স্মরণসভা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
স্মরণসভা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শোষিত মানুষের অধিকার আদায়ে কমরেড জসিমউদ্দিন মণ্ডলের অবদান স্মরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটির সদস্য প্রবীণ রাজনীতিক ও প্রখ্যাত শ্রমিকনেতা কমরেড জসিম উদ্দিন মণ্ডলের নবম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঈশ্বরদীতে স্মরণসভা হয়েছে । শনিবার বিকেলে সিপিবি ঈশ্বরদী উপজেলা কমিটির উদ্যোগে পৌর শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে এ স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।

গোলজার হোসেনের সভাপতিত্বে ও সোহাগ হোসেনের পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মহসীন রেজা, সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শহীদুল্লাহ সবুজ ও সিদ্দিক আহমেদ। এ ছাড়া বক্তব্য দেন পাবনা জেলা সিপিবির সভাপতি অলোক মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব।

স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, কমরেড জসিমউদ্দিন মণ্ডল ছিলেন শোষিত মানুষের অধিকার আদায়ের এক জীবন্ত ইতিহাস। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে মহান মুক্তিসংগ্রাম এবং মেহনতি মানুষের অধিকারের লড়াইয়ে তিনি ছিলেন আপসহীন। ঈশ্বরদীর পাকশীর রেলওয়ে শ্রমিক আন্দোলনসহ দেশের প্রতিটি জনমানুষের মিছিলে তাঁর বজ্রকণ্ঠ শোষকদের কাঁপন ধরিয়ে দিত। রেল শ্রমিকদের ঐতিহাসিক ‘খুদ স্ট্রাইক’ আন্দোলনের কথা স্মরণ করে বক্তারা বলেন, তিনি জীবনের তোয়াক্কা না করে শ্রমিকদের ভাতের অধিকারের জন্য আজীবন সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন।

নেতারা আরও জানান, জীবনের দীর্ঘ ১৭ বছর পাকিস্তানের কারাগারে কাটিয়েও তিনি শোষকদের সঙ্গে কখনো আপস করেননি। রেলওয়ের সাধারণ ফায়ারম্যান থেকে নিজের প্রজ্ঞা ও ভালোবাসার গুণে তিনি কমিউনিস্ট আন্দোলনের অন্যতম প্রাণপুরুষ ও সিপিবির কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা হয়েছিলেন। তাঁর সহজ-সরল অথচ ধারাল বক্তব্য আজও মানুষকে সমাজ পরিবর্তনের লড়াইয়ে উদ্বুদ্ধ করে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২ অক্টোবর চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে ৯৭ বছর বয়সে কমরেড জসিমউদ্দিন মণ্ডল মারা যান।

মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক জসিম উদ্দিন মণ্ডল ১৯২৪ সালে বর্তমান কুষ্টিয়া জেলা ও তৎকালীন অবিভক্ত ভারতের নদীয়া জেলার কালিদাসপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৩৯ সালে তিনি রেলইঞ্জিনে কয়লা ফেলার চাকরি পান। সে সময় শ্রমিক শোষণের চিত্র দেখে প্রতিবাদী হয়ে ওঠেন। তিনি ব্রিটিশ রেল কোম্পানির শ্রমিক শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন। কিশোর বয়স থেকে জসিম উদ্দিন মণ্ডল ভারতের মহাত্মা গান্ধী, বাঘাজতীন, প্রীতিলতা, জ্যোতি বসু, কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য, বিদ্রোহী কাজী নজরুল ইসলামসহ প্রখ্যাত মানুষের সান্নিধ্য পান। ষাটের দশকে রেলওয়েতে চালের বদলে খুদ দেওয়ায় তিনি রেল শ্রমিকদের নিয়ে প্রতিবাদ ও আন্দোলন করেন। এতে তাঁর চাকরি চলে যায়। তিনি শ্রমিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন। তিনি কমিউনিস্ট পার্টির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। আন্দোলন করতে গিয়ে একাধিকবার কারাবরণ ও ব্রিটিশ সরকারের নির্যাতনের শিকার হন। আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে তিনি মোট ১৯ বছর কারাভোগ করেন।

জসিম উদ্দিন মণ্ডলের নিজস্ব কোনো বাড়ি নেই। বন্দোবস্ত নেওয়া সরকারি এক খণ্ড জায়গায় তিনি বসবাস করতেন। বাড়ির পাশেই নিজ উদ্যোগে ১৯৯৬ সালে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় গড়ে তোলেন। পরবর্তী সময় বিদ্যালয়টি সরকারীকরণ হয়। বিদ্যালয়ের নাম পশ্চিম টেংরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

ঈশ্বরদীর বরেণ্য সাংবাদিক মহসীন রিয়াজীর প্রয়াণ দিবস পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীর বরেণ্য সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব প্রয়াত মহসীন রিয়াজীর প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ঈশ্বরদী সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ এই স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।

পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন ঈশ্বরদী সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদের সহসভাপতি মো. জাহিদুল আলম সনু।

স্মরণসভায় সাংবাদিক মহসীন রিয়াজীর জীবনী নিয়ে স্মৃতিচারণা করে বক্তব্য দেন ঈশ্বরদী সম্মিলিত নাগরিক জোটের সদস্যসচিব আশিকুর রহমান লুলু, সাংবাদিক খন্দকার মাহবুবুল হক দুদু, সেলিম সরদার, কলাম লেখক নূরুল ইসলাম বাবলু প্রমুখ।

ঈশ্বরদী সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ওহেদুজ্জামান টিপুর সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এস আলমগীর, ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা এমদাদুল হক আমান, শিক্ষক মাসুদ রানা, ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক নারী কাউন্সিলর মোছা. রহিমা খাতুন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আদু বালা শীল, প্রকৌশলী আলমগীরুল নিউটন, সাংবাদিক রেজাউল করিম ফেরদৌস, যুগান্তর স্বজন সমাবেশের সভাপতি আফছার আলী, সংগীতশিল্পী আব্দুস ছাত্তার, রেজাউল করিম রেজা, সহকারী শিক্ষক আরিফুর রহমান, একরামুল হক রনি প্রমুখ।

স্মরণসভা শেষে মহসীন রিয়াজীর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন ঈশ্বরদী সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদের সহসভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী ওহিদুর রহমান ঝন্টু।

সাবেক মেয়র বাবলুর স্মরণসভা সফল করায় বিএনপি নেতা তুহিনের কৃতজ্ঞতা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক প্রধান মেয়র ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য প্রয়াত মোকলেছুর রহমান বাবলুর স্মরণসভা ও মিলাদ মাহফিল সফলভাবে সম্পন্ন করায় দলীয় নেতা-কর্মী, সাধারণ মানুষ ও সংবাদকর্মীদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন দাশুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. শরিফুল ইসলাম তুহিন।

এক বার্তায় তিনি বলেন, প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও স্মরণসভা সফল করে দলের নেতা-কর্মীরা প্রবীণ এই নেতার প্রতি তাঁদের অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রমাণ দিয়েছেন।

এর আগে শুক্রবার দাশুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ জিন্নাহ মিলনায়তনে ওই স্মরণসভা ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানটি সফল করতে ঈশ্বরদী পৌরসভাসহ দাশুড়িয়া, মুলাডুলি, সলিমপুর, সাহাপুর, লক্ষ্মীকুণ্ডা, পাকশী ও সাঁড়া ইউনিয়নের বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের প্রতি ব্যক্তিগত ও দলের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান শরিফুল ইসলাম। একই সঙ্গে পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবসহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত দলটির কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

স্মরণসভার সংবাদ প্রচারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরার জন্য সংবাদপত্র ও সম্প্রচার মাধ্যমের সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয় বার্তায়। এছাড়া বৈরী আবহাওয়া ও জায়গা কম থাকায় যেসব কর্মী-সমর্থক ভেতরে ঢুকতে না পেরে কষ্ট পেয়েছেন, তাঁদের প্রতি দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপির এই নেতা।

বার্তার শেষ অংশে ঈশ্বরদীর জনপ্রিয় প্রবীণ নেতা প্রয়াত মোকলেছুর রহমানের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।

ঈশ্বরদীতে সাবেক মেয়র বাবলুর স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মোকলেসুর রহমান বাবলুর স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার উপজেলার দাশুড়িয়া মোকাররম মেমোরিয়াল উচ্চবিদ্যালয়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ জিন্নাহ মিলনায়তনে এই আয়োজন করা হয়। দাশুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন যৌথভাবে এই স্মারক সভা ও দোয়ার আয়োজন করে।

দাশুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম তুহিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব।

স্মরণসভায় মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকার।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সামাদ খান, আনিসুল হক, আবু ওবায়দা শেখ, নূর মোহাম্মদ মাসুম, জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আলী মোল্লা এবং জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুন নবী।

সভা শেষে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

বাবলুকে নিয়ে ঈশ্বরদীতে নাগরিক স্মরণসভা

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র প্রয়াত মকলেছুর রহমান বাবলুর স্মরণে নাগরিক স্মরণসভা হয়েছে। শনিবার বিকেলে ঈশ্বরদীর আরআরপি কমিউনিটি সেন্টারে সম্মিলিত নাগরিক জোট এ সভার আয়োজন করে।

‘জীবিত বাবলুর চেয়ে প্রয়াত বাবলু অনেক শক্তিশালী’ স্লোগানে আয়োজিত স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা পি এম আজাদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সম্মিলিত নাগরিক জোটের সদস্যসচিব আশিকুর রহমান লুলু। সভায় রাজনৈতিক নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।


স্মরণসভায় বক্তব্য দেন- মুক্তিযুদ্ধকালীন ঈশ্বরদী অঞ্চলের কোম্পানি কমান্ডার কাজী সদরুল হক সুধা, শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান আরআরপি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনসুর আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আজমল হক বিশ্বাস, আনিসুর রহমান, বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক ড. কুয়াশা মাহমুদ, ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আলাউদ্দিন আহমেদ, মেগাসান মেডিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ বাংলাদেশ লিমিটেডের উপদেষ্টা ববি সরদার, ঈশ্বরদী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ হামিদুর রহমান, সরকারি এস এম স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শহিদুল হক শাহীন, ঈশ্বরদী প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম ফজলুর রহমান, আজকের পত্রিকার ঈশ্বরদী প্রতিনিধি খোন্দকার মাহাবুবুল হক দুদু এবং সাপ্তাহিক হ্যালো ঈশ্বরদী পত্রিকার সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ওমর খান সুমার।

আরও বক্তব্য দেন নেদারল্যান্ডস বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মিন্টু, সাহিত্য-সাংস্কৃতিক সংগঠন নোঙরের মুখ্য সমন্বয়ক হাসানুজ্জামান, পূর্বটেংরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জমশেদ আলী, ঈশ্বরদী মহিলা কলেজের প্রভাষক আব্দুর রশীদ, বিএনপির নেতা আতাউর রহমান পাতা, অবসরপ্রাপ্ত ট্রেন পরিচালক (গার্ড) আফজাল হোসেন, পাবনা জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম নয়ন, জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদল উপজেলা শাখার সভাপতি ভাষা প্রামানিক, ঈশ্বরদী প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি সেলিম সরদার, সহসম্পাদক ওহিদুজ্জামান টিপু, ঈশ্বরদী সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদের সহ-সভাপতি জাহিদুল আলম সনু, সহ-সম্পাদক আতাউর রহমান বাবলু, কোষাধ্যক্ষ নূরুল ইসলাম বাবলু, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক শাহীন উদ্দিন, নির্বাহী সদস্য আদু বালা শীল, শাহিনা আক্তার বানু, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান শিহাব, মেয়রের ছেলে আসাদুর রহমান সজিব, ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রিয়ামুল ইসলাম রিয়াম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মকলেছুর রহমান বাবলুর কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, 'তিনি একজন দক্ষ রাজনৈতিক সংগঠক, সফল মেয়র ও উদার মানসিকতার মানুষ ছিলেন। পৌর এলাকার উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে ঈশ্বরদীর রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।'

স্মরণসভায় কবিতা আবৃত্তি করেন ইঞ্জিনিয়ার আলমগীরুল নিউটন, শিক্ষক আরিফুর রহমান আরিফ ও কবি রমজান আলী। স্মরণসভা শেষে মরহুম মকলেছুর রহমান বাবলুর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। 

ঈশ্বরদীর পায়েল মন্ডলের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীর কৃতী সন্তান ও প্রখ্যাত অনুবাদক এস.এম. আরিফ রাজ্জাক পায়েল মন্ডলের অকাল মৃত্যুর পর তাঁর স্মরণে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় ঈশ্বরদী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই স্মরণসভা আয়োজন করা হয় ‘পায়েল মন্ডল বন্ধুকুঞ্জ’ এর পক্ষ থেকে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মতিউর রহমান। সঞ্চালনা করেন দৈনিক আলাপের সম্পাদক মো. আশিকুর রহমান লুলু।

এসময় পায়েল মন্ডলের জীবন ও কর্ম নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক নেতা মাহাবুবুর রহমান পলাশ, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস.এম. ফজলুর রহমান, সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদের সহসভাপতি জাহিদুল আলম সনু, বন্ধু (পায়েল মন্ডল) নুর কাসেম মুনমুন, বিএনপি নেতা আতাউর রহমান পাতা, তাঁর মা সুমাইয়া বেগম,  কলাম লেখক সরোয়ারুজ্জামান মনা বিশ্বাস, মোশারফ হোসেন মুসা ও লেখক শিরীন শবনম।

পেশায় পায়েল মন্ডল ছিলেন একজন অনুবাদক। তিনি বাংলা সাপ্তাহিক মূলধারা এবং ইংরেজি পত্রিকা দ্য নিউ পেপার এর সহসম্পাদক হিসেবে কাজ করতেন।

শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পেছনে জনগণের অসন্তুষ্টি: মিহির ঘোষ

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সহকারী সাধারণ সম্পাদক মিহির ঘোষ বলেছেন, শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পেছনে জনগণের অসন্তুষ্টি প্রধান কারণ।

বুধবার রাতে ঈশ্বরদী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটির সদস্য প্রবীণ রাজনীতিক ও প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা কমরেড জসিম উদ্দিন মণ্ডলের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিনের শাসনামলে তার (শেখ হাসিনা) সরকার লুটপাট, দুর্নীতি এবং নির্বাচন ব্যবস্থার অবক্ষয়ের মাধ্যমে জনগণের আস্থা হারিয়েছে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও প্রকল্পগুলোর ওপর অযাচিত দখল ও শোষণ দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে অস্থির করে তুলে। এর ফলে রাজনৈতিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পেয়ে শেখ হাসিনার সরকারের স্থায়িত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

মিহির ঘোষ জাতীয় সংগীতের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, জাতীয় সংগীতকে প্রশ্নবিদ্ধ করা জাতির গৌরব ও স্বাধীনতার প্রতি অসম্মান। আমাদের রাজনৈতিক বিতর্ক যতই তীব্র হোক, জাতীয় ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক গৌরবকে অসম্মান করা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি উল্লেখ করেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শুধু ভারতের নয়, বরং সমগ্র বাংলা ভাষাভাষী জনগণের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

মিহির ঘোষ বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান দেশের মূল কাঠামো এবং রাজনৈতিক ভিত্তি রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাস, জনগণের মৌলিক অধিকার এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতিনিধিত্ব করে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংবিধানের প্রস্তাবিত মূলনীতি—জাতীয়তা, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা—অত্যন্ত জরুরি।

সিপিবি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ডা: অলোক মজুমদারের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন সিপিবি রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির সমন্বায়ক ইসমাইল হোসেন, পাবনা জেলা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক সালফী আল ফাত্তাহ, সম্পাদক মন্ডলী সদস্য আহসান হাবিব, সদস্য জীবন দাস, ঈশ্বরদী উপজেলা কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জুয়েল হোসেন সোহাগ এবং পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন