বীজ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বীজ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বরদীতে বীজআখ উৎপাদনে অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে গুণগতমানের বীজআখ উৎপাদন ও বিস্তারের কৌশল নিয়ে দিনব্যাপী অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের এ এস এম কামাল উদ্দিন মেমোরিয়াল হলে এ আয়োজন করা হয়।

কর্মশালার উদ্বোধন করেন ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. কবির উদ্দিন আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন প্রকল্প পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. ইমাম হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের প্রধান মো. গিয়াস উদ্দীন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক (গবেষণা) ড. কুয়াশা মাহমুদ এবং পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি হস্তান্তর) ড. মোছা. ইসমাৎ আরা।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তৃতায় বলেন, 'কৃষকের সম্মান রক্ষা করা সবার আগে জরুরি। কৃষকের উৎপাদিত ফসলের কারণেই আমরা সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্য পাচ্ছি। বিদেশ থেকে এসব আমদানি করতে হলে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লাগত। আখ চাষে কৃষককে লাভবান করতে না পারলে তাঁরা এ খাতে আগ্রহ হারাবেন। তিনি আরও বলেন, এখন অনেকেই আখের সঙ্গে সাথি ফসলও চাষ করছেন, ফলে ফলনও বাড়ছে। মুড়ি আখে চিনির পরিমাণ বেশি থাকে, বেশি চাষ হলে মিল আগেই চালু করা সম্ভব হবে।'

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক ড. ইমাম হোসেন। আলোচনায় অংশ নেন জিল বাংলা সুগার মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান, সম্প্রসারণ ব্যবস্থাপক আব্দুর রউফ, ঠাকুরগাঁও সুগার মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (কৃষি) আবু রায়হান, ড. রাশেদুল হাসান মিলন, ড. আনিছুর রহমান, জয়পুরহাট সুগার মিলসের ব্যবস্থাপক খবির উদ্দিন মোল্লা, বগুড়ার উপপরিচালক শামসুদ্দিন ফিরোজ ও গাজীপুরের ড. নিলুফার ইয়াসমিন।

‘কৃষক পর্যায়ে আখের রোগমুক্ত পরিচ্ছন্ন বীজ উৎপাদন ও বিস্তার’ প্রকল্পের আওতায় এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। সঞ্চালনায় ছিলেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম ও শারমিন সুলতানা।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন