বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পাকশী যুক্তিতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সেলিম নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার থানাইখাড়া গ্রামের বাবু হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, প্রায় ছয় মাস ধরে স্ত্রী খাদিজা ও তিন বছর বয়সী মেয়ে সাবিহাকে নিয়ে পাকশী যুক্তিতলা এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন সেলিম। তার স্ত্রী খাদিজা ঈশ্বরদী ইপিজেডের ‘আইএম বিডি’ নামে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় কাজ শেষে বাসায় ফিরে খাদিজা দেখেন, সেলিম গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এ সময় ঘর থেকে একটি চিঠি পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, মৃত্যুর আগে সেলিম চিঠিটি লিখে গেছেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সেলিম দীর্ঘদিন ধরে বেকার ছিলেন এবং অনলাইন জুয়ায় আসক্ত হয়ে পড়েন। এতে পরিবারের অনেক টাকা নষ্ট হয়। টানা ক্ষতি আর কাজ না পাওয়ার হতাশায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।
পাকশী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।’

