নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের গুরুত্বপূর্ণ সব পরীক্ষা শেষ হয়েছে। পরীক্ষার বিস্তারিত প্রতিবেদন ইতিমধ্যে তদারকি সংস্থা বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।
সংস্থার অনুমোদন পেলেই বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর মূল ধাপে প্রবেশ করবে দেশের প্রথম এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, অনুমোদন মিললে চলতি মাসের শেষ দিকে, অর্থাৎ আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যেই প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রাথমিক কাজ শুরু করার প্রস্তুতি চলছে।
এনপিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. জাহেদুল হাসান জানান, শুরুতে কম পরিমাণে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। পরে প্রতিটি ধাপের সফলতা অনুযায়ী উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ানো হবে।
প্রকৌশলীরা আশা করছেন, কেন্দ্রের উৎপাদনক্ষমতা ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশে পৌঁছালেই জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দেওয়া সম্ভব হবে। সব ঠিক থাকলে চলতি ২০২৬ সালের শেষ দিকে প্রথম ইউনিট থেকে অন্তত ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যেতে পারে। তবে পুরো বিষয়টি পরীক্ষার সফলতা ও প্রশাসনিক অনুমোদনের ওপর নির্ভর করছে।
এদিকে প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে বৃহস্পতিবার রাতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকীর মাহবুব আনামের সঙ্গে বৈঠক করেছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা ‘রোসাটম’-এর প্রতিনিধিদল। রোসাটমের উপমহাপরিচালক আন্দ্রেই পেত্রোভের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি ২০ থেকে ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশ সফর করে।
ঢাকায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে রূপপুরের প্রথম ইউনিটের সাফল্য ও কাজের অগ্রগতি মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরা হয় এবং পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।
