বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মিটফোর্ডে খুন, চাঁদাবাজি-দখলদারির প্রতিবাদে ঈশ্বরদীতে মশাল মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক: মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটের সামনে রাস্তার ওপর ব্যবসায়ী লাল চাঁদকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় এবং দেশজুড়ে চাঁদাবাজি, দখলদারি, হামলা ও খুনের প্রতিবাদে ঈশ্বরদীতে মশাল মিছিল ও পথসভা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। 

শনিবার রাত আটটার দিকে শহরের রেলগেট থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে স্টেশন সড়ক ঘুরে বাজারের ১ নম্বর গেট এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

পথসভায় বক্তব্য দেন আসিফুল ইসলাম জারিফ, ফজলে রাব্বি সিয়াম, তাসনিম মাহবুব প্রাপ্তি, আসাদুজ্জামান রকিব, রফিকুল প্রামাণিক ও আল আমিন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, মিটফোর্ডে প্রকাশ্যে একজন সাধারণ মানুষকে হত্যা শুধু মর্মান্তিক নয়, সারা দেশের মানুষের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। তাদের অভিযোগ, চাঁদাবাজি ও দখলদারি এখন প্রায় নিয়মে পরিণত হয়েছে।

বক্তারা অবিলম্বে মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানান।

১১ ঘণ্টা অবরোধের পর শাহবাগ ছাড়লেন চিকিৎসকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে দীর্ঘ ১১ ঘণ্টা যাবত রাজধানীর ব্যস্ততম শাহবাগ মোড় আটকে রেখে আন্দোলনের পর অবশেষে অবরোধ ছাড়লেন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেইনি চিকিৎসকরা। রাত ১০টার দিকে নতুন কর্মসূচি দিয়ে তারা শাহবাগ ছাড়েন বলে জানা গেছে।

এর আগে বেলা ১১টার শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন তারা। এতে করে ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

রোববার (২৯ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১০টায় ঢাকা পোস্টকে শাহবাগ ছাড়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস মুভমেন্ট ফর জাস্টিস সোসাইটির সভাপতি ডা. জাবির হোসেন।

তিনি বলেন, আজকের মতো আমরা আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করেছি। তবে আমরা আমাদের দাবিগুলো স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমকে জানাতে আগামীকাল (সোমবার) বেলা ১১টার দিকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনে যাব। এটাই আপাতত আমাদের পরবর্তী কর্মসূচি।

ডক্টরস মুভমেন্ট ফর জাস্টিস সোসাইটির সভাপতি বলেন, আমরা জানি আমাদের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা খুবই প্রজ্ঞাবান ব্যক্তি। তিনি নিশ্চয়ই আমাদের কষ্টগুলো বুঝবেন। আমাদের এখন একটা আশা, তিনি যদি আমাদের সমস্যাগুলো বোঝেন, আশা করি ভালো কিছু হবে।

এর আগে রাত সাড়ে ৯টায় দিকে আন্দোলনরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলতে আসেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ। এসময় তিনি ট্রেইনি চিকিৎসকদের আগামী জুলাই থেকে ভাতা বাড়িয়ে ৩৫ হাজার টাকা করার আশ্বাস দেন। দেশের সংকটময় সময়ে সরকারকে সহযোগিতা করারও আহ্বান জানান। তবে চিকিৎসকরা তার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

এখনই বৈষম্যবিরোধীদের রাজনৈতিক দল গঠন করা উচিত নয় : সারজিস

নিজস্ব প্রতিবেদক: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, ৫ আগস্টের পর গিরগিটির মতো অনেক ভুয়া সমন্বয়ক তৈরি হয়েছে। তাদেরকে আলাদা করতে হবে। তাদের মধ্যে সুবিধাবাদী চরিত্রটা পূর্বে ছিল, এখনো আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। এদেরকে আলাদা করা না হলে সমন্বয়কের নাম ভাঙিয়ে আমাদের ইমেজকে খেয়ে ফেলবে। দেশের অনেক জেলায় এমনটা হচ্ছে।

শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) সকালে মাদারীপুর পৌরসভার হলরুমে মাদারীপুরের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত ও আহতদের পরিবারের সদস্য এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত সবাইকে উদ্দেশ্য করে সারজিস আলম বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীদের নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের গণতান্ত্রিক অধিকার আছে। তবে অভ্যুত্থান পরবর্তী এই সময়ে সেটা করলে নিজেদের মধ্যে বিভাজন তৈরি হবে। তবে ভবিষ্যতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নামের প্ল্যাটফর্মে নয় অন্য কোনো নামে এই আন্দোলনে সম্পৃক্ত মানুষজন রাজনৈতিক দল গঠন করতে চাইলে করা যেতে পারে। তবে তা করার সময় এখন নয়।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার সরকার যে অপকর্ম করেছে, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সেই জায়গাটা ভেঙে গেছে। শেখ হাসিনার সময়কার সুবিধাবাদীরা ছাত্রদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করার চেষ্টা করছে, চক্রান্ত করছে। এজন্য সবাইকে এক থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে ১৬ বছরের রেডি করা সেটআপের অল্পকিছু মাথা পালাইছে, তাদের আসতে বেশি সময় লাগবে না।
সারজিস আলম বলেন, ছাত্রদের মধ্যে কেউ যদি ভবিষ্যতে ফ্যাসিস্ট হওয়ার চিন্তা করেন কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহার করার চেষ্টা করেন, তাদেরকে বহিষ্কার করে আইনের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্ররা কেউ আলাদা হবেন না। সবাই একত্রে থাকবেন। তা না হলে পরিণতি খারাপের দিকে যাবে।

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ও ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধের দাবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শেখ হাসিনার পদত্যাগ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের পর রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা।

মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) বিকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে তারা এ দাবি জানান।

একই সঙ্গে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করারও দাবি জানান তারা।

সমাবেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় কেন্দ্রীয় সমন্বয়কের মধ্যে সারজিস আলমও এসব দাবি আদায়ে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলনে নামার আহ্বান জানান।

সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করতে দুই দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে সারজিস বলেন, 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন একটি স্পষ্ট বার্তা দিতে চায় যে, ‘আবারও প্রয়োজন হলে আমরা আমাদের চোখ দিতে প্রস্তুত, পা দিতে প্রস্তুত, হাত দিতে প্রস্তুত, এমনকি জীবন দিতেও প্রস্তুত।’

তিনি আরও বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী ছাত্রলীগের উত্থান সহ্য করা হবে না, কারণ তারা আমাদের ভাইদের হত্যার জন্য দায়ী। প্রাণ দিয়ে হলেও আমরা ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগ নামের ফ্যাসিবাদীদের প্রতিহত করার জন্য আজীবন লড়াই করে যাব।’

রাষ্ট্রপতি প্রসঙ্গে আরেক সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ বলেন, ‘আমরা আমাদের বিপ্লব এই শহীদ মিনার থেকেই শুরু করেছিলাম। ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা বিপ্লবের ভয়ে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে গেছেন। সেদিন আপনি সেটা নিশ্চিত করেছিলেন কিন্তু এখন মিথ্য়ে কথা বলছেন কেন? আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই- খুনি হাসিনা যেভাবে পালিয়ে গেছে, তেমনি ছুপ্পুকেও পদত্যাগ করতে হবে।’

বৃহস্পতিবারের মধ্যে ছাত্রলীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ করার দাবি জানান মাসুদ।

বর্তমান সংবিধান বাতিলের দাবির কথা উল্লেখ করে শিক্ষার্থীরা রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ না করলে তার সরকারি বাসভবন বঙ্গভবন ঘেরাও করার হুঁশিয়ারি দেন।

ঘেরাও কর্মসূচিতে হাইকোর্টের সামনে শিক্ষার্থীরা

হাইকোর্ট ঘেরাও করলেন শিক্ষার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত

সংবাদ সাতদিন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট বিচারকদের পদত্যাগের দাবিতে হাইকোর্ট ঘেরাও করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বুধবার হাইকোর্টের সামনে মিছিল নিয়ে উপস্থিত হন শিক্ষার্থীরা।


তবে আগে থেকেই হাইকোর্ট গেটসহ আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

বুধবার (১৬ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হাইকোর্ট মাজার গেট এসে পৌঁছান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।

এদিন বেলা পৌনে ১২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাস বিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশ থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে আরেকটি বিক্ষোভ মিছিল হাইকোর্টের উদ্দেশ্যে বের হয়।

এর আগে বেলা সাড়ে ১০টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন।

এসময় শিক্ষার্থীরা, ‘ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই, খুনী হাসিনার ফাঁসি চাই’; আবু সাঈদ মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ’; স্বৈরাচারের দালালেরা, হুশিয়ার সাবধান’; ঘেরাও ঘেরাও ঘেরাও হবে, হাইকোর্ট ঘেরাও হবে’; দালালী না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’; ‘দিল্লী না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’; আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’; ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্র সমাজ জেগেছে’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।

আগে থেকেই হাইকোর্ট ঘেরাওয়ের ঘোষণা দিয়ে রেখেছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মো. সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহ।

মঙ্গলবার রাতে তাদের ফেসবুকে ওয়ালে দুই সমন্বয়ক লিখেছেন, আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট বিচারকদের পদত্যাগের দাবিতে আগামীকাল বেলা ১১টায় হাইকোর্ট ঘেরাও কর্মসূচি। বেলা ১১টায় রাজু ভাস্কর্যে জড়ো হয়ে সেখান থেকে একসঙ্গে হাইকোর্ট অভিমুখে যাত্রা৷ আবারো কালো শকুনদের উৎখাত করতে রাজপথ প্রকম্পিত হবে।

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আওয়ামী লীগের আমলে নিয়োগ পাওয়া দলবাজ বিচারপতি হিসেবে চিহ্নিতদের পদত্যাগ দাবি করে আসছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা। এ ছাড়া সাধারণ আইনজীবীরাও দলবাজ বিচারপতিদের পদত্যাগ দাবি করে আসছেন।

ঈশ্বরদীতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা-গুলির প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ ক্যাম্পাস মাদকমুক্ত করার দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা-গুলির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ, মানববন্ধন এবং বিচার পেতে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।

আজ রোববার বেলা ১১টায় শহরের রেলগেট এলাকায় বিভিন্ন স্কুল কলেজের শত শত শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচি পালন করে। তাঁরা বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন হাতে নিয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য দেন, শিক্ষার্থী মাহমুদুল ইসলাম শাওন, আহসান হাবিব আকাশ, ইসবাল হাসান তামিম ও কে এম মহিবুর রহমান প্রমুখ।

স্থানীয় লোকজন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস মাদকমুক্ত করার দাবিতে এক কর্মসূচি নেয়। এ নিয়েই শিক্ষার্থীদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় কয়েকটি গুলির শব্দ শোনা যায়। ধাওয়া ও গুলির ঘটনায় পুরো কলেজে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশি প্রহরায় শিক্ষার্থীরা ক্লাস শেষে বিকেলে বাড়ি ফেরেন।

মানববন্ধনে অংশ নিয়েছেন ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ। তিনি বলছিলেন, ‘আমাদের ক্যাম্পাসে যে ঘটনা ঘটেছে, তা লজ্জাজনক। আমরা আমাদের ক্যাম্পাসে নিরাপদ নই। তাই এখানে প্রতিবাদ জানাতে এসেছি। এই ঘটনা ঘটিয়েছে ছাত্রদল নেতা রফিকুল ইসলাম নয়ন তাঁর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া প্রয়োজন।’ 

ঈশ্বরদী মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী শারমিন আক্তার বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থীরা তো কোনো অন্যায্য দাবি করিনি, তাহলে ছাত্রদল নেতার লোকজন কেন এ হামলা করল? আমরা এ হামলার বিচার চাই।’

সবশেষ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের মুখোমুখি করতে এবং শিক্ষার্থীদের মনে নিরাপত্তা নিয়ে আস্থা ফেরানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুবীর কুমার দাশ ও ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ এসএম রবিউল ইসলামের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ইউএনও সুবীর কুমার দাশ বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ তদন্ত করা হবে। পরে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ 

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন