পুলিশ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
পুলিশ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বরদীতে জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষ: পাল্টাপাল্টি মামলা


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে গত বৃহস্পতিবার বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের পর দুই দল পাল্টাপাল্টি মামলা করেছে। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ. স. ম. আব্দুন নুর শনিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে দুপুরে মামলা দুটি নথিভুক্ত হয়েছিল।

ওসি জানান, সাহাপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক মক্কেল মৃধার ছেলে বাঁধন হাসান আলিম ৩২ জন জামায়াত নেতার নাম উল্লেখ করে ঈশ্বরদী থানায় মামলা করেছেন। এছাড়া আরও ১৫০ থেকে ২০০ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে পাবনা জেলা জামায়াতের আমির ও পাবনা-৪ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডলকে।

অপরদিকে, ঈশ্বরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইদুল ইসলাম ৩৮ জন বিএনপির নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে সাহাপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক মক্কেল মৃধাকে। এছাড়া ১০০ থেকে ১৫০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে অধিকাংশ পাবনা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের আত্মীয় ও অনুসারী।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটায় ঈশ্বরদী উপজেলার চর গড়গড়ি গ্রামে জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নিরাপত্তা জোরদার করতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গ্রেপ্তার এড়াতে অনেক নেতা-কর্মী এলাকা থেকে সরে পড়েছেন।

এদিকে শনিবার বিকেলে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব পাবনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, ‘জামায়াতের লোকজন গ্রামের মহিলা ভোটারদের বিভ্রান্ত করছে। এতে জনতা তাদের প্রচারণার প্রতিবাদ করেছে। তারা চর গড়গড়ি গেলে স্থানীয়রা তাদের ধাওয়া করে। একপর্যায় তারা স্থানীয় বাসিন্দা ও বিএনপি সমর্থকদের ওপর গুলি চালায় এবং হামলা চালায়।’

হাবিব আরও জানান, ‘তুষার নামের একজন জামায়াত কর্মী, যিনি মনোনীত প্রার্থী তালেবের ঘনিষ্ঠ সহযোগী, সংঘর্ষের সময় আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে ধরেছিলেন। একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এই ঘটনায় বিএনপির ১১ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।’

অন্যদিকে একই দিন বিকেলে ঈশ্বরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামী তাদের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রতিবাদে এবং হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করে।

জামায়াত নেতারা দাবি করেছেন, ‘হামলায় আমাদের ৫০ জনের বেশি সদস্য আহত হয়েছেন। পাশাপাশি শতাধিক মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’

সংঘর্ষের সময় আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডল বলেন, ‘যে ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্র বহন করছিল, তাকে চিনি না। এটি আমাদের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির সমর্থকেরা আমাদের লোকদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এখন তারা আমাদের দোষারোপ করছে।’

ঈশ্বরদীতে যুবকের মরদেহ উদ্ধার


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে বেকারত্ব আর অনলাইন জুয়ার আসক্তি থেকে চরম হতাশায় নিজের জীবন শেষ করেছেন মো. সেলিম (২৪) নামে এক যুবক।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পাকশী যুক্তিতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সেলিম নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার থানাইখাড়া গ্রামের বাবু হোসেনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, প্রায় ছয় মাস ধরে স্ত্রী খাদিজা ও তিন বছর বয়সী মেয়ে সাবিহাকে নিয়ে পাকশী যুক্তিতলা এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন সেলিম। তার স্ত্রী খাদিজা ঈশ্বরদী ইপিজেডের ‘আইএম বিডি’ নামে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় কাজ শেষে বাসায় ফিরে খাদিজা দেখেন, সেলিম গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

এ সময় ঘর থেকে একটি চিঠি পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, মৃত্যুর আগে সেলিম চিঠিটি লিখে গেছেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সেলিম দীর্ঘদিন ধরে বেকার ছিলেন এবং অনলাইন জুয়ায় আসক্ত হয়ে পড়েন। এতে পরিবারের অনেক টাকা নষ্ট হয়। টানা ক্ষতি আর কাজ না পাওয়ার হতাশায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।

পাকশী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।’

ঈশ্বরদীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার ওপর হামলা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ঈশ্বরদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম শরিফকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার দিবাগত রাত ১২টায় পাবনা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সহায়তায় ঈশ্বরদী থানা পুলিশ পাবনা শহরের ঈদগাহ পাড়ার একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিম।

থানার উপ-পরিদর্শক মো. শরিফুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তারকৃত শরিফুল ইসলাম শরিফ গত ৪ আগস্ট ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া ট্রাফিক মোড়ে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান নিশ্চিত করে পাবনা শহরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঈশ্বরদী থানার ওসি আ স ম আব্দুন নুর বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শরিফকে পাবনা শহরের একটি ভাড়া বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে আদালতের মাধ্যমে তাকে পাবনা জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

ঈশ্বরদীর ধান খেত থেকে ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে এক বৃদ্ধের লাশ ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সকাল ৮টার দিকে উপজেলা সদরের ফতেমোহাম্মদপুর বেনারসি পল্লির কাছে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম সিরাজুল ইসলাম (৫০)। তিনি ফতেমোহাম্মদপুর প্রামাণিকপাড়ার মৃত কেটি আহমেদের ছেলে।

সিরাজুল ইসলামের বোন রাশেদা বেগম জানান, 'শনিবার রাত ১০টার পর তিনি খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। কিন্তু সকালে ঘুম থেকে উঠে জানতে পারেন তাঁর ভাইয়ের লাশ ধানক্ষেতে পড়ে আছে।'

থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, লাশটি তাঁর বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে একটি ধানক্ষেতে পাওয়া যায়। ঘটনাস্থল থেকে এক ব্যাগ কাঁচা কলা এবং এক জোড়া স্যান্ডেলও উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ আরও জানায়, নিহত সিরাজুল ইসলাম কোনো স্থায়ী কাজ করতেন না, তিনি মূলত ভবঘুরে জীবন যাপন করতেন। তাঁর স্ত্রী প্রায় ১২ বছর আগে মারা গেছেন, এবং তাঁর ১৫ বছর বয়সী এক প্রতিবন্ধী ছেলে আছে।

ঈশ্বরদী থানার ওসি আ. স. ম. আব্দুন নুর জানান, 'খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।'

ঈশ্বরদীতে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে সুষ্ঠুভাবে উদযাপন নিশ্চিত করতে পুলিশের প্রস্তুতিমূলক সভা হয়েছে। বৃহস্পতিবার থানার মিলনায়তনে আয়োজন করা হয় এই সভা।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার। সভার সভাপতিত্ব করেন থানার অফিসার ইনচার্জ আ. স. ম. আব্দুন নূর।

এ সময় ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক আব্দুল আল মাহমুদ, আমবাগান পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আফজাল হোসেন, পাকশী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম এবং রূপপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নয়ন কুমার সাহা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের উপজেলা সভাপতি সুনীল চক্রবর্তি ও সাধারণ সম্পাদক গণেশ সরকার, মৌবাড়ি ও ঠাকুরবাড়ি মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি স্বপন কুমার কুন্ডু ও সাধারণ সম্পাদক রাজেশ সরাফ, উপজেলা হিন্দু মহাজোটের সাধারণ সম্পাদক দেব দুলাল রায়সহ উপজেলার সকল পূজা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা সভায় অংশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনায় তিনজন আটক, ল্যাপটপ ফেরত

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিক চুরির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় চুরি হওয়া দুটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার রাতে পৌরসভার ইস্তা গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আত্মগোপনে থাকা তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন- নাটোরের লালপুর উপজেলার দক্ষিণ লালপুর কলোনির আসাদুল ইসলাম ও শামীম মণ্ডল, এবং দিনাজপুরের কোতোয়ালি থানার মো. রনি।

পুলিশ জানায়, আসামি শামীম মণ্ডলের কাছ থেকে ঈশ্বরদী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে চুরি হওয়া দুটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিন থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

গত ১৮ আগস্ট সোমবার রাতে শহরের স্টেশন সড়কের পাশে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন বিদ্যালয়ে তালা ভেঙে দুটি ল্যাপটপ চুরি হয়। পরের দিন রাতে পূর্বটেংরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে তালা ভেঙে প্রবেশ করে ফাইলপত্র তছনছ করা হলেও ল্যাপটপ নিতে ব্যর্থ হয় চোরেরা। সেখান থেকে মাত্র ২১৭ টাকা চুরি হয়েছে।

ঈশ্বরদী থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত অভিযান চালিয়ে চোর চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।

ঈশ্বরদীর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আরমান গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী উপজেলা  নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক খোন্দকার মোহাম্মদ আরমান উদ্দিন (২৮) গ্রেপ্তার হয়েছেন। তিনি পৌরসভার পূর্ব টেংরি এলাকার মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে।

শনিবার ঈশ্বরদী থানার ওসি আ স ম আব্দুন নুর এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আরমানকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত দুটি মামলার আসামি। 

ওসি আরও বলেন, “দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তাকে ঈশ্বরদী থানায় আনা হয় এবং বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার এড়াতে আরমান কিছু সময় চাঁদপুর জেলায় অবস্থান করছিলেন। সেখানে তিনি একটিবেসরকারি প্রতিষ্ঠানে তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে তার অবস্থান শনাক্ত করে বুধবার চাঁদপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পালানোর সময় বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার ঈশ্বরদী ছাত্রলীগ সভাপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আবির হাসান শৈশব (২৭) কাতারে পালানোর চেষ্টা করার সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন। শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

শৈশব পিয়ারাখালী জামতলা মহল্লার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিনের ছেলে। শুক্রবার বিকেলে বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে থেকে ধরা পড়ে।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট শহরে যুবদল কর্মী নজরুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হন। এই ঘটনায় নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে ৭১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৮০–৯০ জনকে আসামি করেন। শৈশবও ওই মামলার একজন আসামি ছিলেন।

ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম বলেন, 'ঈশ্বরদীতে যুবদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজনের নাম আদালতের নির্দেশে ইমিগ্রেশনে পাঠানো হয়েছিল। শৈশব বিমানবন্দরে পৌঁছালে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে আটক করা হয়।'

থানার ওসি আ ফ ম আব্দুর নূর বলেন, শৈশব ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার মিছিলে হামলার মামলায় এজাহারে ১০ নম্বর আসামি ছিলেন। ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে ছিলেন। শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিট পুলিশিং সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক: চুরি, ছিনতাই, মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, জুয়া ও ইভটিজিংসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে ঈশ্বরদী পৌরসভার মুশুড়িয়াপাড়ায় বিট পুলিশিং সভা হয়েছে।

বুধবার বিকেলে মুশুড়িয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করে সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি।

সভায় সভাপতিত্ব করেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শেখ আব্দুল হাই। প্রধান অতিথি ছিলেন ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রনব কুমার। সঞ্চালনায় ছিলেন আতাউর রহমান বাবলু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঈশ্বরদী থানার ওসি আ.স.ম. আব্দুন নুর, আমবাগান পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আফজাল হোসেন এবং মুশুড়িয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মোস্তাফিজুর রহমান রবি।

এছাড়া বক্তব্য দেন বাঘইল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সিরাজ উদ্দিন, ব্যবসায়ী মো. আসাদুজ্জামান, ছাত্রদল নেতা নাসির হোসেন, শিক্ষক শাহেনেওয়াজ সানজু, এনজিও পরিচালক মনোয়ার হোসেন, শিক্ষক ইউনুছ আলী, সমাজসেবক আবুল বাসার লিমন, আবুল কালাম ও ফিরোজ বিশ্বাস।

সভায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষকমণ্ডলী, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী জুবায়ের হোসেন বাপ্পী।

ঈশ্বরদীতে ৭ বছর আত্মগোপনে, শেষ রক্ষা হলো না মকলেছের

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদীতে চুরি, ছিনতাই, খুন, মারামারি ও ডাকাতির মতো একাধিক অপরাধে জড়িত পলাতক এক আসামিকে সাত বছর পর গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার রাতে ঈশ্বরদী থানার উপপরিদর্শক (এএসআই) ওবাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে শহরের পিয়ারাখালি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে ধরা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া ওই ব্যক্তির নাম মকলেছ (৪০)। তিনি উপজেলার গোকুলনগর এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মঞ্জিল সরকার।

পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন মকলেছ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাই, খুন, মারামারি ও ডাকাতিসহ মোট ১৩টি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় একাধিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল।

এএসআই ওবাইদুল ইসলাম বলেন, ‘আসামিকে বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠানো হবে। আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।’

ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ হাওয়া আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার বিকেলে শহরের মধ্য অরণকোলা এলাকার একটি বাড়ি থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মতলেবুর রহমান মিনহাজ ফকিরকে আটক করা হয়।

এর আগের দিন শুক্রবার রাতে উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. নাজিম উদ্দিন রনিকে শহরের একটি ইটভাটা থেকে গ্রেপ্তার করে  থানা পুলিশ। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম খানের ছেলে।

ঈশ্বরদী থানার ওসি আ স ম আব্দুন নূর বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এ দুজন এজাহারভুক্ত আসামি। ঘটনার পর থেকে তাঁরা পলাতক ছিলেন। গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও জানান, হামলার মামলার অন্য আসামিদের আটকে অভিযান চলমান রয়েছে।

ঈশ্বরদীতে ছাত্র আন্দোলন হামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ওপর হামলার অভিযোগে রিফাত হাসান উচ্ছ্বাস (২৯) নামে এক যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে তাকে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে শহরের শেরশাহ রোডের একটি বাসা থেকে উচ্ছ্বাসকে আটক করা হয়। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহজাবিন শিরিন পিয়ার ছেলে।

ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম বলেন, মামলায় উচ্ছ্বাস ১৪ নম্বর আসামি ছিলেন। হামলার সময় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজ পরীক্ষা করে তাকে শনাক্ত করা হয়। পরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঈশ্বরদীতে একনলা বন্দুক ও গুলি উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদীর ফতেমোহাম্মদপুর এলাকা থেকে একটি একনলা বন্দুক ও একটি গুলি উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। 

সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পরিত্যক্ত অবস্থায় এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি বুধবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেন পাবনা ডিবির ওসি মো. রাশিদুল ইসলাম। 

ডিবি সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি লোডেড ওয়ান শুটারগান ও একটি গুলি পাওয়া যায়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ওসি রাশিদুল ইসলাম। তাঁর সঙ্গে ছিলেন এসআই বেনু রায় ও অসিত কুমার বসাকসহ পুলিশের একটি দল। 

উদ্ধার করা অস্ত্র ও গুলির বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

ঈশ্বরদীতে বিপুল পরিমাণ নকল আকিজ বিড়ি জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদীতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল আকিজ বিড়ি জব্দ করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে ঈশ্বরদী থানা ভবনের সামনে এস এ পরিবহন কুরিয়ার সার্ভিসের সামনে থেকে এসব বিড়ি উদ্ধার করা হয়।

ঈশ্বরদী আমবাগান পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম জানান, নকল আকিজ বিড়িগুলো বিভিন্ন জেলায় পাঠানোর প্রস্তুতি চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সেগুলো জব্দ করা হয়। তবে দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেও এর সঙ্গে জড়িত কাউকে শনাক্ত করা যায়নি। পরে এস এ পরিবহনের কুরিয়ার অফিসের সামনের একটি ভুটভুটি (ইঞ্জিনচালিত যান) থেকে ২০ কার্টন ও ১৫ বস্তা বিড়ি জব্দ করা হয়।

পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত বিড়িতে মোট ২০ হাজার প্যাকেট বা প্রায় ৫ লাখ শলাকা ছিল, যার বাজারমূল্য প্রায় তিন লাখ টাকা। জব্দকৃত বিড়িগুলো ঈশ্বরদী থানায় রাখা হয়েছে।

ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। উদ্ধারকৃত পণ্য কাস্টমস অফিসকে দেখানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ঈশ্বরদী থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বদলি


নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলামকে জয়পুরহাটে বদলি করা হয়েছে।

গত রোববার রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে বদলির কারণ হিসেবে 'জনস্বার্থ' শব্দটি উল্লেখ করা হয়েছে। তবে জেলা পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এটি নিয়মিত রদবদলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

২০২৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পাবনা সদর থানায় তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় শহিদুল ইসলাম ঈশ্বরদী থানায় ওসি হিসেবে যোগ দেন।

ঈশ্বরদীতে পুলিশের অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে অভিযান চালিয়ে একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার গভীর রাতে উপজেলার পাকুরিয়া ডিগ্রীপাড়া এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ঈশ্বরদী থানা সূত্রে জানা গেছে, কয়েকজন ব্যক্তি ঈশ্বরদী-পাবনা সড়কের পাশে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করছে—এমন তথ্য পেয়ে পুলিশের একটি দল সেখানে পৌঁছায়। তবে পুলিশ উপস্থিত হওয়ার আগেই তারা পালিয়ে যায়।

পরে এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে সড়কের পাশের একটি জঙ্গলের মধ্যে লুকিয়ে রাখা একটি একনলা বন্দুক উদ্ধার করা হয়। আগ্নেয়াস্ত্রটি লোহার তৈরি এবং তাতে ‘বারমা’ লেখা রয়েছে।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, 'আগ্নেয়াস্ত্রটি জব্দ করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।'

ঈশ্বরদীতে বিএনপি নেতা গুলির ঘটনায় মাইকেল গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদীতে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 বৃহস্পতিবার রাতে পাবনা শহরে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া যুবকের নাম তানভীর ইসলাম সুমন ওরফে মাইকেল (৩২)। তিনি উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের কারিগরপাড়া এলাকার সিদ্দিক ড্রাইভারের ছেলে।

ঈশ্বরদী থানার ওসি শহীদুল ইসলাম জানান, গোপন খবরের ভিত্তিতে পাবনা ডিবি ও ঈশ্বরদী থানা পুলিশের যৌথ দল অভিযান চালিয়ে মাইকেলকে ধরে ফেলে। পরে আদালতে হাজির করা হলে, সে নিজেই দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

পুলিশ বলছে, বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যাচেষ্টা মামলায় মাইকেল গুরুত্বপূর্ণ আসামি। তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে

ঈশ্বরদীতে দুই মোটরসাইকেল চোর গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী থানা পুলিশের অভিযানে দুটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতের মাধ্যমে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজীপুর মন্ডলপাড়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে মো. বাদশা (২৫) এবং কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বাহিরমাদী পোয়ালবাড়ী গ্রামের পলান মন্ডলের ছেলে আজিজুল ইসলাম (২৮)।

থানা সূত্র জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার ঈশ্বরদী থানায় মোটরসাইকেল চুরির একটি মামলা দায়ের হয়। মামলার ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের রূপপুর বাসস্ট্যান্ড মোড় থেকে প্রথমে বাদশাকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যে অভিযান চালিয়ে আজিজুলকেও আটক করে পুলিশ। অভিযানে দুইটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

ঈশ্বরদী থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিগত এক মাসে আমাদের অভিযানে মোট ১৪টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার এবং ১২ জন চোরচক্রের সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছে। বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

ঈশ্বরদীতে ডিবি পুলিশ সেজে বিকাশে টাকা আদায়, দুই যুবক গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদীতে পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) সদস্য পরিচয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে বিকাশে ১৫ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ঈশ্বরদী উপজেলার লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়নের পাকুড়িয়া এলাকার এমপি মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী সুজন নামের এক ব্যক্তি জানান, দুই যুবক নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার কাছ থেকে বিকাশে ১৫ হাজার টাকা আদায় করে। পরে তিনি বিষয়টি ঈশ্বরদী থানায় জানান।

খবর পেয়ে রাতেই অভিযান চালিয়ে থানা পুলিশ ওই দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—ঈশ্বরদীর লক্ষীকুন্ডা গ্রামের সান্টু মণ্ডলের ছেলে মো. জনি ইসলাম এবং সাহাপুর ইউনিয়নের চরসাহাপুর গ্রামের টোকন প্রামাণিকের ছেলে মেহেদী।

ঈশ্বরদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আতাউল ইসলাম বলেন, 'গ্রেপ্তার হওয়া যুবকেরা ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা নিয়েছে।'

থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম বলেন, 'তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।'

এজলাসে পুলিশকে মারধর, ঈশ্বরদীর বিএনপি ৬ নেতাকর্মী আটক

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাবনায় আদালতের ভেতরে শুনানি চলাকালে ভিডিও ধারণ করতে বাধা দেওয়ায় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বিএনপির ৬ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে পাবনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃতরা হলেন- ঈশ্বরদী উপজেলা সদরের ফতে মোহাম্মদপুর নিউ কলোনি এলাকার মৃত আব্দুল ওহাবের ছেলে এবং ঈশ্বরদী পৌর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আওয়াল কবির (৩৮), হাবিবুর রহমানের ছেলে ও পৌর ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রত্যাশী সরোয়ার জাহান শিশির (৩৩), দাশুড়িয়া গ্রামের মৃত আমজাদ খানের ছেলে ও দাশুড়িয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কালাম খান (৪০), এমএস কলোনি এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে ও পৌর ৪নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রুবেল হোসেন (৩৩), লোকসেড গাউছিয়া মসজিদ এলাকার মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে সবুজ হোসেন (৩৫) এবং ভাঁড়ইমারী বাঁশেরবাদা গ্রামের মৃত আব্দুল গাফফার সরদারের ছেলে ডালিম সলিমপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের সদস্য জহুরুল ইসলাম।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ২০২৩ সালের ১৫ নভেম্বর ঈশ্বরদীতে তৎকালীন আওয়ামী লীগের সময় নাশকতার একটি মামলার শুনানি ছিল। সেই মামলায় আটককৃতরা হাজিরা দিতে এসেছিলেন। হাজিরা চলা অবস্থায় তারা এজলাসে দাঁড়িয়ে ছবি তুলতে থাকেন। এ সময় সেখানে থাকা পুলিশ সদস্য শাহ আলম তাদের ছবি তুলতে বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই পুলিশ‌সদস্যকে মারধর করেন। এ সময় আদালতের আইনজীবী ও উপস্থিত লোকজন তাকে উদ্ধার করেন। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে আদালতের শুনানি শেষে তাদের আটক করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পরিদর্শক (কোর্ট ইন্সপেক্টর) রাশেদুল ইসলাম জানান, সঙ্গে সঙ্গে ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। 

এ বিষয়ে পাবনা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আইনজীবী মাসুদ খন্দকার বলেন, আদালতের এজলাসে এ ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়ার মতো নয়। বিএনপির কেউ যদি সত্যিই এমন ঘটনা ঘটিয়ে থাকে তবে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন