লাশ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
লাশ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বরদীতে ভাড়া বাসা থেকে ছাত্রদল নেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে ভাড়া বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় ফসিউল আলম অনীক (৩০) নামের এক ছাত্রদল নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার রাত ৮টার দিকে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের দিয়াড় সাহাপুর এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত অনীক ওই এলাকার মো. রানা মোল্লার ছেলে।

উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তানভির হাসান সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অনীক মূলত রাজধানীর খিলগাঁও ৯ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সহসভাপতি ছিলেন। তবে ঈশ্বরদীতেও থাকতেন।

নিহত অনীকের চাচা শাহিনুর রহমান মাস্টার বলেন, ঢাকা থেকে ফিরে আসার পর কিছুদিন ধরে অনীক একাই দিয়াড় সাহাপুরে ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। ঢাকা থেকে ফেরার পর তিনি স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদলের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। কিন্তু রোববার সন্ধ্যায় গলায় ফাঁস দিয়ে ভাড়া বাসার আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত থাকার খবর পেয়ে সেখানে গেলে মরদেহ উদ্ধার করেন। তিনি মৃত্যুকে রহস্যজনক হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

ঈশ্বরদী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জামাল উদ্দীন জানান, আলামত দেখে প্রাথমিকভাবে বিষয়টি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

তিনি আরও জানান, নিহত অনীকের বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী থানায় হত্যা ও অস্ত্র আইনে দুটি মামলা রয়েছে।

ঈশ্বরদীতে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে মেহেদী হাসান (২৬) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার অরণকোলা এলাকার হারুখালী এলাকার ধানের খেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এটি উদ্ধার করে।

মেহেদী হাসান উপজেলা সদরের অরণকোলা এলাকার আবু বক্করের ছেলে।

স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রোববার বিকেল থেকে মেহেদীর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। আজ সোমবার সকালে কৃষকেরা মাঠে কাজ করতে যাওয়ার সময় একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ঈশ্বরদী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।

ঈশ্বরদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল লতিফ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা মর্গে পাঠানো হয়েছে। মরদেহের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে কাদামাটিতে ঠেসে ধরে শ্বাসরোধ করে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।

ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. মমিনুজ্জামান জানান, নিহত মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে তিনটি মাদক মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। এ কারণে তিনি নিয়মিত বাড়িতে থাকতেন না। গতকাল রোববার বিকেলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

তিনি আরও জানান, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঈশ্বরদীতে যুবকের মরদেহ উদ্ধার


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে বেকারত্ব আর অনলাইন জুয়ার আসক্তি থেকে চরম হতাশায় নিজের জীবন শেষ করেছেন মো. সেলিম (২৪) নামে এক যুবক।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পাকশী যুক্তিতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সেলিম নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার থানাইখাড়া গ্রামের বাবু হোসেনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, প্রায় ছয় মাস ধরে স্ত্রী খাদিজা ও তিন বছর বয়সী মেয়ে সাবিহাকে নিয়ে পাকশী যুক্তিতলা এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন সেলিম। তার স্ত্রী খাদিজা ঈশ্বরদী ইপিজেডের ‘আইএম বিডি’ নামে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় কাজ শেষে বাসায় ফিরে খাদিজা দেখেন, সেলিম গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

এ সময় ঘর থেকে একটি চিঠি পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, মৃত্যুর আগে সেলিম চিঠিটি লিখে গেছেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সেলিম দীর্ঘদিন ধরে বেকার ছিলেন এবং অনলাইন জুয়ায় আসক্ত হয়ে পড়েন। এতে পরিবারের অনেক টাকা নষ্ট হয়। টানা ক্ষতি আর কাজ না পাওয়ার হতাশায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।

পাকশী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।’

ঈশ্বরদীর ধান খেত থেকে ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে এক বৃদ্ধের লাশ ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সকাল ৮টার দিকে উপজেলা সদরের ফতেমোহাম্মদপুর বেনারসি পল্লির কাছে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম সিরাজুল ইসলাম (৫০)। তিনি ফতেমোহাম্মদপুর প্রামাণিকপাড়ার মৃত কেটি আহমেদের ছেলে।

সিরাজুল ইসলামের বোন রাশেদা বেগম জানান, 'শনিবার রাত ১০টার পর তিনি খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। কিন্তু সকালে ঘুম থেকে উঠে জানতে পারেন তাঁর ভাইয়ের লাশ ধানক্ষেতে পড়ে আছে।'

থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, লাশটি তাঁর বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে একটি ধানক্ষেতে পাওয়া যায়। ঘটনাস্থল থেকে এক ব্যাগ কাঁচা কলা এবং এক জোড়া স্যান্ডেলও উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ আরও জানায়, নিহত সিরাজুল ইসলাম কোনো স্থায়ী কাজ করতেন না, তিনি মূলত ভবঘুরে জীবন যাপন করতেন। তাঁর স্ত্রী প্রায় ১২ বছর আগে মারা গেছেন, এবং তাঁর ১৫ বছর বয়সী এক প্রতিবন্ধী ছেলে আছে।

ঈশ্বরদী থানার ওসি আ. স. ম. আব্দুন নুর জানান, 'খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।'

ঈশ্বরদীতে পিজিসিবি প্রকৌশলীর মৃত্যুরহস্য

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদীতে একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের বিশ্রামঘর থেকে শামীম হোসেন (২৫) নামে এক উপসহকারী প্রকৌশলীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে উপজেলার জয়নগর এলাকায় পাওয়ার গ্রীড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের (পিজিসিবি) বিশ্রামঘরের দোতলা থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।

শামীম হোসেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শৈলগাড়ী গ্রামের মসলেম উদ্দীনের ছেলে।

বিশ্রামঘরের দেখভালের দায়িত্বে থাকা বাবুর্চি হাফিজুর রহমান জানান, প্রতিদিনের মতো সকালে রান্নার কাজ করতে এসে তিনি দোতলায় শামীমের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। এরপর তিনি স্থানীয়দের জানালে থানা পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

পিজিসিবির ঈশ্বরদী শাখার একজন কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান জানান, শামীম ২১ এপ্রিল ঢাকার পিএনডি শাখা থেকে বদলি হয়ে ঈশ্বরদীতে কাজে যোগ দেন। তিনি কেন এমন করলেন, সেটা এখনো কেউ বলতে পারছে না।

শামীমের বাবা মসলেম উদ্দীন বলেন, তাঁর ছেলে কিছুদিন ধরে মানসিকভাবে চাপের মধ্যে ছিল। বগুড়ায় প্রশিক্ষণের সময় সে কয়েকবার চাকরি ছাড়ার কথা বলেছিল।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঈশ্বরদীতে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নিচে মিলল অজ্ঞাত লাশ

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ থেকে পড়ে এক অজ্ঞাতনামা নারীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটে খুলনা থেকে ঢাকাগামী চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনটি ব্রিজ পার হওয়ার সময়। লক্ষীকুণ্ডা নৌ-পুলিশ ঘটনাটি নিশ্চিত করেছে।

ব্রিজের নিচে থাকা কয়েকজন দোকানদার জানান, ট্রেনটি ব্রিজ অতিক্রম করার সময় হঠাৎ ওই নারী নিচে পড়ে যান। পড়ে গিয়েই তাঁর মৃত্যু হয়। 

স্থানীয়রা জানান, নারীটিকে ভিক্ষুক বা অসহায় বলে মনে হয়েছে।

লক্ষীকুন্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ওসি এমরান মাহমুদ তুহিন বলেন, 'স্থানীয়দের কাছ থেকে শুনেছি, ওই নারী হয়তো মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। বোতল কুড়িয়ে এই এলাকায়ই ঘোরাফেরা করতেন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি চুপিচুপি ব্রিজে উঠে পড়েছিলেন। ট্রেনের ধাক্কায় নিচে পড়ে গিয়ে মারা যান।'

