বিদ্যুৎস্পৃষ্ট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বরদীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বিদেশফেরত যুবকের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ওহিদ আলী (২৮) নামের বিদেশফেরত এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার জগন্নাথপুর উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ওহিদ আলী ওই গ্রামের নুরাল সরদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন সৌদি আরবে ছিলেন এবং সম্প্রতি দেশে ফিরে কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন।

স্থানীয় লোকজন জানান, মঙ্গলবার সকালে নিজ বাড়িতে পানির মোটরের সুইচ চালু করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন ওহিদ আলী। এ সময় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যুর ঘটনাটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

পাবনায় পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাবনার সদর উপজেলার আতাইকুলায় পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী ও স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার রাতে উপজেলার আতাইকুলা দক্ষিণ কুচিয়ামোড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন আতাইকুলা থানার কৈজুরি শ্রীপুর গ্রামের ছাদেক প্রামাণিকের ছেলে শবদুল প্রামাণিক (৩৫) এবং তাঁর স্ত্রী উত্তর কুচিয়ামোড়া গ্রামের আবুল চৌকিদারের মেয়ে আশা খাতুন (২৫)।

আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুই দিন আগে শবদুল তাঁর শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যান। শ্বশুরবাড়ির একটি পুকুরে বৈদ্যুতিক মোটরের মাধ্যমে পানি সেচের কাজ চলছিল। এই কাজের জন্য বাঁশের সঙ্গে বৈদ্যুতিক তার নেওয়া হয়েছিল। একপর্যায়ে সেই তার ছিঁড়ে পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। এতে পুকুরের পানি বিদ্যুতায়িত হলেও বিষয়টি কেউ টের পাননি। মঙ্গলবার রাতে শবদুল, তাঁর স্ত্রী ও অন্য কয়েকজন ওই পুকুরে মাছ ধরতে নামলে সবাই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাঁদের উদ্ধার করে পুকুরপাড়ে তোলা হলে শবদুল ও আশা খাতুনের মৃত্যু হয়।

আহত তিনজনকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঈশ্বরদীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গৃহবধূর মৃত্যু

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সান্তনা রানী গুপ্ত (৩৫) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঈশ্বরদী পৌরসভার পশ্চিম টেংরি কাচারিপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

সান্তনা রানী ওই এলাকার বাসিন্দা টুটুল কুমার গুপ্তের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সান্তনা রানীর বাড়ির শোবার ঘরের টিনের চালের ওপর একটি পচা কাঁঠাল পড়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল। সেটি সরাতে গিয়ে তিনি টিনে হাত দেন। তখনই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিচে পড়ে যান তিনি। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় সান্তনা রানীর শেষকৃত্য সম্পন্নের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা হয়েছে।

ঈশ্বরদীতে বৈদ্যুতিক কাজ করতে গিয়ে নিহত শ্রমিক

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে পুকুরে বৈদ্যুতিক সংযোগের কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে এক শ্রমিকের। 

নিহতের নাম শীতল (২৫), তিনি সাঁড়া গোপালপুর নতুন পাড়ার আব্দুল আজিজের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,   শহরের পাতিবিল এলাকায়  শনিবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে পুকুরে বৈদ্যুতিক সংযোগ দিতে গিয়ে শীতল অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঈশ্বরদী থানার ওসি শহীদুল ইসলাম জানান, 'ঘটনাটি শুনেছি। আইনগত সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।'

বাড়ির জন্য কেনা জমিতে একসঙ্গে ৪ জনের কবর

নিজস্ব প্রতিবেদক: দাদি, বাবা, আর ছোট দুই বোনের শেষ বিদায়ের সময় বাকরুদ্ধ হয়ে তাকিয়ে ছিল অল্পের জন্য বেঁচে যাওয়া জান্নাতুল মারুফা (৮)। একটু দূরে দাঁড়িয়ে চোখের জলে তাদের শেষ বিদায় দিচ্ছিল সে। অটোরিকশাচালক বাবা জামাল উদ্দিন ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী মা মরিয়ম আক্তার টাকা জমিয়ে যে আট শতক জমি কিনেছিলেন, সেই জমিতেই ৩১ ডিসেম্বর রোববার সকালে দাফন করা হয় তাদের।

গতকাল শনিবার নান্দাইল উপজেলার বীর ঘোষপালা গ্রামে বসতঘরে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে চারজনের মৃত্যু হয়। তারা হলেন- জামাল উদ্দিন (৪০), তার মা আনোয়ারা বেগম (৭০) এবং জামালের দুই মেয়ে ফাইজা মনি (৬) ও আনিকা (৪)। রোববার সকাল ১০টায় নিহতদের বাড়ির সামনে থাকা ফসলি জমিতে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। গ্রামের লোক ছাড়াও দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন এসে জানাজায় অংশ নেন। জানাজা শেষ হওয়ার পর একে একে চারজনের মরদেহ চারটি কবরে নামানো হয়। মাঝখানে জামালের দুই মেয়েকে রেখে দুই পাশে জামাল ও তার মা আনোয়ারাকে দাফন করা হয়।

জামাল উদ্দিনের স্ত্রী মরিয়ম আক্তার ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর চাকরি করেন। দুর্ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। স্বামী-সন্তানদের মৃত্যুর খবর পেয়ে রাতে বাড়িতে আসেন তিনি। 

মরিয়ম জানান, স্বামী-স্ত্রীর আয় দিয়ে জমি কিনেছিলেন। সেই জমিতে বাড়ি বানাতে পারেননি। এখন তাকে ছেড়ে সবাই চলে গেলেন। এ কথা বলে কাঁদতে কাঁদতে তিনি মূর্ছা যান।

অল্পের জন্য বেঁচে যাওয়া জামালের বড় মেয়ে জান্নাতুল মারুফা জানায়, দুপুরের পর সে ঘরে ঢুকে দেখতে পায় বাবা, দাদি ও ছোট দুই বোন ঘরের ভেতরে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে। তখন সে দাদির শরীরে ধাক্কা দেয়। এ সময় সে (মারুফা) প্রচন্ড ঝাঁকি খেয়ে ঘরের এক কোণে গিয়ে ছিটকে পড়ে। তখন দাদি বলে চিৎকার করতে থাকলে কিছুটা দূরে পুকুরে গোসলরত বড় চাচা নুরুল হক ছুটে এসে শুকনো বাঁশ দিয়ে আঘাত করে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করেন।

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু


নিজস্ব প্রতিবেদক: ময়মনসিংহের নান্দাইলে অটোরিকশা চার্জ দেওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু হয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর শনিবার বিকেলে উপজেলার চন্ডিপাশা ইউনিয়নের ঘোষপালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- ঘোষপালা গ্রামের জামাল উদ্দিন (৩২), তার মা আনোয়ারা বেগম (৬৫), শিশু কন্যা আনিকা আক্তার (৪) ও মোছা. ফাইজা (৬)।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে- অটোরিকশাচালক জামাল উদ্দিন নিজের বসতঘরেই অটোরিকশা চার্জ দিতেন। এদিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিনে চার্জ দেওয়া অটোরিকশাটি ঘর থেকে বাইরে বের করতে যান তিনি। অসাবধানতায় অটোরিকশাটি বিদ্যুৎতায়িুুুত হয়ে গেলে জামাল উদ্দিন বিদ্যুস্পৃষ্ট হন। এতে জামাল চিৎকার দিলে তার মেয়ে আনিকা ও ফাইজা দৌঁড়ে বাবার কাছে গেলে তারাও বিদ্যুতায়িত হয়। এ সময় জামাল উদ্দিনের মা আনোয়ারা বেগম দৌঁড়ে গিয়ে ছেলে ও নাতিদের ধরলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। 

নান্দাইল মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুল মজিদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। মর্মান্তিক এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। 

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন