বিক্ষোভ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিক্ষোভ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিচালকের অপসারণের দাবিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদন: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ও নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. জাহেদুল হাছানের অপসারণের দাবিতে পাবনার ঈশ্বরদীতে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

মঙ্গলবার বিকেলে ঈশ্বরদী উপজেলা পরিষদ সড়কের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।  এরপর  অভিজাত রেস্তোরাঁতে সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। সেখানে বক্তারা অভিযোগ করেন, ড. জাহেদুল হাছান একসাথে প্রকল্প পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা, প্রধান প্রশাসনিক ও অর্থ কর্মকর্তা এবং স্টেশন ইনচার্জের দায়িত্ব পালন করছেন, যা একদম অস্বাভাবিক এবং কারও একার পক্ষে পরিচালনা করা সম্ভব নয়। 

বক্তারা আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ আছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কর্মসংস্থানের নির্দিষ্ট নিয়মাবলি, সংগঠন কাঠামো এবং বেতন কাঠামো না থাকায় কর্মীরা বছরের পর বছর ধরে পেশাগত নিরাপত্তা ও ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কেউ চাকরি ছেড়ে দিলে সিপিএফ, অভিজ্ঞতা সনদ বা এনওসি দেওয়া হচ্ছে না। এছাড়া, রাশিয়া থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অদক্ষ দেখিয়ে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কর্মকর্তারা আরও জানান, কর্মক্ষেত্রে ন্যূনতম সুবিধা যেমন বসার স্থান, টয়লেট, ক্যান্টিন এবং চিকিৎসাসেবা পর্যন্ত নিশ্চিত করা হয়নি। এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় অনেক কর্মকর্তা চাকরি হারিয়েছেন বা কর্মস্থলে প্রবেশের অনুমতি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন জ্যেষ্ঠ সহকারী ব্যবস্থাপক ফাহিম শাহরিয়ার তুহিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী ব্যবস্থাপক শহীদুল ইসলাম, হালিম সরকার, রুবেল হোসেন এবং উপ-সহকারী ব্যবস্থাপক রমজান আলীসহ শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জাহেদুল হাছান বলেন, ‘মাত্র চার মাস ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব নিয়েছি। এর মধ্যে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রমোশন, বাড়িভাড়া বৃদ্ধি, গ্রেড বৃদ্ধি, সার্ভিস রুলসহ নানা দাবি তুলেছেন। এসব দাবির একটিও পূরণ করার সাধ্য আমার নেই। সবই সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়।’ তিনি বলেন, ‘আমরা কনস্ট্রাকশন প্ল্যান্টে কাজ করি। এখানে নতুন করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসার ব্যবস্থা করা কঠিন। এরপরও সম্প্রতি ৪০০ জনের বসার ব্যবস্থা, নামাজের ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এরপরও অভিযোগ। আগামী ২০ দিন পর অবসরে যাচ্ছি। ধারণা করছি, এসব অভিযোগ আমরা বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্রের অংশ। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

ঈশ্বরদীতে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর সন্ত্রাসী হামলা, চাঁদাবাজি ও হত্যার হুমকি প্রদানের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে হিন্দু সম্প্রদায়।

বুধবার উপজেলার দাশুড়িয়া বাজারে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের দাবি জানান। 

এতে পথসভায় বক্তব্য দেন হামলায় আহত ব্যবসায়ী গৌরচন্দ্র সেনের ছেলে গৌতম সেন, পিয়াস সেন, দাশুড়িয়া কীর্তন গোষ্ঠীর সদস্য সুজন বৈরাগী, শ্মশান-মন্দির কমিটির সভাপতি রতন সাহাসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন।

মানববন্ধন চলাকালে সম্প্রদায়ের শতাধিক নারীপুরুষসহ অন্যান্য ব্যবসায়ীরাও দুপুর সাড়ে বারোটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত ঘন্টাব্যাপী দাশুড়িয়া বাজার ও প্রধান সড়কে বিক্ষোভ করতে থাকেন। 

পথসভায় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, বেশ কিছুদিন ধরে দাশুড়িয়াতে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন বাসাবাড়ি, দোকানপাঠ ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে কিছু চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীচক্র নিরবে চাঁদাবাজি করছেন। অনেক ব্যবসায়ী প্রাণভয়ে চাঁদা দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তাদের অব্যাহত হুমকিতে দাশুড়িয়া বাজারে হিন্দুসম্প্রদায়ের লোকজনসহ অন্য ব্যবসায়ীরা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

এদিকে চাঁদা না পেয়ে গতকাল মঙ্গলবার রাতে দাশুড়িয়ায় কলেজপাড়া নিবাসী ব্যবসায়ী গৌড় চন্দ্র সেনের বাড়িতে সাত থেকে আটজনের একটি চক্র পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এসময় ব্যবসায়ী গৌড় চন্দ্র সেনকে সামনে পেয়ে হামলাকারীরা তাঁকে পিটিয়ে আহত করেন। পরে স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা এলে তাদেরও আদর অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধরের  হুমকি দিয়ে চলে যান চক্রটি। পরে আহত গৌড় সেনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে চিকিৎসা দেন।

তাঁর ছেলে গৌতম চন্দ্র সেন জানান, ঘটনার পর মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে ঈশ্বরদী থানায় 'চাঁদাবাজি, হত্যার হুমকি প্রদানসহ লিখিত একটি অভিযোগ দেন। এতে সাত-আটজনকে আসামী করা হয়েছে।

ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) ঈশ্বরদী থানা পুলিশ উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুর আলম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে হিন্দু ব্যবসায়ীকে মারধরের সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে পুরো বিষয়টি তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত জানাতে পারছি না।

ঈশ্বরদীতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে থানা চত্বরে উত্তেজনা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা ইব্রাহিম হোসেনের ওপর হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ জানাতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেছেন। তারা নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার এবং ঈশ্বরদী থানার ওসি শহিদুল ইসলামকে অপসারণের দাবি জানাচ্ছেন।

বুধবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল পর্যন্ত ঈশ্বরদী থানার সামনের রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ চালায় শিক্ষার্থীরা। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাদের বিক্ষোভ অব্যাহত ছিল।

 বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিচ্ছিলেন, "থানার ওসির অপসারণ চাই", "হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করো", এবং "ছাত্রদের ওপর হামলার বিচার চাই"। তারা বলেছেন, থানার ওসি অপসারণের আদেশ না আসা পর্যন্ত তাদের বিক্ষোভ চলবে।

এই অবরোধের কারণে সড়কের দুই পাশে প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যানজট তৈরি হয়। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা এসে যানজট নিরসন করে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা তানজিদুর রহমান দিহান, মাহিম মেহরাব, মেহের হোসেন সৈকত, মেহেদী হাসান মিরাজসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা বিক্ষোভে অংশ নেন।

ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম জানান, ‘ইব্রাহিম হোসেনের ওপর হামলাকারীদের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।’
 
তিনি আরও বলেন, সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হলেও থানার সামনে শিক্ষার্থীরা এখনও অবস্থান করছেন।’।

উল্লেখ্য, গত ২৩ জানুয়ারি রাতে ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের সামনে ইব্রাহিম হোসেনের ওপর হামলা চালায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এই ঘটনায় পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করলেও প্রধান আসামিসহ অন্যান্যরা এখনো পলাতক রয়েছেন।

পাকশী রেলওয়ে কার্যালয় ঘেরাও

নিজস্ব প্রতিবেদক: কর্মঘণ্টা ও অবসর ভাতা প্রদানের দাবিতে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছে রানিং স্টাফ-কর্মচারীরা। সোমবার দুপুরে রেলওয়ে রানিং স্টাফ ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

বিক্ষোভকারীরা পাকশী রেলওয়ে আমতলা থেকে একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক ঘুরে ডিআরএম কার্যালয় চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সমাবেশ শেষে তারা বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা গৌতম কুমার কুণ্ডুর কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন।

রানিং স্টাফরা ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত তাদের দাবি মেনে নেওয়ার সময়সীমা দিয়েছেন। দাবি পূরণ না হলে ২৮ জানুয়ারি সকাল থেকে কর্মবিরতি শুরু হবে বলে জানান তারা। কর্মবিরতি শুরু হলে পশ্চিমাঞ্চলের ১০৮টি ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। এতে বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে।
সমাবেশে রেলওয়ে রানিং স্টাফ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সহসভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং ঈশ্বরদী শাখার দপ্তর সম্পাদক শাহিদ হোসেনের পরিচালনায় বিভিন্ন নেতা বক্তব্য দেন। তারা বলেন, রানিং স্টাফদের মাইলেজসহ পেনশন ও আনুতোষিক প্রদানে ২০২১ সালের ৩ নভেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের আপত্তি প্রত্যাহার করতে হবে। এছাড়া নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীদের জন্য বৈষম্যমূলক শর্তগুলো বাতিল করে রেলওয়ে কোড অনুযায়ী আদেশ জারি করতে হবে।

পাকশী বিভাগের বাণিজ্যিক কর্মকর্তা গৌতম কুমার কুণ্ডু জানান, “রানিং স্টাফরা তাদের দাবি সংবলিত স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। আমরা তা মন্ত্রণালয়ে পাঠাব। আশা করি, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সমাধানের উদ্যোগ নেবেন।”

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের অধীনে ৫৪টি আন্তঃনগর, ৩৫টি মেইল, ১৯টি মালবাহী এবং লোকাল ট্রেন চালু রয়েছে। কর্মবিরতি শুরু হলে এই ট্রেনগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। এর ফলে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি হবে।

৩২ মামলা রাজনৈতিকভাবে নথিভুক্ত না হওয়ায় বিএনপির বিক্ষোভ


নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ৩২টি রাজনৈতিক মামলা নথিভুক্ত না করার অভিযোগে পাবনা জেলা বিএনপির কিছু নেতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে সোমবার দুপুর ২টায় পাবনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন এবং শহরের আব্দুল হামিদ সড়কে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমান লিখিত বক্তব্যে জানান, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ পর্যন্ত স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ফলে ঈশ্বরদীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর এসব মামলার তালিকা কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্দেশে জেলা বিএনপির কাছে পাঠানো হলেও ঈশ্বরদীর মামলা নথিভুক্ত হয়নি।


ফজলুর রহমান অভিযোগ করেন, পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব এবং সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকারসহ কয়েকজন নেতা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ঈশ্বরদীর মামলাগুলো তালিকাভুক্ত করেননি। এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তারা কোনো সদুত্তর দিতে ব্যর্থ হন।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা অভিযোগকারীদের শাস্তি এবং বিষয়টির সুরাহার জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।


সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব বিষ্টু সরকার, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শামসুজ্জোহা পিপ্পু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির দুলাল, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুর রহমান স্বপন, আতাউর রহমান পাত্তা, খন্দকার আমিনুল ইসলাম, মো. মনিরুজ্জামান টুটুল ও পৌর যুবদলের আহ্বায়ক জাকির হোসেন জুয়েলসহ আরও অনেকে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পাবনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার বলেন, 'নথি দিলে তালিকাভুক্ত হওয়ার কথা। যদি ভুলবশত না হয়ে থাকে, তাহলে তা সংশোধন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখানে কোনো ষড়যন্ত্র নেই।' 

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন