জামায়াতে ইসলামী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জামায়াতে ইসলামী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন আবু তালেব মন্ডল

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী পৌরসভায় জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এক নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে পৌর শহরের শেরশাহ রোড কোবা মসজিদ এলাকায় এই সভার আয়োজন করা হয়। এটি আয়োজন করে ঈশ্বরদী পৌর ৭ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াত।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পাবনা–৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল বলেন, ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়াকে পরিকল্পিত, সুশাসিত ও মানবিক জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে জামায়াতে ইসলামী বাস্তবভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। দুর্নীতি ও দলীয় লুটপাটমুক্ত প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করা গেলে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও নৈতিকতার সমন্বয়ে উন্নয়নই জামায়াতের রাজনীতির মূল দর্শন। জনগণের আমানতকে আমরা আমানত হিসেবেই রক্ষা করব। ইসলামভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনের মাধ্যমে বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের লক্ষ্য।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা গোলাম রাব্বানী খান জুবায়ের, উপজেলা সেক্রেটারি মো. সাইদুল ইসলাম, পৌর আমির মাওলানা গোলাম আজম খান ও উপজেলা যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সেক্রেটারি মো. বাকিবিল্লাহ খান।

ঈশ্বরদী পৌর ৭ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি আলহাজ্ব আবু বক্কর সিদ্দিক নান্টু সভার সভাপতিত্ব করেন। আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আইন ও মানবসম্পদ বিষয়ক সেক্রেটারি হাফিজুর রহমান খান, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাহফুজুর রহমান, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আল আমিন, পৌর প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি মো. সাইফুল ইসলামসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।

নির্বাচনী সভায় পৌর ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ, কর্মী এবং স্থানীয় সূধীজন উপস্থিত ছিলেন।

ঈশ্বরদীতে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে ভাইরাল যুবকের পরিচয় মিলল

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদীতে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, গুলিবর্ষণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে গুলি করার ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এই দৃশ্যগুলো গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় একজন যুবককে সামনে থাকা প্রতিপক্ষের দিকে গুলি করতে দেখা যায়।

পরবর্তীতে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর নিয়ে ওই যুবকের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি তুষার, ঈশ্বরদী পৌর শহরের ভেলুপাড়া এলাকার আবু তাহেরের ছেলে। তিনি পাবনা-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডলের ভাতিজা মামুন মণ্ডলের সহচর এবং জামায়াতের সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত।

থানা সুত্রে জানা গেছে, তুষারের বিরুদ্ধে একাধিক মাদকের মামলা রয়েছে।

পাবনা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর গুলি করেছে জামায়াতের তুষার । তিনি তালেব মণ্ডলের ভাতিজা মামুন মণ্ডলের সন্ত্রাসী।

অন্যদিকে, পাবনা জেলা জামায়াতে ইসলামী আমির অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডল বৃহস্পতিবার রাতে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, অস্ত্র হাতে ভাইরাল হওয়া যুবক আমাদের দলের কেউ নয়। তিনি বলেন, আমি তাকে চিনি না। তিনি জামায়াতের কর্মী নন।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ.স.ম. আব্দুন নূর জানান, বিভিন্ন সূত্র থেকে ওই যুবকের নাম পরিচয় আমাদের কাছে এসেছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার বিকেলে ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের চরগড়গড়ি আলহাজ্ব মোড় (জগির মোড়) এলাকায় পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে গুলি, ভাঙচুর এবং মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। উভয় দলের প্রায় অর্ধশত নেতা ও কর্মী আহত হয়েছেন।

ঈশ্বরদীতে নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২৫


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে নির্বাচনী প্রচারে নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা–কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। জামায়াতের দাবি, তাঁদের প্রচারণার সময় বিএনপির লোকজন হামলা চালিয়েছেন। বিএনপি বলছে, গ্রামের লোকজন একজোট হয়ে জামায়াতের লোকজনকে ধাওয়া দিয়েছেন।

উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের চরগড়গড়ি গ্রামে এ ঘটনায় দুই পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে সাতজনকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। বাকিরা বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, পাবনা–৪ (ঈশ্বরদী–আটঘরিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান। আর জামায়াতের প্রার্থী জেলা জামায়াতের আমির আবু তালেব মন্ডল। চরগড়গড়ি গ্রামে কয়েক দিন ধরে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। দুই দিন আগে কথা–কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।

স্থানীয় মানুষ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আজ বিকেলে জামায়াতের প্রার্থী আবু তালেব মন্ডল এলাকায় গণসংযোগে যান। আলহাজ্ব মোড়ে পৌঁছালে বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকেরা তাঁদের বাধা দেন। সেখানে কিছুক্ষণ কথা–কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তির পর আবু তালেব মন্ডল সরে আসেন। ফিরে আসার পথে মৃধাপাড়া মহল্লায় আবার দুই পক্ষের সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটে এবং কয়েকটি মোটরসাইকেলসহ জামায়াত প্রার্থীর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। দুই পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যান।

এ বিষয়ে জামায়াতের প্রার্থী আবু তালেব মন্ডল অভিযোগ করেন, তাঁরা পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে নির্বাচনী প্রচারণায় যান। তাঁদের সঙ্গে প্রায় ১৫০টি মোটরসাইকেল ছিল। ফেরার পথে বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রহমানের লোকজন হামলা চালিয়ে গুলি ছোড়ে এবং মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। এতে ছয়জন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন বলে তিনি দাবি করেন। গুলিবিদ্ধদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং অন্যদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, জামায়াতের নারী কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটের বিনিময়ে ‘বেহেশতর টিকিট’ পাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছিলেন। স্থানীয় বিএনপি নেতারা প্রতিবাদ করলে জামায়াতের প্রার্থী আবু তালেব মন্ডল অস্ত্রসহ গাড়ি ও লোকজন নিয়ে গ্রামে ঢোকেন এবং বিএনপির দুজন কর্মীকে মারধর করেন। তখন গ্রামের লোকজন একজোট হয়ে তাঁদের ধাওয়া দেন। এ সময় জামায়াতের লোকজন গুলি ছোড়ে ও বিএনপি নেতা–কর্মীদের মারধর করে। এতে বিএনপির বেশ কয়েকজন আহত হন। একজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে এবং বাকিদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ঈশ্বরদী থানার ওসি আ স ম আবদুন নুর বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে। সেখানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

জামায়াত আমির বিএনপি নেতার বক্তব্যকে মিথ্যা দাবি করে চ্যালেঞ্জ

নিজস্ব প্রতিবেদক:  বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা  ও দলটির জেলা কমিটির আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবকে  চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী পাবনা জেলা আমির অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল।

তিনি বলেন, 'সাহাপুরে অনুষ্ঠিত কর্মী সমাবেশে হাবিবুর রহমান হাবিব যে দাবি করেছেন—জামায়াতের মহিলা কর্মীরা জান্নাতের টিকিট বিক্রি করছে—এটি মিথ্যা। আমাদের বোনেরা এমন কোনো কথা বলেনি। কবে, কোথায়, কার বাড়িতে এসব বলা হয়েছে, তা স্পষ্ট প্রমাণ দিতে হবে। 

মঙ্গলবার রাতে ঈশ্বরদী পৌর এলাকার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াতের আয়োজনে উমিরপুর ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এই কথা বলেন।

আবু তালেব মন্ডল আরও বলেন, আমাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের আমানত রক্ষা করা। আমরা ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করি না; জনগণের ভালোবাসা, বিশ্বাস ও আস্থা অর্জন করাই আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য। জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আমরা ঈশ্বরদী–আটঘরিয়াকে ন্যায়ভিত্তিক, দুর্নীতিমুক্ত ও আধুনিক এলাকায় রূপান্তরিত করতে চাই।

তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী সবসময় নৈতিক, সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় কাজ করে এসেছে। আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিই, তা রক্ষা করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। মানুষ আমাদের পাশে থাকায় আমরা সাহস পাই। আগামীর বাংলাদেশ হবে সুশাসন, ন্যায়নীতি ও জনকল্যাণের দেশ—এটাই আমাদের অঙ্গীকার।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পাবনা জেলা তালিমুল কুরআন বিভাগের সেক্রেটারি   গোলাম রাব্বানী খান জুবায়ের, উপজেলা আমির ড. নুরুজ্জামান প্রামাণিক এবং ঈশ্বরদী পৌর আমির মাওলানা গোলাম আজম খান।

পৌর ৮  নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি খোন্দকার ইউনুস আলীর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি মাসুদ রানা মাসুম, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাহফুজুর রহমান, পৌর সেক্রেটারি মাওলানা আল আমিনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

পাকশীতে জামায়াতের দায়িত্বশীলদের সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীর পাকশী ইউনিয়নে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শাখার দায়িত্বশীলদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে ইউনিয়নের দিয়াড় বাঘইল এলাকায় এই সমাবেশ হয়। 

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পাকশী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক মো. ইবনুল কায়সার রাজ।

সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন পাবনা জেলা জামায়াতের তালিমুল কুরআন বিভাগের সেক্রেটারি মাওলানা গোলাম রাব্বানী খান জুবায়ের।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঈশ্বরদী উপজেলা জামায়াতের অফিস সেক্রেটারি মারুফ মো. আহসানউজ্জামান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইউনিয়ন সেক্রেটারি হাফেজ সানোয়ার হোসেন শাহিন।

সমাবেশে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ড ও ইউনিটের সভাপতি ও সেক্রেটারিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্যে নেতারা সংগঠনের সাংগঠনিক দায়িত্ব ও দাওয়াতি কার্যক্রম জোরদার করার আহ্বান জানান।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন