মৃত্যু লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মৃত্যু লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বরদীতে প্রবীণ আল্লেক প্রামাণিকের ইন্তেকাল

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী পৌরসভার হাসপাতাল রোড এলাকার প্রবীণ বাসিন্দা আল্লেক প্রামাণিক (৯০) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, আট ছেলে, পাঁচ মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ বহু আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

শনিবার বাদ জোহর দুপুর দুইটায় ঈশ্বরদী কেন্দ্রীয় গোরস্থান মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়েছে।

ঈশ্বরদীতে বিদ্যুতায়িত তারে জড়িয়ে খামারশ্রমিকের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারের চারপাশে দেওয়া বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে আলামিন (৩০) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

আজ সোমবার সকাল ছয়টার দিকে উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের নওদাপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আলামিন উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের দরগাপাড়া এলাকার আরোপ সরদারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফজরের নামাজের পর খামারে কাজ করার সময় আলামিন শেডের চারপাশে দেওয়া বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে এসে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ উদ্ধার করেন।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ঈশ্বরদীতে ট্রাকের ধাক্কায় নছিমন উল্টে নিহত ১


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে দ্রুতগামী একটি ট্রাকের ধাক্কায় নছিমন উল্টে মো. আতিকুর রহমান (৪০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এতে আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

আজ সোমবার সকালে উপজেলার রূপপুর ট্রাফিক মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আতিকুর রহমান উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের চক আল্লাদী এলাকার মোবারক হাজীর ছেলে। আহত ব্যক্তিরা হলেন খামার কোদালিয়া এলাকার সেলু (৪২) ও চক আল্লাদী এলাকার নাসিম উদ্দীন (৪২)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে আটটার দিকে রূপপুর ট্রাফিক মোড় এলাকায় একটি দ্রুতগামী ট্রাক যাত্রীবাহী নছিমনটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নছিমনটি উল্টে গেলে তিন যাত্রী গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আতিকুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অন্য দুজনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

পাকশী হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম জানান, ট্রাকটি আটক করা গেলেও চালক পালিয়ে গেছেন। স্বজনদের কোনো অভিযোগ না থাকায় বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ঈশ্বরদীতে গাছচাপায় ইমাম নিহত, এলাকায় শোকের ছায়া

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে নিজ বাড়িতে গাছ কাটার সময় চাপা পড়ে মাওলানা মুফতি নজরুল ইসলাম নামের এক ইমাম নিহত হয়েছেন।

শনিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের রহিমপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মুফতি নজরুল ইসলাম ওই গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদ সরদারের ছেলে। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাহাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমলাক হোসেন বাবু বিশ্বাস।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মুফতি নজরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ঢাকার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জামে মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। নিজ গ্রামে একটি দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রায় দুই মাস আগে চাকরি ছেড়ে গ্রামে ফিরে রহিমপুর পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদে খতিবের দায়িত্ব নেন।

শনিবার সকালে বাড়ির পাশে একটি বিটুলি গাছ কাটার সময় হঠাৎ সেটির নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঈশ্বরদীর টেক্সটাইল মিলস স্কুলের সাবেক শিক্ষক মহিউদ্দিনের ইন্তেকাল

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদীর আলহাজ্ব টেক্সটাইল মিলস উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা মহিউদ্দিন ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডি ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।

তিনি সংবাদকর্মী বদরুদ্দোজা শ্রাবণ ও ব্যাংকার সামসুজ্জোহার বাবা। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

বুধবার বাদ জোহর ঈশ্বরদীর বড়ইচারা পশ্চিমপাড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়।

রাজশাহী প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইদুর রহমান ইন্তেকাল করেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী প্রেসক্লাবের সভাপতি ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সাইদুর রহমান মারা গেছেন। সোমবার ভোরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

চার দশকের বেশি সময় ধরে সুনামের সঙ্গে সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত ছিলেন সাইদুর রহমান। তিনি দৈনিক ভোরের কাগজের রাজশাহী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এর আগে তিনি দৈনিক করতোয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করেছেন।

সাংবাদিক সাইদুর রহমান রাজশাহীর এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। তিনি সাবেক গভর্নর ও ভাষাসৈনিক আতাউর রহমানের ছেলে এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মাদার বখ্‌শের নাতি।

পরিবার ও সহকর্মীরা জানান, সোমবার দুপুরে মরহুমের মরদেহ রাজশাহী প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে নেওয়া হবে। সেখানে সাংবাদিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। পরে বাদ আসর হজরত শাহ মখদুম (র.) দরগা মসজিদে জানাজা শেষে হেতেমখাঁ গোরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হবে।

ঈশ্বরদীতে ট্রেনে কাটা পড়ে কিশোর ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতার মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী-ঢাকা রেলপথের ঈশ্বরদী বাইপাস রেলস্টেশন এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে আহাম্মদ আলী (১৭) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আহাম্মদ আলী পাবনার চাটমোহর উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের কুবিরদিয়ার মাঠপাড়া গ্রামের দিনমজুর ইউসুফ আলীর ছেলে। জীবিকার তাগিদে সে বিভিন্ন ট্রেনে ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতা হিসেবে পপকর্ন বিক্রি করত।

স্থানীয় সূত্র জানায়, অভাব-অনটনের কারণে আহাম্মদ আলীর লেখাপড়া বেশিদূর এগোয়নি। পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে নিতে অল্প বয়সেই সে ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতার কাজ শুরু করে। প্রতিদিনের মতো সোমবার ভোরে চাটমোহর রেলস্টেশন থেকে ট্রেনে করে ঈশ্বরদী বাইপাস রেলস্টেশনে আসে। পরে ঢাকাগামী পঞ্চগড় এক্সপ্রেসে ওঠার সময় পা পিছলে ট্রেনের নিচে পড়ে যায়। এতে ট্রেনের চাকায় কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানার (জিআরপি) ওসি মো. জিয়াউর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহত কিশোরের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন করে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।

ঈশ্বরদীতে সাবেক মেয়র বাবলুর স্মরণে দোয়া মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত মকলেছুর রহমান বাবলুর স্মরণে দোয়া মাহফিল হয়েছে।

শুক্রবার জুমার নামাজের পর ঈশ্বরদী লোকো কলোনি জামে মসজিদে মরহুমের পরিবারের উদ্যোগে এই মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল, সাবেক সংসদ সদস্য সিরাজুল ইসলাম সরদার, পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, রেল শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সভাপতি আহসান হাবিব ও ঈশ্বরদী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা গোলাম আজম খানসহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা।

মেয়র বাবলুর পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তাঁর ভাই মাহবুবুর রহমান পলাশ ও রেজাউল করিম শাহিন।

সাবেক মেয়র বাবলুর স্মরণে ঈশ্বরদী পৌরসভার তিন দিনের কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মখলেসুর রহমান বাবলুর মৃত্যুতে তিন দিনের শোক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ঈশ্বরদী পৌরসভা।

রোববার সকালে পৌরসভা চত্বরে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কালো ব্যাজ ধারণ করেন। এ সময় তাঁরা এক মিনিট নীরবতা পালন, প্রয়াত নেতার স্মৃতিচারণ এবং তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়ার আয়োজন করেন।

ঈশ্বরদী পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলেন, মখলেসুর রহমান বাবলু দীর্ঘদিন ঈশ্বরদী পৌরসভার চেয়ারম্যান ও মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পৌরসভার উন্নয়ন ও নাগরিক সেবায় তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

শনিবার দুপুরে নিজ বাড়িতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে মখলেসুর রহমান বাবলুকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে বেলা ১টা ৫০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। তিনি অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মখলেসুর রহমান বাবলু ১৯৯৩, ১৯৯৭, ১৯৯৮ ও ২০০৪ সালে ঈশ্বরদী পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরে ২০০৮ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি পৌরসভার মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন।

শেষ বিদায়ে মানুষের ঢল, দাফন হলেন সাবেক মেয়র বাবলু

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মকলেছুর রহমান বাবলুকে দ্বিতীয় জানাজার পর শনিবার রাতে শহরের কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়েছে।

রাত ১০টায় ফতেমোহাম্মদপুর লোকো ফুটবল মাঠে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো একনজর দেখতে বৃষ্টি উপেক্ষা করে সেখানে নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের ঢল নামে। শোকাবহ পরিবেশে উপস্থিত সবাই তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।

শনিবার দুপুরে নিজ বাড়িতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে বেলা ১টা ৫০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। মৃত্যুকালে তিনি অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

জানাজায় বক্তব্য দেন পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডল, পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম রেজা হাবিব, পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ শোয়াইব, পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাকসুদুর রহমান মাসুদ, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু এবং উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম তুহিন।

এ ছাড়া নাটোরের লালপুর, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ জানাজায় অংশ নেন।

বক্তারা বলেন, মকলেছুর রহমান বাবলু সাদাসিধে জীবনযাপনের জন্য পরিচিত ছিলেন। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও সব দল ও ধর্মের মানুষের কাছে তিনি সম্মানিত ছিলেন।

পারিবারিক ও রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, মকলেছুর রহমান বাবলু  ১৯৯৩, ১৯৯৭, ১৯৯৮ ও ২০০৪ সালে ঈশ্বরদী পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরে ২০০৮ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি পৌরসভার মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালের পৌরসভা নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। আশির দশকে পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। পরে পৌর বিএনপির সভাপতি হিসেবে দলকে সুসংগঠিত করেন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিন দশকের বেশি সময় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকায় সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে তিনি ‘বাবলু ভাই’ নামে পরিচিত ছিলেন।

উপজেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৪ সালে ঈশ্বরদীতে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রেনে গুলি ও বোমা হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০১৯ সালের ৩ জুলাই আদালত মখলেসুর রহমান বাবলুকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে পাঁচ বছর কারাভোগের পর ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট তাঁকে খালাস দেন। একই বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান।

ঈশ্বরদীর সাবেক মেয়র বাবলুর জানাজা দুই দফায়

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মখলেসুর রহমান বাবলুর দুটি জানাজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জানাজার আগে তাঁর মরদেহে শ্রদ্ধা জানানো হবে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ শনিবার রাত ১০টায় ঈশ্বরদী শহরের ফতেহমোহাম্মদপুর লোক ফুটবল মাঠে প্রথম এবং পরে রাত সাড়ে ১০টায় ঈশ্বরদী কেন্দ্রীয় ঈদগাহে দ্বিতীয় জানাজা হবে।

শনিবার দুপুরে নিজ বাড়িতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে বেলা ১টা ৫০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

মখলেসুর রহমানের বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। তিনি স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে, ভাই-বোনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

এদিকে তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়ে ঈশ্বরদীতে চলমান একটি কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত করে ফতেহমোহাম্মদপুরের বাসভবনে ছুটে যান সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব এবং পাবনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাকসুদুর রহমান মাসুদ। পরে সেখানে যান পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল এবং পাবনা-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। 

বাবলুর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল, পাবনা-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র ইছাহক আলী মালিথা এবং বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব। তাঁরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

পারিবারিক ও রাজনৈতিক সূত্রে জানা যায়, মখলেসুর রহমান বাবলু ১৯৯৩, ১৯৯৭, ১৯৯৮ ও ২০০৪ সালে ঈশ্বরদী পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরে ২০০৮ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি পৌরসভার মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালের পৌরসভা নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। আশির দশকে পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। পরে পৌর বিএনপির সভাপতি হিসেবে দলকে সুসংগঠিত করেন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিন দশকের বেশি সময় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকায় সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে তিনি ‘বাবলু ভাই’ নামে পরিচিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালে ঈশ্বরদীতে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রেনে গুলি ও বোমা হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০১৯ সালের ৩ জুলাই আদালত মখলেসুর রহমান বাবলুকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে পাঁচ বছর কারাভোগের পর ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট তাঁকে খালাস দেন। একই বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান।

ঈশ্বরদীর সাবেক মেয়র বাবলু আর বেঁচে নেই


নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মকলেছুর রহমান বাবলু আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি, হৃদরোগসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। শনিবার দুপুর ১টার দিকে ঈশ্বরদী পৌর শহরের ফতেহমোহাম্মদপুরে নিজ বাড়িতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. কাবেরী শাহ বলেন, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছিল।

মকলেছুর রহমান বাবলু ঈশ্বরদী শহরের ফতেহমোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি আফসার উদ্দিনের ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বাসভবনে ছুটে যান সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল, পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব এবং পাবনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাকসুদুর রহমান মাসুদ।

এদিকে তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র ইছাহক আলী মালিথা। এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মকলেছুর রহমান বাবলুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব। এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, বিএনপি মকলেছুর রহমান বাবলুর মতো একজন জনপ্রিয় ও কর্মীবান্ধব নেতাকে হারাল। এটি দলের রাজনীতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

তাঁর ভাই ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক নেতা মাহবুবুর রহমান পলাশ জানান, শনিবার রাত ১০টায় লোকো ফুটবল মাঠে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

পারিবারিক ও রাজনৈতিক সূত্রে জানা যায়, মকলেছুর রহমান বাবলু ১৯৯৩, ১৯৯৭, ১৯৯৮ ও ২০০৪ সালে ঈশ্বরদী পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরে ২০০৮ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি পৌরসভার মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালের পৌরসভা নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালে ঈশ্বরদীতে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রেনে গুলি ও বোমা হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০১৯ সালের ৩ জুলাই আদালত মকলেছুর রহমান বাবলুকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট ওই মামলায় তাঁকে খালাস দেন। একই বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান।

শামসুর রহমান শরীফের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুর রহমান শরীফের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ ২ এপ্রিল। ২০২০ সালের এই দিনে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

শামসুর রহমান শরীফ পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের কাণ্ডারি হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ১৯৯৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত টানা পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ের পর ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি তাকে ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহুবার জেল খেটেছেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর তৎকালীন সরকারের আমলে টানা পাঁচ বছর এবং পরে এরশাদ সরকারের আমলেও তিনি দীর্ঘ সময় কারাগারে ছিলেন।

তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু ছাত্রাবস্থায়। ১৯৫২ সালে পাবনা জেলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র থাকাকালীন ভাষা আন্দোলনের মিছিল থেকে তিনি প্রথম গ্রেপ্তার হন। পরে ১৯৭১ সালে তিনি সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭৩ সালে ঈশ্বরদীর লক্ষ্মীকুণ্ডা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে তার জনপ্রতিনিধিত্ব শুরু হয়। ইউনিয়ন পর্যায় থেকে শুরু করে উপজেলা এবং পরে ২০০৫ সালে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। আমৃত্যু তিনি এই দায়িত্ব পালন করেছেন।

শামসুর রহমান শরীফ ১৯৪০ সালের ১০ মার্চ পাবনা সদর উপজেলার চর শানিকদিয়ার মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক বাড়ি ঈশ্বরদী উপজেলার কৈকুণ্ডা গ্রামে। তার বাবার নাম লুৎফর রহমান এবং মায়ের নাম জোবেদা খাতুন।

২০২০ সালের ২ এপ্রিল ভোর সাড়ে ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বরেণ্য এই রাজনীতিকের মৃত্যু হয়।

ঈশ্বরদীতে ডেঙ্গুতে ছেলের মৃত্যুর এক সপ্তাহ পর মারা গেলেন মা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীর মিরকামারী গ্রামে এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডেঙ্গুতে মা ও ছেলে মৃত্যুবরণ করেছেন। শনিবার রাতেই রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে মারা যান রোজি বেগম (৪৫)।

এর এক সপ্তাহ আগে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারান তার ছেলে নাহিদ ইসলাম (১৯)। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, মা ও ছেলে দুজনই ডেঙ্গুর জেরে জীবন হারিয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুতে আরও পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে প্রাণ হারিয়েছেন মোট ৪০৯ জন।

নাহিদের বাবা নুরুল ইসলাম জানান, ‘আমার ছেলে প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হলে তাকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ডেঙ্গু ধরা পড়ে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজে নেওয়ার পথে সে মারা যায়। ছেলেকে হারানোর শোক সামলানোর আগেই তার মা অসুস্থ হয়ে পড়েন। কয়েক দিন পর বৃহস্পতিবার ডেঙ্গু ধরা পড়ে তাকে ঢাকায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি।’

এক সপ্তাহের ব্যবধানে মা–ছেলের এই করুণ মৃত্যু শুধু পরিবারকেই নয়, পুরো গ্রামকেও শোকের ছায়ায় ঢেকে দিয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, একই সময়ে দেশে বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৩৮৭ জন ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছরে মোট ১ লাখ ৪৭৭ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন, যাদের মধ্যে ৯৮,৭২৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১,৭৪৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

চলতি বছরের মৃত্যু সংখ্যা মাসভিত্তিক: জানুয়ারিতে ১০, ফেব্রুয়ারিতে ৩, মার্চে কোন মৃত্যু হয়নি। এপ্রিল মাসে ৭, মে মাসে ৩ জনের মৃত্যু হলেও জুন থেকে বৃদ্ধি পেতে থাকে। জুনে ১৯, জুলাইয়ে ৪১, আগস্টে ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেপ্টেম্বরে ৭৬, অক্টোবর ৮০ এবং নভেম্বর মাসে ৯৯ জন ডেঙ্গুতে প্রাণ হারিয়েছেন।

ঈশ্বরদী থেকে ঢাকায় যাওয়ার পথে জামায়াত কর্মীর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকায় জামায়াতে ইসলামীর সমাবেশে যাওয়ার পথে অসুস্থ হয়ে দলটির এক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। মৃত মোস্তাফিজুর রহমান কলম বিশ্বাস (৫০) ঈশ্বরদী উপজেলার চরমিরকামারী গ্রামের মাহবুব বিশ্বাসের ছেলে।

শুক্রবার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে গাজীপুরের চান্দুরা এলাকায় বাসের মধ্যে অসুস্থ হলে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শুক্রবার রাত ১১টার দিকে তিনি ঈশ্বরদী থেকে বাসে ঢাকায় সমাবেশের উদ্দেশে যাত্রা করেন।

পাবনা জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদের সদস্য গোলাম রব্বানী খান জুবায়ের বলেন, মোস্তাফিজুর রহমান কলম বিশ্বাস যমুনা সেতু পার হওয়ার পর অসুস্থ অনুভব করলে তাকে বাসে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে চান্দুরা এলাকায় পৌঁছলে তার অবস্থার অবনতি হয়। তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

ঈশ্বরদীতে সাপের কামড়ে সাপুড়ের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদন: ঈশ্বরদীতে সাপের কামড়ে নাঈম হোসেন (২২) নামে এক সাপুড়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার মুলাডুলি এলাকার এক ওঝার বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ১০টার দিকে ঈশ্বরদী পৌর এলাকার এক স্থানীয় সাপের খেলা প্রদর্শন করার সময় নাঈমের হাতে থাকা একটি গোখরা সাপ তার বৃদ্ধাঙ্গুলিতে কামড় দেয়। পরে আশেপাশের লোকজন তার হাতে তিনটি বাঁধন পরিয়ে দেন। তবে নিজের ইচ্ছায় তিনি বাঁধন খুলে ফেলেন। কিছু সময় পরে নাঈমের শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসার বদলে তাকে মুলাডুলি এলাকার এক ওঝার কাছে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে ওঝা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঈশ্বরদী থানার ওসি আ স ম আব্দুন নূর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, 'নাঈম একজন সাপুড়ে ছিলেন এবং সাপের খেলা দেখিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।  একটি গোখরা সাপ ধরে নিজ কাছে রেখেছিলেন। আজ সেই সাপ নিয়ে খেলা দেখানোর সময় সাপটি তাকে কামড় দিলে তার মৃত্যু হয়।' 

ঈশ্বরদীতে বিষ্ণু কুমার সরকারের মায়ের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব বিষ্ণু কুমার সরকারের মা অনুরূপা রানী সরকার বার্ধক্যজনিত কারণে মঙ্গলবার সকালে মারা গেছেন।

তিনি সকাল ৮টার দিকে অরোণকালা এলাকার নিজ বাড়িতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি চার ছেলে, চার কন্যাসহ নাতি-নাতনী, আত্মীয়স্বজন ও অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। দুপুর দেড়টার দিকে ঈশ্বরদী পৌর শ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

তাঁর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বিএনপির সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম সরদার, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও দলটির জেলা কমিটির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র মোকলেছুর রহমান বাবলু, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু,  ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম ফজলুর রহমান এবং ঈশ্বরদী শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি আশিকুর রহমান নান্নু।

ঈশ্বরদীতে সড়কে ঝরল সাইকেল আরোহীর প্রাণ

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদীতে অটোরিকশার ধাক্কায় কমল (৩৫) নামে এক সাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শহরের স্টেশন রোড এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত কমল উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের যুক্তিতলা লাইনপাড়া এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কমল সাইকেলে করে ঈশ্বরদী বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তাকে ধাক্কা দেয়। ধাক্কা খেয়ে তিনি সড়কে ছিটকে পড়েন এবং মাথায় গুরুতর আঘাত পান। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

ঈশ্বরদী থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল বারী বলেন, 'পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলছে।'

ঈশ্বরদীতে বিএনপির সাবেক সভাপতি আক্তারুজ্জামান আক্তারের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আক্তারুজ্জামান আক্তার মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ রোববার বিকেল পাঁচটার দিকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বিকেলে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন আক্তার। দ্রুত তাঁকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

আক্তারুজ্জামান আক্তার চার ছেলে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

দলীয় সুত্রে জানা গেছে, আক্তারুজ্জামান আক্তার ২০১৯ সালে ঈশ্বরদীতে শেখ হাসিনাকে বহন করা ট্রেনে হামলার মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলেন। চলতি বছরের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর হাইকোর্টে আপিলের রায়ে তিনি খালাস পান। পরে ১১ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান।

এদিকে তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও দলটির জেলা কমিটির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব। শোক জানিয়েছেন ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র মোখলেছুর রহমান বাবলু ও ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু।

আক্তারের ছেলে পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ. কে.এম. সাজেদুজ্জামান জিতু জানান, জানাজার সময়সূচি এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।

ঈশ্বরদীতে বৈদ্যুতিক কাজ করতে গিয়ে নিহত শ্রমিক

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে পুকুরে বৈদ্যুতিক সংযোগের কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে এক শ্রমিকের। 

নিহতের নাম শীতল (২৫), তিনি সাঁড়া গোপালপুর নতুন পাড়ার আব্দুল আজিজের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,   শহরের পাতিবিল এলাকায়  শনিবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে পুকুরে বৈদ্যুতিক সংযোগ দিতে গিয়ে শীতল অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঈশ্বরদী থানার ওসি শহীদুল ইসলাম জানান, 'ঘটনাটি শুনেছি। আইনগত সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।'

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন