নিজস্ব প্রতিবেদক: একটি অনন্য ও বড় সাফল্য। পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি পরিবারকে এই কার্ডের আওতায় আনা হবে। দল, মত, ধর্ম কিংবা বর্ণ কোনো কিছুই এই কার্ড প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। আগামী মাসে আরও ৩৭ থেকে ৫০ হাজার পরিবারের কাছে এই সেবা পৌঁছে দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার বিকেলে নাটোরের লালপুর উপজেলার গৌরীপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নাটোর জেলা প্রশাসক আসমা শাহীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী নারীপ্রধান পরিবারগুলোর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, পরীক্ষামূলক পর্যায়ে সারা দেশে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার প্রক্রিয়া প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করার পর ইতিমধ্যে সুবিধাভোগীদের মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবে অর্থ পৌঁছে গেছে। এর অংশ হিসেবে লালপুর উপজেলার ২ নম্বর ঈশ্বরদী ইউনিয়নের গৌরীপুর গ্রামে ৩৭৮ জনকে এই কার্ড প্রদান করা হয়েছে এবং প্রত্যেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন।
বক্তব্যের একপর্যায়ে ফারজানা শারমীন পুতুল উল্লেখ করেন, "বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি ছিল এই ফ্যামিলি কার্ড। সরকার গঠনের মাত্র ১৫ দিনের মাথায় এটি উদ্বোধন করা হয়েছে, যা বর্তমান সরকারের কর্মতৎপরতার একটি বড় প্রমাণ।"
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক সৈয়দ মোস্তাক হাসান, নাটোর জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুল ওয়াহাব এবং লালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুলহাস হোসেন সৌরভ। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবির হোসেন, লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান, নাটোর জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান আসাদ এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ পাপ্পুসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভা শেষে উপস্থিত সবার মাঝে ইফতারসামগ্রী বিতরণ করা হয়।










