ঈশ্বরদীতে সবজি–মুরগির বাজারে হঠাৎ আগুন, ভোক্তাদের নাভিশ্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক: মাত্র এক সপ্তাহে ঈশ্বরদীর বাজারে নিত্যপণ্যের দামে বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটেছে। ঢ্যাঁড়সের কেজি ৩০ টাকা থেকে লাফ দিয়ে ৬০ টাকায়, পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৭৫, কাঁচামরিচ ১২০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে। বেগুন, পটোল, করলা, লাউ, চালকুমড়া ও কচুর দামও ৫০–৭০ শতাংশ বেড়েছে।

পোলট্রি বাজারেও একই অবস্থা। সোনালি মুরগি এক সপ্তাহে কেজিপ্রতি ২৪০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা, বয়লার ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা এবং ডিমের দাম প্রতি হালি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় পৌঁছেছে।

বিক্রেতারা বলছেন, কয়েক দিনের ভারি বৃষ্টিতে খেতের উৎপাদন ও বাজারে সরবরাহ—দুটোই কমে গেছে। তবে ক্রেতাদের মতে, বাজারে পণ্যের পরিমাণ ঠিকই আছে, কিন্তু মনিটরিং দুর্বল হওয়ায় কেউ কেউ ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছে।

সবজি বিক্রেতা উজ্জ্বল হোসেন জানান, 'পেঁয়াজ কেন বেড়েছে তা জানি না। তবে বৃষ্টিতে কাঁচামরিচ ও অনেক সবজির দাম বেড়েছে। পটোল, বেগুন, করলাসহ সবকিছুতেই দাম এক সপ্তাহে ২০–৪০ টাকা করে উঠেছে।' 

মুরগি ব্যবসায়ী শামীম হোসেন বলেন, 'সরবরাহ কমায় পাইকারি দামে বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে, তাই খুচরায়ও দাম বেড়েছে।' 

ক্রেতা রাহেলা খাতুনের ক্ষোভ, 'দেড় মাস দাম স্বাভাবিক ছিল, কিন্তু এখন মনে হচ্ছে বাজারে যারা দিচ্ছে তারাই দাম ঠিক করছে। নজরদারি না থাকলে এই অবস্থা চলতেই থাকবে।' 

বাজার সূত্রে জানা গেছে, আলু, পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া, পুঁই ও লালশাকের দাম অপরিবর্তিত। তবে সরবরাহের ঘাটতি ও বৃষ্টিপাতের কারণে শীতকালীন সবজির দাম বেড়েই চলেছে।

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন