রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে লিফটে দুর্ঘটনায় শ্রমিকের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে কাজের সময় লিফট থেকে নিচে পড়ে উজ্জ্বল খন্দকার (৪০) নামের এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার দুপুরে প্রকল্প এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত উজ্জ্বল খন্দকার ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া ট্রাফিক মোড় এলাকার আব্দুস সবুর খন্দকারের ছেলে। তিনি রূপপুর প্রকল্পে নিকিমথ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অধীনে এমটিইউ-২ অংশে কাজ করতেন।

পুলিশ ও প্রকল্প কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে উক্ত প্রতিষ্ঠানের ওওইউকেএস ভবনে একটি ম্যান লিফটে কাজ করছিলেন উজ্জ্বল। একপর্যায়ে প্রায় ২০ ফুট ওপর থেকে তিনি নিচে পড়ে যান। এতে তাঁর হাত-পা ভেঙে যায় এবং ঘাড়ে গুরুতর আঘাত পান।

সহকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে দুর্ঘটনাস্থলেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

রূপপুরে রাশিয়ার জাতীয় পতাকা দিবস পালন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আবাসিক এলাকা ‘গ্রিন সিটি’তে রাশিয়ার জাতীয় পতাকা দিবস পালিত হয়েছে। শনিবার সকালে গ্রিন সিটিতে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এতে বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে কর্মরত রুশ নাগরিক, প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা অংশ নেন। এ সময় দেশটির জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের পাশাপাশি দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরা হয়।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে রাশিয়া ও বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞরা যৌথভাবে কাজ করছেন। গ্রিন সিটিতে বিপুলসংখ্যক রুশ নাগরিক বসবাস করায় নিয়মিতই সেখানে দেশটির নানা জাতীয় ও সাংস্কৃতিক দিবস পালন করা হয়।

প্রতিবছর ২২ আগস্ট রাশিয়ার জাতীয় পতাকা দিবস পালিত হয়। সাদা, নীল ও লাল রঙের ত্রিবর্ণের পতাকাটি দেশটির অন্যতম প্রধান রাষ্ট্রীয় প্রতীক। ১৯৯৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে দিনটিকে জাতীয় পতাকা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প: প্রথম ইউনিটের রিয়্যাক্টর কনটেইনমেন্টের পরীক্ষা সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে নির্মাণাধীন পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের রিঅ্যাক্টর কম্পার্টমেন্টাল কন্টেইনমেন্টের অভেদ্যতা ও দৃঢ়তা পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষায় প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী কন্টেইনমেন্টের সর্বোচ্চ নিরাপত্তামান নিশ্চিত হয়েছে। পরবর্তী পরীক্ষায় অনাকাঙ্ক্ষিত শব্দ হলে জনসাধারণকে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে রাশিয়ার পরমাণু সংস্থা রোসাটম একটি বেসরকারি বার্তা সংস্থার মাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ করছে রোসাটম।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কন্টেইনমেন্ট মূলত একটি অতি সুদৃঢ় কাঠামো, যা নির্মাণে ব্যবহৃত হয় প্রিস্ট্রেসড রিইনফোর্সড কংক্রিট। ভেতরের দেয়ালে একটি শক্ত ইস্পাতের আবরণ থাকে। এটির নকশা এমনভাবে করা হয়, যাতে কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে তেজস্ক্রিয় পদার্থ রিঅ্যাক্টর কম্পার্টমেন্টের বাইরে বের হতে না পারে। সব তেজস্ক্রিয় পদার্থ কন্টেইনমেন্টের ভেতরে আবদ্ধ ও সুরক্ষিত অবস্থায় থাকতে পারে। এই কন্টেইনমেন্ট বাহ্যিক বড় কোনো আঘাত ও বিপর্যয় রোধ করতে সক্ষম।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পরীক্ষার সময় নকশা অনুযায়ী কন্টেইনমেন্টের অভ্যন্তরীণ চাপ বাড়ানো হয়। এ জন্য একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্প্রেসর ব্যবহৃত হয়। এ সময় অবকাঠামোটির দৃঢ়তা ও অভেদ্যতার পরীক্ষা করা হয়। অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে কন্টেইনমেন্টের ভেতরে চাপ বাড়লে তা কতটুকু সহ্য করতে সক্ষম, সে জন্য পরীক্ষাটি করা হয়। পরমাণু জ্বালানি লোডিংয়ের আগে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। কারণ, কোনো বিপর্যয় ঘটলে কন্টেইনমেন্টই শেষ সুরক্ষা।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রকল্পের প্রথম ইউনিটে শিগগির কিছু ‘হট মিডিয়া টেস্ট’ চালানো হবে। প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী কুল্যান্ট সার্কিটকে নির্ধারিত তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করা ও বাষ্প উৎপাদন করা হবে। এ ছাড়া অন্য নিরাপত্তা প্যারামিটারগুলো চূড়ান্তভাবে পরীক্ষা করা হবে। পরীক্ষার সময় বেশ কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত শব্দ তৈরি হবে, যা সম্পূর্ণ পূর্বনির্ধারিত। এ নিয়ে স্থানীয় জনসাধারণের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ নিরাপদ। রোসাটম নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়।

রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে দুটি ইউনিট নির্মাণাধীন। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংস্থা রোসাটমের প্রকৌশল বিভাগ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। দুটি ইউনিটের প্রতিটি ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহে সক্ষম। বর্তমানে প্রথম ইউনিটের কাজ প্রায় শেষের দিকে।

রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের চতুর্থ চালান

ফাইল ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক: কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের ফ্রেশ নিউক্লিয়ার ফুয়েল বা ইউরেনিয়ামের চতুর্থ চালান এসে পৌঁছেছে পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুর প্রকল্পে। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে আজ শুক্রবার সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটের দিকে সড়কপথে ইউরেনিয়াম বহনকারী গাড়িগুলো রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করে। 

রূপপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই কান্তি কুমার মোদক মোবাইল ফোনে  বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

তিনি জানান, কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আজ সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটের দিকে ইউরেনিয়ামের চতুর্থ চালান রূপপুর প্রকল্পের ভেতরে প্রবেশ করে। এর আগে জেলার প্রবেশ সীমানা ঈশ্বরদী উপজেলার মুলাডুলিতে এসে পৌঁছায় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে। বৃহস্পতিবার বিশেষ বিমানে ঢাকায় এসে পৌঁছায় রূপপুরের জন্য আনা ইউরেনিয়ামগুলো। 

গত ২৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে রাশিয়া থেকে ঢাকায় আসার পরদিন ২৯ সেপ্টেম্বর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান রূপপুরে আনা হয়েছিল। গত শুক্রবার আনা হয় ইউরেনিয়ামের তৃতীয় চালান। 

ইউরেনিয়ামের চতুর্থ চালানের গাড়িবহর ঢাকা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পার হয়ে নাটোরের বনপাড়া ও ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া মোড় হয়ে রূপপুর প্রকল্প এলাকার ভেতরে পৌঁছালে প্রকল্পের কর্মীরা স্বাগত জানান।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ড. শৌকত আকবর জানান, প্রথম চালানের মতোই সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিয়ে আনা হয়েছে। এসব জ্বালানি আমদানি, পরিবহন ও রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সব নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে।

ইউরেনিয়াম হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হাসিনা-পুতিন

 ‍নিজস্ব প্রতিবেদক: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইউরেনিয়াম হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় এ অনুষ্ঠান শুরু হয়। পাবনার রূপপুরে এ অনুষ্ঠানের অয়োজন করা হয়েছে।

এর আগে অনুষ্ঠানে প্রকল্পের পরিচিতি তুলে ধরেন পরমাণু বিজ্ঞানী ও প্রকল্প পরিচালক ড. মো. শৌকত আকবর। এরপর পারমাণবিক জ্বালানি উৎপাদন ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রথম ব্যাচের হস্তান্তর সম্পর্কিত ভিডিও প্রদর্শন করা হয়।

আনুষ্ঠানিক বক্তৃতা পর্বে শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখবেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আলী হোসেন। এরপর ভার্চুয়ালি সংযুক্ত থেকে বক্তৃতা রাখবেন আন্তর্জাতিক আনবিক শক্তি কমিশনের মহাপরিচালক রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি।

এছাড়া রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভও বক্তৃতা দেবেন।

গত ২৮ সেপ্টেম্বর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউরেনিয়াম দেশে পৌঁছানোর পর ২৯ সেপ্টেম্বর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তা রূপপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট (১২০০ মেগাওয়াট) চালু করার জন্য ৭৫ টন ইউরেনিয়ামের প্রয়োজন হবে। একবার জ্বালানি দেওয়ার পর ১৮ মাস নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। এরপর এক-তৃতীয়াংশ ইউরেনিয়াম অর্থাৎ ২৫ টন নিউক্লিয়ার বর্জ্য তুলে নিয়ে সেখানে নতুন ইউরেনিয়াম দিতে হবে। এরপর চলবে আরও ১৮ মাস। এভাবে ১৮ মাস পরপর আংশিক জ্বালানি পরিবর্তন করতে হবে।

রূপপুর কেন্দ্রের ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান ঢাকায়

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের পারমাণবিক জ্বালানি তাজা ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ইউরেনিয়ামের এই চালান বৃহস্পতিবার  বিকেলে রাশিয়া থেকে একটি বিশেষ এয়ার কার্গোর মাধ্যমে ঢাকায় এসে পৌঁছায়।

পারমাণবিক জ্বালানি আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. এম শওকত আকবর। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে পারমাণবিক জ্বালানির বিমান চালানের বিস্তারিত জানাননি।

সূত্র জানায়, আগামী ৫ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে রূপপুর প্রকল্পে কর্তৃপক্ষের কাছে জ্বালানি হস্তান্তর করবেন রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি কর্পোরেশনের মহাপরিচালক রোসাটম আলেক্সি লিখাচেভ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

রাশিয়ার একটি কারখানা থেকে একটি বিশেষ বিমানে করে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পারমাণবিক জ্বালানি আনা হয়। এরপর সড়কপথে ঈশ্বরদীর রূপপুরে প্রকল্প স্থলে নিয়ে যাওয়া হবে। এই ইউরেনিয়াম পরিবহনে বিশেষ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

রাশিয়ার নভোসিবির্স্ক কেমিক্যাল কনসেনট্রেটস প্ল্যান্টে (এনসিসিপি) এই জ্বালানি উৎপাদিত হয়, যা রোসাটমের জ্বালানি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান তেভেলের সহায়ক প্রতিষ্ঠান।

রাশিয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রোসাটম ২৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র (আরএনপিপি) নির্মাণে নিয়োজিত রয়েছে।

শওকত আকবর বলেন, “সরকার আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে আরএনপিপির প্রথম ইউনিট এবং ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে দ্বিতীয় ইউনিট চালু করার আশা করছে।”

স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ সাতদিন