দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

পেঁয়াজ ইস্যুতে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক: পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে মাঠ পর্যায়ে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হঠাৎ দাম বৃদ্ধির পেছনে দায়ী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন তিনি।

১২ ডিসেম্বর সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে আলোচ্য সূচির বাইরে আলাদা করে সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশ দেন সরকার প্রধান।

বিকেলে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

সচিব বলেন, পেঁয়াজ নিয়ে উনি (প্রধানমন্ত্রী) ক্যাবিনেটে না, আলাদাভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন। সেটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে বলেছেন। আপনারা দেখতে পাচ্ছেন- মাঠ পর্যায়ে এখন ক্লোজ মনিটরিং হচ্ছে এবং আজকে তার কিছুটা ইম্প্যাক্ট পাওয়া যাচ্ছে, এটা দেখতে পাচ্ছেন তো আপনারা, পাচ্ছেন না? গতকাল যে ট্রেন্ড ছিল আজকে সে ট্রেন্ড নেই।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সুনির্দিষ্টভাবে কী ছিল— জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে নির্দেশনা হচ্ছে মাঠ পর্যায়ে নজরদারি বাড়ানো। যারা এসব কাজের সঙ্গে জড়িত তাদের দিকে নজরদারি বাড়ানো এবং যারা অতিরিক্ত মুনাফা পাওয়ার চেষ্টা করছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা।

নির্দেশনা পাওয়ার পর মাঠপর্যায়ে টিম কাজ করছে বলে জানান সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

প্রসঙ্গত, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধের অজুহাতে দেশে অস্থির পেঁয়াজের বাজার। একদিনের ব্যবধানে দাম কেজিপ্রতি দিগুণ বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে ভারতীয় পেঁয়াজ ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির খবরে বেড়ে যায় দেশি পেঁয়াজের দামও। দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০০-২২০ টাকায়। হঠাৎ করে আমদানি বন্ধ এবং দাম বৃদ্ধির কারণে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।

দু-বেলা পাতে সবজি দেওয়াও দায়

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাজারে সবজির দাম ক্রমেই বাড়ছে। ৬০ টাকার নিচে কোনো সবজিই কিনতে পারছেন না ক্রেতারা। দাম অস্বাভাবিক বাড়ায় চরমভাবে অস্বস্তিতে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যমআয়ের মানুষ। তারা ক্ষোভ ঝেড়ে বলছেন, মাছ-মাংস তো দূরের কথা এখন দু-বেলা পাতে সবজি দেওয়াও দায়।

রাজধানীর কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে সিম। একই দামে বিক্রি হচ্ছে কাঁচামরিচ। ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে বেগুন ও বরবটি। তার চেয়ে বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে গাজর ১৪০ টাকা ও টমেটো ১২০ টাকা। সেঞ্চুরির কাছাকাছি বিক্রি হচ্ছে (৮০ থেকে ৯০ টাকা) কচুরমুখি, কচুর লতি, করলা উচ্ছে ও করলা। চাল কুমড়া, লাউ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা পিস। এছাড়াও প্রতি পিস ফুলকপি ও বাঁধা কপির দাম ৬০ টাকা। কাঁচা-কলা প্রতি হালি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

গরিবের সবজি বলে খ‍্যাত ধুন্দলের কেজি ৬০ টাকা। একই দামে বিক্রি হচ্ছে ঢেঁড়স ও পটলও। অর্থাৎ ৬০ টাকা কেজির নিচে কোনো সবজিই নেই বাজারে।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন