শোক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শোক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বরদীতে বাবলুকে স্মরণে মূল কর্মসূচি স্থগিত, পরে শোক র‌্যালি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মকলেছুর রহমান বাবলুর স্মরণে ঘোষিত শোক র‌্যালি বৈরী আবহাওয়ার কারণে স্থগিত করা হয়েছে। তবে মূল কর্মসূচি স্থগিত হলেও পরে 'উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের' ব্যানারে একটি শোক র‌্যালি হয়েছে।

শনিবার বিকেলে শহরের পোস্ট অফিস মোড়ে উপজেলা ও পৌর বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে শোক র‌্যালি স্থগিতের ঘোষণা দেন উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম তুহিন। তিনি বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে কর্মসূচিটি আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। শোক র‌্যালির নতুন সময় পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।

তবে এ ঘোষণার পরও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম নয়নের নেতৃত্বে উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ব্যানারে একটি শোক র‌্যালি বের হয়। শোক র‌্যালিটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়।

দলীয় সূত্র জানায়, মকলেছুর রহমান বাবলুর মৃত্যুতে ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনগুলো তিন দিনের শোক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে দলীয় কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন, দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা, শোকের ব্যানার টানানো এবং শোক বই উন্মুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার শোক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও পরে সময় পরিবর্তন করে শনিবার নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু শনিবারও বৈরী আবহাওয়ার কারণে কর্মসূচিটি স্থগিত করা হয়। এর আগে শুক্রবার জুমার নামাজের পর উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল হয়।

গত শনিবার নিজ বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়লে মকলেছুর রহমান বাবলুকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে বেলা ১টা ৫০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঈশ্বরদীতে বাবলুর স্মরণে শোক বইয়ে স্বাক্ষর কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মকলেছুর রহমান বাবলুর স্মরণে শোক বইয়ে স্বাক্ষর কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে এ কর্মসূচি শুরু হয়। আগামী শুক্রবার পর্যন্ত শোক বইয়ে স্বাক্ষর কার্যক্রম চলবে। 

শোক বইয়ে ইতোমধ্যে স্বাক্ষর করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ শোয়াইব, পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম, আরআরপি গ্রুপের প্রতিনিধিরা, সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি রেজাউল করিম শাহীনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রশাসনের ব্যক্তিবর্গ এবং দলীয় নেতা-কর্মীরা।

এর আগে মকলেছুর রহমান বাবলুর মৃত্যুতে তিন দিনের শোক কর্মসূচি ঘোষণা করে ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো। কর্মসূচির অংশ হিসেবে দলীয় কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন, দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা, শোক ব্যানার টানানো এবং শোক বই উন্মুক্ত করা হয়েছে।

এ ছাড়া আগামী বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় শোক র‍্যালি অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার জুমার নামাজের পর উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হবে।

ঈশ্বরদীতে বাবলুর স্মরণে বিএনপির শোক কর্মসূচি শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র মখলেসুর রহমান বাবলুর মৃত্যুতে ঘোষিত তিন দিনের শোক কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

সোমবার সকালে শহরের পোস্ট অফিস মোড়ে বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা, দলীয় পতাকা ও কালো পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জিয়াউল ইসলাম সন্টু সরদার, সাবেক সদস্যসচিব আজমল হোসেন সুজন, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম তুহিন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা মাহবুবুর রহমান পলাশ, পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আজমল হোসেন ডাবলু, দাশুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ সুলভ মালিথা, ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি রেজাউল করিম শাহিন, পাবনা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম নয়ন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বিপুল হোসেন বুদুসহ বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

শনিবার নিজ বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে বেলা ১টা ৫০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

তাঁর মৃত্যুতে ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে তিন দিনের শোক কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে কালো পতাকা উত্তোলন, দোয়া মাহফিল ও শোকসভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

বাবলুর স্মরণে তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা ঈশ্বরদী বিএনপির

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি, পৌরসভার সাবেক মেয়র এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মকলেছুর রহমান বাবলুর মৃত্যুতে তিন দিনের শোক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী,  আজ সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত দলীয় নেতা-কর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করবেন। এ সময় উপজেলা ও পৌর বিএনপির সব কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে। পাশাপাশি কালো পতাকা উত্তোলন এবং শোক ব্যানার টানানো হবে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার সকাল ৯টায় দলীয় কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন করা হবে। এরপর সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে শোক বই উন্মুক্ত করা হবে।

বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় শোক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া শুক্রবার জুমার নামাজের পর উপজেলার সব মসজিদে মকলেছুর রহমান বাবলুর আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

শনিবার দুপুরে নিজ বাড়িতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে বেলা ১টা ৫০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

বাবলুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ বিএনপি মহাসচিবের

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সংগৃহীত ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মকলেছুর রহমান বাবলুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার এক শোকবার্তায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের আদর্শ ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শনে বিশ্বাসী মখলেসুর রহমান বাবলু পাবনা জেলা বিএনপিকে শক্তিশালী ও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন এবং স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সব সময় অনুপ্রাণিত করেছেন।’

শোকবার্তায় তিনি আরও বলেন, ‘জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকার উন্নয়নে মকলেছুর রহমান বাবলুর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং মহান আল্লাহর কাছে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

শনিবার দুপুরে নিজ বাড়িতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে বেলা ১টা ৫০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

সাবেক চেয়ারম্যান নেফাউর রহমান রাজু আর নেই


নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি নেতা নেফাউর রহমান রাজু (৫২) আর নেই। 

শনিবার ভোরে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।  মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে, আত্মীয়-স্বজন এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রাজু রাজনৈতিক জীবনে সাহাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের ভিপি এবং বিএনপির উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সাহাপুর এলাকার প্রয়াত মাহফুজুর রহমান মাফুর ছেলে।

তিনি শেখ হাসিনার ট্রেনে হামলা মামলার আসামি ছিলেন এবং ওই মামলায় কয়েকবার কারাবাস করেন। কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর জামিনে মুক্তি পান এবং পরে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

শনিবার বাদ আসর সাহাপুর আবুল কাশেম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও দলটির জেলা কমিটির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। পরে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

একুশে পদকপ্রাপ্ত শিল্পী সুজেয় শ্যাম আর নেই

সুজেয় শ্যাম
সংগীতশিল্পী, সুরকার ও সংগীত পরিচালক সুজেয় শ্যাম

সংবাদ সাতদিন ডেস্ক : স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী, সুরকার ও সংগীত পরিচালক সুজেয় শ্যাম মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ২টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।

তার মেয়ে রূপা মঞ্জুরী শ্যাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার মরদেহ রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এরপর রাজধানীর সবুজবাগ বরদেশ্বরী শ্মশানে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

সুজেয় শ্যাম ক্যান্সার, উচ্চ ডায়াবেটিস ও কিডনির সমস্যাসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছিলেন।

তার মেয়ে জানান, গত সেপ্টেম্বরে তার হৃদযন্ত্রে পেসমেকার বসানোর পর তার সংক্রমণ শুরু হয়।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর তাকে বিএসএমএমইউতে ভর্তি করা হয়। এ সময় আইসিইউতে শয্যা খালি না থাকায় তাকে সিসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।

চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন সুজেয় শ্যাম। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শেষ গান এবং পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের পর প্রথম গানের সুরকার হিসেবে সম্মানিত তিনি।

গানটি ছিল “বিজয় নিশান উড়ছে ঐ”। এটি লিখেছিলেন গীতিকার শহিদুল আমিন এবং কণ্ঠ দিয়েছিলেন অজিত রায়; ১৯৭১ সালের জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের জন্য তার মোট নয়টি গান গাওয়া হয়েছিল।

তার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে "রক্ত দিয়ে নাম লিখেছি", "রক্ত চাই রক্ত চাই", "আহা ধন্য আমার জন্মভূমি" এবং "আয়রে চাষি মজুর কুলি"।

১৯৪৬ সালের ১৪ মার্চ সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন সুজেয় শ্যাম। বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে ২০১৮ সালে একুশে পদক এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি থেকে ২০১৫ সালে শিল্পকলা পদক লাভ করেন।

তিনি হাছন রাজা (২০০২), জয়যাত্রা (২০০৪), অবুঝ বউ (২০১০) ও যৈবতী কন্যার মন (২০২১) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য চারবার শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

চলে গেলেন বিশিষ্ট বাম রাজনীতিক শামসুজ্জামান সেলিম

শামসুজ্জামান সেলিম। ফাইল ছবি 

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশিষ্ট বাম রাজনীতিক বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুজ্জামান সেলিম মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।

বৃহস্পতিবার এগারোটার দিকে ঢাকা ধানমন্ডির নিজ বাসায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয় বন্ধ হয়ে তিনি মারা যান। মরহুমের ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ত ম শহিদুজ্জামান নাসিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি

জানান, শুক্রবার সিপিবির দলীয় কার্যালয় আনুষ্ঠানিকতার পর তার মরদেহ ঈশ্বরদীতে এনে শনিবার ঈশ্বরদী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জানাজার নামাজ শেষে দাফন সম্পন্ন করা হবে। 

তাঁর গ্রামের বাড়ি পাবনা ঈশ্বরদী শহরের শেরশাহ রোডে। মৃত্যুকালে আত্মীয়-স্বজন,বন্ধুবান্ধব ও দলীয় বহু নেতাকর্মী রেখে গেছেন।

এদিকে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ঈশ্বরদীর কৃতি সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুজ্জমান সেলিম এর মৃত্যতে বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড কানাডা শাখার আহ্বায়ক শওকত আলী অনু সদস্য সচিব সরোজ দাস গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তার মৃত্যুতে জাতি এক জন দেশ প্রেমিক রাজনীতিবিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হারালেন। আল্লাহ পাক তাঁকে বেহেস্ত নসিব করুন। 

ঈশ্বরদীর সাবেক সাংসদ মঞ্জুর রহমান বিশ্বাস আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া) আসনের সাবেক সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুর রহমান বিশ্বাস (৭৪) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানী ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেছেন।

মঞ্জুর রহমান বিশ্বাসের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রয়াতের ভাগিনা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তাক আহমেদ কিরণ।  

মরহুমের প্রথম জানাজা বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মঞ্জুর রহমান বিশ্বাসের জন্মভূমি ঈশ্বরদী উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের চরমিরকামারি গ্রামে বাদ আসর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-৪ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়া ঈশ্বরদী মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা, ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা নিউ এরা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ছিলেন। মঞ্জুর রহমান বিশ্বাস স্থানীয় সাংবাদিকদের অকৃত্রিক বন্ধু ছিলেন। তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ রাখার জন্য নিরলস ভূমিকার পালন করেন। রাজনীতিসহ বহুমুখী কর্মময় জীবনে মঞ্জুর রহমান সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডেও যুক্ত ছিলেন।

এদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুর রহমান বিশ্বাসের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন পাবনা-৪ আসনের সংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জামান বিশ্বাস এমপি। শোকবার্তায় মহান মুক্তিযুদ্ধে মঞ্জুর রহমান বিশ্বাসের অবদানের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। শোক প্রকাশ করেছে ঈশ্বরদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নায়েব আলী বিশ্বাস, পৌর মেয়র ইছাহক আলী মালিথা ও ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন