ভ্রাম্যমাণ আদালত লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ভ্রাম্যমাণ আদালত লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বরদীতে মল্লিক ফার্মেসিকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে অবৈধ ওষুধ মজুত রাখা ও নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে ‘মল্লিক ফার্মেসি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে চার হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি থেকে প্রায় ১০ হাজার টাকা মূল্যের অবৈধ ওষুধ জব্দ করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার রূপপুর বিবিসি বাজারে পাবনা ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও ঈশ্বরদী উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিবিসি বাজারের মল্লিক ফার্মেসিতে অভিযান চালানো হয়। বিক্রির উদ্দেশ্যে অবৈধ ওষুধ মজুত রাখা এবং ক্রেতাদের কাছে বেশি দাম নেওয়ার অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ায় ফার্মেসির মালিক তাজুল ইসলাম সোহাগকে ‘ওষুধ ও প্রসাধন সামগ্রী আইন, ২০২৩’ অনুযায়ী চার হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে সেখান থেকে প্রায় ১০ হাজার টাকা মূল্যের ওষুধ জব্দ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন ঈশ্বরদী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান সরকার। এ সময় পাবনা ওষুধ প্রশাসনের তত্ত্বাবধায়ক মিঠুন সাহাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে ঈশ্বরদী থানা-পুলিশের একটি দল সহায়তা করে।

অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান সরকার জানান, ভোক্তা স্বার্থরক্ষা ও বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অবৈধ ওষুধ মজুত ও বাড়তি দামে বিক্রির বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকিমূলক অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।

ঈশ্বরদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই মাদকসেবীর সাজা

নিজস্ব প্রতিবেদক:ঈশ্বরদীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) পৃথক অভিযানে দুই মাদকসেবী আটক হয়েছেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

ডিএনসি সূত্র জানায়, শনিবার  উপজেলার সাঁড়া ঝাউদিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. শিশির (২২) নামের এক তরুণকে আটক করা হয়। তিনি ওই এলাকার মো. ইজাজুল ইসলামের ছেলে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান সরকারের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় ডিএনসি পাবনার উপপরিদর্শক মো. সোহান ও জামালুর রহমান ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউশন দাখিল করেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার দিয়ার সাহাপুর ও জয়নগর এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মো. জিএস আহম্মেদ (২৪) নামের আরেক তরুণকে আটক করা হয়। তাঁকেও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়।

ডিএনসি পাবনা জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ শহিদুল মান্নাফ কবীর জানান, মাদকের প্রাদুর্ভাব রোধে ঈশ্বরদীসহ জেলাজুড়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এ ধরনের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

ঈশ্বরদীতে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ ও পুড়িয়ে ধ্বংস

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীর একটি জলমহালে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ৬টি চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করেছে উপজেলা মৎস্য দপ্তর। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের (মোবাইল কোর্ট) মাধ্যমে জব্দ করা এসব জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার বাঁশেরবাদা এলাকার একটি জলাশয়ে এই অভিযান চালানো হয়। উদ্ধার হওয়া জালগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ৩০ হাজার টাকা।

মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা যায়, চায়না দুয়ারি জালের ফাঁস অত্যন্ত সূক্ষ্ম হওয়ায় মাছের পাশাপাশি রেণু পোনা ও অন্যান্য জলজ প্রাণী এতে আটকে মারা পড়ে। এতে দেশীয় মৎস্যসম্পদ ও জলজ জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ে। তাই এই অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত তদারকি চালানো হচ্ছে।

ঈশ্বরদী উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শাম্মী শিরিনের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত জব্দ করা জালগুলো পুড়িয়ে বিনষ্ট করেন। অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করে লক্ষীকুণ্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাম্মী শিরিন জানান, প্রজনন মৌসুমে পোনা ও দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষায় অবৈধ জালের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে জলাশয়ে বৈধ পদ্ধতিতে মাছ ধরতে জেলেদের সচেতন করা হচ্ছে। নির্দেশ অমান্য করে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঈশ্বরদীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরি, বেকারিকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরি এবং বিএসটিআইয়ের লাইসেন্স নবায়ন না থাকায় ‘ঢাকা কিং বেকারি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার সকালে উপজেলার দাশুড়িয়া এলাকায় উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) যৌথভাবে এ অভিযান চালায়। এতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুজ্জামান সরকার।

অভিযান সূত্র জানায়, দাশুড়িয়া বাজারের ওই বেকারিতে নোংরা পরিবেশে বিভিন্ন পণ্য তৈরি হচ্ছিল। পাশাপাশি কারখানাটির বিএসটিআই লাইসেন্সের মেয়াদও উত্তীর্ণ হয়েছিল। এসব অনিয়মের দায়ে বেকারির মালিক রবিউল ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অভিযানে বিএসটিআইয়ের জেলা পরিদর্শক ইউনুছ আলী, ফিল্ড অফিসার রায়হানুল হক ও ঈশ্বরদী থানা-পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুজ্জামান সরকার বলেন, ‘অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। জনস্বার্থে এমন অনিয়মের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।’ তিনি খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বাস্থ্যবিধি এবং সব সরকারি নিয়ম মেনে চলার তাগিদ দেন।

ঈশ্বরদীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য তৈরি, পাবনা দইঘরকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক: পোড়া তেল দিয়ে খাবার তৈরি, নোংরা পরিবেশ এবং পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বিএসটিআইয়ের নির্দেশনা অমান্য করার দায়ে পাবনার ‘পাবনা দইঘর’ নামের একটি মিষ্টি ও খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার বিকেলে ঈশ্বরদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান সরকারের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানসূত্রে জানা যায়, পাবনা দইঘরের কারখানায় দীর্ঘদিনের ব্যবহৃত পোড়া তেল দিয়ে মিষ্টি ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী তৈরি করা হচ্ছিল। এ ছাড়া বিএসটিআই ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করে চরম নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত করছিলেন কর্মরত কর্মচারীরা। এসব অপরাধ হাতেনাতে প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানের মালিককে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানকালে পাবনা জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. শামীম আহমেদ, ঈশ্বরদী পৌরসভার স্যানিটারি ইনস্পেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক আবুল কায়সার সুজা এবং স্থানীয় থানার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের সামনে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক শ্যামল কুমার পাল।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান সরকার বলেন, জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকি তৈরি করে নোংরা পরিবেশে খাদ্যপণ্য প্রস্তুত করায় প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ঈশ্বরদীতে গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার, তিন মাদকসেবীকে কারাদণ্ড


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) পৃথক অভিযানে ২৪০ গ্রাম গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তিন মাদকসেবীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

জানা গেছে, সোমবার ডিএনসির পাবনা জেলা কার্যালয়ের নিয়মিত অভিযানে উপজেলার চর সাহাপুর গ্রামের নিজ বসতঘর থেকে গাঁজাসহ রেহেনা খাতুনকে (৫৫) গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

এদিকে ঈশ্বরদী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান সরকারের নেতৃত্বে মুনসিদপুর ও দাশুড়িয়া এলাকার মাদক বেচাকেনার স্থানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বাবু (৬০), লোকমান (৫৫) ও শিশির আহমেদ (২০) নামের তিন মাদকসেবীকে আটক করা হয়।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দোষ স্বীকার ও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তাঁদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়ে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

ঈশ্বরদীতে মাদক মামলায় ছয় মাসের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ডাবলু (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার পৌর শহরের ইস্তা এলাকায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান সরকার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ডাবলু ওই এলাকার মো. আতর আলীর ছেলে।

ঈশ্বরদী আমবাগান পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আফজাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ডাবলুকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আসাদুজ্জামান সরকার বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক ব্যবসা ও সংশ্লিষ্ট অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান ও আইনগত কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ঈশ্বরদীতে ৩০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ, জরিমানা ৫ হাজার টাকা


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে পরিবেশ দূষণ রোধে নিষিদ্ধ পলিথিনের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর। এ সময় প্রায় ৩০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন রোল জব্দ করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সোমবার উপজেলার বহরপুর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ঈশ্বরদী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান সরকার। মামলার পক্ষে শুনানি করেন পরিবেশ অধিদপ্তর পাবনা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. আব্দুল মমিন। এ সময় অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. ইউসুফ আলী উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানে ঈশ্বরদী থানা পুলিশের সদস্যরা সহযোগিতা করেন।

আসাদুজ্জামান সরকার জানিয়েছে, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার বন্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ঈশ্বরদীতে মাদক আস্তানায় অভিযান, তিন মাদকসেবী কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে তিন মাদকসেবীকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়ে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বুধবার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান সরকারের নেতৃত্বে দিয়ার সাহাপুর, চর সাহাপুর, নতুনহাট ও রূপপুর এলাকার বিভিন্ন মাদক আস্তানায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় তিনজনকে আটক করা হয়।

দণ্ড পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া এলাকার মো. রতন (৪০), নাটোরের লালপুর উপজেলার লক্ষ্মীপুর এলাকার মো. শাহীন (৪০) এবং ঈশ্বরদী উপজেলার ইলশামারী এলাকার মো. আলমগীর (৪৪)।

ভ্রাম্যমাণ আদালতে সরকারের পক্ষে মামলার বিবরণ ও অভিযোগ তুলে ধরেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঈশ্বরদী কেন্দ্রের উপপরিদর্শক মোহাম্মদ শের আলম। শুনানি শেষে আদালত তাঁদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন এবং পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পাবনা জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ শহিদুল মান্নাফ কবীর অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলছে এবং ভবিষ্যতেও তা জারি থাকবে।

চাটমোহরে মাদকবিরোধী অভিযানে তিনজন আটক, কারাদণ্ড

চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি: পাবনার চাটমোহরে পুলিশের বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে তিন মাদকসেবীকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন হান্ডিয়াল ইউনিয়নের বাঘলবাড়ি গ্রামের বজলুর রশিদের ছেলে ইমন আলী (২১), পার্শ্ববর্তী তাড়াশ উপজেলার মহেশ রুহালী চারালপাড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে শামীম উদ্দিন (২১) এবং হান্ডিয়াল ইউনিয়নের পাটিয়াতা গ্রামের ইমন আলীর ছেলে সাব্বির হোসেন (২৬)।

পরে তাঁদের চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুসা নাসের চৌধুরীর ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে প্রত্যেককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউর রহমান বলেন, ‘জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় চাটমোহরকে মাদক ও জুয়ামুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

মাদকাসক্ত ছেলেকে পুলিশে দিলেন মা, কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাবনার সাঁথিয়ায় মাদকাসক্ত ছেলের নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন এক মা। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই যুবককে এক বছর এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুর রাজ্জাক (৩০) সাঁথিয়া পৌর এলাকার ফকিরপাড়া মহল্লার মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে। পরিবার ও থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত।

পুলিশ জানায়, মাদকের টাকা না পেলে আব্দুর রাজ্জাক প্রায়ই তাঁর মা ও স্ত্রীকে মারধর করতেন এবং পরিবারে অশান্তি সৃষ্টি করতেন। একাধিকবার তিনি মাকে বাড়ি থেকেও বের করে দেন। ছেলের নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে মনোয়ারা খাতুন পরিবারের সদস্যদের পরামর্শে সাঁথিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার (৪ জুলাই) রাতে নিজ বাড়ি থেকে আব্দুর রাজ্জাককে আটক করে পুলিশ।

রোববার সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিজু তামান্না ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মাদক সেবন ও বিক্রির অপরাধে তাঁকে এক বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার টাকা পরিশোধ করতে না পারায় আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ফলে তাঁর মোট সাজা হয় এক বছর এক মাস।

সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান বলেন, ‘মায়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আব্দুর রাজ্জাককে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের রায়ের পর তাঁকে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে উপজেলার নাগডেমড়া ইউনিয়নের ভিটাপাড়া গ্রামের ইউনুস প্রামাণিকের ছেলে সানাউল্লাহকে মাদক সেবনের দায়ে আটক করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে চার মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

ঈশ্বরদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ১২ জনের জেল-জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ১২ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারা ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাঁদের মধ্যে সাতজনকে পাঁচ দিন থেকে তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি পাঁচজনকে শুধু অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ঈশ্বরদীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান সরকার। অভিযানে থানা-পুলিশ সহযোগিতা করে।

কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন শহরের ফতেমোহাম্মদপুর এলাকার রনি বিশ্বাস (২৩), নূরমহল্লার মো. আক্কাস (২০), পূর্ব টেংরি এলাকার বাচ্চু মিয়া (৩৫), আব্দুস সালাম তাহসিন (১৯), উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল খাঁপাড়ার মো. মিঠু (৫৫), মেরিনপাড়ার সাইফুল ইসলাম (২৭) এবং ছলিমপুর ইউনিয়নের মানিকনগর গ্রামের মো. রানা মণ্ডল (৩২)। তাঁদের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর ৩৬(৫) ধারায় সাজা দেওয়া হয়।

এ ছাড়া ছলিমপুর ইউনিয়নের মানিকনগর গ্রামের সেজান মাহমুদ বাঁধন (১৯), মাহমুদ তাসিন (২৯), সাহাপুর ইউনিয়নের মসজিদ মোড় এলাকার মো. হাফিজুল (৩০), পাকশী হরিজন কলোনির মুন্নি (৪০) এবং বহরপুর এলাকার মো. বনি (২৫)–কে মাদক আইনের আরেকটি ধারায় এক হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

রোববার বিষয়টি নিশ্চিত করে ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জামাল উদ্দিন বলেন, ‘নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান সরকারের নেতৃত্বে এবং থানা-পুলিশের সহযোগিতায় মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এর অংশ হিসেবে শনিবার দিন ও রাতে পরিচালিত অভিযানে মাদক-সংশ্লিষ্ট অভিযোগে সাতজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড এবং পাঁচজনকে এক হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।’

ঈশ্বরদীতে ফসলি জমির মাটি কাটার অপরাধে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে সোহাগ হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার লক্ষ্মীকুণ্ডা ইউনিয়নের দাদাপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই জরিমানা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুজ্জামান সরকার। এ সময় উপজেলা প্রশাসন ও থানা-পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা প্রশাসন জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার রাতে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার প্রমাণ পাওয়ায় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী সোহাগ হোসেনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে মাটি বহনকারী গাড়ি ও তাতে থাকা মাটি জব্দ করা হয়েছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুজ্জামান সরকার বলেন, পরিবেশ, নদী ও ফসলি জমি রক্ষায় অবৈধভাবে মাটি কাটা এবং বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান নিয়মিত চলবে। জনস্বার্থে এ ধরনের অপরাধে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

ঈশ্বরদীতে অনুমোদনহীন তেল পাম্পে অভিযান, সাড়ে ১৩ হাজার লিটার জ্বালানি জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে অনুমোদনহীন একটি তেল পাম্পে অভিযান চালিয়ে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার লিটার পেট্রল, অকটেন ও ডিজেল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের পূর্ব বাঘইল এলাকায় অবস্থিত ‘যমুনা মিনি তেল পাম্প’-এ এই অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে জব্দ করা জ্বালানির মধ্যে ছিল প্রায় সাড়ে ৪ হাজার লিটার অকটেন, সাড়ে ৪ হাজার লিটার পেট্রল এবং সাড়ে ৪ হাজার লিটার ডিজেল। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পাম্পটি বন্ধ রেখে এসব জ্বালানি জমা করে রাখা হয়েছিল। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পাম্প কর্তৃপক্ষকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন এবং জমা করা তেল সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রির নির্দেশ দেন।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুজ্জামান সরকার জানান, গোপন খবরের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়। এ সময় অবৈধভাবে জমিয়ে রাখা জ্বালানি জব্দ করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জরিমানা করা হয়। এর পাশাপাশি পাম্পে থাকা তেল ক্রেতাদের কাছে বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ঈশ্বরদীতে অবৈধ ইটভাটায় যৌথবাহিনীর অভিযান, জরিমানা ২৫ লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছে যৌথবাহিনী। সোমবার দিনব্যাপী উপজেলার লক্ষীকুণ্ডা ইউনিয়নে এই অভিযান চালানো হয়। এতে ২০টি ইটভাটাকে মোট ২৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করার পাশাপাশি একটি ভাটা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

পরিবেশ অধিদপ্তর রাজশাহী অঞ্চলের উপপরিচালক তাসমিনা হোসেনের নেতৃত্বে অভিযানে সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা অংশ নেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অভিযানের শুরুতে পাকুড়িয়া এলাকায় মিজান সরদারের মালিকানাধীন ‘এসবিএম ব্রিকস’ নামের একটি অবৈধ ইটভাটা ভেকু দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে অভিযান চলাকালে নবীনগর এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। সেখানকার কয়েকটি ভাটায় কর্মরত শ্রমিকরা সংগঠিত হয়ে দাদাপুর–ঈশ্বরদী সড়ক অবরোধের চেষ্টা করেন। শ্রমিকদের স্লোগান ও বাধার মুখে পরিস্থিতি কিছুটা থমকে গেলেও যৌথবাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করে।

এরপর পুনরায় অভিযান শুরু করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। দিনব্যাপী এই কার্যক্রমে পরিবেশগত ছাড়পত্র ও বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ২০টি ইটভাটাকে বড় অঙ্কের আর্থিক জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে অবৈধভাবে কার্যক্রম পরিচালনা না করার শর্তে মালিকদের কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়েছে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক তাসমিনা হোসেন জানান, পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এমন অভিযান নিয়মিত চলবে। যারা আইন অমান্য করে পরিবেশ দূষণ করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঈশ্বরদীতে বালি উত্তোলনের অভিযোগে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে সরকারি অনুমতি ছাড়াই মাটি ও বালি উত্তোলন করার অপরাধে রুবেল হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার উপজেলার লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়নের নবীনগর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদাত হোসেন খান।

তিনি জানান, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী অপরাধী প্রমাণিত হওয়ায় তার কাছ থেকে এই অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে।

অভিযান চলাকালে ঈশ্বরদী থানার পুলিশ সদস্যরা মাঠে থেকে সহযোগিতা করেন।

বিধি ভঙ্গ করে আয়োজন, বিরিয়ানি গেল এতিমখানায়


নিজস্ব প্রতিবেদক: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভোটারদের জন্য বিরিয়ানির আয়োজন করায় কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জাহেরের এক সমর্থককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

২০ ডিসেম্বর বুধবার রাতে বুড়িচং উপজেলার ষোলনল ইউনিয়নের পয়াত এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ছামিউল ইসলাম।

২১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ছামিউল ইসলাম জানান, আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভোটারদের জন্য বিরিয়ানির আয়োজন করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জাহেরের সমর্থক মো. মনির হোসেন। এ সময় খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এতে আচরণবিধি লঙ্ঘন করার দায়ে মনির হোসেনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ভোটারদের জন্য রান্না করা বিরিয়ানি জব্দ করে একটি এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে বলে জানান সহকারী কমিশনার ছামিউল ইসলাম।

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন