শিক্ষক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শিক্ষক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সহকর্মীদের দ্বন্দ্বে ব্যাহত হচ্ছে ঈশ্বরদীর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী উপজেলার ৩৭ নম্বর ছলিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও এক সহকারী শিক্ষকের মধ্যে হাতাহাতির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।

৫ জুলাই সকালে বিদ্যালয়ের প্রাত্যহিক সমাবেশ চলাকালে এই ঘটনা ঘটে।  বুধবার রাতে প্রায় পাঁচ মিনিটের ওই ভিডিওটি ফেসবুকে প্রকাশ করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ। এরপরই তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিওতে দেখা যায়, বৃষ্টির কারণে বিদ্যালয়ের বারান্দায় শিক্ষার্থীদের সারিবদ্ধ করে সমাবেশের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। এ সময় প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ সহকারী শিক্ষক তানভীর রেজা ও তার স্ত্রী সহকারী শিক্ষক ইসরাত জাহানকে শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করতে বলেন। কয়েকবার বলার পরও তারা দাঁড়িয়ে থাকলে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে সহকারী শিক্ষক তানভীর রেজা প্রধান শিক্ষকের হাতের মুঠোফোনটি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে দুজনের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়।

বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষকেরা জানান, প্রধান শিক্ষক ও এই দুই সহকারী শিক্ষকের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশের ওপর। এতে যেমন পাঠদান বিঘ্নিত হচ্ছে, তেমনি কোমলমতি শিক্ষার্থীরাও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের দাবি, তিনি দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে এই বিদ্যালয়ে কর্মরত। সহকারী শিক্ষক তানভীর রেজা ও ইসরাত জাহান নিয়মিত সময়মতো বিদ্যালয়ে আসেন না এবং দাপ্তরিক কাজ ও প্রাত্যহিক সমাবেশে সহযোগিতা করেন না। এ ছাড়া তারা প্রায়ই নিজেদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে এনে শ্রেণিকক্ষ ও অফিসকক্ষে রাখেন। বিষয়টি উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে জানিয়েও কোনো সমাধান না পাওয়ায় তিনি ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন।

তবে সহকারী শিক্ষক তানভীর রেজা ও ইসরাত জাহান এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে তাদের বিরুদ্ধে এসব বলা হচ্ছে। উল্টো প্রধান শিক্ষক নিজেই নিয়মিত পাঠদান করেন না এবং সহকারী শিক্ষকদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন। তাদের ভাষ্য, কোনো অভিযোগ থাকলে তা শিক্ষা বিভাগের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা উচিত ছিল। একজন প্রতিষ্ঠানপ্রধান হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও প্রকাশ করাকে তারা দায়িত্বহীন আচরণ বলে মন্তব্য করেন।

অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন সুনামের সঙ্গে পরিচালিত হলেও শিক্ষকদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে এখন শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তারা দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে বিদ্যালয়ে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।

যোগাযোগ করা হলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহীনা আক্তার বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঈশ্বরদীতে শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় শিক্ষক নির্বাচিত হলেন ফারজানা


নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে ঈশ্বরদী উপজেলা পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ শিক্ষক (বিদ্যালয়)’ নির্বাচিত হয়েছেন ফারজানা আনোয়ার।

তিনি ইক্ষু গবেষণা উচ্চ বিদ্যালয়ে ইংরেজি বিষয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।

এই অর্জনের অনুভূতি প্রকাশ করে ফারজানা আনোয়ার বলেন, ‘যেকোনো স্বীকৃতি কাজের গতি ও দায়িত্ববোধ অনেক বাড়িয়ে দেয়। আমি আমার বিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীর মেধা ও মনন বিকাশে এবং ঈশ্বরদী উপজেলার সব বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নে আজীবন কাজ করে যেতে চাই। এই অর্জন শুধু আমার একার নয়; এটি আমার বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবার যৌথ প্রচেষ্টার ফল।’

ফারজানা আনোয়ার ২০০৮ সালের ২২ মার্চ ইক্ষু গবেষণা উচ্চ বিদ্যালয়ে ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। এর আগে তিনি জেলা পর্যায়ে চারবার এবং উপজেলা পর্যায়ে পাঁচবার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

প্রধান শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠানে হামলার প্রতিবাদে ঈশ্বরদীতে সংবাদ সম্মেলন


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলামের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যরা।

বুধবার সকালে ঈশ্বরদী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফজলুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলাম, পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক মৎস্যবিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রশিদ, ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির দুলাল সরদারসহ অন্যরা।

লিখিত বক্তব্যে ফজলুর রহমান বলেন, পরিচালনা কমিটির সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ৩০ জুন প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলামের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা এবং তারেক রহমান ঘোষিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, পাবনা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদারকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাহীনা আক্তার, সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুজ্জামান শেখ, জেলা বিএনপির সাবেক মৎস্যবিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রশিদ সরদার এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির দুলাল সরদারকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

তিনি দাবি করেন, অনুষ্ঠানের প্রায় এক ঘণ্টা আগে পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের অনুসারী আবুল কাশেম এবং উপজেলা কৃষক দলের সদস্যসচিব মইনুল ইসলাম সরদার, আলম ওরফে দালাল আলম, মনিকাসহ ১৫ থেকে ২০ জন সেখানে আসেন। তাঁরা হাবিবুর রহমান হাবিবকে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ না জানানোর কারণ জানতে চান এবং একপর্যায়ে মঞ্চ, চেয়ার-টেবিল ও ব্যানার ভাঙচুর করেন। এ সময় অতিথি ও শিক্ষার্থীদের জন্য রান্না করা খাবারও নষ্ট করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে ঢুকে পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলেও দাবি করা হয়।

ফজলুর রহমান বলেন, তিনি দীর্ঘদিন বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দলের কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। নিজের বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে বিএনপির নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হতে হবে, তা তিনি কখনো কল্পনা করেননি। এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, সিরাজুল ইসলাম সরদার ঈশ্বরদী অঞ্চলে বিএনপির একজন জ্যেষ্ঠ নেতা। তিনি দলের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁকে উপেক্ষা করে ঈশ্বরদীতে বিএনপির একটি পক্ষ রাজনীতি করতে চায় বলেও অভিযোগ করেন ফজলুর রহমান।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মইনুল ইসলাম সরদার এবং সলিমপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওর্য়াড বিএনপির সভাপতি আলম প্রামাণিকের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার খোলা ছিল ৪ ব্যাংকের শাখা, টাকা তুলতে শিক্ষকদের ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক: নানা জটিলতায় টানা তিন মাস বন্ধ থাকার পর বৃহস্পতিবার বেতন পেয়েছেন যশোরের বীর প্রতীক ঈসা হক কলেজের একজন শিক্ষক। ঈদ বোনাসও দেওয়া হয়েছে। তবে টাকা তুলবে পারবেন কিনা এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন। শুক্রবার ব্যাংক খোলা রাখায় এ দিন সকালে এসে লাইনে দাঁড়ান। কোনো ঝামেলা ছাড়াই টাকা তুলতে পেরে যেন সত্যিকারের ঈদের চাঁদ হাতে পান। সারা দেশে তার মতো ৫ লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী আটকে থাকা বেতন পেয়েছেন।

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারিদের বেতন তোলার সুবিধার্থে গতকাল শুক্রবার ছুটির দিনে রাষ্ট্রীয় মালিকানার সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকের শাখা খোলা রাখা হয়। এ দিন সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে। যেসব শাখায় বেতন হয় সেখানে ভিড় করেন শিক্ষকরা। অন্য অনেক গ্রাহকও এদিন এসেছেন টাকা উঠাতে বা জমা দিতে। মূলত রাষ্ট্রীয় মালিকানার এই চার ব্যাংকের মাধ্যমেই সারা দেশের বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারিদের বেতন হয়।

জানা গেছে, প্রত্যেক বিভাগে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারিদের বেতন দেওয়ার জন্য প্রধানত একটি করে ব্যাংক নির্ধারিত আছে। অবশ্য শিক্ষক প্রতিষ্ঠান এলাকায় ওই ব্যাংক না থাকলে সেখানে যে সরকারি ব্যাংক রয়েছে ওই ব্যাংকের মাধ্যমে বেতন দেওয়া হয়। 

খুলনা জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যাংক রূপালী। ব্যাংকটির যশোর কর্পরেট শাখা থেকে এই অঞ্চলের সবচেয়ে বেশি শিক্ষকের বেতন হয়। শুক্রবার এই শাখা থেকে এক হাজার চেকের বিপরীতে পরিশোধ হয়েছে ৩ কোটি ২৬ লাখ টাকার বেশি। বিভিন্ন গ্রাহক এদিন জমা দিয়েছেন ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

রূপালী ব্যাংকের যশোর কর্পরেট শাখার ব্যবস্থাপক (এজিএম) শহীদুল ইসলাম বলেন, টাকা তোলার জন্য সকাল ৯টা থেকে শাখার সামনে লাইন ধরেন শিক্ষকরা। সুশৃঙ্খলভাবে তারা প্রত্যেককে টাকা দিতে পেরেছেন। তিনি বলেন, 'বৃহস্পতিবার প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশনা পাওয়ার পর আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলাম। ছুটির দিনেও যেন সব কর্মী উপস্থিত হন সে ব্যবস্থা করা হয়। আবার এটিএম বুথেও পর্যাপ্ত টাকা রাখা হয়। যে কারণে কোনো সমস্যা হয়নি। সব ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সুশৃংখলভাবে সেবা দেওয়া সম্ভব হয়েছে।'

জানা গেছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারিদের বেতন-ভাতা ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (ইএফটিএন) পদ্ধতিতে সরাসরি ব্যাংক হিসাবে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। তবে এ ব্যবস্থা চালু করতে গিয়ে নানা জটিলতা তৈরি হয়। কারও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ডিজিট ভুল,  কারও আবার অ্যাকাউন্টের সঙ্গে নামের অসঙ্গতিসহ বিভিন্ন ভুলের কারণে গত ডিসেম্বর থেকে অনেকের বেতন-ভাতা আটকে ছিল। জটিলতা নিরসন করে ঈদের আগে শেষ কর্মদিবস বৃহস্পতিবার অনেকের অ্যাকাউন্টে শেষ সময়ে বেতন দেওয়া হয়। যে কারণে তারা টাকা তুলতে পারেননি। শুক্রবার থেকে টানা ৯দিন ছুটি। তাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে বাংলাদেশ ব্যাংক বিশেষ ব্যবস্থায় সরকারি চার ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশনা দেয়। 

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন