চুরি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
চুরি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বরদীতে অভিনব কায়দায় চুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে ভিক্ষুক সেজে গৃহবধূকে অচেতন করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়েছে এক নারী।

ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শহরের নারিচা এলাকায় আমিনুল ইসলামের বাড়িতে।

আমিনুল ইসলামের স্ত্রী জানান, সকালে দরজায় কড়া নাড়লে তিনি গেট খুলে দেন। তখন ভিক্ষার কথা বলে ওই নারী ভেতরে প্রবেশ করে। কিছুক্ষণ পরই তিনি অসুস্থ বোধ করে অচেতন হয়ে পড়েন। জ্ঞান ফিরে এসে দেখেন, ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো আর টাকা–স্বর্ণালংকার নেই।

আমবাগান পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ওই বাড়ির ওয়ারড্রোবে রাখা দুই লাখ টাকা ও সাড়ে ১১ আনা স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে ওই নারী।

তিনি আরও বলেন, ভিক্ষুক সেজে প্রতারণার মাধ্যমে চুরির এ ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

ঈশ্বরদীতে স্কুলে চুরি, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল চোর

প্রতীক ছবি 

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদীতে আবারও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনা ঘটেছে। পূর্বটেংরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দুটি কক্ষের তালা ভেঙে নগদ টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে গেছে চোর।

বুধবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে একজন চোর লোহার রড দিয়ে তালা ভাঙছে—এমন দৃশ্য ধরা পড়েছে বিদ্যালয়ের সিসিটিভি ক্যামেরায়। খবর পেয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সদস্য আনোয়ার হোসেন জনি ঘটনাস্থলে যান।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, শুধু বাসাবাড়ি নয়, সম্প্রতি ঈশ্বরদীতে টানা কয়েক রাত ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থাপনাতেও চুরি হচ্ছে। এর আগের দিন মঙ্গলবার রাতে একই ওয়ার্ডের ঈশ্বরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষ থেকে দুটি ল্যাপটপ ও কিছু আসবাবপত্র চুরি হয়। তারও এক দিন আগে সোমবার রাতে ঈশ্বরদী কেন্দ্রীয় গোরস্থানের দানবাক্স ভেঙে টাকা নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী শামসুল আলম বলেন, 'প্রতিদিনের মতো রাতভর দায়িত্ব পালন শেষে ফজরের নামাজ পড়ে সকালে বাড়ি যাই। আজ স্কুল ছুটি ছিল। এই সুযোগে চোর গ্রিল ভেঙে ভেতরে ঢুকে আলমিরা তছনছ করেছে'।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জোমসেদ আলী জানান, 'সিসিটিভির ফুটেজে সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে এক ব্যক্তি রড দিয়ে তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করতে দেখা যায়। অফিসকক্ষের আলমিরা ভেঙে নগদ টাকা ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিয়ে গেছে।'

ঈশ্বরদী আমবাগান পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আফজাল হোসেন জানান, 'খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করে চোর শনাক্তের চেষ্টা চলছে।'

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রনব কুমার বলেন, 'চোরকে শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে।' 

ঈশ্বরদীতে চুরি: ল্যাপটপ-মোবাইলসহ চোর গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের মানিকনগর পূর্বপাড়ায় একটি বাড়িতে চুরির ঘটনায় পুলিশ একজন চোরকে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় চুরি হওয়া ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, স্বর্ণ ও রুপার অলংকারসহ বেশ কিছু চোরাই মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী মো. লিখন আলী পেশায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী। তার সেমিপাকা বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিনি প্রতিদিনের মতো ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। গত ১৯ ডিসেম্বর গভীর রাতে চোরেরা জানালার গ্রিল খুলে বাঁশের লগার সাহায্যে শোবার ঘরের দরজার ছিটকানি খুলে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর ঘরের শোকেস ও ড্রয়ার ভেঙে একটি ল্যাপটপ, পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার, পাঁচ ভরি রুপার অলংকার, দুটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন এবং নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর ঈশ্বরদী থানা পুলিশ প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা কার্যক্রমের সহায়তায় চুরির ঘটনায় জড়িত মো. তানভীর হাসান রিপনকে (৩৫) গ্রেপ্তার করে। রিপন ঈশ্বরদী থানার মহাদেবপুর এলাকার বাসিন্দা।

ঈশ্বরদী থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, ‘রিপন একজন পেশাদার চোর। তার বিরুদ্ধে আগেও একাধিক চুরির মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের পর চুরি হওয়া ল্যাপটপ, দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল, সাত আনা পাঁচ রতির স্বর্ণালংকার এবং দুই ভরি আট আনার রুপার অলংকার উদ্ধার করা হয়েছে।’

ওসি আরও জানান, চুরির ঘটনায় আরও কয়েকজন জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের শনাক্ত করতে অভিযান চলছে এবং বাকি চোরাই মালামাল উদ্ধারের প্রচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় ঈশ্বরদী থানায় মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত রিপনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ঈশ্বরদীতে গরুচোর সন্দেহে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদীতে গরুচোর সন্দেহে বাবু হোসেন (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের গোয়াল বাথান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে আজ শুক্রবার সকালে পুলিশ গিয়ে নিহত ব্যক্তি লাশ উদ্ধার করে।

নিহত বাবু হোসেনের বাড়ি জেলার সাঁথিয়া উপজেলার দত্তকান্দি গ্রামে।

স্থানীয় লোকজন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দিবাগত রাত দুইটার দিকে গ্রামের ঈদ্রিস আলী নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে গরু চুরির ঘটনা ঘটে। চোরেরা গোয়ালঘর থেকে গরু নিয়ে পালানোর সময় বাড়ির লোকজন টের পান। এ সময় তাঁরা চিৎকার–চেঁচামেচি শুরু করলে প্রতিবেশীরা ‘চোর চোর’ বলে ধাওয়া দেন। একপর্যায়ে গ্রামের তালতলা মাঠ থেকে বাবু হোসেনকে চোর সন্দেহে আটক করেন গ্রামবাসী। পরে তাঁকে মারপিট শুরু করলে কিছুক্ষণ পর তিনি মারা যান।

ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হাসান বাশির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, খবর পেয়ে নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তর জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদনে লাশের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে মারপিটের কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন