নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী-লালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ঈশ্বরদী অংশে প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে। এতে হতাহতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন ঈশ্বরদী বিমানবন্দর ও স্কুলপাড়া এলাকার বাসিন্দারা। ‘অনিরাপদ সড়ক ব্যবস্থাপনা থেকে মুক্তি’র দাবিতে শুক্রবার এই মহাসড়কে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও মসজিদের মুসল্লিরা।
বিক্ষোভকারীরা জানান, গত এক বছরে এই মহাসড়কের স্কুলপাড়া ও বিমানবন্দর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ১০ থেকে ১১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। সর্বশেষ ঈদুল ফিতরের দিন নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন রেলওয়ের অবসরপ্রাপ্ত স্টেশন মাস্টার মো. নুরুজ্জামান। গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকার ছয় দিন পর তিনি মারা যান। স্থানীয়দের দাবি, এই সড়কটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য রীতিমতো মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। দুর্ঘটনা রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন ‘মানাব’-এর সভাপতি মাসুম পারভেজ কল্লোল। এতে বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক হাসান আলী, স্থানীয় বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম স্বজল, ইন্টু মল্লিক, সাদিকুল ইসলাম রাসেল, আশেকুল ইসলাম পিয়াস, মেহেদী হাসান মিরাজ, জালাল উদ্দিন, স্কুলপাড়া জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ ওমর ফারুক এবং নারী উদ্যোক্তা ফারজানা ফেরদৌস পুস্প।
কর্মসূচি সম্পর্কে মাসুম পারভেজ কল্লোল বলেন, এই আঞ্চলিক মহাসড়কটিতে বেপরোয়া গতির যানবাহন চলাচলের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। এলাকার মানুষ এই আতঙ্ক থেকে মুক্তি চায়। ভুক্তভোগী বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে মানববন্ধন ও বিক্ষোভের মাধ্যমে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সড়ক বিভাগ দ্রুত স্থায়ী সমাধানে উদ্যোগী হবে।

