পাকশী রেলওয়ে কার্যালয় ঘেরাও

নিজস্ব প্রতিবেদক: কর্মঘণ্টা ও অবসর ভাতা প্রদানের দাবিতে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছে রানিং স্টাফ-কর্মচারীরা। সোমবার দুপুরে রেলওয়ে রানিং স্টাফ ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

বিক্ষোভকারীরা পাকশী রেলওয়ে আমতলা থেকে একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক ঘুরে ডিআরএম কার্যালয় চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সমাবেশ শেষে তারা বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা গৌতম কুমার কুণ্ডুর কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন।

রানিং স্টাফরা ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত তাদের দাবি মেনে নেওয়ার সময়সীমা দিয়েছেন। দাবি পূরণ না হলে ২৮ জানুয়ারি সকাল থেকে কর্মবিরতি শুরু হবে বলে জানান তারা। কর্মবিরতি শুরু হলে পশ্চিমাঞ্চলের ১০৮টি ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। এতে বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে।
সমাবেশে রেলওয়ে রানিং স্টাফ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সহসভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং ঈশ্বরদী শাখার দপ্তর সম্পাদক শাহিদ হোসেনের পরিচালনায় বিভিন্ন নেতা বক্তব্য দেন। তারা বলেন, রানিং স্টাফদের মাইলেজসহ পেনশন ও আনুতোষিক প্রদানে ২০২১ সালের ৩ নভেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের আপত্তি প্রত্যাহার করতে হবে। এছাড়া নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীদের জন্য বৈষম্যমূলক শর্তগুলো বাতিল করে রেলওয়ে কোড অনুযায়ী আদেশ জারি করতে হবে।

পাকশী বিভাগের বাণিজ্যিক কর্মকর্তা গৌতম কুমার কুণ্ডু জানান, “রানিং স্টাফরা তাদের দাবি সংবলিত স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। আমরা তা মন্ত্রণালয়ে পাঠাব। আশা করি, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সমাধানের উদ্যোগ নেবেন।”

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের অধীনে ৫৪টি আন্তঃনগর, ৩৫টি মেইল, ১৯টি মালবাহী এবং লোকাল ট্রেন চালু রয়েছে। কর্মবিরতি শুরু হলে এই ট্রেনগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। এর ফলে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি হবে।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন