অপহরণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অপহরণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বরদীতে রূপপুর প্রকল্পের কর্মীকে মারধর ও অপহরণ, গ্রেপ্তার ২

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের এক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কর্মীকে পথ আটকে মারধর, অপহরণ ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত প্রধান দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

রোববার বিকেলে উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের দিয়ার বাঘইল ক্লাব মোড়সংলগ্ন পাকা রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী সারোয়ার জাহান (২৮) ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলার প্রতাপপুর গ্রামের মো. শাহজাহানের ছেলে। তিনি ঈশ্বরদীর দিয়াড় সাহাপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে রূপপুর প্রকল্পের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ‘নিকিম কোম্পানি’তে কাজ করেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ঈশ্বরদীর সাহাপুর ইউনিয়নের আজিজলতলা এলাকার মো. জহুরুল মোল্লার ছেলে মো. তারেক হাসান রোকন (৩২) এবং সাহাপুর মন্ত্রী মোড় এলাকার মৃত আকবর আলীর ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (৪৫)।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রধান আসামি তারেক হাসান রোকন ও ভুক্তভোগী সারোয়ার জাহান আগে একই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। সম্প্রতি মাদকাসক্ত প্রমাণিত হওয়ায় তারেক চাকরিচ্যুত হন। এই চাকরি হারানোর পেছনে সারোয়ারকে দায়ী করে আসছিলেন তিনি। এর জেরে রোববার বিকেলে কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে তারেক ও তাঁর সহযোগীরা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সারোয়ারের পথ আটকান। পরে তাঁকে জোর করে সিএনজিতে তুলে পাকড়িপাড়া এলাকায় নিয়ে পিটিয়ে জখম করা হয়। এ সময় তাঁর নগদ টাকা, মুঠোফোন ও এটিএম কার্ড ছিনিয়ে নেওয়া হয়। কার্ডের পাসওয়ার্ড বা পিন নম্বর না দেওয়ায় তাঁকে নির্যাতন এবং ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা চালানো হয়।

ভুক্তভোগীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে পুলিশকে খবর দিলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুর রহমান জানান, এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

ঈশ্বরদীতে স্কুলছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টা, মামলা

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টা চালিয়েছে দুই যুবক। বুধবার দুপুরে উপজেলার পাকশী রেলওয়ে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরীক্ষা শেষে ওই শিক্ষার্থী সহপাঠীদের সঙ্গে স্কুল থেকে বের হচ্ছিল। এ সময় নাঈম হোসেন ও তন্ময় নামের দুই যুবক জোর করে তাকে একটি গাড়িতে তোলার চেষ্টা করে। মেয়েটির চিৎকার শুনে সহপাঠী ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে দুই যুবক পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পাকশী পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রীটিকে উদ্ধার করে।

নাঈম পাকশীর ঝাউতলা এলাকার ইউপি সদস্য মনোয়ার হোসেন লিটনের ছেলে এবং তন্ময় একই এলাকার আসাদুল হোসেনের ছেলে।

ঈশ্বরদী থানার ওসি আ স ম আব্দুন নূর বলেন, ‘নাঈম ও তন্ময়কে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। তাদের ধরতে অভিযান চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন