নিহত বীরু মোল্লা ওই গ্রামের আবুল মোল্লার ছেলে। তিনি লক্ষ্মীকুন্ডা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বীরু মোল্লার চাচাতো ভাই জহুরুল মোল্লা পারিবারিক বিরোধে থাকা একটি জমি থেকে ইটভাটার জন্য মাটি কাটেন। এ বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানাতে বুধবার সকালে বীরু মোল্লা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে জহুরুল মোল্লার বাড়িতে যান। সেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
অভিযোগ রয়েছে, উত্তেজনার মধ্যে জহুরুল মোল্লা ও তাঁর ছেলে প্রথমে ফাঁকা গুলি ছুড়ে ভয় দেখান। এরপরও বীরু মোল্লা ও তাঁর সঙ্গে থাকা লোকজন সেখান থেকে না গেলে আবার গুলি করা হয়। এতে বীরু মোল্লা মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুজ্জামান বলেন, পারিবারিক বিরোধের বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গিয়েছিলেন নিহত ব্যক্তি। এ সময় বাড়ির ভেতর থেকে গুলি করা হয়। পরে মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও জানান, তিনি নিজে এবং ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

