নিজস্ব প্রতিবেদক: বিয়ের আশ্বাসে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল এক কলেজছাত্রীর সঙ্গে। সেই সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে প্রেমিক একাধিকবার তাকে শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করেন। পরবর্তীতে তরুণী গর্ভবতী হলে বিয়ে তো করেনইনি, উল্টো সন্তান নষ্ট করতে চাপ দেন প্রেমিক। শেষ পর্যন্ত সেই প্রেমিকের বিরুদ্ধেই ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী। মামলার পর অভিযুক্ত যুবক শিমুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের নওদাপাড়া গ্রামে এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া শিমুল সলিমপুর ইউনিয়নের জগন্নাথপুর বালুরখাদ মোড় এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজে পড়ার সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিমুলের সঙ্গে এক তরুণীর পরিচয় হয়। সময়ের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয় এবং তারা বিভিন্ন জায়গায় একসঙ্গে সময় কাটান। এই ঘনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে শিমুল একাধিকবার তরুণীকে শারীরিকভাবে ব্যবহার করেন।
গত বছরের ২৫ নভেম্বর মুলাডুলির একটি পার্কে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শিমুল তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। প্রায় এক মাস পর তরুণী গর্ভবতী হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে শিমুলকে জানান। কিন্তু শিমুল গর্ভপাতের জন্য চাপ দেন এবং জানান, সন্তান রেখে দিলে তিনি বিয়ে করবেন না। বাধ্য হয়ে তরুণী শিমুলের বাড়িতে গিয়ে অনশন শুরু করেন। কিন্তু তার পরিবার বিয়েতে রাজি না হয়ে উল্টো অপমান করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। পরে তরুণী ঈশ্বরদী থানায় গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
ঈশ্বরদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শরিফুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিমুল ভুক্তভোগীর সঙ্গে সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছেন। তাকে আদালতের মাধ্যমে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হবে।

.jpg)