তিনি আরও জানায়, 'অজ্ঞাত নারীর বয়স আনুমানিক ৪৫ থেকে ৫০ বছর। মরদেহ উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত তাঁর পরিচয় জানা যায়নি।'

রূপপুরে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীর রূপপুর প্রকল্প এলাকার মাটির স্তুপ থেকে এক অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

সোমবার  দুপুরে পাকশী রেলওয়ে স্টেশনের শেষ প্রান্তে এ মরদেহটি পাওয়া যায়। নিহতের বয়স আনুমানিক ২৫ থেকে ২৬ বছর।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয় কয়েকজন শ্রমিক কাজের জন্য বের হলে প্রকল্পের ভরাট করা মাটির স্তুপের ওপরে লম্বা কালো চুলের মতো কিছু একটা দেখতে পান। কাছে গিয়ে দেখেন, কালো সালোয়ার কামিজ পরা এক নারীর মরদেহ পড়ে আছে, গলায় প্যাঁচানো রয়েছে একটি ওড়না। বিষয়টি বুঝতে পেরে তারা দ্রুত পুলিশকে খবর দেন।

ঈশ্বরদী থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, 'খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করেছি। পরিচয় শনাক্তের জন্য সিআইডি ও পিবিআইকে জানানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে এবং পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

ঈশ্বরদীতে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে এসে যুবকের আত্মহত্যা

প্রতীকী ছবি 

ঈশ্বরদীতে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে এসে রাকিব হোসেন (২২) নামে এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার সকালে উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের মাঝদিয়া বড়পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

রাকিব উপজেলার ইলশামাড়ি গ্রামের স্বপন আলীর ছেলে এবং পেশায় রিকশাচালক। প্রায় আট মাস আগে তার বিয়ে হয় সাঁড়া ইউনিয়নের বড়পাড়া এলাকার জাহাঙ্গীর হোসেনের মেয়ের সঙ্গে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে রাকিব শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসেন। খাওয়া-দাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়েন। শনিবার সকালে দীর্ঘসময় দরজা বন্ধ থাকায় স্ত্রীর ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি চিৎকার শুরু করেন। এ সময় স্বজনরা এসে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দেখেন, সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে রাকিব ঝুলছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

ঈশ্বরদী থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের ধারণা, এটি আত্মহত্যা। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় ঈশ্বরদী থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা হয়েছে।

ঈশ্বরদীতে কিশোরীর রহস্যজনক মৃত্যু!

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে ১১ বছর বয়সী কিশোরী আমেনা আক্তার আলফির মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, আলফির মৃতদেহটি শয়নকক্ষে বাঁশের খুঁটির সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে স্থানীয় শিক্ষক ও প্রতিবেশীরা আত্মহত্যার বিষয়টি সন্দেহজনক মনে করছেন এবং তারা আলফিকে মানসিক রোগী বলার অভিযোগকে প্রশ্ন করছেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের গোপালপুর এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। আলফি আসনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী। ঘটনার দিন সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে তার মা আলফিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। প্রতিবেশীরা তাকে নামানোর চেষ্টা করেন এবং দ্রুত নাটোরের লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরিবার সদস্যরা মৃতদেহটি হাসপাতাল থেকে নিয়ে দাফনের প্রস্তুতি নিলেও প্রশাসনকে অবহিত না করে দাফনের খবর পেয়ে ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে এসে দাফন প্রক্রিয়া বন্ধ করেন। পরে মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

নিহত আলফির চাচা জানিয়েছেন, তিনি কাজ থেকে ফিরে ভাবীর চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে যান এবং ঝুলন্ত আলফিকে নামানোর চেষ্টা করেন।

প্রতিবেশীরা বলেন, আলফি শান্ত স্বভাবের মেয়ে ছিল এবং তার আত্মহত্যা করা বিশ্বাস করতে পারছেন না।

ওসি শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে, আর ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঈশ্বরদীতে ডাস্টবিন থেকে নবজাতকের লাশ উদ্ধার

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গেট সংলগ্ন এলাকার ডাস্টবিনের মধ্যে আনুমানিক দুই দিন বয়সী একটি নবজাতকের লাশ সবার অগোচরে কে বা কারা ফেলে রেখে যায়। শুক্রবার দুপুরে পথচারীরা লাল কাপড়ে মোড়ানো নবজাতকের লাশ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অরবিন্দ সরকার বলেন, লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা করা হয়েছে। তবে কে বা কারা মৃত নবজাতক ফেলে রেখে গেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঈশ্বরদীতে অজ্ঞাতনামা লাশ দাফনের পর মিলল পরিচয়, পরিবারের দাবি হত্যা

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদন: ঈশ্বরদীর পাকশী রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে দাফনের পর পরিচয় মিলেছে। শনিবার সকালে রেলওয়ে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। পরিচয় না মেলায় বিকেলে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে লাশটি দাফন করা হয়।

 রোববার সকালে মৃত পরিবারের সদস্যরা থানায় গিয়ে ছবি দেখে লাশটি শনাক্ত করেন। ওই ব্যক্তির নাম আজাদ হোসেন (৪০)। তিনি উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের নতুন রূপপুর গ্রামের মধু হোসেনের ছেলে। পরিবারের দাবি আজাদ হোসেনকে হত্যা করা হয়েছে।

ঈশ্বরদী রেলওয়ে (জিআরপি) থানা সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে স্টেশন এলাকায় রেললাইনের উপর খণ্ডিত লাশটি পড়ে ছিল। খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। পরিচয় শনাক্ত করার জন্য আঙুলের ছাপ নিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র খোঁজার চেষ্টা করা হয়। তবে তা পাওয়া যায়নি। পরে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে বিকেল ৫টার দিকে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে দাফন করা হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, আজাদ হোসেন শুক্রবার সকালে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তাঁর আর কোনো খোঁজ মেলেনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাঁরা ফেসবুকের মাধ্যমে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যুর খবর জানতে পারেন। আজ জিআরপি থানায় গিয়ে লাশের ছবি আজাদ হোসেন বলে শনাক্ত করা হয়।

স্ত্রী শাহানাজ বেগমের দাবি, তাঁর স্বামীর আত্মহত্যা বা ট্রেনে কাটা পরে মৃত্যুর কোনো কারণ নেই। তিনি আত্মহত্যা করার মতো মানুষ নন। তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি স্বামীর লাশ ফেরত চান এবং হত্যার বিচার চান।

এ প্রসঙ্গে ঈশ্বরদী রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিহির রঞ্জন দেবনাথ বলেন, ওই ঘটনায় জিআরপি থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। লাশ শনাক্তর পর নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তাঁরা লাশটি ফেরত চেয়েছেন। লাশটি কবর থেকে উত্তোলনের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলছে। নিহত ব্যক্তির পরিবারের অভিযোগ তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঈশ্বরদীতে বিক্রয় প্রতিনিধির মরদেহ উদ্ধার

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে সাব্বির হোসেন (২৭) নামে আরএফএল গ্রুপের বিক্রয় প্রতিনিধির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার বেলা সাড়ে এগারোটায় উপজেলা সদরের মশুরিয়াপাড়া এলাকার একটি মেস থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

সাব্বির কুড়িগ্রাম রাজারহাট উপজেলার দীনা গ্রামের নূর মোহাম্মদের ছেলে। তিনি গেল তিন দিন আগে ঈশ্বরদী আরএফএল গ্রুপের বিক্রয় প্রতিনিধি (এসআর) হিসেবে চাকুরীতে যোগদান করেন।

পুলিশ জানায়, সাব্বির প্রতিদিনের মতো শুক্রবার  রাতে নিজের কক্ষে ঘুমাতে যান। এরপর তিনি কক্ষ থেকে বের হননি। সকালে সহকর্মীরা ডাকাডাকি করলেও তিনি সাড়া দিচ্ছিলেন না। খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অরবিন্দ সরকার জানান, সংবাদ পেয়ে সকালেই পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে লাশের সুরতহাল তৈরি করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন