শিক্ষা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শিক্ষা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বরদীতে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির অ্যাডহক কমিটি গঠন উপলক্ষে সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি উপজেলা শাখার উদ্যোগে অ্যাডহক কমিটি গঠন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলার দাশুড়িয়া এম এম উচ্চ বিদ্যালয়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ জিন্নাহ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ঈশ্বরদী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. মাসুদ হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব।

আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম তোতা। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, কার্যকরী সভাপতি জুলফিকার আলী প্রামাণিক, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম, ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জিয়াউল হক সন্টু সরদার, সদস্যসচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন এবং প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি পাবনা জেলা শাখার সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম।

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি পাবনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন ও শিক্ষক নেতা মো. আরিফুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় সভায় প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষকদের পেশাগত অধিকার এবং উপজেলা শাখার ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করা হয়।

শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক সম্মাননা পেলেন ঈশ্বরদীর মাদ্রাসাশিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও নৈতিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তোলার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক’ সম্মাননা পেয়েছেন ঈশ্বরদী ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী মিনারুল ইসলাম।

সোমবার বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে পদক ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ১০২ জন শিক্ষককে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।

মিনারুল ইসলাম শিক্ষকতার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তাঁর এই অর্জনে মাদ্রাসার শিক্ষক ও স্থানীয় সুধীজন তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

ঈশ্বরদীতে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদন: ‘পেশার সুরক্ষা, মর্যাদা বৃদ্ধি ও আমাদের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে ৫০ বছর’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঈশ্বরদীতে যথাযথ মর্যাদায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়েছে। ৫ অক্টোবর, সোমবার বিকেলে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের যৌথ আয়োজনে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি উপজেলা চত্বর থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

র‍্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে শিক্ষকদের অংশগ্রহণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান সরকারের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন মানিকনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান, ভাষা শহীদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোক্তার হোসেন ও দাশুড়িয়া এমএম উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক গোলাম রব্বানী খান জুবায়ের।

এ সময় দাদাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খালেদ আক্তার, আলহাজ টেক্সটাইল মিলস উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গাউসুস সামাদ মাসুম, মূলডুলি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেলিনা আক্তারসহ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান সরকার বলেন, দক্ষ ও সুশিক্ষিত ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনে শিক্ষকদের বিকল্প নেই। শিক্ষকদের মর্যাদা ও পেশাগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

দাশুড়িয়া প্রি-ক্যাডেট স্কুলের কৃতি সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক: দাশুড়িয়া প্রি-ক্যাডেট স্কুলের উদ্যোগে অভিভাবক সমাবেশ ও কৃতি সংবর্ধনা হয়েছে।  শনিবার সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২০২৫ সালে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৪৮ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধিত করা হয়।

প্রতিষ্ঠানের পরিচালক গোপাল অধিকারীর সভাপতিত্বে এবং অধ্যক্ষ সুবর্ণা অধিকারীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আসাদুজ্জামান সরকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঈশ্বরদী কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. লুৎফর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মহিদুল ইসলাম। অভিভাবকদের পক্ষে বক্তব্য দেন মাহিনুর আক্তার রিয়া, বৃষ্টি খাতুন, স্বপ্না রানী, আমিনা খাতুন ও কনিকা সাহা। এ সময় অভিভাবকেরা বিদ্যালয়ের মানসম্মত পাঠদানের প্রশংসা করে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

বিদ্যালয়টি ২০২৪ ও ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে উপজেলায় বৃত্তি অর্জনে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। এর আগে ২০২৪ সালে এই বিদ্যালয় থেকে রেকর্ড ৫৩ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করেছিল।

সহকারী শিক্ষক জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন শিক্ষক সন্তোষ কুমার, হাচনা জাহান, আন্না খাতুন, আরজু মনোয়ারা, সাথী খাতুন, খাদিজাতুল কোবরা, কেয়া খাতুন, শামীমা সিমলা ও বিথি খাতুন। অনুষ্ঠানটি একপর্যায়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মিলনমেলায় রূপ নেয়। আলোচনা শেষে আমন্ত্রিত অতিথিরা শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তিপ্রাপ্তির সম্মাননা স্মারক, হাতের লেখা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার এবং দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার ফলাফল তুলে দেন।

ঈশ্বরদীতে পূর্বটেংরি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে পূর্বটেংরি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বিদ্যালয় মিলনায়তনে স্কুল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

পূর্বটেংরি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি, ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির আহ্বায়ক ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা মাহবুবুর রহমান পলাশের সভাপতিত্বে এবং শিক্ষক আসাদুজ্জামান বকুলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পাবনা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুর রাজ্জাক। এ সময় প্রধান শিক্ষক মো. জোমসেদ আলীসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে মাহবুবুর রহমান পলাশ বলেন, দীর্ঘদিনের শাসনব্যবস্থা দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। তবে বর্তমান প্রশাসন শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, শিক্ষাব্যবস্থাকে এমন ত্রুটিপূর্ণভাবে সাজানো হয়েছিল, যার ফলে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক ও দেশীয় মহলে প্রকৃত দক্ষতা ও যোগ্যতা অর্জনে প্রায়ই ব্যর্থ হচ্ছে, যা দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পাবনার সহকারী পরিদর্শক মোখলেসুর রহমান, বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম নয়ন, প্রধান শিক্ষক রাইদুল ইসলাম, শিক্ষক আব্দুল মজিদ, আসাদুজ্জামান আসাদ, নূর বক্সা শাহ, সুলতানা লায়লা এবং সংবর্ধিত জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস প্রমুখ।

জাল সনদে পাকশী রেলওয়ে কলেজের শিক্ষকের চাকরির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাল সনদে ১৩ বছর ধরে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে ঈশ্বরদীর পাকশী রেলওয়ে ডিগ্রি কলেজের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত মো. শরিফুল ইসলাম ওই কলেজের ভূগোল বিষয়ের প্রভাষক।

জানা গেছে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সাম্প্রতিক পরিদর্শন ও নিরীক্ষা প্রতিবেদনে শরিফুল ইসলামের জমা দেওয়া চতুর্থ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সনদ (২০০৮ সাল, রোল নম্বর: ২২০১০৩৮০) জাল ও ভুয়া প্রমাণিত হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তিনি অন্যের নিবন্ধন সনদ জাল করে নিজের নামে তৈরি করেছেন। ২০১৩ সালে ওই ভুয়া সনদে চাকরি পাওয়ার পর তিনি ২০১৮ সালে এমপিওভুক্ত হন। এরপর থেকে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা তুলে আসছেন।

জালিয়াতি ধরা পড়ার পর মাউশির কলেজ শাখা-৩ থেকে জারিকৃত অফিস আদেশে দেশের ৪৭১ জন জাল সনদধারী শিক্ষকের তালিকা প্রকাশ করা হয়। ওই তালিকার ১৬৩ নম্বর ক্রমিকে শরিফুল ইসলামের নাম রয়েছে। আগামী শুনানিতে কলেজের অধ্যক্ষসহ শরিফুল ইসলামকে মাউশিতে উপস্থিত হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পাকশী রেলওয়ে ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ জানান, তিনি মাউশির নোটিশ পেয়েছেন এবং নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে জাল সনদের বিষয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে অভিযুক্ত শিক্ষক শরিফুল ইসলাম কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

বড়াইচারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সেরা শিক্ষার্থীদের পুরস্কার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীর ৪৪ নম্বর বড়াইচারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতির স্বীকৃতিস্বরূপ সেরা শিক্ষার্থীদের পুরস্কার ও 'সার্টিফিকেট অব অ্যাপ্রিসিয়েশন' প্রদান করা হয়েছে। রোববার বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে এসব পুরস্কার তুলে দেন বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আলহাজ রওশন আলী মাস্টার।

পুরস্কার বিতরণ শেষে রওশন আলী মাস্টার ঘোষণা দেন, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে তিনি প্রতিবছর বার্ষিক পরীক্ষায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের ব্যক্তিগতভাবে পুরস্কৃত করবেন।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোছা. নাসরিন সুলতানা ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো. আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কমিটির সহসভাপতি ওয়াহিদ মুরাদ সুজন, সলিমপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. মিনারুল বিশ্বাস, স্থানীয় চিকিৎসক আশরাফ প্রামাণিক, আনোয়ার হোসেন ও খাইরুল ইসলামসহ শিক্ষক ও অভিভাবকেরা।

ক্লাসে উপস্থিতি কমে যাওয়ায় ঈশ্বরদী সরকারি কলেজে শিক্ষক-অভিভাবক সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক: শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতি রোধ ও শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে ঈশ্বরদী সরকারি কলেজে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে কলেজ মিলনায়তনে এই অভিভাবক সমাবেশ হয়।

সভায় শিক্ষকেরা জানান, সম্প্রতি উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতির হার ২০ শতাংশে নেমে এসেছে। মোবাইল ফোনে বার্তা পাঠিয়েও আশানুরূপ সাড়া মেলেনি। অভিভাবকেরা অভিযোগ করেন, কলেজ চলাকালে আশপাশের বাণিজ্যিক কোচিং সেন্টারে শিক্ষার্থীরা ভিড় করায় ক্লাসে উপস্থিতি কমছে। তারা সকাল সাড়ে নয়টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার দাবি জানান। পাশাপাশি রাত জেগে মোবাইল ব্যবহারের আসক্তির কারণে সকালে ক্লাসে অনুপস্থিত থাকার প্রবণতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আমজাদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও উচ্চমাধ্যমিক কমিটির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মুরারী মোহন দাস, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম ও সাংবাদিক মাহাবুবুল হক দুদু।

অধ্যক্ষ জানান, উপস্থিতি বাড়াতে প্রতি ৩০ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন করে ‘মেন্টর’ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যারা নিয়মিত তদারকি ও অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করবেন।

পাবিপ্রবিতে বাংলাদেশ-রাশিয়া সাংস্কৃতিক চা আড্ডা

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) বাংলাদেশ ও রাশিয়ার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘ব্রিজিং বর্ডার্স: বাংলাদেশ ও রাশিয়ার পারমাণবিক শক্তির চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সাংস্কৃতিক চা আড্ডা হয়েছে।

রোববার পাবিপ্রবির কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে রাশিয়া থেকে আগত ২০ জন শিক্ষার্থীসহ পাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। দুই দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক উন্নয়নে পাবিপ্রবি এবং ঈশ্বরদীর পারমাণবিক তথ্যকেন্দ্র যৌথভাবে এই সভার আয়োজন করে। মো. আশিক হায়দার ও মো. আহসান হাবিবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথিদের পরিচয় এবং কার্যক্রমের রূপরেখা তুলে ধরা হয়।

প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মো. শামীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান এবং জেএসসি অ্যাটমস্ট্রয়এক্সপোর্টের মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রতিনিধি আনাস্তাসিয়া বাজেনোভা। বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. শামীম রেজা অনুষ্ঠানে সহসভাপতিত্ব করেন।

বক্তারা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী বিনিময়, সাংস্কৃতিক যোগাযোগ এবং বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে দুই দেশের ভবিষ্যৎ সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। এরপর ভাষা বিনিময় পর্বে শিক্ষার্থীরা একে অপরের ভাষা ও সংস্কৃতির নানা দিক নিয়ে অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।

আলোচনা পর্বে দুই দেশের শিক্ষাব্যবস্থা, পারমাণবিক শক্তি এবং সংশ্লিষ্ট খাতের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় হয়। চা-চক্রের আড্ডায় শিক্ষার্থীরা নিজেদের দৈনন্দিন জীবন ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দেশের তরুণদের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।

ঈশ্বরদীতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল রাজু স্মৃতি ফাউন্ডেশন


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার সাহাপুর শহীদ আবুল কাশেম উচ্চ বিদ্যালয়ে নেফাউর রহমান রাজু স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সাহাপুর ইউনিয়নের ২৫ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে এই সংবর্ধনা জানানো হয়।

ফাউন্ডেশনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মশিউর রহমান মজনুর সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র সহসভাপতি খাদিজা সুলতানা নিপার সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নবগঠিত উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জিয়াউল হক সন্টু সরদার, সদস্যসচিব শরীফুল ইসলাম তুহিন, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান পলাশ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব আজমল হোসেন সুজন, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তানবীর হাসান সুমন, বিএনপি নেতা বরকত আলী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বিপুল হোসেন বুদু, সাবেক ইউপি সদস্য তৌহিদুল ইসলাম তুহিন, সাজেদুল ইসলাম, আইনুল হরিণ, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি পাঞ্জুর রহমান, উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী রোকেয়া হাশেম ও ছাত্রদল নেতা ইসমাইল হোসেন মোহন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ফাউন্ডেশনের সদস্যসচিব আনোয়ার হোসেন, উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম রকি এবং পাকশী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এনামুল হক। এ সময় ফাউন্ডেশনের সদস্য, সংবর্ধিত শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, শিক্ষার্থীরাই দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের মেধা ও প্রতিভাকে বিকশিত করতে পড়াশোনার পাশাপাশি উৎসাহ ও অনুপ্রেরণাও প্রয়োজন। যারা জিপিএ-৫ অর্জন করেছে, তারা কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে এই সাফল্য এনেছে। তিনি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান এবং ভবিষ্যতেও ভালো ফলাফল করে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।

ফাউন্ডেশনের সহসভাপতি খাদিজা সুলতানা নিপা বলেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে এবং ভালো ফলাফলের স্বীকৃতি দিতে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নিয়মিত এ ধরনের আয়োজন করা হয়। ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কাজের মাধ্যমে মরহুম নেফাউর রহমান রাজুর স্মৃতি ধরে রাখা হবে।

আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।

ঈশ্বরদীতে ২২৫ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অ্যাসোসিয়েশনের বৃত্তিপ্রাপ্ত ২২৫ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়েছে।

রোববার সকালে উপজেলার আড্ডাখানা রেস্টুরেন্টে অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে ২০২৫ সালের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন অতিথিরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশে শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও ভূমিকা রাখতে হবে। আজকের মেধাবীরাই আগামী দিনে দেশ পরিচালনায় নেতৃত্ব দেবে। তাই তাদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।

সংগঠনটির সভাপতি রিয়াজুল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা জামায়াতের সম্পাদক মো. সাইদুল ইসলাম, পৌর আমির মাওলানা গোলাম আজম খান, ঈশ্বরদী মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হামিদুর রহমান, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এস এম রাজা ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন জনি।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে ঈশ্বরদী বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অ্যাসোসিয়েশনের আওতাধীন ২২টি কিন্ডারগার্টেনের ২২৫ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পায়। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৮০ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ১৪৫ জন রয়েছে।

ঈশ্বরদীতে সকাল প্রি-ক্যাডেট স্কুলে শিক্ষার মান উন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীর ‘সকাল প্রি-ক্যাডেট স্কুলে’ শিক্ষার মান উন্নয়নে করণীয় শীর্ষক অভিভাবক সমাবেশ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে স্কুল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. হেলালুর রহমান। প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মহিদুল ইসলামের সার্বিক পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার।

সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পাবনা জেলা জজ আদালতের কোর্ট পরিদর্শক মো. মমিনুজ্জামান, ঈশ্বরদী প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুল মান্নান টিপু, দাদাপুর মাধ্যমিক উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খালেদা আক্তার, প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেডের ঈশ্বরদী শাখা ব্যবস্থাপক আলী আহম্মেদ, ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন জনি এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম মাসুম।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক টিপু সুলতান, আঞ্জুমান আরা, সীমা খাতুন, সেলিনা আক্তার পারুল, মুসফিকা জাহান শিল্পী, পাপিয়া খাতুন, সাবরিনা পারভীন, রোকেয়া খাতুন ও জেরিন ইসলামসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিপুলসংখ্যক অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন।

ক্যানসার আক্রান্ত মেধাবী ছাত্র ছাবিদের পাশে বিএনপি নেতা শাহীন


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে ক্যানসারে আক্রান্ত ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পাওয়া ষষ্ঠ শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থী ইবনে ছাবিদের পাশে দাঁড়িয়েছেন ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি ও বিএনপি নেতা রেজাউল করিম শাহীন। গতকাল শুক্রবার রাতে তাঁর পক্ষ থেকে পাঠানো উপহার ও নগদ আর্থিক সহায়তা ছাবিদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রিয়ামুল ইসলাম রিয়ামের তত্ত্বাবধানে এই মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন, সলিমপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক সুমন মালিথা, ছাত্রনেতা আব্দুল আহাদ, ওমর ফারুক বিশ্বাস ও আকাশ ইসলাম দেশ।

সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে ছাবিদের গুরুতর অসুস্থতা ও বুয়েটে পড়ার স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কার খবর দেখে সহায়তার হাত বাড়ান রেজাউল করিম শাহীন। এ বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, "একটি প্রখর মেধাবী শিশুর সুন্দর শৈশব হাসপাতালের চার দেওয়ালে কাটছে, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। অর্থের অভাবে ওর স্বপ্ন যেন মাঝপথে থেমে না যায়, সেটাই আমাদের চাওয়া। সেই সামাজিক ও মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই সাধ্যমতো পাশে দাঁড়িয়েছি।"

শাহীন আরও বলেন, "সমাজের বিত্তবান মানুষ, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে এই শিশুটির সুচিকিৎসায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও দোয়ায় ছাবিদ সুস্থ হয়ে আবার পড়াশোনায় ফিরবে বলে আশা করি।"

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ইবনে ছাবিদ ঈশ্বরদীর সাহাপুর ইউনিয়নের দিয়ার সাহাপুর গ্রামের আশরাফুল আলম রোকনের একমাত্র সন্তান। সে বর্তমানে আরএআরএস উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। শৈশব থেকেই পড়ালেখায় অত্যন্ত উজ্জ্বল ছাবিদ পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে আসছিল। গত বছর চর-সাহাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে সমাপনী শেষ করে চলতি বছরের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করে সে।

কিন্তু এই অর্জনের পরপরই হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে ছাবিদ। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তার শরীরে ক্যানসার ধরা পড়ে। বর্তমানে রাজধানীর জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। একমাত্র সন্তানের জীবন বাঁচাতে মধ্যবিত্ত বাবা-মা সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। 

প্রাথমিক বৃত্তিতে শতভাগ সাফল্য পেল পাবনার স্কয়ার কিন্ডারগার্টেন

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাবনার স্কয়ার কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষার্থীরা এবারের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফলে অসামান্য কৃতিত্ব দেখিয়েছে। জেলার একমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে শতভাগ পাসের গৌরব অর্জন করেছে স্কুলটি।

প্রতিষ্ঠানটি থেকে এবার বৃত্তি পরীক্ষায় ২২ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। তাদের সবাই বৃত্তি পেয়েছে। এর মধ্যে ১৫ জন ট্যালেন্টপুলে এবং ৭ জন সাধারণ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে।

ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্তরা হলো—মুরসালিন রোহান, তাসিন মাহদী, আল শাহরিয়ার ফাহাদ, মুজতাহিদ রেজা তাসিন, আরহাম ইসলাম আহনাফ, স্বচ্ছ সাহা, তাসনিম জাহান, তাসফিয়া সিরাজ সৃষ্টি, তাসনুভা তৌফিক সুজানা, নাফিয়া নাওয়ার, আরিয়ানা নবী, রাইসা তাবাসসুম, ইকরা রহমান, তাসফিয়া তাবাসসুম তোরসা ও কামারুন হাসান প্রতিতী।

সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে—তাইফ আহমেদ, ফাতিহা জান্নাত, জাইমা জুনাইদ, আরিশা জামান রিদা, মুনীরা মেহতাজ, লামইয়া জামান ও মীর ফারিয়া ইসলাম।

স্কুলের এই ঈর্ষণীয় সাফল্যের জন্য শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের অভিনন্দন জানিয়েছেন স্কুল ব্যবস্থাপনা পরিষদের সভাপতি অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু এবং অধ্যক্ষ খতিব শাহানাজ সুলতানা।

ঈশ্বরদীতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেলেও হাসপাতালের শয্যায় মেধাবী ছাবিদ, ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘আমি বড় হয়ে বুয়েটে প্রকৌশলী হব। তুমি হবে একজন প্রকৌশলীর মা।’—মাকে এমন স্বপ্নের কথাই বলেছিল ইবনে ছাবিদ। কিন্তু সেই স্বপ্নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ক্যানসার। মাত্র ১১-১২ বছর বয়সের ছোট্ট শরীরে বাসা বেঁধেছে এই মরণব্যাধি।

এরই মধ্যে এসেছে একটি সুখবর। প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে (মেধাতালিকায়) বৃত্তি পেয়েছে ছাবিদ। তবে সেই সাফল্যের আনন্দ ম্লান করে দিয়েছে তার অসুস্থতা। রাজধানীর জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের শয্যায় শুয়েই বৃত্তি পাওয়ার খবর শুনেছে সে। আনন্দের বদলে তার চোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়েছে অশ্রু।

ছাবিদ ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের দিয়ার সাহাপুর গ্রামের আশরাফুল আলম রোকনের একমাত্র ছেলে। সে ঈশ্বরদী আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র উচ্চবিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

পরিবার ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিবারই শ্রেণিতে প্রথম হয়েছে ছাবিদ। গত এপ্রিলে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। পরে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তার ক্যানসার ধরা পড়ে।

ছাবিদের বাবা আশরাফুল আলম রোকন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত। তিনি বলেন, চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ছেলেকে সুস্থ করে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন। এ অবস্থায় সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাঁদের।

প্রতিবেশীরা জানান, পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত নামাজ আদায় ও কোরআন তিলাওয়াত করত ছাবিদ। শান্ত ও ভদ্র স্বভাবের এই শিশুর অসুস্থতায় প্রতিবেশীরাও মর্মাহত।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে ছাবিদের মা লিজা খাতুন বলেন, ‘এই বয়সে বই-খাতা নিয়ে বিদ্যালয়ে থাকার কথা ছিল আমার ছেলের। অথচ সে আজ হাসপাতালের বিছানায়। ওকে এভাবে দেখতে খুব কষ্ট হয়। আল্লাহ যেন আমার ছেলেকে সুস্থ করে দেন।’

ঈশ্বরদী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আতিকুর রহমান বলেন, ছাবিদের মতো একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। সমাজসেবা কার্যালয়ের মাধ্যমে ক্যানসার আক্রান্তদের সহায়তার সুযোগ রয়েছে। পরিবার আবেদন করলে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সহযোগিতা করা হবে।

প্রাথমিক বৃত্তিতে পাবনা কালেক্টরেট পাবলিক স্কুলের সেরা সাফল্য

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫-এর ফলাফলে পাবনা সদর উপজেলার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চসংখ্যক বৃত্তি অর্জন করেছে পাবনা কালেক্টরেট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, পাবনা সদর উপজেলার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে ট্যালেন্টপুলে ৩৩ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ৫২ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এর মধ্যে পাবনা কালেক্টরেট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৮ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে।

প্রতিষ্ঠানটির ৯ জন শিক্ষার্থী ট্যালেন্টপুল এবং ১৯ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে। সংখ্যার হিসাবে উপজেলার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এটি সর্বোচ্চ।

এই সাফল্যে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ অধ্যাপক শিবজিত কুমার নাগ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের পরিশ্রম এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার ফলেই এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।

ঈশ্বরদীতে প্রাথমিক বৃত্তি পেল ২০৬ শিক্ষার্থী, শীর্ষে স্কুলপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। ঈশ্বরদী উপজেলায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১ হাজার ১৮০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ২০৬ জন বৃত্তি পেয়েছে। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭৬ জন ট্যালেন্টপুল (মেধাবৃত্তি) এবং ৮০ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি অর্জন করেছে। অন্যদিকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২১ জন ট্যালেন্টপুল ও ২৯ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

দুপুরে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আনুষ্ঠানিকভাবে বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ঈশ্বরদীর সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১ হাজার ১৮০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল ৯৪০ জন এবং বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ২৪০ জন।

উপদেশের স্কুলপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ২২ জন ট্যালেন্টপুল এবং ৫ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে। এই বিদ্যালয় থেকে ৪৬ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইক্ষু গবেষণা উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির ২২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭ জন ট্যালেন্টপুল এবং ১০ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি অর্জন করেছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় জানায়, বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালা অনুযায়ী ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এককালীন ২২৫ টাকা এবং মাসিক ৩০০ টাকা ভাতা পাবেন। সাধারণ গ্রেডে বৃত্তিপ্রাপ্তরা এককালীন ২২৫ টাকা এবং মাসিক ২২৫ টাকা করে ভাতা পাবেন।

সহকর্মীদের দ্বন্দ্বে ব্যাহত হচ্ছে ঈশ্বরদীর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী উপজেলার ৩৭ নম্বর ছলিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও এক সহকারী শিক্ষকের মধ্যে হাতাহাতির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।

৫ জুলাই সকালে বিদ্যালয়ের প্রাত্যহিক সমাবেশ চলাকালে এই ঘটনা ঘটে।  বুধবার রাতে প্রায় পাঁচ মিনিটের ওই ভিডিওটি ফেসবুকে প্রকাশ করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ। এরপরই তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিওতে দেখা যায়, বৃষ্টির কারণে বিদ্যালয়ের বারান্দায় শিক্ষার্থীদের সারিবদ্ধ করে সমাবেশের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। এ সময় প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ সহকারী শিক্ষক তানভীর রেজা ও তার স্ত্রী সহকারী শিক্ষক ইসরাত জাহানকে শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করতে বলেন। কয়েকবার বলার পরও তারা দাঁড়িয়ে থাকলে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে সহকারী শিক্ষক তানভীর রেজা প্রধান শিক্ষকের হাতের মুঠোফোনটি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে দুজনের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়।

বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষকেরা জানান, প্রধান শিক্ষক ও এই দুই সহকারী শিক্ষকের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশের ওপর। এতে যেমন পাঠদান বিঘ্নিত হচ্ছে, তেমনি কোমলমতি শিক্ষার্থীরাও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের দাবি, তিনি দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে এই বিদ্যালয়ে কর্মরত। সহকারী শিক্ষক তানভীর রেজা ও ইসরাত জাহান নিয়মিত সময়মতো বিদ্যালয়ে আসেন না এবং দাপ্তরিক কাজ ও প্রাত্যহিক সমাবেশে সহযোগিতা করেন না। এ ছাড়া তারা প্রায়ই নিজেদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে এনে শ্রেণিকক্ষ ও অফিসকক্ষে রাখেন। বিষয়টি উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে জানিয়েও কোনো সমাধান না পাওয়ায় তিনি ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন।

তবে সহকারী শিক্ষক তানভীর রেজা ও ইসরাত জাহান এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে তাদের বিরুদ্ধে এসব বলা হচ্ছে। উল্টো প্রধান শিক্ষক নিজেই নিয়মিত পাঠদান করেন না এবং সহকারী শিক্ষকদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন। তাদের ভাষ্য, কোনো অভিযোগ থাকলে তা শিক্ষা বিভাগের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা উচিত ছিল। একজন প্রতিষ্ঠানপ্রধান হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও প্রকাশ করাকে তারা দায়িত্বহীন আচরণ বলে মন্তব্য করেন।

অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন সুনামের সঙ্গে পরিচালিত হলেও শিক্ষকদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে এখন শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তারা দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে বিদ্যালয়ে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।

যোগাযোগ করা হলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহীনা আক্তার বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঈশ্বরদীতে এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে ৬১ জন অনুপস্থিত

ফাইল ছবি 

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম দিনে বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় ৬১ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে উচ্চমাধ্যমিকের ৫২ জন, কারিগরির একজন এবং মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের আটজন পরীক্ষার্থী রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রপ্রধানদের কাছ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

উপজেলার ১২টি কলেজ, ছয়টি মাদরাসা ও তিনটি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা পাঁচটি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। কেন্দ্রগুলো হলো—ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ, সরকারি সাঁড়া মাড়োয়ারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঈশ্বরদী মহিলা কলেজ, সরকারি নাজিম উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয় এবং ছলিমপুর ডিগ্রি কলেজ।

জানা গেছে, ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ৭৩৪ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৮ জন, সরকারি সাঁড়া মাড়োয়ারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ৯৮৯ জনের মধ্যে ২১ জন এবং ঈশ্বরদী মহিলা কলেজ কেন্দ্রে ৪৮৪ জনের মধ্যে ১৩ জন অনুপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সরকারি নাজিম উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের ১৬১ পরীক্ষার্থীর মধ্যে একজন এবং ছলিমপুর ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের ১৪০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে আটজন অনুপস্থিত ছিলেন।

এদিকে পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রগুলোর আশপাশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।

ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মোহাম্মদ শোয়াইবসহ শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। কেন্দ্রপ্রধানরা জানান, তাঁরা কোনো অনিয়ম ছাড়াই পরীক্ষা সম্পন্ন করার নির্দেশনা দিয়েছেন।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য রাশিয়ার সরকারি বৃত্তি বেড়ে ২০০

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য রাশিয়া সরকারের বৃত্তির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০১৮ সালে যেখানে বৃত্তির সংখ্যা ছিল ৬৫, ২০২৬ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০০-এ।

গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার রাশিয়ান হাউসে আয়োজিত অর্ধবার্ষিক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আলেক্সান্দ্রা খলেনভয়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে শিক্ষা সহযোগিতা ক্রমেই জোরদার হচ্ছে। এর ফলে আরও বেশি মেধাবী বাংলাদেশি শিক্ষার্থী রাশিয়ায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন। ২০১৮ সালে বৃত্তির সংখ্যা ছিল ৬৫, যা ২০২৬ সালে বেড়ে ২০০ হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে রুশ সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক যুব কর্মসূচি, শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক বিনিময় কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। এ সময় সেন্ট পিটার্সবার্গ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরাম (এসপিআইইএফ) ২০২৬-এ অংশ নেওয়া বাংলাদেশি প্রতিনিধিরা নিজেদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ‘নিউ জেনারেশন’ কর্মসূচির আওতায় ওয়ার্ল্ড ইয়ুথ ফেস্টিভ্যাল, ইস্টার্ন ইকোনমিক ফোরাম এবং ‘চিলড্রেন ফর পিস’ আন্তর্জাতিক সম্মেলনসহ বিভিন্ন আয়োজনে বাংলাদেশি তরুণদের অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া সাংবাদিকদের জন্য ‘ইন্টাররাশিয়া ফেলোশিপ ফর জার্নালিস্টস’ এবং ‘ওপেন ডায়ালগ’ কর্মসূচির সুযোগ নিয়েও আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে রাশিয়ান ফেডারেশনের দূতাবাসের অ্যাটাশে ও প্রেস সেক্রেটারি সোফিয়া কুতেপোভাও বক্তব্য দেন।

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন