ঈশ্বরদী বিএনপি: ‘হাবিবকে হত্যার চক্রান্তের’ পেছনে হাইব্রিডদের দাবি পিন্টুর

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল দীর্ঘদিনের। গত সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব ও জাকারিয়া পিন্টুর মধ্যে প্রার্থিতা নিয়ে প্রকাশ্য দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। নির্বাচনে হাবিব মনোনয়ন পেলেও বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় বহিষ্কৃত হন পিন্টু। এরপর থেকে তাঁদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধ চলে আসছে।

যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গত বুধবার একই শহরে দুই পক্ষই পৃথক র‍্যালির কর্মসূচি ঘোষণা করে। তবে কর্মসূচির আগের দিন মঙ্গলবার হঠাৎই জাকারিয়া পিন্টু তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি দীর্ঘ বক্তব্য প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, এই কর্মসূচিতে হাবিবুর রহমান হাবিবকে গুলি করে হত্যার পরিকল্পনা করেছে একটি ‘তৃতীয় পক্ষ’।

হত্যাকাণ্ডের শঙ্কায় তিনি ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর শাখা যুবদলের অনুসারীদের ঘোষিত সব কর্মসূচি স্থগিত করার আহ্বান জানান। ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ঈশ্বরদীতে সুস্থ রাজনীতির পরিবর্তে এক বিপজ্জনক কৌশলের খেলা চলছে এবং এর মাধ্যমে বড় ধরনের নাশকতার পাঁয়তারা করছে প্রতিপক্ষ।

পোস্টে তিনি আরও দাবি করেন, একই সময়ে দুই পক্ষ কর্মসূচি পালন করতে গেলে প্রতিপক্ষ ও তথাকথিত ‘হাইব্রিড নেতারা’ সংঘর্ষ বাধিয়ে পেছন থেকে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবকে গুলি করে হত্যা করতে পারে।

পিন্টু লেখেন, ‘ওদের এখন হাবিবের দরকার নেই। ওরা এক ঢিলে দুই পাখি মারবে। হাবিবও মরবে, একই সঙ্গে জাকারিয়া পিন্টুসহ সবাই ধ্বংস হয়ে যাবে।’

তবে এই ‘তৃতীয় পক্ষ’ বা ‘হাইব্রিড’ কারা—সে বিষয়ে ফেসবুকে পরিষ্কার করে কিছু বলেননি পিন্টু। ঘটনাটি কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন