দুর্গাপূজা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
দুর্গাপূজা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২৫ মুখ, ৫০ হাতের দেবী দুর্গা এবার ঈশ্বরদীতে

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদীর পাকশী ইউনিয়নের রেলওয়ে হরিজনপল্লীতে এবার নজিরবিহীন দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। শ্রী শ্রী বারোয়ারী দূর্গা মন্দিরে দেবী দুর্গা ২৫টি মাথা ও ৫০টি হাতে প্রতিমায় আবির্ভূত হবেন। সঙ্গে থাকছে দুটি সিংহ, একটি অসুর এবং একটি মহিষ।

এবারের প্রতিমা বিশেষভাবে সাজানো পূজার অংশ হিসেবে তৈরি হয়েছে। সাধারণ আরাধনার পাশাপাশি দর্শকদের আকর্ষণ হবে দেবীর চামুণ্ডারূপ।

আয়োজকরা বলছেন, বাংলাদেশে এমন রূপে দুর্গার আরাধনা এবারই প্রথম। এর আগে দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ুর লম্বোদরপুরে ২০২২ সালে এবং কলকাতার বরানগরে ২০২৪ সালে এ ধরনের প্রতিমা তৈরি হয়েছিল।

প্রতিমা নির্মাণে ব্যস্ত শিল্পী উকিল কামার জানান, 'আমি ১৮–২০ বছর ধরে প্রতিমা গড়ে আসছি। কিন্তু ১৬ ফুট উঁচু, ২৫ মুখ ও ৫০ হাত বিশিষ্ট এই প্রতিমা তৈরি করা ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রতিটি মাথা সাজানো এবং হাত সংযোজনের ধাপই বিশেষ কঠিন ছিল।' 

পাকশী রেলওয়ে হরিজনপল্লী দুর্গোৎসব কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাজু বলেন, 'দক্ষিণ ভারতে এমন প্রতিমা দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। আমরা আশা করি, পাকশীসহ আশপাশের ভক্তদের কাছে এবারের পূজার প্রধান আকর্ষণ হবে চামুণ্ডারূপী দেবী।' 

মন্দির কমিটির সম্পাদক সাজু বলেন, 'অসুর নিধনের সময় দেবী ছিলেন যুদ্ধংদেহী। তাই এবার প্রতিমায় ২৫টি মাথা, ৫০টি হাত, দুটি সিংহ, একটি অসুর ও মহিষকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এটি দর্শকদের জন্য একেবারেই ভিন্ন অভিজ্ঞতা হবে।' 

ঈশ্বরদীতে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে সুষ্ঠুভাবে উদযাপন নিশ্চিত করতে পুলিশের প্রস্তুতিমূলক সভা হয়েছে। বৃহস্পতিবার থানার মিলনায়তনে আয়োজন করা হয় এই সভা।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার। সভার সভাপতিত্ব করেন থানার অফিসার ইনচার্জ আ. স. ম. আব্দুন নূর।

এ সময় ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক আব্দুল আল মাহমুদ, আমবাগান পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আফজাল হোসেন, পাকশী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম এবং রূপপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নয়ন কুমার সাহা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের উপজেলা সভাপতি সুনীল চক্রবর্তি ও সাধারণ সম্পাদক গণেশ সরকার, মৌবাড়ি ও ঠাকুরবাড়ি মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি স্বপন কুমার কুন্ডু ও সাধারণ সম্পাদক রাজেশ সরাফ, উপজেলা হিন্দু মহাজোটের সাধারণ সম্পাদক দেব দুলাল রায়সহ উপজেলার সকল পূজা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা সভায় অংশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন।

দুর্গাপূজার আনন্দে মেতেছে রাজধানী; মহাঅষ্টমীতে মণ্ডপগুলোতে ভিড়

মহাঅষ্টমী

নিজস্ব প্রতিবেদক:  সারা দেশের মতোই রাজধানীর পূজামণ্ডপগুলোতেও সনাতন ধর্মাবলম্বীরা জমকালো উৎসবের সঙ্গে মণ্ডপগুলোতে ভিড় করছেন। । ছবিঃ সংগৃহীত

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার আনন্দে মেতে উঠেছে দেশবাসী। সারা দেশের মতোই রাজধানীর পূজামণ্ডপগুলোতেও সনাতন ধর্মাবলম্বীরা জমকালো উৎসবের সঙ্গে দেবী দুর্গার পূজা করছেন।

শুক্রবার (১১ অক্টোবর) মহা অষ্টমীর দিনে রাজধানীর প্রায় সব পূজা মণ্ডপেই বেশ ভিড় দেখা যায়। ছুটির দিন হওয়ায় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পূজার আনন্দ উপভোগে ঘুরে বেড়াচ্ছেন সবাই। সন্ধ্যার পর জমকালো আয়োজনে নানা রঙের আলোয় সেজে ওঠা ঢাকেশ্বরী মন্দিরসহ অন্যান্য মন্দিরের পূজা মণ্ডপগুলোতে দেখা গেছে হাজারো মানুষের ঢল।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পঞ্জিকা অনুযায়ী, গত ৯ অক্টোবর মহাষষ্ঠী, ১০ অক্টোবর মহাসপ্তমী শেষে শুক্রবার ১১ অক্টোবর মহাষ্টমী ও শনিবার ১২ অক্টোবর মহানবমী। এরপর রবিবার ১৩ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটবে শারদীয় দুর্গোৎসবের।

এর আগে, ২ অক্টোবর শুভ মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবীপক্ষের সূচনা হয়। এরপর বোধনের মাধ্যমে দেবী দুর্গাকে জাগ্রত করা হয়।

পুরান ঢাকার নাজিরাবাজার এলাকার বাসিন্দা রত্না পাল বলেন, 'আমরা সবাই উৎসবের আমেজে পূজা উদযাপন করছি। আমাদের উৎসব বাংলার সব মানুষের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে চাই।'

শ্রী শ্রী রমনা কালী মন্দিরে দেখা যায় শারদীয় দুর্গোৎসব উপভোগ করতে জনতার ভিড়। নানা রঙের লাইট আর ঢাকের বাজনায় মুখরিত মন্দিরটিতে রাত বাড়ার সঙ্গে ভিড়ও যেন বাড়ছে সমানতালে।

মন্দিরের পূজা উদযাপন পরিষদের পরিচালক পরিষদ মৃণাল মজুমদার জানালেন, ‘সকালে অষ্টমীর অঞ্জলি দিতে ভিড় বেশি ছিল। দুপুরের দিকে একটু কমলেও সন্ধ্যার পর থেকে আবার মানুষ আসতে শুরু করেছে।

গতবারের তুলনায় ভিড় কেমন জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'গতবারের চেয়ে এবার ভিড় অনেক বেশি। নিরাপত্তা নিয়েও কোনো ভয় নেই।'

দুর্গাপূজার আনন্দ উপভোগ করতে রমনা কালী মন্দিরে আসা রোদসী মুকিত বলেন, 'সকাল থেকে বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে ঘুরছি। কুমারী পূজায় গিয়েছিলাম। এখন রমনায় এলাম। এখান থেকে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে যাব। পূজা দেখতে ভালো লাগছে। কারণ চারদিকটা উৎসবমুখর মনে হয়। যেকোনো উৎসবই তো আনন্দের।'

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. আসাদ বলেন, 'আমাদের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছে। নিরাপত্তা নিয়ে কোনো সমস্যা হয়নি এখন পর্যন্ত।'

শারদীয় দুর্গোৎসবের আয়োজন সব ধর্মাবলম্বীরাই উপভোগ করে থাকেন। এবছর টানা চার দিনের সরকারি ছুটি এ আনন্দ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সবাই পরিবার-পরিজন নিয়ে পূজা উপলক্ষে আয়োজিত মেলা ও অন্যান্য আয়োজন উপভোগ করতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন রাজধানীর পূজা মণ্ডপগুলোতে।

দশমী পর্যন্ত সারাদেশে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

দশমী পর্যন্ত সারাদেশে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ঢাকেশ্বরী মন্দির পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে। ছবিঃ সংগৃহীত

সংবাদ সাতদিন ডেস্ক: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, দুর্গাপূজার দশমী পর্যন্ত সারাদেশে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। এরপরও চলমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখা হবে।

উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের সাড়ে ১৭ কোটি লোক ৩৬৫ দিনই নিরাপদে থাকবে। বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ৩৬৫ দিনের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের। আমরা নিরলসভাবে সে প্রচেষ্টায় নিয়োজিত আছি।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) ঢাকেশ্বরী মন্দির পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে এক আলোচনা সভায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকার পূজার জন্য ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এরআগে প্রতি বছর দুর্গাপূজায় ২ থেকে ৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হতো। এছাড়া চলমান দুর্গাপূজায় কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। এ বিষয়ে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের মহাসচিব সন্তোষ শর্মাসহ অন্যান্য নেতারা আমার সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন।

উপদেষ্টা আরও বলেন, দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে করার লক্ষ্যে পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার সদস্যদের পাশাপাশি বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় সংখ্যক সশস্ত্র বাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে মোতায়েন করা হয়েছে।

বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা ও মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি জয়ন্ত কুমার দেব।

উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মাইনুল হাসান, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর ও মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ড. তাপস চন্দ্র পাল।

আরও একদিন বাড়ল দুর্গাপূজার ছুটি

দুর্গাপূজা
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম। ছবিঃ সংবাদ সাতদিন

সংবাদ সাতদিন ডেস্ক: শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটি একদিন বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম।

মঙ্গলবারের (৮ অক্টোবর) মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি করে বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) ছুটি ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া দুর্গাপূজার ছুটি চলবে টানা চারদিন।

মাহফুজ আলম বলেন, শুক্র ও শনিবার সরকারি ছুটি থাকায় আরও একদিন ছুটি বাড়ানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে সেগুলোর বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।’

এছাড়াও বৌদ্ধ সম্প্রদায় যেন কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে করতে পারে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন মাহফুজ আলম।

মঙ্গলবার সকালে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি।

এসময় তার সঙ্গে ছিলেন প্রেস সচিব শফিকুল আলমসহ প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তারা।

তারা বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিক উদযাপন শুরু হচ্ছে বুধবার ষষ্ঠীর (৯ অক্টোবর) মধ্য দিয়ে আর শেষ হবে রবিবার (১৩ অক্টোবর) দশমীর দিন প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতে রবিবারও সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

সব মিলিয়ে এ বছর দুর্গাপূজার ছুটি চারদিন হলো।

দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঈশ্বরদীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মেহেদী হাসান বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা করেছেন। এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক, পূজা উদ্যোক্তা এবং মন্দির কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার সকালে ঐতিহ্যবাহী মৌবাড়ীয়া দুর্গা মন্দিরে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় মেহেদী হাসান বলেন, 'দুর্গাপূজা আমাদের সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই উৎসবে সকল ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণ আবশ্যক। আমাদের উদ্দেশ্য হলো সবার মধ্যে সম্প্রীতি ও ঐক্য বৃদ্ধি করা।'

স্বেচ্ছাসেবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, 'পূজার সময় আপনাদের দায়িত্ব হলো নিরাপত্তা ও সহযোগিতা নিশ্চিত করা। যদি আপনারা সতর্ক থাকেন এবং একাগ্রতা প্রদর্শন করেন, তবে অনেক সমস্যা সহজেই সমাধান হবে।'

মেহেদী হাসান আরও জানান, 'প্রশাসনের পাশাপাশি তারা নিজেদের উদ্যোগে পূজা মণ্ডপগুলোর নিরাপত্তার দায়িত্ব নিচ্ছেন। যদি কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা দেখা দেয়, তবে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।'

এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন কলেজ শিক্ষক স্বপন কুমার কুন্ডু, সমর কর্মকার, রাজেশ কুমার সরাফ, প্রবীর বিশ্বাস, দেবদুলাল রায়, সুবাস চন্দ্র পাল, বিমল চৌধুরী, মাধব চন্দ্র পাল, কার্তিক কুন্ডু, সুমন সাহা, গোবিন্দ চৌধুরী ও মিলন রবিদাস প্রমুখ।

পূজা উদযাপন পরিষদের উপজেলা সভাপতি সুনিল চক্রবর্তি বলেন, 'উপজেলার ৩২টি পূজা মণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তা আমাদের নিরাপদ পরিবেশ তৈরিতে সহায়ক হবে।' তিনি সকলের সহযোগিতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানান।

এছাড়া, সভায় মন্দির পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান মেহেদী হাসানকে।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন