শিক্ষার্থী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শিক্ষার্থী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

গোল্ডেন এ প্লাস অর্জনকারী শিক্ষার্থীকে ল্যাপটপ দিলেন হাবিব

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীর সাহাপুর শহীদ আবুল কাশেম উচ্চবিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন এ প্লাস পাওয়া এক শিক্ষার্থীকে ল্যাপটপ উপহার দিয়ে প্রতিশ্রুতি রাখলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব। বুধবার বিদ্যালয়ে আয়োজিত অভিভাবক সমাবেশ ও এসএসসি জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি ল্যাপটপটি তুলে দেন। এটি গত বছর এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিক অংশ।

অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের উদ্দেশে হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, শুধু বেতনের জন্য নয়—নিজেদের সন্তানের মতো ভেবে আন্তরিকতার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়াতে হবে। তিনি আশা করেন, এভাবে চেষ্টা করলে প্রতিটি শিক্ষার্থীই ভবিষ্যতে এ প্লাস বা গোল্ডেন এ প্লাস অর্জন করতে পারবে। তিনি আরও জানান, গত বছর তিনি ঘোষণা করেছিলেন—যারা গোল্ডেন এ প্লাস পাবে, তাদের সবাইকে তিনি ল্যাপটপ দেবেন। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আজ একজন শিক্ষার্থীকে ল্যাপটপ দিতে পেরে তিনি আনন্দিত।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আল্লাহ যদি তাঁকে সুস্থ রাখেন এবং উপজেলার মানুষ ভোট দিয়ে সংসদ সদস্য বানায়—আর বিএনপি যদি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে, তাহলে তাঁর প্রথম কাজ হবে উপজেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং স্কুল ভবনগুলোর সংস্কার। পাশাপাশি ডিজিটাল উপায়ে শিক্ষার মান কীভাবে আরও বাড়ানো যায়, সে দিকেও তিনি নজর দেবেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাবান আলীর সভাপতিত্বে এবং সহকারী শিক্ষক শামিমউদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য ও উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম রকি, মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ হামিদুর রহমান, দাশুড়িয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম, চরমিরকামারী ভাষা শহীদ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুক্তার হোসেন, প্রয়াত সাহাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নেফাউর রহমান রাজুর সহধর্মিণী খাদিজা আক্তার, উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক চামেলী খাতুন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বিপুল হোসেন বুদুসহ বিভিন্ন কলেজ-স্কুলের অধ্যক্ষ ও দলীয় নেতারা।

২০২৫ সালের ঘোষণার ভিত্তিতে হাবিবুর রহমান হাবিব গোল্ডেন এ প্লাস পাওয়া শিক্ষার্থী লামাইয়া খাতুনকে ল্যাপটপ দেন। এছাড়া ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য ও উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম রকির ঘোষণায় নুসরাত জাহান, সুমাইয়া খাতুন, লামিয়া খাতুন ও নীরব হোসেন নামে চার শিক্ষার্থীকে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উপহার দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়া শিক্ষার্থীরা হাবিবুর রহমান হাবিব এবং রফিকুল ইসলাম রকিকে ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেক অভিভাবক বলেন, এমন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি উৎসাহ বাড়াবে এবং শিক্ষায় স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা তৈরি করবে।

ঈশ্বরদীতে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক:  এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঈশ্বরদী উপজেলা শাখা। 

বৃহস্পতিবার বিকেলে শহরের আলহাজ মোড়ে দারুস সালাম ট্রাস্ট মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ছাত্রশিবিরের পাবনা জেলা সভাপতি মো. ইসরাইল হোসেন শান্ত। 

ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি সজীব হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পাবনা জেলা অফিস সম্পাদক মো. আবুল বাসার, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আল আমিন, ঈশ্বরদী মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক মো. রিপন আলী এবং আইবিডাব্লিউএফ-এর উপজেলা সভাপতি মো. জামিলুর রহমান সবুজ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা ছাত্রশিবির নেতা মো. ইসতিয়াক আহমেদ। এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শিবির সেক্রেটারি তারিকুজ্জামান তামিম, নেতা রিফাত খানসহ অন্যরা।

ঈশ্বরদীতে স্কুলছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টা, মামলা

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টা চালিয়েছে দুই যুবক। বুধবার দুপুরে উপজেলার পাকশী রেলওয়ে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরীক্ষা শেষে ওই শিক্ষার্থী সহপাঠীদের সঙ্গে স্কুল থেকে বের হচ্ছিল। এ সময় নাঈম হোসেন ও তন্ময় নামের দুই যুবক জোর করে তাকে একটি গাড়িতে তোলার চেষ্টা করে। মেয়েটির চিৎকার শুনে সহপাঠী ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে দুই যুবক পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পাকশী পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রীটিকে উদ্ধার করে।

নাঈম পাকশীর ঝাউতলা এলাকার ইউপি সদস্য মনোয়ার হোসেন লিটনের ছেলে এবং তন্ময় একই এলাকার আসাদুল হোসেনের ছেলে।

ঈশ্বরদী থানার ওসি আ স ম আব্দুন নূর বলেন, ‘নাঈম ও তন্ময়কে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। তাদের ধরতে অভিযান চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ঈশ্বরদীতে অধ্যক্ষের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে অধ্যক্ষ আসলাম হোসেনকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রতিষ্ঠান চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি উপজেলা শহরের রেলগেট ট্রাফিক মোড় পর্যন্ত গিয়ে মানববন্ধনে রূপ নেয়। এ সময় তারা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান,  যৌন হয়রানি, আর্থিক অনিয়ম, অতিরিক্ত টাকা আদায়, স্বেচ্ছাচারিতা এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোসহ বিভিন্ন অভিযোগে গত বছর অধ্যক্ষ আসলাম হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি তিনি পুনরায় দায়িত্বে ফেরার চেষ্টা করছেন এবং তাঁর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে—এমন খবরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এরই প্রতিবাদে তারা আবারও আন্দোলনে নামে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী শামন্তা রহমান ঐশ্বর্য। তিনি বলেন, ‘অধ্যক্ষ আসলাম হোসেনের আচরণ অত্যন্ত অনৈতিক ও অশোভন। তাঁর মতো একজন ব্যক্তি কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনের যোগ্য নন। আমরা চাই, তাঁকে দ্রুত স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হোক।’ 

আফরোজা জাহান বলেন, ‘তিনি আমাদের সঙ্গে এমনভাবে কথা বলেন, যেন আমরা মানুষই নই। একজন শিক্ষক যদি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করতে পারেন, তাহলে তাঁর কাছে আমাদের ভবিষ্যৎ গড়া সম্ভব নয়।’

মাওয়া বলেন, ‘ক্লাসে পাঠদানের চেয়ে টাকার হিসাবই বেশি শোনাতেন তিনি। আমরা কেন অযথা ফরম ফিলআপ বাবদ অতিরিক্ত টাকা দেব? এসব অনিয়মের কারণেই আমরা তাঁর বিরুদ্ধে আন্দোলন করছি।’ 

সাবাহ ইসলাম বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে ক্লাস করতে চাই। কিন্তু অধ্যক্ষকে পুনর্বহালের উদ্যোগের পর থেকে আমরা মানসিকভাবে প্রচণ্ড চাপে আছি।’

জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২৫ আগস্ট শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দেন। এরপরই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির জরুরি সভায় তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করে সিদ্ধান্ত বোর্ডে পাঠানো হয়। তখন কমিটির সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন ইউএনও সুবীর কুমার দাশ।

বর্তমানে বিদ্যালয় পরিচালনার দায়িত্বে থাকা অস্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান কায়েস শাওন বলেন, ‘আমি সদ্য দায়িত্ব নিয়েছি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তীতে মন্তব্য করব।’

এসব অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে সাময়িক বরখাস্ত অধ্যক্ষ আসলাম হোসেন বলেন, ‘অভিযোগগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। শিক্ষার্থীদের ক্ষতি হয়- এমন কিছু করিনি। তদন্তে সত্য স্পষ্ট হয়েছে, বাকিটা কর্তৃপক্ষ বিবেচনা করবে।’

ঈশ্বরদীতে বৃত্তি পেয়ে সম্মানিত ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা



নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদীতে বৃত্তি পাওয়া ১৮২ জন ক্ষুদে শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। রোববার  দুপুরে আরআরপি কমিউনিটি সেন্টারে এই আয়োজন করে আন্তঃউপজেলা কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন।

অনুষ্ঠানে ১৯টি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৬২ জন ভালো ফল করে ট্যালেন্টপুলে ও ১২০ জন সাধারণ বিভাগে বৃত্তি পেয়েছে।



অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মো. রিয়াজুল করিম। প্রধান আলোচক ছিলেন পাবনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল। ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন  বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও দলটির জেলা কমিটির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব। 

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঈশ্বরদী মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. হামিদুর রহমান, ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের সভাপতি আজিজুর রহমান শাহিন, সাধারণ সম্পাদক এস এম ফজলুর রহমান, সাবেক সভাপতি এস এম রাজা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা মাহাবুবুর রহমান পলাশ, পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন জনি এবং মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ ইসমাইল হোসেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সাঈদ।
স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন