এদিকে শুক্রবার সন্ধ্যায় সাঁড়াগোপালপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে ইমরান হোসেন সোহাগের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
বিকেলে পৌর শহরের খায়রুজ্জামান বাবু বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বাজারের এক নম্বর গেটে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বক্তব্য দেন ঈশ্বরদী পৌর যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক জাকির হোসেন জুয়েল, পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসলাম হোসেন জুয়েল ও পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন জনি। এ সময় ছাত্রদল নেতা নাজমুল হাসান রিশাদ, মাহমুদুল ইসলাম শাওন ও মোস্তাফিজুর রহমান বিটুসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে ইমরান তাঁর বন্ধুদের নিয়ে সাঁড়া গোপালপুর উচ্চবিদ্যালয়ের রেললাইনের পাশের একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। এ সময় মুখে কালো কাপড় বেঁধে কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনার সময় বেশ কয়েকটি গুলির শব্দ শোনা যায়। ঘটনাস্থলেই মারা যান সোহাগ।


.jpeg)








