ছাত্রদল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ছাত্রদল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, জানাজা সম্পন্ন


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা ও উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের সদস্য সচিব ইমরান হোসেন সোহাগকে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করেন বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

এদিকে শুক্রবার সন্ধ্যায় সাঁড়াগোপালপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে ইমরান হোসেন সোহাগের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

বিকেলে পৌর শহরের খায়রুজ্জামান বাবু বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বাজারের এক নম্বর গেটে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বক্তব্য দেন ঈশ্বরদী পৌর যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক জাকির হোসেন জুয়েল, পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসলাম হোসেন জুয়েল ও পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন জনি। এ সময় ছাত্রদল নেতা নাজমুল হাসান রিশাদ, মাহমুদুল ইসলাম শাওন ও মোস্তাফিজুর রহমান বিটুসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে ইমরান তাঁর বন্ধুদের নিয়ে সাঁড়া গোপালপুর উচ্চবিদ্যালয়ের রেললাইনের পাশের একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। এ সময় মুখে কালো কাপড় বেঁধে কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনার সময় বেশ কয়েকটি গুলির শব্দ শোনা যায়। ঘটনাস্থলেই মারা যান সোহাগ।

ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতাকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ইমরান হোসেন সোহাগ (২৫) নামের এক ছাত্রদল নেতাকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে ঈশ্বরদী শহরের সাঁড়া গোপালপুর উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ইমরান ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল মন্নবীপাড়া গ্রামের এনামুল হকের ছেলে। তিনি উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্যসচিব এবং জিয়া সাইবার ফোর্সের উপজেলা শাখার সদস্যসচিব ছিলেন। এ ছাড়া তিনি গত নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা জাকারিয়া পিন্টুর ছোট ভাই মেহেদী হাসানের সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে ইমরান তাঁর বন্ধুদের নিয়ে সাঁড়া গোপালপুর উচ্চবিদ্যালয়ের পাশের একটি চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে প্রতিপক্ষের একদল সশস্ত্র লোক এসে তাঁর সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ায়। একপর্যায়ে তারা ইমরানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় হামলাকারীরা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ঈশ্বরদী সার্কেল) প্রণব কুমার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। নিহতের মাথার একটি অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে গুলি করার পর কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। কারা, কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন