শোক সংবাদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শোক সংবাদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বরদী বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আসাদুজ্জামান আর নেই


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও 'মনির প্লাজা'র স্বত্বাধিকারী আসাদুজ্জামান আশা ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার সকাল সাতটার দিকে রাজধানীর গ্রিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তিনি ঈশ্বরদী শিল্প ও বণিক সমিতির সাবেক নির্বাহী সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থানীয় একজন আদর্শবান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পাশাপাশি ঈশ্বরদীর শীর্ষস্থানীয় চামড়া ব্যবসায়ীদের মধ্যে অন্যতম আসাদুজ্জামান দীর্ঘদিন স্থানীয় চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃত্বে ছিলেন। তাঁর নিবাস শহরের সাঁড়া গোপালপুর এলাকায়।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় সাঁড়া গোপালপুর ঈদগাহ ময়দানে মরহুমের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

সাবেক মেয়র বাবলুর স্মরণে ঈশ্বরদী পৌরসভার তিন দিনের কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মখলেসুর রহমান বাবলুর মৃত্যুতে তিন দিনের শোক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ঈশ্বরদী পৌরসভা।

রোববার সকালে পৌরসভা চত্বরে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কালো ব্যাজ ধারণ করেন। এ সময় তাঁরা এক মিনিট নীরবতা পালন, প্রয়াত নেতার স্মৃতিচারণ এবং তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়ার আয়োজন করেন।

ঈশ্বরদী পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলেন, মখলেসুর রহমান বাবলু দীর্ঘদিন ঈশ্বরদী পৌরসভার চেয়ারম্যান ও মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পৌরসভার উন্নয়ন ও নাগরিক সেবায় তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

শনিবার দুপুরে নিজ বাড়িতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে মখলেসুর রহমান বাবলুকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে বেলা ১টা ৫০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। তিনি অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মখলেসুর রহমান বাবলু ১৯৯৩, ১৯৯৭, ১৯৯৮ ও ২০০৪ সালে ঈশ্বরদী পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরে ২০০৮ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি পৌরসভার মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন।

শেষ বিদায়ে মানুষের ঢল, দাফন হলেন সাবেক মেয়র বাবলু

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মকলেছুর রহমান বাবলুকে দ্বিতীয় জানাজার পর শনিবার রাতে শহরের কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়েছে।

রাত ১০টায় ফতেমোহাম্মদপুর লোকো ফুটবল মাঠে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো একনজর দেখতে বৃষ্টি উপেক্ষা করে সেখানে নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের ঢল নামে। শোকাবহ পরিবেশে উপস্থিত সবাই তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।

শনিবার দুপুরে নিজ বাড়িতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে বেলা ১টা ৫০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। মৃত্যুকালে তিনি অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

জানাজায় বক্তব্য দেন পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডল, পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম রেজা হাবিব, পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ শোয়াইব, পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাকসুদুর রহমান মাসুদ, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু এবং উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম তুহিন।

এ ছাড়া নাটোরের লালপুর, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ জানাজায় অংশ নেন।

বক্তারা বলেন, মকলেছুর রহমান বাবলু সাদাসিধে জীবনযাপনের জন্য পরিচিত ছিলেন। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও সব দল ও ধর্মের মানুষের কাছে তিনি সম্মানিত ছিলেন।

পারিবারিক ও রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, মকলেছুর রহমান বাবলু  ১৯৯৩, ১৯৯৭, ১৯৯৮ ও ২০০৪ সালে ঈশ্বরদী পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরে ২০০৮ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি পৌরসভার মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালের পৌরসভা নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। আশির দশকে পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। পরে পৌর বিএনপির সভাপতি হিসেবে দলকে সুসংগঠিত করেন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিন দশকের বেশি সময় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকায় সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে তিনি ‘বাবলু ভাই’ নামে পরিচিত ছিলেন।

উপজেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৪ সালে ঈশ্বরদীতে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রেনে গুলি ও বোমা হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০১৯ সালের ৩ জুলাই আদালত মখলেসুর রহমান বাবলুকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে পাঁচ বছর কারাভোগের পর ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট তাঁকে খালাস দেন। একই বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান।

ঈশ্বরদীর সাবেক মেয়র বাবলুর জানাজা দুই দফায়

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মখলেসুর রহমান বাবলুর দুটি জানাজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জানাজার আগে তাঁর মরদেহে শ্রদ্ধা জানানো হবে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ শনিবার রাত ১০টায় ঈশ্বরদী শহরের ফতেহমোহাম্মদপুর লোক ফুটবল মাঠে প্রথম এবং পরে রাত সাড়ে ১০টায় ঈশ্বরদী কেন্দ্রীয় ঈদগাহে দ্বিতীয় জানাজা হবে।

শনিবার দুপুরে নিজ বাড়িতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে বেলা ১টা ৫০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

মখলেসুর রহমানের বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। তিনি স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে, ভাই-বোনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

এদিকে তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়ে ঈশ্বরদীতে চলমান একটি কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত করে ফতেহমোহাম্মদপুরের বাসভবনে ছুটে যান সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব এবং পাবনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাকসুদুর রহমান মাসুদ। পরে সেখানে যান পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল এবং পাবনা-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। 

বাবলুর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল, পাবনা-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র ইছাহক আলী মালিথা এবং বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব। তাঁরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

পারিবারিক ও রাজনৈতিক সূত্রে জানা যায়, মখলেসুর রহমান বাবলু ১৯৯৩, ১৯৯৭, ১৯৯৮ ও ২০০৪ সালে ঈশ্বরদী পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরে ২০০৮ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি পৌরসভার মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালের পৌরসভা নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। আশির দশকে পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। পরে পৌর বিএনপির সভাপতি হিসেবে দলকে সুসংগঠিত করেন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিন দশকের বেশি সময় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকায় সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে তিনি ‘বাবলু ভাই’ নামে পরিচিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালে ঈশ্বরদীতে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রেনে গুলি ও বোমা হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০১৯ সালের ৩ জুলাই আদালত মখলেসুর রহমান বাবলুকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে পাঁচ বছর কারাভোগের পর ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট তাঁকে খালাস দেন। একই বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান।

ঈশ্বরদীর সাবেক মেয়র বাবলু আর বেঁচে নেই


নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মকলেছুর রহমান বাবলু আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি, হৃদরোগসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। শনিবার দুপুর ১টার দিকে ঈশ্বরদী পৌর শহরের ফতেহমোহাম্মদপুরে নিজ বাড়িতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. কাবেরী শাহ বলেন, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছিল।

মকলেছুর রহমান বাবলু ঈশ্বরদী শহরের ফতেহমোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি আফসার উদ্দিনের ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বাসভবনে ছুটে যান সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল, পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব এবং পাবনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাকসুদুর রহমান মাসুদ।

এদিকে তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র ইছাহক আলী মালিথা। এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মকলেছুর রহমান বাবলুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব। এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, বিএনপি মকলেছুর রহমান বাবলুর মতো একজন জনপ্রিয় ও কর্মীবান্ধব নেতাকে হারাল। এটি দলের রাজনীতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

তাঁর ভাই ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক নেতা মাহবুবুর রহমান পলাশ জানান, শনিবার রাত ১০টায় লোকো ফুটবল মাঠে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

পারিবারিক ও রাজনৈতিক সূত্রে জানা যায়, মকলেছুর রহমান বাবলু ১৯৯৩, ১৯৯৭, ১৯৯৮ ও ২০০৪ সালে ঈশ্বরদী পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরে ২০০৮ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি পৌরসভার মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালের পৌরসভা নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালে ঈশ্বরদীতে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রেনে গুলি ও বোমা হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০১৯ সালের ৩ জুলাই আদালত মকলেছুর রহমান বাবলুকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট ওই মামলায় তাঁকে খালাস দেন। একই বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান।

ঈশ্বরদীর সাবেক ছাত্রদল নেতা - প্রকৌশলী মুক্তার হোসেন আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদীতে ১৯৯৪ সালে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনার ট্রেনবহরে গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা মামলায় খালাস পাওয়া আসামি প্রকৌশলী মুক্তার হোসেন (৫০) মারা গেছেন। শুক্রবার সকাল ছয়টার দিকে সিরাজগঞ্জের খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইননা ইলাইহি রাজিউন)।

তিনি দীর্ঘদিন ধরে কঠিন রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলে রেখে গেছেন। মুক্তার হোসেন ঈশ্বরদী উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের চর-মিরকামারী গ্রামের মৃত রফিজ উদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে। তিনি ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং পাবনা কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে ভাষা শহীদ বিদ্যানিকেতন মাঠে জানাজা শেষে সলিমপুর ইউনিয়নের চর-মিরকামারী কবরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ঈশ্বরদী রেলস্টেশনে শেখ হাসিনার ট্রেনবহরে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মুক্তার হোসেন প্রথমে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলেন। তবে  ৫ ফেব্রুয়ারি উচ্চ আদালতে আপিলের রায়ে এই মামলায় অভিযুক্ত অপর ৪৭ জন নেতা-কর্মীর সঙ্গে তিনিও খালাস পান।

অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক:  পাকুড়িয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান আর নেই। বুধবার রাত ১১টার দিকে পাবনা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। 

তাঁর মরদেহে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জানাতে তিন দফায় জানাজার আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটায় পাবনার নয়নামতি মসজিদ মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টায় তাঁর কর্মস্থল পাকুড়িয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা হয়। পরে বিকেলে নিজ গ্রামের বাড়ি পতিরাজপুরে তৃতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়। 

শেখ মেহেদী হাসানের মায়ের ইন্তেকাল

নিজস্ব প্রতিবেদক: দৈনিক কালের কণ্ঠর ঈশ্বরদী প্রতিনিধি শেখ মেহেদী হাসানের মা রাজিয়া বেগম (৬৫) আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি উপজেলার সাহাপুর মন্ত্রীমোড় এলাকার নায়েব আলী শেখের স্ত্রী।

শনিবার ভোর ৫টা ১৫ মিনিটে রাজশাহী ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল এন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

শুক্রবার দুপুরে সাহাপুরের নিজ বাড়িতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রাজশাহী নেওয়া হয়।

মৃত্যুকালে তিনি ৫ ছেলে, ২ মেয়ে, নাতি-নাতনি ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, শনিবার বিকেল ৩টায় সাহাপুরের মহাদেবপুর দরগাহ গোরস্থানে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে। জানাজায় উপস্থিত থাকার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন