![]() |
| প্রতীকী ছবি |
নিজস্ব প্রতিবেদন: ঈশ্বরদীর পাকশী রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে দাফনের পর পরিচয় মিলেছে। শনিবার সকালে রেলওয়ে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। পরিচয় না মেলায় বিকেলে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে লাশটি দাফন করা হয়।
রোববার সকালে মৃত পরিবারের সদস্যরা থানায় গিয়ে ছবি দেখে লাশটি শনাক্ত করেন। ওই ব্যক্তির নাম আজাদ হোসেন (৪০)। তিনি উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের নতুন রূপপুর গ্রামের মধু হোসেনের ছেলে। পরিবারের দাবি আজাদ হোসেনকে হত্যা করা হয়েছে।
ঈশ্বরদী রেলওয়ে (জিআরপি) থানা সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে স্টেশন এলাকায় রেললাইনের উপর খণ্ডিত লাশটি পড়ে ছিল। খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। পরিচয় শনাক্ত করার জন্য আঙুলের ছাপ নিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র খোঁজার চেষ্টা করা হয়। তবে তা পাওয়া যায়নি। পরে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে বিকেল ৫টার দিকে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে দাফন করা হয়।
পরিবারের সদস্যরা জানান, আজাদ হোসেন শুক্রবার সকালে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তাঁর আর কোনো খোঁজ মেলেনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাঁরা ফেসবুকের মাধ্যমে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যুর খবর জানতে পারেন। আজ জিআরপি থানায় গিয়ে লাশের ছবি আজাদ হোসেন বলে শনাক্ত করা হয়।
স্ত্রী শাহানাজ বেগমের দাবি, তাঁর স্বামীর আত্মহত্যা বা ট্রেনে কাটা পরে মৃত্যুর কোনো কারণ নেই। তিনি আত্মহত্যা করার মতো মানুষ নন। তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি স্বামীর লাশ ফেরত চান এবং হত্যার বিচার চান।
এ প্রসঙ্গে ঈশ্বরদী রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিহির রঞ্জন দেবনাথ বলেন, ওই ঘটনায় জিআরপি থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। লাশ শনাক্তর পর নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তাঁরা লাশটি ফেরত চেয়েছেন। লাশটি কবর থেকে উত্তোলনের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলছে। নিহত ব্যক্তির পরিবারের অভিযোগ তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

