চোর গ্রেপ্তার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
চোর গ্রেপ্তার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বরদীতে দুই মোটরসাইকেল চোর গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী থানা পুলিশের অভিযানে দুটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতের মাধ্যমে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজীপুর মন্ডলপাড়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে মো. বাদশা (২৫) এবং কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বাহিরমাদী পোয়ালবাড়ী গ্রামের পলান মন্ডলের ছেলে আজিজুল ইসলাম (২৮)।

থানা সূত্র জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার ঈশ্বরদী থানায় মোটরসাইকেল চুরির একটি মামলা দায়ের হয়। মামলার ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের রূপপুর বাসস্ট্যান্ড মোড় থেকে প্রথমে বাদশাকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যে অভিযান চালিয়ে আজিজুলকেও আটক করে পুলিশ। অভিযানে দুইটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

ঈশ্বরদী থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিগত এক মাসে আমাদের অভিযানে মোট ১৪টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার এবং ১২ জন চোরচক্রের সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছে। বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

ঈশ্বরদীতে চুরি: ল্যাপটপ-মোবাইলসহ চোর গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের মানিকনগর পূর্বপাড়ায় একটি বাড়িতে চুরির ঘটনায় পুলিশ একজন চোরকে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় চুরি হওয়া ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, স্বর্ণ ও রুপার অলংকারসহ বেশ কিছু চোরাই মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী মো. লিখন আলী পেশায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী। তার সেমিপাকা বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিনি প্রতিদিনের মতো ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। গত ১৯ ডিসেম্বর গভীর রাতে চোরেরা জানালার গ্রিল খুলে বাঁশের লগার সাহায্যে শোবার ঘরের দরজার ছিটকানি খুলে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর ঘরের শোকেস ও ড্রয়ার ভেঙে একটি ল্যাপটপ, পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার, পাঁচ ভরি রুপার অলংকার, দুটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন এবং নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর ঈশ্বরদী থানা পুলিশ প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা কার্যক্রমের সহায়তায় চুরির ঘটনায় জড়িত মো. তানভীর হাসান রিপনকে (৩৫) গ্রেপ্তার করে। রিপন ঈশ্বরদী থানার মহাদেবপুর এলাকার বাসিন্দা।

ঈশ্বরদী থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, ‘রিপন একজন পেশাদার চোর। তার বিরুদ্ধে আগেও একাধিক চুরির মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের পর চুরি হওয়া ল্যাপটপ, দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল, সাত আনা পাঁচ রতির স্বর্ণালংকার এবং দুই ভরি আট আনার রুপার অলংকার উদ্ধার করা হয়েছে।’

ওসি আরও জানান, চুরির ঘটনায় আরও কয়েকজন জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের শনাক্ত করতে অভিযান চলছে এবং বাকি চোরাই মালামাল উদ্ধারের প্রচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় ঈশ্বরদী থানায় মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত রিপনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন