ডিএমপি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ডিএমপি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ডিজিটাল ওয়্যারলেস সিস্টেম চালু করল ডিএমপি


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের(ডিএমপি) তথ্য সেবা উন্নতিকরণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুদৃঢ় করতে ডিজিটাল ওয়্যারলেস অপারেটিং সিস্টেম চালু করা হয়েছে।

২১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষ থেকে আব্দুল গনি রোডের ডিএমপি কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে কথা বলে ডিজিটাল ওয়্যারলেস সিস্টেমের উদ্বোধন করেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান।

এ সময় ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে কিছু বেতারযন্ত্র অ্যানালগ ও কিছু বেতারযন্ত্র ডিজিটাল ছিল। অ্যানালগ থাকার কারণে কিছু তথ্য অন্য কারোর হাতে চলে যেত। বিষয়টি নজরে এলে বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়।

কমিশনার আরো বলেন, এখন থেকে সব বেতারযন্ত্র ডিজিটাল হওয়ার কারণে এই সিস্টেমে কেউ ইন্টারসেকশন করতে পারবে না। কোনো সেট ব্যবহারকারী বা কোনো কর্মকর্তা এই সেটের মাধ্যমে তথ্য ফাঁস করলে তা এই সিস্টেমে ধরা পড়ে যাবে।

ওয়ারলেস ব্যবহারকারী ও সব কর্মকর্তাকে সচেষ্টভাবে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করার নির্দেশ দেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) এ কে এম হাফিজ আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ড. খ. মহিদ উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা।

থার্টি ফার্স্ট নাইটে গান-বাজনা, ডিজে পার্টি ও আতশবাজি নিষিদ্ধ


নিজস্ব প্রতিবেদক: এবারের ইংরেজি নববর্ষের প্রথম প্রহরে থার্টি ফার্স্ট নাইটে কোনো উন্মুক্ত স্থান বা বাড়ির ছাদে গান-বাজনা ও আতশবাজি ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এছাড়াও যেকোনো ধরনের ডিজেপার্টি নিষিদ্ধ থাকবে।

১১ ডিসেম্বর সোমবার ডিএমপি সদরদপ্তরে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব বড়দিন ও ইংরেজি নববর্ষ থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান।

১২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার ডিএমপি জানায়, সভায় সিদ্ধান্ত হয় থার্টি ফার্স্ট নাইটে আইডি কার্ড ব্যতীত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। গাড়ি প্রবেশের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকার থাকতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের ক্ষেত্রে শাহবাগ ও নীলক্ষেত এলাকা ব্যবহার করতে হবে।

সভায় ডিএমপি কমিশনার বলেন, আগামী ২৫ ডিসেম্বর খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন উদ্‌যাপিত হতে যাচ্ছে। এছাড়াও ইংরেজি ক্যালেন্ডারের শেষদিন ৩১ ডিসেম্বর দেশব্যাপী থার্টিফার্স্ট নাইট উদ্‌যাপন করা হবে। এ দুটি বড় উৎসবকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে টিম ডিএমপি রাজধানীতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে। উৎসবগুলো শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আমরা সম্মানিত নগরবাসীর কাছে সর্বাত্মক সহযোগিতা চাই।

তিনি আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য ছিল একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়া। সে লক্ষ্য নিয়ে একটি সংবিধান রচনা করেছিলেন তিনি। তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেভাবে অসাম্প্রদায়িকতার চর্চা ধারণ, লালন ও পালন করার ব্যবস্থা করেছেন। এখানে সাম্প্রদায়িকতার কোনো স্থান হবে না।

সভায় ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস্) বিপ্লব কুমার সরকার বিপিএম-বার, পিপিএম, পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।

বড়দিন ও থার্টি ফার্স্ট নাইটে গৃহীত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে- প্রত্যেকটি চার্চে ইউনিফর্ম ও সাদা পোশাকে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবে। প্রতিটি চার্চে আর্চওয়ে দিয়ে দর্শনার্থীকে ঢুকতে দেওয়া হবে। মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে ও ম্যানুয়ালি তল্লাশি করা হবে। অনুষ্ঠানস্থল ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করা হবে। নিরাপত্তায় থাকবে ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থা। চার্চ এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা থাকবে। চার্চ এলাকায় কোনো ভাসমান দোকান বা হকার বসতে দেওয়া হবে না। কোনোপ্রকার ব্যাগ নিয়ে চার্চে আসা যাবে না।

সংবিধান অনুযায়ী আমরা এখন নির্বাচন কমিশনের অধীনে: ডিএমপি


নিজস্ব প্রতিবেদক: সংবিধান অনুযায়ী আমরা এখন নির্বাচন কমিশনের অধীনে, তাদের নির্দেশ মতো কাজ করে দেবো। নির্বাচনকালীন যে ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা দরকার, বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন স্তরে সে কার্যক্রম চলবে।

১৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার ড. খ. মহিদ উদ্দিন এ কথা বলেছেন।

এসময় তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন থেকে আমাদের যে কাজগুলো করতে বলবে তা আমরা করবো। এছাড়া যেসব জায়গা নিরাপদ রাখার জন্য বলবে প্রতিটা জায়গায় আমাদের আলাদা নিরাপত্তা প্রোগ্রাম থাকবে।

মহিদ উদ্দিন বলেন, বাসে আগুন ঠেকাতে ৩০টি জায়গায় আমাদের পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। রাজধানীতে ছোটবড় ৫০০টি মোড় রয়েছে। সব জায়গায় তো আর পুলিশ থাকতে পারবে না, তাই একেক বার একেক জায়গায় তারা দায়িত্ব পালন করছে।

নাশকতার বিষয়ে তিনি বলেন, যারা বিস্ফোরকদ্রব্য জোগাড় করতে চায় তারা ঝুঁকি নিয়েও জোগাড় করে। জনজীবনের জন্য জ্বালানি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সে কারণে আমরা প্রতিটি জায়গায় তা বিক্রি বন্ধ করে দিতে পারি না। বরং সেই জায়গাগুলোতে আমরা চেষ্টা করেছি যাতে লুজ (খোলা) বিক্রি না হয়। যারা নাশকতা করছে তারা কনডেন্স মিল্কের কৌটা নিয়ে আসে, টেপ নিয়ে আসে। এগুলো নিষিদ্ধ কোনো বস্তু নয়। এটা আপনার আমার সবার কাছে আছে। আমরা ব্যবহার করি কল্যাণের জন্য, প্রয়োজনের জন্য। কিন্তু নাশকতাকারীরা সেটা এনে তার সঙ্গে বিস্ফোরক ব্যবহার করে নাশকতা করছে। আমরা হাতেনাতে তাদের ধরছি।

যত্রতত্র পার্কিং করা বাসে আগুন দেওয়া প্রতিরোধে পুলিশের কোনো গাফিলতি রয়েছে কি না জানতে চাইলে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, আমাদের প্রচেষ্টার কোনো ঘাটতি নেই। কিন্তু বাস্তবতা হলো রাজধানীতে যত মানুষ, সেই অনুযায়ী জায়গা নেই। ফলে গাড়ি রাখার জন্য যত জায়গা, রাস্তা থাকা দরকার, তা অপর্যাপ্ত।

ডিএমপি কমিশনার হলেন হাবিবুর রহমান

অতিরিক্ত আইজিপি হাবিবুর রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার পদে নিয়োগ পেয়েছেন অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) হাবিবুর রহমান। তিনি বর্তমানে ট্যুরিস্ট পুলিশের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বিদায়ী কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুকের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।

অতিরিক্ত আইজিপি হাবিবুর রহমান ট্যুরিস্ট পুলিশের আগে ডিএমপির উপকমিশনার (সদর দপ্তর), ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার (এসপি), পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (প্রশাসন) ও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

কর্মক্ষেত্রে ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি তিনবার বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও দুবার রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) পেয়েছেন। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষ, বেদে সম্প্রদায় ও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষকে নিয়ে তার কাজ প্রশংসিত হয়েছে। তাছাড়া ক্রীড়া সংগঠক হিসেবেও তার খ্যাতি রয়েছে।

১৯৬৭ সালে গোপালগঞ্জের চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামে জন্ম নেওয়া হাবিবুর রহমান ১৭তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে যোগ দেন সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে।

২০২২ সালের ২৩ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি প্রজ্ঞাপনে ডিএমপি কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান খন্দকার গোলাম ফারুক। আগামী ১ অক্টোবর তিনি অবসরে যাচ্ছেন।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন