বিক্ষোভ মিছিল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিক্ষোভ মিছিল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

প্রশাসন ও জামায়াতের সমঝোতার অভিযোগ: ঈশ্বরদীতে বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ধানমন্ডি ৩২-এর বাড়ি ভাঙচুর, শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার এবং হরতালের সমর্থনে পাবনার ঈশ্বরদীতে দফায় দফায় প্রকাশ্যে মিছিল করেছেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। গত মঙ্গলবার প্রকাশ্যে মিছিলের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর প্রশাসন ও স্থানীয় বিএনপির মধ্যে তৎপরতা শুরু হয়।

প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিল ও নৈরাজ্য সৃষ্টির আশঙ্কার প্রতিবাদে শুক্রবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে উপজেলা ও পৌর বিএনপির ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন দলের নেতা-কর্মীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ঈশ্বরদী শহরের বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় মিছিল বের করেন। সর্বশেষ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মল্লিক মিলন মাহমুদ তন্ময়ের নেতৃত্বে একটি মিছিল বের করা হয়। ওই মিছিল থেকে সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান ও বক্তব্য দেওয়া হয়।

শুক্রবার বিকেলে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে খায়রুজ্জামান বাবু বাস টার্মিনাল থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে সংক্ষিপ্ত পথসভার মধ্য দিয়ে শেষ হয়। এর আগে নেতা-কর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে কর্মসূচিতে অংশ নেন।

বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেওয়া নেতা-কর্মীরা শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পৌর বিএনপির সদস্যসচিব আনোয়ার হোসেন জনির সঞ্চালনায় বিক্ষোভ ও পথসভায় বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব সাহাবুদ্দিন সেন্টু সরদার, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক ইসলাম হোসেন জুয়েল, পৌর যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক জাকির হোসেন জুয়েল এবং উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত আহ্বায়ক বিটু মুস্তাফিজ।

বক্তারা বলেন, প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ সংগঠনের বারবার মিছিল নৈরাজ্য সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি করছে। আওয়ামী লীগের প্রতি জামায়াত ও প্রশাসনের উদার মনোভাবের কারণে দল দুটির মধ্যে সমঝোতা রয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেন।

তাঁরা আরও বলেন, আওয়ামী লীগ দীর্ঘ ১৭ বছর দেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম করে শত শত মানুষকে হত্যা করেছে। বর্তমানে দলটির নেতা-কর্মীরা পলাতক থাকা অবস্থায় তাদের পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা চলছে।

বক্তারা অভিযোগ করেন, বিএনপি দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করলেও প্রশাসন ও জামায়াতের একটি অংশ আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের মাধ্যমে নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তাঁরা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।

প্রশাসনের উদ্দেশে বক্তারা বলেন, প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা আওয়ামী লীগের কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে তাদের নিরাপদে থাকার ও মিছিল করার সুযোগ করে দিচ্ছেন। এ বিষয়ে তাঁদের কাছে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করা হয়। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারে প্রশাসনের তৎপরতা বাড়ানোর দাবি জানান তাঁরা।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান বলেন, রাতের আঁধারে নির্জন এলাকায় ছাত্রলীগের একটি ঝটিকা মিছিল হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ ইতিমধ্যে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কোনোভাবেই মিছিল করার সুযোগ নেই।

ঈশ্বরদীতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা।

শুক্রবার বিকেলে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের জয়নগরে উপজেলা, কলেজ ও পৌর ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা এই বিক্ষোভ মিছিল করেন। উপজেলা ছাত্রদল নেতা আল-আমিন হোসেনের নেতৃত্বে মিছিলটি জয়নগর বোর্ডঘর থেকে শুরু হয়ে শিমুলতলা বাজারে গিয়ে পথসভার মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা ছাত্রদল নেতা আল-আমিন হোসেন, ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি খালিদ বিন পার্থিব, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, পৌর ছাত্রদল নেতা ইঞ্জিনিয়ার আতিকুর রহমান সোহাগ, পাবনা জেলা ছাত্রদলের সদস্য সম্রাট হোসেন, উপজেলা কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর শরীফ হানিফ মহলদার এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য ওবাইদুল কাদিম শিশির প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ছাত্রলীগ নৈরাজ্য সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে। দলীয় মুখোশ পাল্টে ছাত্রদলের ছদ্মবেশ ধারণ করে কেউ যেন কোনো অপকর্ম করতে না পারে, সেদিকে নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগকে প্রতিহত করতে দলীয় নেতা-কর্মীদের সজাগ থাকার আহ্বান জানান তাঁরা।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান বলেন, গত বৃহস্পতিবার সকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের উপজেলা শাখার সভাপতি মল্লিক মিলন মাহমুদ তন্ময় তাঁর ফেসবুকে একটি ঝটিকা মিছিলের ভিডিও পোস্ট করেন। পুলিশের ধারণা, গত ৫ সেপ্টেম্বর উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের মিরকামারী এলাকায় মল্লিক মিলন মাহমুদ তন্ময়ের নেতৃত্বে ওই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে।

হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে ঈশ্বরদীতে বিক্ষোভ মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে অশ্লীল স্লোগান, মিথ্যা বক্তব্য এবং থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে।

বুধবার বিকেলে দাশুড়িয়া বাজারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। মিছিলে পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু ও স্থানীয় জামায়াত নেতা হাফিজ মেম্বারসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।

বিক্ষোভকারীদের দাবি, ঈশ্বরদী থানার সামনে জড়ো হয়ে বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, ঈশ্বরদী উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দাশুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম তুহিনসহ দলটির নেতাদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর স্লোগান ও মিথ্যা বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে থানায় তাদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগও করা হয়।

সমাবেশে বক্তারা ঈশ্বরদীতে হত্যা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও সুদের কারবারে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। পাশাপাশি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আহ্বান জানান তারা।

মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে ঈশ্বরদীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুসাব্বিরকে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে স্বেচ্ছাসেবক দল।

শনিবার বিকেলে ঈশ্বরদী পৌর এলাকার পোস্ট অফিস মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে রেলগেটে গিয়ে পথসভায় রূপ নেয়।

প্রতিবাদ সমাবেশে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বিপুল হোসেন বুদুর সভাপতিত্বে এবং মো. আউয়াল কবিরের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা মাহাবুবুর রহমান পলাশ।

সমাবেশ থেকে আজিজুর রহমান মুসাব্বির হত্যার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দ্রুত শাস্তির দাবি জানানো হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আজমল হোসেন ডাবলু, উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ছবি মণ্ডল, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সুলতান আলী বিশ্বাস টনি, সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রকি, সদস্য আরিফ বাঙাল, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব আলী জুবায়ের পথিক, ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম নয়ন, যুবদল নেতা শাকিল সরদার, আবু সাঈদ উজ্জ্বল, মিজানুর রহমান মিজান, হেকমতউল্লাহ কনক, মীর তুহিন, চঞ্চল সরদার, জুবায়ের ফারুক রাজিব, ছাত্রদল নেতা রিয়ামুল ইসলাম রিয়াম, রুহুল আমিন, আলিমুল মৃধা, আলম প্রামাণিক, কাজী বাপ্পি, মনিরুল ইসলাম, রাব্বি ও রাজিব ফরাজীসহ আরও অনেকে।

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে ঈশ্বরদীতে বিএনপির বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে ‘ষড়যন্ত্র’ ও ‘অপপ্রচারের’ প্রতিবাদে ঈশ্বরদীতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে উপজেলা ও পৌর বিএনপি।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ঈশ্বরদীর খায়রুজ্জামান বাবু বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে একটি মিছিল বের করেন পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে পথসভায় গড়ায়।

পথসভায় জাকারিয়া পিন্টু বলেন, 'গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের পক্ষে কথা বলার কারণেই তারেক রহমানের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা হয়েছে। বর্তমানে জামায়াত-শিবির ও তথাকথিত এনসিপির নেতারা এক হয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। ৭১-এ যারা এ দেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে, আজ তারাই আবার জনগণের অধিকারবিরোধী অবস্থান নিয়েছে।' 

তিনি আরও বলেন, 'আওয়ামী লীগ, এনসিপি, ছাত্রলীগ আর জামায়াত-শিবির আসলে একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। তারা ক্ষমতার স্বার্থে বারবার দল বদলায়। বিএনপিকে নিয়ে কটূক্তি করে কেউ পার পাবে না। দল, নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সম্মান রক্ষায় নেতাকর্মীরা রাজপথে আছেন এবং থাকবেন।' 

সভায় তিনি অভিযোগ করেন, 'তথাকথিত কিছু নেতা রাষ্ট্রীয় সুবিধা ভোগ করে বিএনপিকে হুমকি দিচ্ছেন। তারা ভুলে গেছেন, এই দলই একসময় গণমানুষের ম্যান্ডেট নিয়ে দেশ চালিয়েছে।' 

পথসভায় সভাপতিত্ব করেন পৌর যুবদলের আহ্বায়ক জাকির হোসেন জুয়েল। এসময় আরও বক্তব্য দেন রেলওয়ে কেন্দ্রীয় শ্রমিকদলের সভাপতি আহসান হাবিব, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শামসুদ্দিন মালিথা, আটঘরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ফারুক হোসেন, পৌর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এসএম ফজলুর রহমান, পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব বিষ্টু সরকার, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসলাম হোসেন জুয়েল, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম মোস্তফা শ্যামল, কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন জনি, ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি আব্দুল রউফ আব্দুল্লাহ প্রমুখ।

ঈশ্বরদীতে বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মনোয়ারুল ইসলামের ওপর সন্ত্রাসী হামলা ও গুলি চালানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে।

শনিবার বিকেলে দাশুড়িয়া নতুন গোলচত্বর এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করে ইউনিয়ন বিএনপি ও তাদের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি দাশুড়িয়া এমএম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে শুরু হয়ে দাশুড়িয়া গোলচত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

সমাবেশে বক্তব্য দেন দাশুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সুলভ মালিথা, মুলাডুলি ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রাজ্জাক এবং গুলিবিদ্ধ মনোয়ারুল ইসলামের ছেলে ঈমন হোসেন।

বক্তারা বলেন, এই হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। বিশেষ করে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিপন প্রামানিক ও দাশুড়িয়া শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রকু প্রামানিকসহ যারা এ ঘটনায় জড়িত, তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। তারা হুঁশিয়ারি দেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে বড় কর্মসূচি দেওয়া হবে। একই সঙ্গে তারা হামলায় জড়িতদের দল থেকে বহিষ্কারের দাবিও জানান।

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আব্দুর রশিদ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান মুকুল, যুগ্ম সম্পাদক আজমল হোসেন, বিএনপি নেতা এনামুল, যুবদল নেতা অনিক খন্দকার, সাইফুল ইসলাম পন্ডিত, সাইফুল ডালিকী, বিপুল মোল্লা, শরিফুল হক, আলী আকবর, তাতীদলের পারভেজ আহমেদ পলাশ, স্বেচ্ছাসেবক দলের জাহিদ হাসান ও রকিবুল ইসলাম লাকী, কৃষকদলের মহিদুল ইসলাম এবং ছাত্রদলের জীবন মোল্লা, মেরিদুল ইসলাম, ঈমন হোসেন, রাব্বি হোসেন ও আকাশসহ অনেক নেতাকর্মী।

উল্লেখ্য, গত ১৩ এপ্রিল  বিকেলে দাশুড়িয়া গোলচত্বরে সিএনজি স্ট্যান্ড নিয়ে বিরোধের জেরে মনোয়ারুল ইসলামের ওপর গুলি চালানো হয়। তিনি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন