যুবলীগ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
যুবলীগ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বরদীতে যুবলীগের ঝটিকা মিছিল, এক নেতা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিলের পর আতিকুর রহমান (৪০) নামের এক যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার বিকেলে ঈশ্বরদী পৌর শহরের অরণকোলা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আতিকুর রহমান পৌর শহরের অরণকোলা এলাকার রহমত আলী রুনুর ছেলে। তিনি ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী আমবাগান পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আফজাল হোসেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ভোরে ঈশ্বরদী-ঢাকা মহাসড়কের হাড়ুখালি এলাকায় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শিরহান শরীফ তমালের নির্দেশ ও হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে একটি ঝটিকা মিছিল বের হয়। মিছিলে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পর মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় রাজনীতিতে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। পরে বিকেলে অভিযান চালিয়ে যুবলীগ নেতা আতিকুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ঈশ্বরদী আমবাগান পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আফজাল হোসেন জানান, প্রথমে তাঁকে ফাঁড়িতে রাখা হলেও পরে ঈশ্বরদী থানায় স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হতে পারে।

ঈশ্বরদীতে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় চা বিক্রেতা গ্রেপ্তার


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় এক চা বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার দিবাগত রাত প্রায় ১১টার দিকে পৌর এলাকার নারিচা স্কুলপাড়া গ্রামে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মো. মাহাবুল (৩৫) ওই এলাকার মৃত হাজীরুদ্দীনের ছেলে।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সাবেক ভূমিমন্ত্রীর বাসভবনে অনুষ্ঠিত একটি গোপন বৈঠককে কেন্দ্র করে দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলার তদন্তে মাহাবুলের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ওসি আরও বলেন, মামলার প্রধান আসামিসহ পলাতক অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে।

ভাঙ্গুড়ায় যুবলীগ নেতা আটক, বিক্ষোভের পর ছেড়ে দিল পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাবনার ভাঙ্গুড়ায় রিপন সরকার নামে এক যুবলীগ নেতাকে আটক করে থানায় নেওয়ার পর ছাত্রদল নেতা ও গ্রামবাসীর বিক্ষোভের মুখে তাঁকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, নাশকতার ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে তাঁকে আটক করা হয়েছিল।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এর আগে সন্ধ্যায় উপজেলার পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের পাটুলীপাড়া গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে রিপন সরকারকে আটক করে পুলিশ। তিনি ওই গ্রামের হাবিবুর সরকারের ছেলে এবং ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাশকতায় জড়িত থাকার সন্দেহে রিপন সরকারকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়। রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাঁকে ছাড়িয়ে নিতে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম সোহেলের নেতৃত্বে দুই শতাধিক গ্রামবাসী থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। পরে পুলিশ তাঁদের সরিয়ে দেয়। এরপর ওসির কক্ষে পুলিশ, ছাত্রদল নেতা শফিকুল ইসলাম সোহেল এবং গ্রামের কয়েকজন শীর্ষ ব্যক্তি আলোচনায় বসেন। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে রিপন সরকারকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ সময় উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম সোহেল বলেন, তাঁদের গ্রামের স্বার্থে একটি খাসজমির ওপর বাজার বসানো হয়েছে। এ নিয়ে গ্রামে বিরোধ চলছে। এক ব্যক্তির স্বার্থে রিপন সরকারকে থানায় আটক করে আনা হয়েছে। তাই তাঁরা থানায় গিয়েছিলেন।

ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকিউল আজম বলেন, রিপন সরকার ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি। নাশকতার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে তাঁকে আটক করে থানায় আনা হয়েছিল। তবে তাঁর সম্পৃক্ততার প্রমাণ না পাওয়ায় মুচলেকা নিয়ে গ্রামবাসীর জিম্মায় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ হাওয়া আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার বিকেলে শহরের মধ্য অরণকোলা এলাকার একটি বাড়ি থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মতলেবুর রহমান মিনহাজ ফকিরকে আটক করা হয়।

এর আগের দিন শুক্রবার রাতে উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. নাজিম উদ্দিন রনিকে শহরের একটি ইটভাটা থেকে গ্রেপ্তার করে  থানা পুলিশ। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম খানের ছেলে।

ঈশ্বরদী থানার ওসি আ স ম আব্দুন নূর বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এ দুজন এজাহারভুক্ত আসামি। ঘটনার পর থেকে তাঁরা পলাতক ছিলেন। গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও জানান, হামলার মামলার অন্য আসামিদের আটকে অভিযান চলমান রয়েছে।

ঈশ্বরদীতে ছাত্র আন্দোলন হামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ওপর হামলার অভিযোগে রিফাত হাসান উচ্ছ্বাস (২৯) নামে এক যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে তাকে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে শহরের শেরশাহ রোডের একটি বাসা থেকে উচ্ছ্বাসকে আটক করা হয়। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহজাবিন শিরিন পিয়ার ছেলে।

ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম বলেন, মামলায় উচ্ছ্বাস ১৪ নম্বর আসামি ছিলেন। হামলার সময় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজ পরীক্ষা করে তাকে শনাক্ত করা হয়। পরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি : সুব্রত পাল


নিজস্ব প্রতিবেদক: কেন্দ্রীয় যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুব্রত পাল বলেছেন, আমি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি। পার্টির পক্ষ থেকেও দলীয় নেতাকর্মীদের নৌকা ছাড়াও যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট দেওয়ার ব্যাপারে স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। আমার এলাকার মানুষ সুন্দর, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যাশা করে। তারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে চায়। আমি মনে করি এখন তাদের সে সুযোগ তৈরি হয়েছে। 

১২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন ভবনে আপিল শুনানিতে কিশোরগঞ্জ- ৫ আসনে প্রার্থীতা ফেরত পাওয়ার পর তিনি এসব কথা বলেন।

তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সুব্রত পাল বলেন, আমি প্রথমে মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই এবং কমিশনকে ধন্যবাদ জানাই আমার প্রার্থীতা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য। আমি খুবই আনন্দিত। আমার এলাকার মানুষও খুব আনন্দিত। নিকলি-বাজিতপুরের মানুষ সুন্দর, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে চায়। আমি মনে করি এখন তাদের সে সুযোগ তৈরি হয়েছে। 

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যেই অবাধ, নিরপেক্ষ এবং উৎসবমুখর নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। সেজন্য তিনি দলের প্রার্থীর পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন। আমি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি। পার্টির পক্ষ থেকেও কিন্তু যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সেজন্য দলীয় নেতাকর্মী বিশেষ করে এলাকার জনগণ তাদের ইচ্ছেমতো জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারবেন। আমি আশা করি নিকলি-বাজিতপুরের মানুষ আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে আমাকে জয়ী করবেন।

বিএনপি নির্বাচনে আসছে না, বিষয়টি আপনি কীভাবে দেখছেন— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা বরাবরই দেখেছি— বিএনপি আন্দোলনে ব্যর্থ, জনগণ থেকে প্রত্যাখ্যাত এবং নির্বাচনে পরাজিত। এখন তারা আবার নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।

উল্লেখ্য, কিশোরগঞ্জ- ৫ আসনে সুব্রত পালের দাখিল করা হলফনামায় দুটি মামলার তথ্য উল্লেখ নেই এমন অভিযোগের ভিত্তিতে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। যা তিনি আজ শুনানির মাধ্যমে ফেরত পেলেন। 

যুবলীগ কর্মীর হাত-পা ভেঙে পায়ের রগ কেটে দিলো প্রতিপক্ষ!


নিজস্ব প্রতিবেদক: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে তৌহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক যুবলীগ কর্মীকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দিয়ে রগ কেটে দিয়েছে প্রতিপক্ষের লোকজন। 

৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বৌবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে রাত ৩টার দিকে স্বজনরা তৌহিদুলকে উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

আহত তৌহিদুল ইসলাম রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের কামলা গ্রামের আমির হোসেন ছেলে। তিনি বিদ্যুৎ বিভাগের ঠিকাদারি করেন।

অন্যদিকে, এ ঘটনার জের ধরে ৬ ডিসেম্বর বুধবার সকাল ৯টার দিকে কামলা বাজার এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে দু'দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও মারপিটের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

আহত তৌহিদুলের বাবা আামির হোসেন বলেন, গতকাল রাতে সাবেক ইউপি সদস্য শাহজাহানের নেতৃত্বে রফিক, হাসিব, আক্কাস ও দুইজন ভাড়াটে সন্ত্রাসী আমার ছেলের ওপর হামলা করেছে। আমার ছেলে রফিক, হাসিব ও আক্কাসকে চিনতে পেরেছে বলে আমাদের জানিয়েছে। তৌহিদুলের হাত-পা ভেঙে দিয়েছে, ডান পায়ের রগ কেটে দিয়েছে তারা। ইউপি নির্বাচনের সময় সাবেক ইউপি সদস্য শাহজাহানের নির্বাচন না করে মো. আসলাম শিকদার ছিন্টুর নির্বাচন করেছিল আমার ছেলে। এ কারণে শাহজাহান খুবই ক্ষিপ্ত ছিল। এছাড়া সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীেত প্রার্থী এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগের নির্বচনী কাজ করার কারণেও শাহজাহান ও তার লোকজন ক্ষিপ্ত ছিল।

তৌহিদুল ইসলামের স্ত্রী সালমা বেগম বলেন,  আমার স্বামীর অবস্থা খুবই খারাপ। যারা আমার স্বামীর উপর হামলা করেছে আমি তাদের বিচার চাই।

এ বিষয়ে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল আলীম বলেন, এলাকায় দলের মধ্যে গ্রুপিং রয়েছে। দুই গ্রুপের দ্বন্দে তৌহিদুল ইসলামের ওপর এই হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। সে দীর্ঘদিন ধরে যুবলীগের একজন সক্রীয় কর্মী। তবে কারা  হামলা করেছে এ বিষয়ে কিছু বলেননি এই জনপ্রতিনিধি।

মোরেলগঞ্জ থানা পুলিশের ওসি তদন্ত মো. শাহজাহান হাওলাদার বলেন, আহত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ দেয়নি। তারা অভিযোগ দিলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন