চাঁদা আদায় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
চাঁদা আদায় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বরদীতে ফাঁদে ফেলে ব্যবসায়ীর ৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে এক মুদি ব্যবসায়ীকে বাসায় ডেকে আপত্তিকর দৃশ্য ধারণ ও মারধরের পর সাত লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় জড়িত চক্রের মূলহোতাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর এজাহারের ভিত্তিতে ঈশ্বরদী থানায় মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. সিরাজুল ইসলাম ওরফে চঞ্চল (৪৭), তাঁর স্ত্রী বৃষ্টি খাতুন (৩৫) এবং মোছা. মুক্তি খাতুন (২৫)। তাঁদের মূল বাড়ি নাটোরের লালপুর উপজেলার মহরকয়া গ্রামে। তবে তাঁরা ঈশ্বরদী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পিয়ারাখালী জামতলী এলাকার ‘মমতাজ ভিলা’য় ভাড়া থেকে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, নাটোরের বাগাতিপাড়ার চত্বর বাজারের মুদি ব্যবসায়ী মো. আমিরুল ইসলামের (৫২) সঙ্গে আসামিদের আগে থেকেই চেনা-জানা ছিল। গত ২৬ মার্চ সকালে আসামি মুক্তি খাতুন মুঠোফোনে কল করে তাঁকে ঈশ্বরদীর ওই ভাড়াবাসায় ডেকে নেন। সেখানে পৌছালে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী তাঁর কিছু আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর ও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।

পরবর্তী সময়ে কোনো উপায় না পেয়ে ভুক্তভোগীর স্ত্রী আসমা খাতুন স্বজনদের সহায়তায় নগদ সাত লাখ টাকা নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামীদের হাতে দেন। টাকা রাখার পর আসামিরা তাঁকে ছেড়ে দেন এবং ঘটনাটি কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেন।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান আসাদ বলেন, ব্ল্যাকমেইল করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। আদালতের মাধ্যমে তাঁদের পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই চক্রের অন্য সহযোগীদের ধরতেও পুলিশি অভিযান চলছে।

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন