১৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার ড. খ. মহিদ উদ্দিন এ কথা বলেছেন।
এসময় তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন থেকে আমাদের যে কাজগুলো করতে বলবে তা আমরা করবো। এছাড়া যেসব জায়গা নিরাপদ রাখার জন্য বলবে প্রতিটা জায়গায় আমাদের আলাদা নিরাপত্তা প্রোগ্রাম থাকবে।
মহিদ উদ্দিন বলেন, বাসে আগুন ঠেকাতে ৩০টি জায়গায় আমাদের পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। রাজধানীতে ছোটবড় ৫০০টি মোড় রয়েছে। সব জায়গায় তো আর পুলিশ থাকতে পারবে না, তাই একেক বার একেক জায়গায় তারা দায়িত্ব পালন করছে।
নাশকতার বিষয়ে তিনি বলেন, যারা বিস্ফোরকদ্রব্য জোগাড় করতে চায় তারা ঝুঁকি নিয়েও জোগাড় করে। জনজীবনের জন্য জ্বালানি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সে কারণে আমরা প্রতিটি জায়গায় তা বিক্রি বন্ধ করে দিতে পারি না। বরং সেই জায়গাগুলোতে আমরা চেষ্টা করেছি যাতে লুজ (খোলা) বিক্রি না হয়। যারা নাশকতা করছে তারা কনডেন্স মিল্কের কৌটা নিয়ে আসে, টেপ নিয়ে আসে। এগুলো নিষিদ্ধ কোনো বস্তু নয়। এটা আপনার আমার সবার কাছে আছে। আমরা ব্যবহার করি কল্যাণের জন্য, প্রয়োজনের জন্য। কিন্তু নাশকতাকারীরা সেটা এনে তার সঙ্গে বিস্ফোরক ব্যবহার করে নাশকতা করছে। আমরা হাতেনাতে তাদের ধরছি।
যত্রতত্র পার্কিং করা বাসে আগুন দেওয়া প্রতিরোধে পুলিশের কোনো গাফিলতি রয়েছে কি না জানতে চাইলে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, আমাদের প্রচেষ্টার কোনো ঘাটতি নেই। কিন্তু বাস্তবতা হলো রাজধানীতে যত মানুষ, সেই অনুযায়ী জায়গা নেই। ফলে গাড়ি রাখার জন্য যত জায়গা, রাস্তা থাকা দরকার, তা অপর্যাপ্ত।

