কর্মশালা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কর্মশালা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বারটানের প্রশিক্ষণে ফলিত পুষ্টি নিয়ে সচেতনতা

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুস্বাস্থ্যের জন্য ফলিত পুষ্টি- এই শিরোনামে একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান)। মঙ্গলবার এই কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ড. মো. আব্দুল মজিদ। কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বারটানের ঊর্ধ্বতন প্রশিক্ষক মোরসালিন জেবিন তুরিন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নিউ এরা ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোস্তাক আহমেদ কিরণ।

কর্মশালায় ৩০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন। তারা ফলিত পুষ্টির গুরুত্ব, নিরাপদ খাদ্যাভ্যাস এবং পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদনে কৃষির ভূমিকা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

আয়োজকেরা জানান, এই ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষকেরা বাস্তব অভিজ্ঞতা ও পুষ্টি–বিষয়ক জ্ঞান কাজে লাগিয়ে পরিবার ও সমাজের জন্য আরও স্বাস্থ্যকর খাদ্য নিশ্চিত করতে পারবেন।

ঈশ্বরদীতে বীজআখ উৎপাদনে অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে গুণগতমানের বীজআখ উৎপাদন ও বিস্তারের কৌশল নিয়ে দিনব্যাপী অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের এ এস এম কামাল উদ্দিন মেমোরিয়াল হলে এ আয়োজন করা হয়।

কর্মশালার উদ্বোধন করেন ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. কবির উদ্দিন আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন প্রকল্প পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. ইমাম হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের প্রধান মো. গিয়াস উদ্দীন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক (গবেষণা) ড. কুয়াশা মাহমুদ এবং পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি হস্তান্তর) ড. মোছা. ইসমাৎ আরা।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তৃতায় বলেন, 'কৃষকের সম্মান রক্ষা করা সবার আগে জরুরি। কৃষকের উৎপাদিত ফসলের কারণেই আমরা সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্য পাচ্ছি। বিদেশ থেকে এসব আমদানি করতে হলে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লাগত। আখ চাষে কৃষককে লাভবান করতে না পারলে তাঁরা এ খাতে আগ্রহ হারাবেন। তিনি আরও বলেন, এখন অনেকেই আখের সঙ্গে সাথি ফসলও চাষ করছেন, ফলে ফলনও বাড়ছে। মুড়ি আখে চিনির পরিমাণ বেশি থাকে, বেশি চাষ হলে মিল আগেই চালু করা সম্ভব হবে।'

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক ড. ইমাম হোসেন। আলোচনায় অংশ নেন জিল বাংলা সুগার মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান, সম্প্রসারণ ব্যবস্থাপক আব্দুর রউফ, ঠাকুরগাঁও সুগার মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (কৃষি) আবু রায়হান, ড. রাশেদুল হাসান মিলন, ড. আনিছুর রহমান, জয়পুরহাট সুগার মিলসের ব্যবস্থাপক খবির উদ্দিন মোল্লা, বগুড়ার উপপরিচালক শামসুদ্দিন ফিরোজ ও গাজীপুরের ড. নিলুফার ইয়াসমিন।

‘কৃষক পর্যায়ে আখের রোগমুক্ত পরিচ্ছন্ন বীজ উৎপাদন ও বিস্তার’ প্রকল্পের আওতায় এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। সঞ্চালনায় ছিলেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম ও শারমিন সুলতানা।

ঈশ্বরদীতে কৃষকদের জন্য দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিবেদক:  কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ঈশ্বরদীতে কৃষকদের জন্য দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা হয়েছে। রোববার উপজেলা কৃষক প্রশিক্ষণ মিলনায়তনে এর আয়োজন করা হয়।

কর্মশালার প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মিতা রানী সরকার। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, 'ভালো ফলনের জন্য সঠিক কৃষি পদ্ধতি জানা জরুরি। এতে কৃষকদের উৎপাদন যেমন বাড়বে, তেমনি আয়ও বাড়বে।'

এ সময় অন্যদের মধ্যে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মাহমুদা মোতমাইন্ন, কৃষিবিদ প্রহল্লাদ কুমার কুন্ডু এবং কৃষিবিদ মো. ধীমান তানভীর উপস্থিত ছিলেন।

প্রশিক্ষণে ৫০ জন কৃষক, কৃষাণী ও উদ্যোক্তা অংশ নেন। তাদের হাতে-কলমে সঠিক কৃষি চর্চা, এর সুবিধা, বাস্তবায়ন পদ্ধতি, ঝুঁকি শনাক্ত ও প্রতিকার, খামারের সঠিক পরিকল্পনা এবং কৃষি খামারের নিরাপত্তা ও উন্নয়ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

পাবনায় পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ক কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাবনায় “মানব সম্পদ উন্নয়নে গ্রামীণ পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি প্রকল্পের অগ্রগতি মূল্যায়ন এবং লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কৌশল নির্ধারণ” শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি বুধবার পাবনা জেলা পরিষদের রশিদ হলে পাবনা প্রতিশ্রুতির আয়োজনে এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর সহযোগিতায় এই কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিকেএসএফ-এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মোঃ জসীম উদ্দিন। তিনি বলেন, “পিকেএসএফ মানুষকে ঋণ দিয়ে স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার নির্মাণে উৎসাহিত করেছে। আগে যেখানে মানুষ ঘরের মধ্যে শৌচাগারের কথা চিন্তাও করত না, এখন তারা সেটি প্রথমেই খোঁজে।” তিনি আরও যোগ করেন, “স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার বলতে শুধু শৌচাগারই নয়, পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থাও থাকা জরুরি। সুস্থ থাকতে নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

সভায় সভাপতিত্ব করেন পাবনা প্রতিশ্রুতির নির্বাহী পরিচালক খন্দকার খালেদ হাসান টিপু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন "আত্মবিশ্বাস" এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আকরামুল হক বিশ্বাস। এছাড়াও ওসাকার নির্বাহী পরিচালক কবি ও প্রাবন্ধিক মজিদ মাহমুদ, নিউ এরা ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম এবং পিসিডির নির্বাহী পরিচালক শফিকুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা বাংলাদেশের গ্রামীণ অঞ্চলে পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিধি উন্নয়নের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। প্রকল্পের অগ্রগতি মূল্যায়ন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও মতবিনিময় হয়।

কর্মশালায় পিকেএসএফ-এর মহাব্যবস্থাপক হুমায়ন আজম, ব্যবস্থাপক মোঃ জাহিদ হোসেন, নিউ এরা ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোস্তাক আহমেদ কিরণ, ওসাকার জ্যেষ্ঠ পরিচালক মোঃ মাজাহারুল ইসলাম, পরিচালক মোঃ সাইফুল ইসলাম, পাবনা প্রতিশ্রুতির পরিচালক (অর্থ) আব্দুল ওয়াদুদ, পরিচালক (কার্যক্রম) খোন্দকার বোরহানুর হাসান এবং আত্মবিশ্বাসের পরিচালক রফিকুল হাসানসহ পিকেএসএফ-এর সহযোগী ৮টি সংস্থার ৫৫ জন শাখা ব্যবস্থাপক, এলাকা ও আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালায় “মানব সম্পদ উন্নয়নে গ্রামীণ পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি” বিষয়ক একটি ভিডিও চিত্রও উপস্থাপন করা হয়। কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন পাবনা প্রতিশ্রুতির পরিচালক মো. মনির হোসেন।

এই কর্মশালার মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদে পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি উন্নয়নের মাধ্যমে মানব সম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে নতুন কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা হয়েছে।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন