এসময় পৌর যুবলীগের সভাপতি আলাউদ্দিন বিপ্লব, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম লিটন,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক মাসুদ রানা, যুগ্ম আহবায়ক সজিব মালিথা , উপজেলা ছাত্রলীগ সাবেক সভাপতি রাকিবুল হাসান রনিসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড ছাত্রলীগের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন ।

পাবনায় ছাত্রলীগের সভায় হামলা-ভাঙচুর, সভাপতি আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে আয়োজিত পাবনা জেলা ছাত্রলীগের বর্ধিত সভায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান সবুজ আহত হয়েছেন। ১৪ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

পাবনা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেনের ছেলে ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক নির্বাহী সদস্য মুস্তাকিম মুহিব ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শীষ হাসানের নেতৃত্বে একদল যুবক এ হামলা করেছে বলে অভিযোগ জেলা ছাত্রলীগ নেতাদের।

প্রত্যক্ষদর্শী ছাত্রলীগ নেতারা জানান, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীদের বিজয়ী করার জন্য কর্মীদের নির্দেশনা দিতে বৃহস্পতিবার দলীয় কার্যালয়ে বর্ধিত সভা আহ্বান করে জেলা ছাত্রলীগ। সভার শুরুতেই শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শ্রদ্ধা জানাতে নীরবতা পালনের সময় হঠাৎ করেই সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মুস্তাকিম মুহিব ও শীষ হাসানের নেতৃত্বে একদল যুবক এসে সভা আয়োজনে তাদের পরামর্শ নেওয়া হয়নি অভিযোগ তুলে জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মিজানুর রহমান সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক মীর রাব্বিউল ইসলাম সীমান্তকে ধমকাতে শুরু করেন।

এ সময় তারা আগতদের বসতে বললে তারা চেয়ার ভাঙচুর শুরু করেন ও ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন। আকস্মিক হামলায় নেতাকর্মীরা ছোটাছুটি শুরু করলে সভাপতি সবুজ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ সাবেক নেতারা চেয়ার তুলে আঘাত করলে কপালে লেগে আহত হন সবুজ। পরে আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করে সভাস্থল ত্যাগ করেন হামলাকারীরা। এরপর জেলা আওয়ামী লীগ নেতারা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে আবারো সভা শুরু করেন।

পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর রাব্বিউল ইসলাম সীমান্ত বলেন, কতিপয় চিহ্নিত যুবক প্রকাশ্যে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে। তারা ছাত্রলীগের কেউ না। পরিকল্পিতভাবে তারা আক্রমণ ও সভা পণ্ডের চেষ্টা করেছে। আমরা এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে আলাপ করে ব্যবস্থা নেব।

পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান বলেন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেনের ছেলে মুহিব ছাত্রলীগে সক্রিয় নয়। তারা কোনো কারণ ছাড়াই হামলা করেছে। আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব।

তবে অপ্রীতিকর ঘটনার কথা স্বীকার করলেও হামলার ঘটনায় জড়িত নন বলে দাবি মুস্তাকিম মুহিবের। 

তিনি বলেন, আমরা ছাত্রলীগের সাথে দীর্ঘদিন জড়িত। এই সভাপতি-সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার বছর পেরিয়ে গেলেও তারা কমিটি পূর্ণাঙ্গ করেনি। নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন দলীয় কার্যক্রমও তারা স্বৈরাচারী প্রক্রিয়ায় পরিচালনা করে। নির্বাচনী কমিটিগুলোতে কেন আমাদের রাখা হচ্ছে না তা জানতে আমরা গিয়েছিলাম। এ সময় তারা আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করলে বঞ্চিত কর্মীদের মধ্যে কিছুটা উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বিষয়টিকে হামলা বলে ঘটনা ভিন্ন দিকে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে।

এ ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। দলীয় কার্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পাবনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রওশন আলী বলেন, জেলা ছাত্রলীগের সভায় একটি ঘটনা ঘটেছে। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কেউ অভিযোগ দেয়নি।

ঈশ্বরদীতে কৃষকের ধান কেটে দিল ছাত্রলীগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে দরিদ্র কৃষক জলিল প্রমানিকের ধান কেটে দিয়েছেন সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের কর্মীরা।

শনিবার সকালে ছাত্রলীগ সমর্থক সোহানুর রহমান সোহানের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক কর্মী উপজেলা সদরের পিয়ারাখালী একালায় ওই কৃষকের দশ শতক জমির ধান কেটে দেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সোহানুর রহমান সোহান বলেন, ‘যেকোনও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সাধারণ মানুষের পাশে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তারা অসহায় মানুষের ধান কেটে দিচ্ছেন। আগামীতেও মানুষের পাশে থেকে মানুষের সেবা করবে ছাত্রলীগ।’

ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মল্লিক মিলন মাহমুদ তন্ময় বলেন, ‘ছাত্রলীগের কর্মীরা ধান কেটে অসহায় মানুষের পাশে থেকে সহযোগিতা করছে। আগামীতেও ছাত্রলীগ মানুষের সেবার জন্য কাজ করবে।’

কৃষক জলিল প্রমানিক বলেন, ‘ছাত্রলীগের তরুণ নেতাকর্মীরা তপ্ত রোদে ধান কেটে মানুষকে সাহায্য করছেন।’

ধান কাটায় অংশ নেন– মাহফুজুর আলম ইমন, জিসান হোসেন, রিফাত হোসেন, রাজু, জুবাইদ ইবনে জামান ও মাহিম শেখ প্রমুখ।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন