নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে পূর্ববিরোধের জেরে আনিছুর রহমান নামের এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষককে মারধর ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে নতুন রূপপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা এ কর্মসূচি পালন করেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, গত ৪ অক্টোবর রাতে চর রূপপুর বিবিসি বাজারের চেরু মার্কেটের সামনে শিক্ষক আনিছুর রহমানের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এ সময় তাঁকে মারধর করে নগদ ২২ হাজার ৭০০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। একজন শিক্ষকের ওপর এমন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বক্তারা অবিলম্বে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। এ সময় ‘শিক্ষকের ওপর হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার কর’সহ বিভিন্ন স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে বিদ্যালয় চত্বর।
নতুন রূপপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আরিফ হোসেন বলেন, শিক্ষক জাতির নির্মাতা। প্রকাশ্যে একজন শিক্ষকের ওপর এমন হামলা অত্যন্ত দুঃখজনক। দ্রুত আসামিরা গ্রেপ্তার না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। প্রধান শিক্ষক মোছা. আফরোজা বুলবুল জানান, তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনার কয়েক দিন পেরিয়ে গেলেও আসামিরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এদিকে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহীনা আক্তার বলেন, বিষয়টি তিনি জেনেছেন। তবে স্কুল চলাকালীন শিক্ষার্থীদের নিয়ে রাস্তায় বা প্রাঙ্গণে মানববন্ধন কিংবা বিক্ষোভ করার কোনো দাপ্তরিক অনুমতি নেই। ব্যক্তিগত বা রাতের কোনো ঘটনার জেরে এ ধরনের কর্মসূচির বিষয়ে দাপ্তরিকভাবে কিছু করার থাকে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান জানান, শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত এজাহার দিয়েছেন। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে এবং জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।















.jpg)






