নাহিয়ান ইসলামের বাড়ি শহরের পূর্বটেংরী ঈদগাহ সড়কে। সে ওই এলাকার শাহ নেওয়াজের ছেলে। গেপ্তারের পর তাঁকে গতকাল দুপুরে আদালতের মাধ্যমে পাবনা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ২৯ আগষ্ট বিকেলে শহরের শেরশাহ রোডে ‘এ্যাম্বিশন কোরিয়ান ল্যাংগুয়েজ সেন্টার’ নামে একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে ভুক্তভোগী গৃহবধু তাঁর স্বামীসহ পরিবারের কয়েক সদস্যদের সঙ্গে ঈশ্বরদী থানায় এসে লিখিত এজাহার দাখিল করেন। এতে ‘এ্যাম্বিশন কোরিয়ান ল্যাংগুয়েজ সেন্টারের’ মালিক মোঃ নাহিয়ান ইসলাম নাহিদকে প্রধান আসামী করে তিনজনের নামে গনধর্ষনের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
মামলার সূত্রে পুলিশ জানায়, শহরের মশুরিয়া পাড়ায় ওই গৃহবধুর বাড়ি। তাঁর একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। স্বামী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। পরিচয় সূত্রে ওই গৃহবধু তাঁর ছেলেকে পড়ানোর জন্য নাহিয়ান ইসলাম নাহিদের কাছে একজন শিক্ষক খঁুজে দিতে বলেন। এরই সূত্র ধরে গত ২৯ আগষ্ট বিকেলে ল্যাংগুয়েজ সেন্টারের মালিক নাহিয়ান মুঠোফোনে ছেলেকে পড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করার জন্য তাঁর প্রতিষ্ঠানে আসতে বলেন। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে গৃহবধু ওই প্রতিষ্ঠানে ভিতরে গেলে নাহিয়ানসহ অপরিচিত আরও দুইব্যক্তিকে তিনি বসে থাকতে দেখেন। গৃহবধু ওই কক্ষে ঢোকার পরপরই তিন যুবক প্রতিষ্ঠানটির দরজা বন্ধ করে দিয়ে গৃহবধুর মুখ চেপে ধরে এবং তিনজন পালাক্রমে ধর্ষন করে। ঘটনার পর অসুস্থ অবস্থায় তিনি বাসায় ফিরে মা ও স্বামীকে বিস্তারিত খুলে বলেন। পরিবারের সকলের সঙ্গে আলোচনা করে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ঈশ্বরদী থানায় এসে নাহিয়ানসহ তিনজন ব্যক্তির নামে মামলা দায়ের করেন।
ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, গভীর রাতে মামলাটি থানায় নথিভূক্ত করার পরপরই ধর্ষন মামলার প্রধান আসামী নাহিয়ানকে তাঁর বাড়ি থেকে গেপ্তার করা হয়। গেপ্তারের পর সে প্রাথমিক কিছু তথ্য দিয়েছে। গতকাল শুক্রবার নাহিয়ানকে পাবনা আদালতে পাঠানো হয়। এ মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের কাছে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। অপরদিকে গৃহবধুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর গতকাল গৃহবধুকে পাবনার ওয়ান স্টপ ক্রাইসেস সেন্টারে রাখা হয়েছে।
ঈশ্বরদীতে গৃহবধুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষন
এই সময়ে
শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৩
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে ছেলেকে পড়ানোর কথা বলে মুঠোফোনে বিদেশী ভাষা শিক্ষা কেন্দ্রে ডেকে এনে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষনের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ শুক্রবার ভোরে ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক নাহিয়ান ইসলাম নাহিদকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে।

