সড়ক দুর্ঘটনা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সড়ক দুর্ঘটনা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বরদীতে বিয়ের ঠিক দুই দিন আগে ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল বাবা-মায়ের

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ছেলের বিয়ের কেনাকাটা শেষে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে ঈশ্বরদীতে ট্রাকচাপায় এক দম্পতি নিহত হয়েছেন। বুধবার রাতে পৌর শহরের আলহাজ্ব মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—ঈশ্বরদীর সাহাপুর ইউনিয়নের মালিথাপাড়া এলাকার মৃত টুনি মালিথার ছেলে আনোয়ার মালিথা (৪০) ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না খাতুন (৩৫)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগামী শুক্রবার তাঁদের ছেলে সিয়ামের বিয়ের দিন ধার্য ছিল। এ উপলক্ষে ওই দম্পতি ঈশ্বরদী শহরে কেনাকাটা করতে আসেন। কাজ শেষে সন্ধ্যায় মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফেরার পথে আলহাজ্ব মোড় এলাকায় একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাঁদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই স্বপ্না খাতুনের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় আনোয়ার মালিথাকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনিও মারা যান।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুর রহমান জানান, মরদেহগুলো উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তবে দুর্ঘটনার পরপরই ট্রাকচালক পালিয়ে যাওয়ায় তাঁকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

ঈশ্বরদীতে বাস-ট্যাঙ্কার মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে এলপিজিবাহী ট্যাঙ্কার ও যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের নতুনহাট গোলচত্বর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এতে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঝিনাইদহের শৈলকূপা থেকে ১৯ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছিল ‘গ্রিন এক্সপ্রেস’-এর একটি বাস। যানটি নতুনহাট গোলচত্বর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত লেন দিয়ে আসা একটি এলপিজিবাহী ট্যাঙ্কারের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘাত হয়। এতে উভয় যানের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

দুর্ঘটনায় বাসের ছয় যাত্রী আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত। ঘটনার পরপরই ট্যাঙ্কারটির চালক ও সহকারী পালিয়ে যান।

গ্রিন এক্সপ্রেস বাসের চালক রুবেল হোসেন বলেন, শৈলকূপা থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছিলাম। গোলচত্বরে বিপরীত দিক থেকে ভুল লেনে চলে আসা ট্যাঙ্কারটির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে কয়েকজন যাত্রী আঘাত পান।

পাকশী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নান্নু মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ট্যাঙ্কারটি ভুল লেনে থাকার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি জব্দ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

মায়ের চোখের সামনেই শিশুর মৃত্যু, বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারালেন যুবক

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে মায়ের চোখের সামনেই সড়কে ঝরে গেল আট বছরের শিশু আলিফ হোসেনের প্রাণ। আর তাকে বাঁচাতে গিয়ে দ্রুতগতির যানবাহনের চাকায় পিষ্ট হয়ে প্রাণ হারান বাকিবিল্লাহ (৩৫) নামের এক যুবক। মর্মান্তিক এই সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন শিশুটির মা।

রোববার রাত নয়টার দিকে দাশুড়িয়া-লালনশাহ সেতু মহাসড়কের কোলেরকান্দি বটতলা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন, পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের কোলাদি গ্রামের জাহিদ হোসেনের ছেলে আলিফ হোসেন (৮) এবং আতাইকুলা থানার শ্রীকোল গ্রামের বাশার শেখের ছেলে ও মুরগি ব্যবসায়ী বাকিবিল্লাহ (৩৫)।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, রূপপুর এলাকা থেকে পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ঘুরে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় পরিবারের সঙ্গে দাশুড়িয়ার দিকে ফিরছিল আলিফ। কোলেরকান্দি এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে আসা একটি মোটরসাইকেল অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে আলিফ ছিটকে মহাসড়কে পড়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মোটরসাইকেলআরোহী বাকিবিল্লাহ শিশুটিকে উদ্ধার করতে সড়কে ছুটে যান। কিন্তু ঠিক সেই সময় পেছন থেকে আসা একটি দ্রুতগতির অজ্ঞাত যানবাহন তাঁদের দুজনকে চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই আলিফ ও বাকিবিল্লাহর মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে রূপপুর মডার্ন ফায়ার স্টেশনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ দুটি উদ্ধার করেন। একই সঙ্গে আহত আলিফের মা আঁখি খাতুনকে (৩০) উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

রূপপুর মডার্ন ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার মাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেন এবং আহত নারীকে হাসপাতালে পাঠান।’

পাকশী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নান্নু মিয়া জানান, ‘নিহতদের মরদেহ পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনায় জড়িত অজ্ঞাত যানবাহনটি শনাক্ত এবং চালককে আটকের চেষ্টা চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’

ঈশ্বরদী-লালপুর মহাসড়ক যেন মরণফাঁদ: নিরাপদ সড়কের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী-লালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ঈশ্বরদী অংশে প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে। এতে হতাহতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন ঈশ্বরদী বিমানবন্দর ও স্কুলপাড়া এলাকার বাসিন্দারা। ‘অনিরাপদ সড়ক ব্যবস্থাপনা থেকে মুক্তি’র দাবিতে শুক্রবার এই মহাসড়কে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও মসজিদের মুসল্লিরা।

বিক্ষোভকারীরা জানান, গত এক বছরে এই মহাসড়কের স্কুলপাড়া ও বিমানবন্দর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ১০ থেকে ১১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। সর্বশেষ ঈদুল ফিতরের দিন নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন রেলওয়ের অবসরপ্রাপ্ত স্টেশন মাস্টার মো. নুরুজ্জামান। গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকার ছয় দিন পর তিনি মারা যান। স্থানীয়দের দাবি, এই সড়কটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য রীতিমতো মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। দুর্ঘটনা রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন ‘মানাব’-এর সভাপতি মাসুম পারভেজ কল্লোল। এতে বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক হাসান আলী, স্থানীয় বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম স্বজল, ইন্টু মল্লিক, সাদিকুল ইসলাম রাসেল, আশেকুল ইসলাম পিয়াস, মেহেদী হাসান মিরাজ, জালাল উদ্দিন, স্কুলপাড়া জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ ওমর ফারুক এবং নারী উদ্যোক্তা ফারজানা ফেরদৌস পুস্প।

কর্মসূচি সম্পর্কে মাসুম পারভেজ কল্লোল বলেন, এই আঞ্চলিক মহাসড়কটিতে বেপরোয়া গতির যানবাহন চলাচলের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। এলাকার মানুষ এই আতঙ্ক থেকে মুক্তি চায়। ভুক্তভোগী বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে মানববন্ধন ও বিক্ষোভের মাধ্যমে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সড়ক বিভাগ দ্রুত স্থায়ী সমাধানে উদ্যোগী হবে।

ট্রাকের পেছনে আরেক ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২

নিজস্ব প্রতিবেদক: নাটোরের বড়াইগ্রামে বালুভর্তি একটি ট্রাককে পেছন থেকে আরেকটি ট্রাক ধাক্কা দেওয়ার ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। ৬ জানুয়ারি শনিবার ভোরে বড়াইগ্রাম উপজেলার গলাকাটা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- ঝিনাইদহের বাড়ইপাড়ার বাসিন্দা ট্রাকচালক শাহীনুর আকাশ (২৮) এবং অচিন্তপুর গ্রামের ট্রাকচালকের সহকারী (হেলপার) জসিম উদ্দিন (২৬)।

ঝলমলিয়া হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এন এম মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা পোস্টকে বলেন, দিনাজপুর থেকে একইসঙ্গে বালুভর্তি দুটি ট্রাক কুষ্টিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নাটোর-বনপাড়া মহাসড়কের বড়াইগ্রাম উপজেলার গলাকাটা এলাকায় ট্রাক দুটি পৌঁছালে পেছনে থাকা ট্রাকটি সামনের ট্রাকটিকে ধাক্কা দেয়। এতে পেছনের ট্রাকের চালক ও হেলপার গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুইজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি আরও বলেন, ট্রাক দুটি পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চুনারুঘাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩, আহত ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের সংঘর্ষে দুই নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন তিনজন।

১৪ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চানভাঙ্গা এলাকার নতুন ব্রিজ সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, হবিগঞ্জ জেলা শহরের উমেদনগর এলাকার সমেদ মিয়ার স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৪০), চুনারুঘাট উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে তানিম মিয়া (২২) ও একই উপজেলার রামশ্রী গ্রামের আনোয়ার আলীর মেয়ে তামান্না আক্তার (২৫)।

চুনারুঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলাউল হক জানান, চুনারুঘাট থেকে নতুন ব্রিজের উদ্দেশে ছেড়ে আসা একটি কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ইজিবাইকের যাত্রীরা আহত হলে তাদের উদ্ধার করে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক সুফিয়া বেগম, তানিম মিয়া ও তামান্নাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আহত চুনারুঘাট উপজেলার আলাপুর গ্রামের হেনা আক্তার (২৫) ও জিকুয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর মিয়া (১৯) ও টাঙ্গাইলের হানিফ মোল্লাকে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তাদেরকে গুরুতর অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি জব্দ করেছে থানা পুলিশ। মরদেহগুলো হাসপাতালে রয়েছে।

ঈশ্বরদীতে ১২ ঘণ্টা পর উল্টে যাওয়া ট্রাকের নিচ থেকে লাশ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে মসুরের ডাল বোঝাই ট্রাক উল্টে আওলাদ হোসেন (১৯) নামের এক হেলপারের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঈশ্বরদী-লালপুর মহাসড়কে উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়ন এলাকায় উল্টে যাওয়া ট্রাকের নিচ থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আওলাদ জয়পুরহাট সদরের হাবিবপুর গ্রামের আলম হোসেনের ছেলে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ঈশ্বরদী উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের আরামবাড়িয়ার গোপালপুর গ্রামে (ঈশ্বরদী-লালপুর মহাসড়ক) এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সংবাদকর্মী জিল্লুর রহমান জীবন জানান, হিলি থেকে মশুর ডাল বোঝাই একটি ট্রাক কুষ্টিয়া যাচ্ছিল। সকালে ট্রাকটি খাদে উল্টে যায়। এ সময় ট্রাকের ওপরে থাকা হেলপার ট্রাকের নিচে চাপা পরেন। সারাদিন চেষ্টা চালিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ট্রাকের নিচ থেকে হেলপার আওলাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অরবিন্দ সরকার বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় লাশ নিহতের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন