প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরষ্কার পেলেন ঈশ্বরদীর নওশাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক: বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে রচনা লিখে পুরস্কার পেলেন  ঈশ্বরদীর নওশাদ আলী হৃদয়। হৃদয় ২০২০ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। ঘ বিভাগে (উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণি) 'বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্রভাবনা' শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতায় নওশাদ আলী হৃদয় এ পুরস্কার অর্জন করেন।

৪ জুন মঙ্গলবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের সভাপতি শিল্পী হাশেম খান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, জাদুঘরের কিউরেটর মো. নজরুল ইসলাম খান প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার অর্জন করায় দারুণ উচ্ছ্বসিত নওশাদ আলী হৃদয় । তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে রচনা লিখে সারা দেশের মধ্যে একজন হয়ে পুরস্কার পাবো- এটা অনেক বড় পাওয়া। বাড়তি হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পিকারসহ অনেক গুণী মানুষের কাছ থেকে পুরস্কার পেলাম। 

এটা অনেক বড় পাওয়া জানিয়ে তিনি বলেন, কলেজের সম্মানিত শিক্ষকগণ আমাকে এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য উৎসাহিত করেছেন। 

নওশাদ আলী হৃদয় সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের প্রাণীবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। তার বাড়ি উপজেলার জয়নগর গ্রামে। তার এ কৃতিত্বে খুশি বাবা-মা। তার বাবা নবাব আলী মোল্লা বলেন, ছেলে বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরষ্কার অর্জন করায় আমরা খুবই আনন্দিত। 

ঢাকা সিটি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল সকালে ঢাকা সিটি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন।

তিনি দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে সকাল ৮টায় ঢাকা সিটি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন।

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এম এম ইমরুল কায়েস এ কথা জানান। 

ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, নিউমার্কেট ও কলাবাগান থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-১০ আসনে পড়েছে ঢাকা সিটি কলেজ কেন্দ্র।

এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়ছেন ঢালিউড অভিনেতা ফেরদৌস আহমেদ।

ভোটে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে হবে: শেখ হাসিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘নির্বাচনে কোনো সংঘাত চাই না। যাকে খুশি ভোট দেবেন। ভোটটা অনেক জরুরি। ভোটে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।’

বুধবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ ভবন থেকে পাঁচটি জেলা ও একটি উপজেলার নির্বাচনি জনসভায় ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

সবাইকে নিজেদের পছন্দমতো ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘নির্বাচন উন্মুক্ত করে দিয়েছি। আমাদেরই স্লোগান-আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব। কাজেই আপনাদের মত ভোট দেবেন, কিন্তু কোনো রকম অনিয়ম ও সংঘাত আমি চাই না।’

নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কোনো রকম কোনো দুর্ঘটনা যেন না হয়, সে সহনশীলতা আপনাদের দেখাতে হবে। নির্বাচনে যার যার ভোট শান্তি মত দেবে। সে পরিবেশটা আমাদের রক্ষা করতে হবে। মনে রাখতে হবে, এই নির্বাচনটা বাংলাদেশের জন্য একান্তভাবে জরুরি। কারণ বাংলাদেশকে নিয়ে অনেক রকম খেলা অনেকে খেলতে চায়।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘যারা স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাস করে না, জয় বাংলা স্লোগান যারা নিষিদ্ধ করে দেয়, যারা বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ করে দেয়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা যারা ধ্বংস করে তারা দেশটাকেই ধ্বংস করবে। এ দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলবে।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি জানে জনগণ তাদের ভোট দেবে না প্রত্যাখ্যান করবে, তখন তারা এক কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার লিস্ট তৈরি করে। সেভাবে নির্বাচন করার প্রচেষ্টা নেয়। সেখানে তারা ব্যর্থ হয়।’

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘জনগণের ভোট চুরি করে ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছিল খালেদা জিয়া। থাকতে পারেনি। ভোট চুরি করলে জনগণ মেনে নেয় না। আন্দোলনের মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়ার পতন ঘটে। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হয়। তারপর পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়। কিন্তু ওদের শিক্ষা হয়নি। তাই আবারও ২০০১ সালে ভোট কারচুপি, ভোট চুরি, জনগণের ভাগ্য নিয়ে খেলা শুরু করে। তাদের দুঃশাসনের কারণে দেশে ইমার্জেন্সি আসে।’

তিনি বলেন, ‘২০০৮ নির্বাচনে বিএনপির ৩০০ আসনের মধ্যে ৩০টি সিট পেয়েছিল। আওয়ামী লীগ ২৩৩ সিটে জয়ী হয়। আর অন্য সিটগুলো আমাদের জোটের শরিকরা পেয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘তাদের (বিএনপি-জামায়াত) দুর্নীতি এমন পর্যায়ে চলে যায়, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় ও আরেক দিকে তারেক হাওয়া ভবন খুলে দুর্নীতির আখড়া গড়ে তোলে। ব্যবসা-বাণিজ্য সর্বক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করে। যার ফলে দেশে চরম অরাজকতার সৃষ্টি হয়। দুর্নীতি, দুঃশাসন, জঙ্গিবাদের বিএনপি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।’

নতুন ভোটারদের নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান শেখ হাসিনার


নিজস্ব প্রতিবেদক: নতুন ভোটারদের নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না। তরুণ সমাজ ও তারুণ্যই হচ্ছে আমাদের অগ্রদূত। যারা প্রথম ভোটার হয়েছে, তাদেরকে আহ্বান করব... নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে।

১ জানুয়ারি সোমবার বিকেলে রাজধানীর কলাবাগান মাঠে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত জনসভায় তিনি এই আহ্বান জানান।

ভোটারদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি-জামায়াত অগ্নিসন্ত্রাস করে আপনাদের ভোট কেড়ে নিতে চায়। আপনারা তার জবাব দেবেন। প্রত্যেক ভোটার সকাল সকাল ভোটকেন্দ্রে যাবেন, আপনার ভোট আপনি দেবেন... কেউ যেন ঠেকাতে না পারে। তাদের উপযুক্ত জবাব দেবেন। আপনারা অগ্নিসন্ত্রাসের জবাব দেবেন।

ঢাকার নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের পরিচয় করে দিয়ে তিনি বলেন, ‌আপনাদের সামনে এই ১৫টি রত্ন তুলে দিলাম। এই ১৫টি রত্ন আপনাদের হাতে দিলাম, যারা আপনাদের সেবক হিসেবে কাজ করবে, আপনাদের সেবা করবে। এই নৌকা হচ্ছে নূহ নবীর নৌকা... মহাপ্লাবনে মানব জাতিকে রক্ষা করেছিল। এই নৌকায় মানুষের উন্নতি হয়। এই নৌকা মানুষকে নিশ্চিত জীবন দেয়, শান্তি দেয় ও সমৃদ্ধি দেয়। এই নৌকায় ভোট দিয়ে বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীনতা পেয়েছে। এই নৌকায় ভোট দেওয়ায় আজকে বদলে যাওয়া বাংলাদেশ, ডিজিটাল বাংলাদেশ।

সরকারপ্রধান বলেন, আগামীতেও নৌকায় ভোট দেবেন। ৪১ সালের মধ্যে আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলব। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আজকের এই নির্বাচন। এই নির্বাচনে ভোট দিয়ে নৌকাকে জয়যুক্ত করবেন। শুধু ভোট দেবেন না, আপনার ভোট রক্ষাও করবেন। আর ওই অগ্নিসন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদী বিএনপিকে উপযুক্ত জবাব দেবেন।

বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ২০০১ এর পর হানাদারদের মতো অত্যাচার করেছিল বিএনপি। তাদের দুঃশাসনেই দেশে ইমার্জেন্সি এসেছিল। তারা শুধু জানে মানুষের ওপর অত্যাচার করতে।

ভোট চুরি করতে পারবে না জেনেই বিএনপি নির্বাচনে আসেনি মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচন মানুষের অধিকার, এটা বন্ধ করার সাহস তাদের নেই। এদের বিষয়ে মানুষকে সজাগ থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে ওরা দেশটার সর্বনাশ করে দেবে। আমরাই ভোটাধিকারের জন্য লড়াই করেছি। জিয়াউর রহমান যখন ভোট চুরির জন্য হ্যাঁ-না ভোট করেছিলেন, আওয়ামী লীগ তখন জনগণের ভোটের অধিকার ফিরে দিয়েছে। ‘আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব’-এই স্লোগানটিও আমাদের দেওয়া। আমরাই জনগণের হাতে ভোটাধিকার এনে দিয়েছি।

বিএনপিকে খুনি আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, বিএনপির চুরি-দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের কারণে জনগণ তাদের ২০০৮ সালে প্রত্যাখ্যান করেছে। জ্বালাও-পোড়াও, মানুষ খুন করা তারা শুধু এটাই জানে। এখন আবার নির্বাচন বানচাল করতে চায়।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সমালোচনা করে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, শুনেছি সে নাকি ক্যাসিনো থেকে টাকা ইনকাম করে। জুয়া খেলে টাকা ইনকাম করে সেই টাকা দিয়ে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়।

জনসভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান। এতে আরও বক্তব্য রাখেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ঢাকা-১৩ আসনের নৌকার প্রার্থী জাহাঙ্গীর কবির নানক, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা-৮ আসনের নৌকার প্রার্থী আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ঢাকা-১০ আসনের নৌকার প্রার্থী নায়ক ফেরদৌস আহমেদ ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নুর তাপস। 

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন