শিশু লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শিশু লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

চাটমোহরে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাবনার চাটমোহর উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে ইয়াসমিন খাতুন (১০) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের বনগ্রাম চকপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর ছোটবেলা থেকেই ইয়াসমিন তার নানা মতি মণ্ডলের বাড়িতে থাকত। বুধবার বিকেলে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে সমবয়সী শিশুদের সঙ্গে গোসল করতে যায় সে। গোসল শেষে অন্যরা বাড়ি ফিরে এলেও ইয়াসমিনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পুকুরে ভাসমান অবস্থায় ইয়াসমিনকে উদ্ধার করেন।

চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে।

ঈশ্বরদীতে স্কুলছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার



নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া ১০ বছরের এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মো. তহুরুল মোল্লা ওরফে তরি (২৪) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার রাতে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের খড়ের দাইড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে ওই দিনই ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। গ্রেপ্তার তহুরুল মোল্লা একই এলাকার মো. আয়েজ উদ্দিন মোল্লার ছেলে।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় সুতানদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। স্কুলে যাতায়াতের পথে তহুরুল দীর্ঘদিন ধরে তাকে উত্ত্যক্ত করাসহ অশোভন মন্তব্য করে আসছিলেন। শিশুটি বিষয়টি তার পরিবারকে জানালে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্তের স্বজনদের জানানো হয়। তবে তারা এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে উল্টো ভুক্তভোগীর পরিবারকে হুমকি দেয়।

রোববার বিকেল সোয়া চারটার দিকে স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফিরছিল ওই শিশু। পথে খড়ের দাইড় এলাকায় তহুরুল তার গতিবিধি রোধ করেন এবং জোরপূর্বক শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাত দিয়ে যৌন নিপীড়ন চালান। পরে শিশুটি কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরে পরিবারকে পুরো ঘটনা জানায়।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান আসাদ বলেন, শিশুর বাবার লিখিত অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এই ঘটনায় পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ঈশ্বরদীতে কার্টুন দেখানোর লোভ দেখিয়ে ৪ বছরের শিশুকে যৌনপীড়ন, থানায় বিক্ষোভ

প্রতীকী ছবি 

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে মোবাইল ফোনে কার্টুন দেখানোর লোভ দেখিয়ে চার বছরের এক শিশুকে বিকৃত যৌনপীড়ন করার অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার উপজেলার সাঁড়া ঝাউদিয়া হারানপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। বিল্লাল হোসেন ওই এলাকার একজন চা দোকানি। ঘটনার পর বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হলে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী রাতেই ঈশ্বরদী থানায় গিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা হলেও নামধারী ওই ব্যক্তি এখনো পলাতক। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটির দাদা প্রায়ই তাকে সঙ্গে নিয়ে বিল্লালের দোকানে চা পান করতে যেতেন। সোমবারও তিনি নাতনিকে নিয়ে সেখানে যান। এ সময় দোকানি বিল্লাল আদর করার ছলে শিশুটিকে নিজের কোলে বসিয়ে মোবাইল ফোনে কার্টুন দেখতে দেয়। এই সুযোগে সে শিশুটির ওপর যৌনপীড়ন চালায়। শিশুটি চিৎকার করে উঠলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন এবং বিল্লালকে তিরস্কার করেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতে তারা ঈশ্বরদী থানায় গিয়ে বিষয়টি জানালেও পুলিশ প্রথমে গড়িমসি করে। এতে উপস্থিত জনতা থানার ভেতরেই বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি বিবেচনা করে সোমবার রাতেই শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মামলা করেন।

মঙ্গলবার পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত বিল্লাল পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান আসাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘এ বিষয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ঈশ্বরদী থানায় মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন থানায় আসার খবর পেয়েই অভিযুক্ত বিল্লাল পালিয়ে যায়। তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

ঈশ্বরদীতে ট্রেনের ছাদ থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী বাইপাস স্টেশন থেকে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে রেলওয়ে পুলিশ।মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী ‘ধূমকেতু এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ছাদ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন থানার পুলিশ সেটি নিজেদের হেফাজতে নেয়।

পুলিশ জানিয়েছে, নিহত শিশুটির নাম মো. নিরব (১১)। সে বগুড়ার ধুনট উপজেলার কুলাগাতি গ্রামের মৃত ভরু মিয়ার ছেলে। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ট্রেনের ছাদে ভ্রমণের সময় কোনো সেতুর সঙ্গে মাথায় আঘাত লেগে তার মৃত্যু হয়েছে।

ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বড়াল ব্রিজ স্টেশনের সঙ্গে সংযুক্ত রেলসেতুর সঙ্গে মাথায় আঘাত পেয়ে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। ওই সময় ট্রেনের ছাদে আর কেউ ছিল না। পরে ধূমকেতু এক্সপ্রেস ঈশ্বরদী বাইপাস স্টেশনে থামলে দুই-তিনজন ব্যক্তি ছাদে উঠে মরদেহটি দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে শিশুটির পকেটে থাকা মোবাইল ফোনের নম্বরের সূত্র ধরে তার পরিবারের সন্ধান পাওয়া যায়।

চরাঞ্চলের শিশুদের নিয়ে ব্রাজিল–আর্জেন্টিনা প্রীতি ম্যাচ

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাবনার বেড়ায় সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে বিকে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঢালার চর দুর্গাপুর চরের স্বপ্নগ্রাম এলাকায় এই ম্যাচের আয়োজন করা হয়।

বিকে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এমএ বাতেন খান ভার্চ্যুয়ালি খেলার উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইলা প্যাডের প্রতিষ্ঠাতা মামুনুর রশিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কম্পোর্ট ফুড অ্যান্ড এগ্রোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার টুটুল প্রামাণিক এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জুলহাস উদ্দিন বাবু।

বিকে ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক আবু সায়েম বলেন, ‘সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও কিশোরদের বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে বিকে ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের অংশগ্রহণে এই প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছে।’

ঈশ্বরদীতে কলা চুরির অপবাদে তিন কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন


নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদীতে বন্ধুদের সঙ্গে বাজি ধরে শখের বশে কলা ছিঁড়তে গিয়ে চরম হেনস্তার শিকার হয়েছে তিন কিশোর শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের দুবলাচারা এলাকায় তাদের গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে অমানবিক আচরণ করা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে কোচিং শেষ করে ওই তিন কিশোর অটোরিকশা নিয়ে দুবলাচারা এলাকায় ঘুরতে যায়। সেখানে তারা নিজেদের মধ্যে বাজি ধরে একটি বাগান থেকে কয়েকটি কলা ছেঁড়ে। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় কিছু যুবক তাদের আটক করে এবং দুপুর ১২টার দিকে একটি গাছের সঙ্গে শক্ত করে বেঁধে রাখে।

কিশোরদের বেঁধে রাখার ছবি ও ভিডিও দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, কিশোরেরা স্রেফ নিজেদের মধ্যে বাজি ধরে এমনটি করেছে বলে জানা গেছে। তবে এভাবে তাদের গাছে বেঁধে রাখা একটি অমানবিক ঘটনা।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। উদ্ধারকৃত শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অজু ছাড়া শিশুদের কোরআন স্পর্শ করতে দেওয়া যাবে?

নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র কোরআন আল্লাহ তায়ালার কালাম। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআন মানব জাতির হেদায়েতের জন্য অবতীর্ণ করেছেন। মক্কার হেরা গুহায় কোরআনের প্রথম আয়াত ‘ইকরা’ অবতীর্ণ হওয়ার পর থেকে সবার জন্য কোরআনের বিধান মানা অপরিহার্য। এর বাইরে অন্য কিছু অবলম্বন বা ভাবার কোনও সুযোগ নেই। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘এটা সে কিতাব; যাতে কোন সন্দেহ নেই, মুত্তাকীদের জন্য হেদায়েত। (সূরা বাকারা, (২). আয়াত, ২)

আল্লাহর কালাম পবিত্র কোরআন সর্বাধিক পবিত্র ও সর্বোচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন। তাই কোরআনের পবিত্রতা ও মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখার জন্য দৈহিক পবিত্রতার শর্তারোপ করা হয়েছে। যেন কোরআন স্পর্শ করার ও তা পাঠ করার ক্ষেত্রে কোনো অসম্মান প্রকাশ না পায়। বিখ্যাত চার মাজহাবের ইমামদের ফতোয়া এটাই। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবিগণও এ ফতোয়া দিয়েছেন।

ইমাম নববি ও ইমাম তাইমিয়া (রহ.) বলেন, ‘পবিত্র হওয়া ছাড়া কোরআন স্পর্শ করা নিষিদ্ধ— এই বিষয়ে মতামত দিয়েছেন হজরত আলী, সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস, সালমান, আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) প্রমুখ সাহাবি। অন্য সাহাবিদের এর বিপরীত কোনো অভিমত নেই।’ (শরহুল মুহাজ্জাব : ২/৮০; মাজমুউল ফাতাওয়া : ২১/২৬৬)

অনুরূপভাবে এ বিষয়ে রয়েছে একাধিক বিশুদ্ধ হাদিস। আবদুল্লাহ বিন আবু বকর বিন হাযম বলেন, রাসুল (সা.) আমর বিন হাযম এর কাছে এই মর্মে চিঠি লিখেছিলেন যে, পবিত্র হওয়া ছাড়া কোরআন কেউ স্পর্শ করবে না।’ (মুয়াত্তা মালিক, হাদিস, ৬৮০; কানজুল উম্মাল, হাদিস, ২৮৩০; মারেফাতুস সুনান ওয়াল আসার, হাদিস, ২০৯, আল-মুজামুল কাবির, হাদিস, ১৩২১৭, আল মুজামুস সাগির, হাদিস, ১১৬২, সুনানে দারেমি, হাদিস, ২২৬৬)

আবদুল্লাহ বিন উমর রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘পবিত্র ব্যক্তি ছাড়া কেউ কুরআন স্পর্শ করবে না।’ (মাজমাউজ জাওয়ায়েদ : ৫১২)

কোরআন তিলাওয়াত বা স্পর্শ করার ক্ষেত্রে পবিত্রতার বিধান বালেগ এবং প্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কোনো অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশুর ক্ষেত্রে বিধান আরোপ হয় না। এবং তার কেননা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

رفع القلم عن ثلاثة: عن الصغير حتى يبلغ، وعن النائم حتى يستيقظ، وعن المجنون حتى يفيق

তিন ব্যক্তির উপর থেকে (দায়িত্বের) কলম উঠিয়ে নেয়া  হয়েছে, (১) ঘুমন্ত ব্যক্তি জাগ্রত হওয়া পর্যন্ত (২) শিশু বালেগ হওয়া পর্যন্ত এবং (৩) পাগল বিবেকবুদ্ধি ফিরে পাওয়া পর্যন্ত। (আবু দাউদ, হাদিস, ৪৪০৩ তিরমিজি,  হাদিস, ১৪২৩ নাসাঈ, হাদিস, ৩৪৩২, ইবনে মাজাহ, হাদিস, ২০৪১)

তাই কোনো নাবালেগ বা অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশু অজু ছাড়া কোরআন স্পর্শ করলে তার কোন গুনাহ হবে না। তবে বড়দের উচিত, শিশুকে এই শিক্ষা দেয়া যে, কোরআন অজু ছাড়া ধরা যায় না।

ঈশ্বরদীতে ডাস্টবিন থেকে নবজাতকের লাশ উদ্ধার

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গেট সংলগ্ন এলাকার ডাস্টবিনের মধ্যে আনুমানিক দুই দিন বয়সী একটি নবজাতকের লাশ সবার অগোচরে কে বা কারা ফেলে রেখে যায়। শুক্রবার দুপুরে পথচারীরা লাল কাপড়ে মোড়ানো নবজাতকের লাশ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অরবিন্দ সরকার বলেন, লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা করা হয়েছে। তবে কে বা কারা মৃত নবজাতক ফেলে রেখে গেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঈশ্বরদীতে বালু ধসে ২ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে বালু চাপা পড়ে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার  বিকেলে বালুর খামালের নিচে চাপা পড়ে তাদের মৃত্যু হয়।

নিহত দুই শিশু হলো- সাঁড়া ইউনিয়নের পানিহাটা গ্রামের দিনমজুর আহসান আলীর ছেলে জিহাদ (৮) ও একই গ্রামের দিনমজুর আশরাফুল ইসলামের ছেলে হিমেল (৮)। তারা সাঁড়া পানিহাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে পদ্মা নদীর তীরে বালুর খামালে বন্ধুদের সঙ্গে শিশু হিমেল ও জিহাদ খেলাধুলা করছিল। এ সময় বৃষ্টির পানিতে বালু নরম থাকায় বালু ধসে ওই দুই শিশু বালির স্তুপের নিচে চাপা পড়ে।

এ সময় অন্য শিশুদের চেঁচামেচি ও চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে তাদের উদ্ধার করে। পরে দুই শিশুর পরিবারের স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুই জনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

ঈশ্বরদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অরবিন্দ সরকার জানান, পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করেছে। কেউ এখনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে মামলা হবে। প্রাথমিকভাবে এ ব্যাপারে ঈশ্বরদী থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

ঈশ্বরদীতে পুকুরে ডুবে একসঙ্গে তিন শিশুর মৃত্যু

 প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদীতে পুকুরে গোসল করতে গিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দুপুরে উপজেলা সদরের সাঁড়া গোপালপুর পূর্বপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মৃত শিশু তিনজন হলো-সাঁড়া গোপালপুর এলাকার বাচ্চু মন্ডলের ছেলে ও স্থানীয় বাঘইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র জাহিদ (৯), একই গ্রামের পাঞ্জু মালোর ছেলে হৃদয় মালো (১০) ও উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের মাঝদিয়া গ্রামের আকিজলের মেয়ে ও মাঝদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী আনিকা (১১)।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে তিন শিশু জাহিদ, হৃদয় ও আনিকা গ্রামের রাস্তায় খেলাধুলায় মেতেছিল। দুপুর ২টার দিকে তারা পরিবারের লোকজনের অগোচরে বাড়ির পাশের তহুরুল ইসলাম মানিকের পুকুরের পাড়ে নিজেদের জামা-কাপড় খুলে রেখে গোসল করতে নামে। কিছুক্ষণ পর প্রতিবেশীরা পুকুর পাড়ে তাদের জামা কাপড় পড়ে থাকতে দেখলেও শিশুদের আর দেখতে পায় না।

পরে তাদের পরিবারে খবর দিলে প্রতিবেশী ও স্বজনরা সন্দেহবসত পুকুরে নেমে তল্লাশি চালায়। এ সময় অচেতন অবস্থায় পুকুর থেকে থেকে তিন শিশুকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

এর মধ্যে শুকবার আকিজলের স্ত্রী মেয়ে আনিকাকে নিয়ে মাঝদিয়া থেকে সাঁড়া গোপালপুর এলাকায় তার মামা বাচ্চুর বাড়িতে বেড়াতে আসেন।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অরবিন্দ সরকার বলেন, ওই তিন শিশুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ তিনটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। থানায় ইউডি মামলা করা হয়েছে।

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন