অপরাধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অপরাধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বরদীতে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, ষাটোর্ধ্ব প্রতিবেশী বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ষাটোর্ধ্ব এক প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। গত বুধবার (১৪ অক্টোবর) উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের বহরপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আবু বক্কর (৬০)। তিনি ওই আশ্রয়ণ প্রকল্পেরই বাসিন্দা। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে শিশুটির মা ঈশ্বরদী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিশুটির মা স্থানীয় একটি জুট মিলে শ্রমিকের কাজ করেন। ঘটনার দিন বুধবার সকাল আটটার দিকে তিনি কর্মস্থলে চলে যান। এ সময় তাঁর দ্বাদশ বর্ষীয় মেয়ে বাড়িতে একা ঘুমিয়ে ছিল। সকাল ১১টার দিকে প্রতিবেশী আবু বক্কর ঘরে ঢুকে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা ও যৌন নিপীড়ন চালান। শিশুটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যান। পরে কাজ থেকে ফিরে মেয়ের কাছ থেকে ঘটনা শুনে স্বজনদের পরামর্শে থানায় যান মা। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি এর আগেও বিভিন্ন সময় শিশুটিকে একা পেয়ে উত্যক্ত করতেন।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান জানান, এ ঘটনায় শিশুটির মা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ঈশ্বরদীতে ফাঁদে ফেলে ব্যবসায়ীর ৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে এক মুদি ব্যবসায়ীকে বাসায় ডেকে আপত্তিকর দৃশ্য ধারণ ও মারধরের পর সাত লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় জড়িত চক্রের মূলহোতাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর এজাহারের ভিত্তিতে ঈশ্বরদী থানায় মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. সিরাজুল ইসলাম ওরফে চঞ্চল (৪৭), তাঁর স্ত্রী বৃষ্টি খাতুন (৩৫) এবং মোছা. মুক্তি খাতুন (২৫)। তাঁদের মূল বাড়ি নাটোরের লালপুর উপজেলার মহরকয়া গ্রামে। তবে তাঁরা ঈশ্বরদী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পিয়ারাখালী জামতলী এলাকার ‘মমতাজ ভিলা’য় ভাড়া থেকে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, নাটোরের বাগাতিপাড়ার চত্বর বাজারের মুদি ব্যবসায়ী মো. আমিরুল ইসলামের (৫২) সঙ্গে আসামিদের আগে থেকেই চেনা-জানা ছিল। গত ২৬ মার্চ সকালে আসামি মুক্তি খাতুন মুঠোফোনে কল করে তাঁকে ঈশ্বরদীর ওই ভাড়াবাসায় ডেকে নেন। সেখানে পৌছালে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী তাঁর কিছু আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর ও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।

পরবর্তী সময়ে কোনো উপায় না পেয়ে ভুক্তভোগীর স্ত্রী আসমা খাতুন স্বজনদের সহায়তায় নগদ সাত লাখ টাকা নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামীদের হাতে দেন। টাকা রাখার পর আসামিরা তাঁকে ছেড়ে দেন এবং ঘটনাটি কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেন।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান আসাদ বলেন, ব্ল্যাকমেইল করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। আদালতের মাধ্যমে তাঁদের পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই চক্রের অন্য সহযোগীদের ধরতেও পুলিশি অভিযান চলছে।

ঈশ্বরদীতে ৪০ বোতল ফেনসিডিল মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদন: ঈশ্বরদীতে ৪০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারের মামলায় মো. মিজানুর রহমান নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাঁকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে পাবনার বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু সালেহ মোহাম্মদ সালাউদ্দীন খান এ রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত মিজানুর রহমান ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের চর গড়গড়ী গ্রামের আলহাজ্ব মোড় পশ্চিমপাড়া এলাকার হাসেম প্রামাণিকের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালে নিজ এলাকা থেকে মিজানুরকে আটক করে পুলিশ। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ৪০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ঈশ্বরদী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়।

দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত আজ এ রায় ঘোষণা করেন। মামলায় আসামিপক্ষে আইনি লড়াই করেন আইনজীবী শফিকুল ইসলাম এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন রাজিউর রহমান রঞ্জু।

ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষের ফাঁকা বাসায় চুরি

নিজস্ব প্রতিবেদন: ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ এস এম রবিউল ইসলাম ও উপাধ্যক্ষ হাফিজা খাতুনের বাসায় চুরির ঘটনা ঘটেছে। বাসা থেকে নগদ প্রায় ৭ লাখ টাকা, ৬-৭ ভরি স্বর্ণালংকার ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন চুরি হয়েছে। খোয়া যাওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৫ লাখ টাকা।

সোমবার বিকেলে ঈশ্বরদী হাসপাতাল সড়কের বাসায় গিয়ে চুরির বিষয়টি জানতে পারেন রবিউল ইসলামের জামাতা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক কাজী তানভীর মাহাতাব রাসেল।

এস এম রবিউল ইসলামের ভায়রা ও ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল ওমর সুমার খান জানান, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে রবিউল ইসলাম বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন। বাসাটি ফাঁকা থাকার সুযোগে এই চুরি হয়। বিকেলে কাজী তানভীর মাহাতাব বাসায় গিয়ে দরজা খোলা দেখতে পান। তবে দরজায় ভাঙচুরের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। চোরচক্র বিকল্প চাবি ব্যবহার করে ঘরে ঢুকেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, চুরি হওয়া মালামালের মধ্যে নগদ সাত লাখ টাকা ছাড়াও আনুমানিক ১৭ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার এবং ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের একটি হ্যান্ডসেট রয়েছে।

ঈশ্বরদী থানার কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে। ঘটনার তদন্ত ও জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ঈশ্বরদীতে বিএনপি নেতার বাড়ি থেকে ছয় গরু চুরি


নিজস্ব প্রতিবেদন: ঈশ্বরদীতে বিএনপি নেতার বাড়ি থেকে ছয়টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের ভাড়ইমারী স্কুলপাড়া এলাকায় এই চুরির ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী আলম প্রামাণিক সলিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আলম প্রামাণিক ও তাঁর ভাই মান্নান প্রামাণিক দীর্ঘদিন ধরে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে গরুর ব্যবসা করে আসছেন। ব্যবসার সুবাদে তাঁদের বাড়িতে নিয়মিতই বেশ কিছু গরু রাখা হয়। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার রাতেও বাড়ির গোয়ালঘর ও সামনের ফাঁকা জায়গায় গরুগুলো বেঁধে রাখা হয়েছিল। গভীর রাতে সংঘবদ্ধ চোরচক্র সেখান থেকে ছয়টি গরু নিয়ে পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী আলম প্রামাণিক জানান, তিনি রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকায় মূলত তাঁর ছোট ভাই মান্নান প্রামাণিক গরুর ব্যবসাটি দেখাশোনা করেন। বৃহস্পতিবার রাতে কয়েকটি গরু বাড়িতে আনার পর গোয়ালঘরে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় কিছু গরু বাড়ির সামনের ফাঁকা জায়গায় রশিতে বেঁধে রাখা হয়েছিল। রাত একটার দিকে ঘুম থেকে উঠে শেষবারের মতো গরুগুলো দেখে তিনি আবার ঘুমাতে যান। এরপর রাত তিনটার দিকে গরুর খোঁজ নিতে গিয়ে দেখতে পান, গোয়ালঘর ও আশপাশ থেকে ছয়টি গরু নেই।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুর রহমান জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুরো বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। চোরচক্রকে শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি চুরি যাওয়া গরুগুলো উদ্ধারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ঈশ্বরদীতে মুঠোফোন চুরির অপবাদে তরুণকে মারধর, চুল কেটে দেওয়ার ভিডিও ভাইরাল

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে চুরির অভিযোগে সিয়াম হোসেন (১৯) নামের এক তরুণকে আটকের পর মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের জয়নগর মধ্যপাড়া (প্রামাণিকপাড়া) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী সিয়াম হোসেন একই ইউনিয়নের মানিকনগর পূর্বপাড়া গ্রামের সুজন সরদারের ছেলে। স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, মঙ্গলবার দুপুরে সিয়াম জয়নগর মধ্যপাড়া গ্রামের শাহিনুর প্রামাণিকের বাড়ি থেকে একটি মুঠোফোন নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন যুবক তাঁকে আটক করেন। পরে বকুল প্রামাণিক নামের এক ব্যক্তি তাঁর মাথার চুল কেটে দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, সিয়াম মাদকাসক্ত এবং মাদক সেবনের জন্যই তিনি মুঠোফোনটি চুরি করেছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। এদিকে ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হলে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

ভুক্তভোগীর বাবা সুজন সরদার বলেন, ছেলেকে আটকের খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেন। তাঁর দাবি, সিয়াম মানসিকভাবে অসুস্থ এবং না বুঝেই মুঠোফোনটি নিয়ে থাকতে পারেন। তবে চুরির অভিযোগ থাকলেও এভাবে তাঁর ছেলের চুল কেটে দেওয়া অমানবিক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঈশ্বরদীতে স্কুল কমিটি গঠন নিয়ে সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে আহত ১

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীর সাহাপুর ইউনিয়নের চরকুড়ুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে শাহিনুর ইসলাম (৪০) নামের এক ব্যক্তি ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার বিকেলে চরকুড়ুলিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত শাহিনুর চরগড়গড়ি গ্রামের নায়েব আলীর ছেলে এবং স্থানীয়ভাবে পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়টির কমিটি গঠন নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জেরে বৃহস্পতিবার বিকেলে উভয় পক্ষ উত্তপ্ত হয়ে ওঠলে একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে শাহিনুর গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান জানান, বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন নিয়ে হামলার খবর পাওয়া গেছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঈশ্বরদীতে খাদ্য গুদাম চত্বরে শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে যুবক আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে সরকারি খাদ্য গুদাম চত্বরে ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় এজাহার দায়ের করেছেন।

শুক্রবার দুপুরে ঈশ্বরদী সরকারি খাদ্য গুদামের ৬ নম্বর ভবনের পশ্চিম পাশে এ ঘটনা ঘটে। আটক যুবকের নাম মো. আহাদ আলী খাঁন (২১)। তিনি ঈশ্বরদী সরকারি খাদ্য গুদামের বি কোয়ার্টারের বাসিন্দা আলমগীর হোসেনের ছেলে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, শিশুটির মা খাদ্য গুদামে একটি পদে কর্মরত। তিনি স্বামী ও মেয়েকে নিয়ে বি-২ কোয়ার্টারে বসবাস করেন। আহাদ আলীও বাবার চাকরির সুবাদে পাশের কোয়ার্টারে বসবাস করায় শিশুটির পরিবারের পূর্বপরিচিত ছিলেন।

শুক্রবার ছুটির দিনে শিশুটির মা যখন রান্নাঘরে ব্যস্ত ছিলেন, তখন শিশুটি বারান্দায় খেলছিল। দুপুর ১২টার দিকে আহাদ আলী কোয়ার্টারে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে শিশুটিকে ৬ নম্বর ভবনের পশ্চিম পাশে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর পোশাক খুলে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ সময় ফাইয়াজ বিন খালেদ নামের এক ব্যক্তি নিজ বাড়ির বারান্দা থেকে বিষয়টি দেখতে পেয়ে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন এবং আহাদ আলীকে ধমক দেন। পরে অভিযুক্ত শিশুটিকে ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পুলিশ তাঁকে আটক করে।

কান্না করতে করতে শিশুটি কোয়ার্টারে ফিরে এসে তার মা ও খাদ্য গুদামের পরিচ্ছন্নতাকর্মী মো. রবিউল ইসলামকে বিষয়টি জানায়।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ঈশ্বরদীতে অটোরিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে মেহেদী হাসান (১৭) নামের এক অটোরিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার ভোরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত মেহেদী উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের মাঝদিয়া ইসলামপাড়া গ্রামের আনিছুর রহমানের ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি গুরুতর আহত অবস্থায় মেহেদীকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফেলে রেখে চলে যান। খবর পেয়ে স্বজনেরা হাসপাতালে গিয়ে তাঁর শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে রাজশাহী পাঠানো হয়। পথিমধ্যে নাটোরের লালপুরে পৌঁছালে তিনি মারা যান।

নিহতের স্বজনদের দাবি, মেহেদীর সঙ্গে কারও শত্রুতা ছিল না। কী কারণে এবং কারা তাঁকে হত্যা করেছে, তা তাঁরা বুঝে উঠতে পারছেন না।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে।

ঈশ্বরদীতে দণ্ডপ্রাপ্ত ২ মাদকসেবী কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে মাদকবিরোধী দুটি পৃথক অভিযানে দুই মাদকসেবীকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়ে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

বৃহস্পতিবার উপজেলার শৈলপাড়া ও মাজদিয়া এলাকার বিভিন্ন স্পটে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এতে নেতৃত্ব দেন ঈশ্বরদী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান সরকার।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন—ঈশ্বরদীর শৈলপাড়া এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে রাকিব (৩১) এবং একই এলাকার টগরের ছেলে আকাশ (২১)।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর পাবনা জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানো অভিযানে ওই দুই যুবককে আটক করা হয়। পরে ডিএনসি পাবনার উপপরিদর্শক জামালুর রহমান ও শের আলম তাঁদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউশন দাখিল করলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান সরকার এ সাজা দেন।

অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর পাবনা জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক শহিদুল মান্নাফ কবীর জানান, মাদকের আগ্রাসন রোধে চলতি আগস্ট মাসেই এ পর্যন্ত ১০৫ জন মাদক কারবারি ও সেবীকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এমন তদারকিমূলক ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

হত্যাচেষ্টার শিকার শরীফ, প্রধান আসামি বিএনপির হাবিবের ভাই

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম শরীফকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় অবশেষে থানায় মামলা হয়েছে। ঘটনার ছয় দিন পর গতকাল মঙ্গলবার রাতে হামলার শিকার শরিফুল নিজে বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় মামলাটি করেন।

মামলায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বিপুল হোসেন বুদুকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। তিনি পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের ছোট ভাই।

মামলায় বিপুলসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও পাঁচ থেকে সাতজনকে আসামি করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন—উপজেলা তারুণ্য দলের যুগ্ম সম্পাদক রাব্বি মালিথা, যুবদল নেতা সাহান হোসেন, বিএনপি নেতা নসু প্রামাণিক, আরিফ হোসেন (কালা আরিফ) ও মুকুল হোসেন।

এজাহারের বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার জয়নগর শিমুলতলা বাজার থেকে ব্যক্তিগত গাড়ি চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন শরিফুল। পথে দুর্বৃত্তরা তাঁর গাড়ির গতিরোধ করে আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি চালায়। বুলেট গাড়ির কাচ ভেদ করে শরিফুলের চোয়ালে লাগে। এরপর তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসা নিয়ে কিছুটা সুস্থ হয়ে তিনি থানায় গিয়ে এই মামলা করেন।

শরিফুলের দাবি, তিনি হামলাকারীদের চিনতে পেরেছেন। আসামিদের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত কোনো শত্রুতা ছিল না। মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে অন্যের নির্দেশে এই হামলা চালানো হয়েছে। হামলার সময় জেলা বিএনপি নেতার ভাই বিপুল ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

হামলার নেপথ্য কারণ ব্যাখ্যা করে শরিফুল জানান, সম্প্রতি স্থানীয় মানিকনগর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি পদ নিয়ে জেলা বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমানের সঙ্গে তাঁর বিরোধ তৈরি হয়। ওই সময় শরিফুল তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাতায় হাবিবুর রহমানের নাম উল্লেখ না করে এক পোস্টে লেখেন, আওয়ামী লীগ নেতার স্বজনের কাছে ওই স্কুলের সভাপতির পদ বিক্রি করা হয়েছে। এই বিরোধের জেরেই তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলে তাঁর ধারণা।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান আসামি বিপুল হোসেন বুদু বলেন, আমাদের পরিবার সম্পর্কে এলাকার মানুষ ভালোভাবে জানেন। আমি কখনো কোনো সহিংস রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই মামলায় আমার নাম জড়ানো হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত হলেই মূল সত্য বেরিয়ে আসবে।

স্কুল কমিটির বিরোধের বিষয়টি নিয়ে পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব জানান, শরিফুলের অনুরোধেই তাঁকে মানিকনগর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সাময়িক কমিটির সভাপতি করা হয়েছিল। কিন্তু দায়িত্বে থাকাকালে তিনি এক দিনও স্কুলে যাননি। পরে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের সময় স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রতিষ্ঠানপ্রধান মিলে নতুন কমিটি তৈরি করেন, এতে তাঁর কোনো ভূমিকা ছিল না।

পাল্টা অভিযোগ তুলে হাবিবুর রহমান আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর শরিফুল বিএনপির পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন জায়গায় দখল, চাঁদাবাজি ও লুটপাট চালিয়ে বিপুল অর্থ সম্পদের মালিক হয়েছেন। তিনি অতীতেও নির্বাচনের সময় ধানের শীষের বিপক্ষে কাজ করেছিলেন। এখন রাজনৈতিক চক্রান্ত করে তাঁর ছোট ভাইকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে। পুলিশও কোনো প্রাথমিক তদন্ত ছাড়াই মামলাটি নথিবদ্ধ করেছে।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান বলেন, হামলার পরদিন থেকেই অপরাধীদের শনাক্তে কাজ করছিল পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তা মামলা হিসেবে নথিবদ্ধ করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ঈশ্বরদীতে ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, যুবক গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে ১৩ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. মজিদ মন্ডল (২৭) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের খড়ের দাইড় গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

শনিবার ভুক্তভোগী কিশোরীর মা ঈশ্বরদী থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করলে পুলিশ অভিযুক্ত মজিদকে আটক করে।

পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, শিশুটি মাগুরা সদর উপজেলার একটি হাফিজিয়া নূরানী মাদরাসার তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে মাগুরায় নানাবাড়িতে থেকে পড়াশোনা করত। গত ২০ আগস্ট অসুস্থ দাদিকে দেখতে মা-বাবার সঙ্গে ঈশ্বরদীর খড়ের দাইড় গ্রামে স্বজনদের বাড়িতে আসে সে। শুক্রবার বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে শিশুটি বাড়ির পাশের রাস্তায় হাঁটছিল। এ সময় প্রতিবেশী মজিদ মন্ডল তাকে প্রলোভন দেখিয়ে নিজের ঘরে নিয়ে যান। তখন বাড়িতে কেউ ছিলেন না। আসামি শিশুটির হাত-পা দড়ি দিয়ে বেঁধে এবং মুখে ওড়না পেঁচিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। ঘটনাটি কাউকে না বলতে ভয়ভীতি দেখানোর একপর্যায়ে চাকু দিয়ে শিশুটির বাম হাতের তর্জনী কেটে জখম করা হয়।

পরদিন শনিবার কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা কারণ জানতে চান। তখন সে বিষয়টি বিস্তারিত জানায়। এরপরই স্বজনেরা থানায় গিয়ে এজাহার দায়ের করেন।

ঈশ্বরদী থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) আশাদুর রহমান জানান, ভুক্তভোগীর মায়ের এজাহার দায়েরের পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ঈশ্বরদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই মাদকসেবীর সাজা

নিজস্ব প্রতিবেদক:ঈশ্বরদীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) পৃথক অভিযানে দুই মাদকসেবী আটক হয়েছেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

ডিএনসি সূত্র জানায়, শনিবার  উপজেলার সাঁড়া ঝাউদিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. শিশির (২২) নামের এক তরুণকে আটক করা হয়। তিনি ওই এলাকার মো. ইজাজুল ইসলামের ছেলে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান সরকারের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় ডিএনসি পাবনার উপপরিদর্শক মো. সোহান ও জামালুর রহমান ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউশন দাখিল করেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার দিয়ার সাহাপুর ও জয়নগর এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মো. জিএস আহম্মেদ (২৪) নামের আরেক তরুণকে আটক করা হয়। তাঁকেও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়।

ডিএনসি পাবনা জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ শহিদুল মান্নাফ কবীর জানান, মাদকের প্রাদুর্ভাব রোধে ঈশ্বরদীসহ জেলাজুড়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এ ধরনের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

ইয়াবাসহ ঈশ্বরদীতে গ্রেপ্তার ১

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে ১০০ পিস ইয়াবাসহ শাহ আলম তুষার (৩৭) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার সাহাপুর শহীদ আবুল কাশেম উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার শাহ আলম তুষার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী বাজারপাড়া এলাকার মৃত আলাউদ্দিনের ছেলে।

ডিবি পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সাহাপুর শহীদ আবুল কাশেম উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে এক ব্যক্তি ইয়াবা বিক্রির জন্য অবস্থান করছেন। খবর পেয়ে রাত দুইটার দিকে সেখানে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশের একটি দল। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে শাহ আলমকে আটক করা হয়। পরে তাঁর প্যান্টের পকেট থেকে ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা এই মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩০ হাজার টাকা।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। তাঁকে আদালতে পাঠানোর আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

ঈশ্বরদীতে হামলায় আহত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন, আশঙ্কামুক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম শরিফের অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর এই অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তিনি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত।

এর আগে জয়নগরে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে জয়নগর কিন্ডারগার্টেনের সামনে তাঁর প্রাইভেটকার লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। গাড়িটি থেমে গেলে তাঁরা তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। স্থানীয় ব্যক্তিরা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই ছাত্রনেতা জয়নগর মধ্যপাড়ার প্রয়াত আব্দুল মজিদ প্রামাণিকের ছেলে। চিকিৎসকদের বরাতে জানা গেছে, প্রাথমিক অস্ত্রোপচার সফল হলেও শারীরিক অবস্থা আরও স্থিতিশীল হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় নিয়ে দ্বিতীয় দফায় অস্ত্রোপচার করা হতে পারে।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং হামলায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ঈশ্বরদীতে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, এলাকা ছেড়েছেন অভিযুক্ত

নির্মানাধীন পাকা বাড়িতে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করা হয় 

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে এক বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার দূরসম্পর্কের চাচার বিরুদ্ধে। বুধবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের বেতবাড়ীয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত ব্যক্তি মো. এসকেন হোসেন (৭০)। তিনি ওই গ্রামের মৃত আয়জদ্দির ছেলে এবং সম্পর্কের বিচারে ভুক্তভোগী কিশোরীর চাচা।

ভুক্তভোগী কিশোরী পরিবারসহ বেতবাড়ীয়া গ্রামে নানা বাড়িতে থাকে। তার বাবা সাইদুল ইসলাম মুলাডুলি ফার্মপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোরী বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী হওয়ায় পরিবার তাকে সব সময় ঘরের ভেতরেই রাখত। সকালে পরিবারের অগোচরে সে ঘর থেকে বের হয়। এ সময় এসকেন তাকে টেনে হিঁচড়ে পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ঘটনাটি দেখতে পেয়ে রেখা খাতুন নামের এক প্রতিবেশী অন্য বাসিন্দাদের ডাকেন। পরে স্থানীয় লোকজন এসকেনকে হাতেনাতে ধরলেও একপর্যায়ে তিনি পালিয়ে যান।

কিশোরীর মামা আরাফাত রহমান বলেন, ‘সংবাদ পেয়ে দ্রুত বাড়িতে ফিরি। তবে পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যান। আমরা থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন প্রতিবেশী অভিযোগ করেন, এসকেনের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক নারীঘটিত ও ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। পূর্বে গ্রাম্য সালিসে অর্থদণ্ড দিয়ে তিনি পার পেয়ে যান। স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ঈশ্বরদীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি ও কুপিয়ে জখম

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম শরিফকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার জয়নগর কিন্ডারগার্টেনের সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

আহত শরিফুলকে প্রথমে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শরিফুল প্রাইভেটকার চালিয়ে জয়নগরে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। গাড়িটি জয়নগর কিন্ডারগার্টেনের সামনে পৌঁছালে কয়েকজন অস্ত্রধারী তার গতিপথ রোধ করে গুলি চালায়। এতে গাড়িটি থেমে গেলে তারা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। হামলায় তার মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক ক্ষত সৃষ্টি হয়।

পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। সেখানকার চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন।

ঈশ্বরদী উপজেলা জিয়া সাংস্কৃতিক সংসদের (জাসাস) সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক জানান, শরিফুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে অ্যাম্বুলেন্সে রাজশাহী নেওয়া হচ্ছে।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।

ঈশ্বরদীতে ৭ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) অভিযানে ৭ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শনিবার দাশুড়িয়া-বনপাড়া মহাসড়কের দাশুড়িয়া কারিগরপাড়া এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

ডিএনসি জানায়, ওই এলাকায় একটি নম্বরবিহীন সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রী আসনে তল্লাশি চালিয়ে মো. আব্দুল রাকিব আলী রকি (২৮) নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি রাজশাহী শহরের শাহ মখদুম থানার বড় বনগ্রাম এলাকার মো. সাজাহান আলীর ছেলে। এ ঘটনায় ডিএনসির উপপরিদর্শক সোহান বাদী হয়ে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ঈশ্বরদী থানায় একটি মামলা করেছেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর পাবনা জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ শহিদুল মান্নাফ কবীর অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদকের বিরুদ্ধে তাঁদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ঈশ্বরদীতে ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে মাছ ব্যবসায়ীর সাড়ে ৪ লাখ টাকা ছিনতাই


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে মাছ বিক্রি করে বাড়ি ফেরার পথে ভুয়া প্রশাসনিক কর্মকর্তা পরিচয়ে এক ব্যবসায়ীর ৪ লাখ ২৬ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৫ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঈশ্বরদী-দাশুড়িয়া সড়কের হারুখালী মাঠ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী জানান, ফরিদপুরের ভাঙা থেকে মাছ বিক্রি শেষে পিকআপ ভ্যানে তারা ফিরছিলেন। লালন শাহ সেতু পার হওয়ার পর গাড়ি থামিয়ে প্রস্রাব করতে নামেন। এ সময় দুটি মোটরসাইকেলে চার ব্যক্তি এসে নিজেদের প্রশাসনের লোক পরিচয় দেয়। তাদের কাছে মাদকদ্রব্য আছে দাবি করে পিকআপটিতে তল্লাশি শুরু করে চক্রটি।

তল্লাশির একপর্যায়ে সিটের পেছনে রাখা মাছ বিক্রির টাকার ব্যাগটি দেখে আবার মাদকের অজুহাত তোলে ওই ব্যক্তিরা। সেখানে ব্যাগ পরীক্ষা না করে নিকটস্থ পুলিশ ফাঁড়িতে যাওয়ার কথা বলে মাছ ব্যবসায়ীদের পিছু পিছু আসতে বলা হয়।

তবে ফাঁড়ির দিকে না গিয়ে নির্জন হারুখালী মাঠের দিকে মোটরসাইকেল ঘুরিয়ে নেয় চক্রটি। রাস্তা পরিবর্তনের প্রতিবাদ করায় ব্যবসায়ীদের গালিগালাজ ও ভয়ভীতি দেখানো হয়। একপর্যায়ে নির্জন এলাকায় গাড়ি থামিয়ে ধারালো ছুরির মুখে জিম্মি করে টাকার ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে সটকে পড়ে ছিনতাইকারীরা।

ঘটনার পরপরই স্থানীয় এক মোটরবাইক চালক ছিনতাইকারীদের ধাওয়া করলেও তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি। ভুক্তভোগীদের দাবি, ব্যাগে মাছ বিক্রির মোট ৪ লাখ ২৬ হাজার টাকা ছিল।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান জানান, খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। তবে এ ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ঈশ্বরদীতে মোটরসাইকেল চুরির চেষ্টায় তিনজন গ্রেপ্তার, উদ্ধার দুই বাইক

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীর ঐতিহাসিক হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকা থেকে মোটরসাইকেল চুরি করার সময় তিনজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এক সপ্তাহ আগে একই এলাকা থেকে চুরি হওয়া আরও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নিচের পার্কিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সংগ্রামপুর গ্রামের মো. রোমান (২৫), সোনাইকান্দি গ্রামের মো. আসিফ রহমান (১৮) এবং শীতলাপাড়া গ্রামের কিশোর আপন (১৪)।

পুলিশ জানায়, ঈশ্বরদীর যুক্তিতলা এলাকার বাসিন্দা মো. আরাফাত তাঁর তিন বন্ধুকে নিয়ে একটি মোটরসাইকেল ব্রিজের নিচে পার্কিং করে পাশে ঘুরতে যান। এ সুযোগে ওত পেতে থাকা চোর চক্রের তিন সদস্য মোটরসাইকেলটির তালা ভেঙে চুরি করার চেষ্টা চালায়। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে টহলরত পাকশী পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা তাঁদের আটক করেন। পরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৭ জুলাই একই এলাকা থেকে চুরি হওয়া অপর একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে পুলিশ।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান জানান, উদ্ধার করা মোটরসাইকেলসহ অন্য আলামত পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন