পরিদর্শন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
পরিদর্শন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। শুক্রবার দুপুরে তিনি প্রকল্প এলাকায় যান। এ সময় তিনি প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি সরাসরি ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।

মতবিনিময়ের সময় ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ প্রকল্প বাস্তবায়নের নানা বিষয়ে প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বর্তমান কাজের অগ্রগতি তাঁর সামনে তুলে ধরেন। কাজের সার্বিক অবস্থা দেখে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং কর্মরত সব পর্যায়ের প্রকৌশলী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানান।

পরিদর্শন শেষে উপদেষ্টা বলেন, কমা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে। দেশের বাড়তে থাকা বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উপদেষ্টার এই সফরের সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ, অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মো. মজিবুর রহমান এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক ড. মো. কবীর হোসেনসহ অনেকে।

ঈশ্বরদীতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে অতিরিক্ত সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প সরেজমিনে দেখেছেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. অঞ্জন কুমার দেব রয়।

মঙ্গলবার বিকেলে তিনি দাশুড়িয়া ইউনিয়নের মাড়মীতে বাড়ি বাড়ি ঘুরে প্রকল্পের আওতায় দেওয়া গবাদিপশুর অবস্থা দেখেন এবং সুবিধাপ্রাপ্ত পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। 

পরিদর্শনে তার সঙ্গে ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আকলিমা খাতুন এবং উপজেলা ভেটেরিনারি হাসপাতালের সার্জন ডা. ফারুক হোসেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর জানিয়েছে, এখানে ৪৭৯টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পরিবার আছে। এর মধ্যে ১২৭টি পরিবার ইতোমধ্যেই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছে। তারা বকনা, ষাঁড় বাছুর, ভেড়া, হাঁস বা মুরগী পেয়েছেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আকলিমা খাতুন বলেন, বাকি পরিবারগুলোও ভবিষ্যতে সুবিধা পাবে, সেই বিষয়ে অতিরিক্ত সচিব এবং প্রকল্প পরিচালকের কাছে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র আন্তর্জাতিক মানের কাছাকাছি: আইএইএ বিশেষজ্ঞ দল

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মান প্রায় অর্জন করেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)।

গত ১০ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত কেন্দ্রটি পরিদর্শন শেষে এক বিবৃতিতে আইএইএ’র বিশেষজ্ঞ দল জানায়, নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়ালেও অগ্নি প্রতিরোধ ও তত্ত্বাবধানের ক্ষেত্রে আরও উন্নতির সুযোগ রয়েছে।

আইএইএ’র ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, সরকারের অনুরোধে ‘প্রাক-পরিচালনা নিরাপত্তা পর্যালোচনা মিশন’ পরিচালনা করে দলটি। মূল উদ্দেশ্য ছিল বাণিজ্যিক উৎপাদনের আগে রূপপুরের প্রথম ইউনিটের নিরাপত্তা প্রস্তুতি যাচাই করা।

বিশেষজ্ঞরা কেন্দ্রটির কর্মকর্তাদের দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতাকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেছেন। তারা জানান, সিমুলেটরের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে রিফুয়েলিং মেশিন পরিচালনা আন্তর্জাতিক মানের উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

আইএইএ’র সিনিয়র অফিসার সাইমন মরগ্যান বলেন, “কমিশনিং থেকে পূর্ণ পরিচালনায় রূপান্তরের সময়ই সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। রূপপুর কেন্দ্র এ পরিবর্তন নিরাপদে সম্পন্ন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

তবে নিরাপত্তা আরও মজবুত করতে দলটি কিছু সুপারিশ দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার, সার্বিক তত্ত্বাবধান উন্নয়ন ও যন্ত্রপাতির সংরক্ষণ প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করা।

রূপপুর প্রকল্পের পরিচালক মো. কবির হোসেন বলেন, 'বাংলাদেশ সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে চায়। আইএইএ’র এ মূল্যায়ন দুর্বলতা চিহ্নিত করে আমাদের নিরাপত্তা সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।'

২৭ আগস্ট পরিদর্শন শেষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মজিবুর রহমান, প্রকল্প পরিচালক কবির হোসেন, নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানির এমডি ড. জায়েদুল হাসান, রাশিয়ার এতমস্ত্রয় এক্সপোর্ট ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিশেষজ্ঞ দল খসড়া প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, যা চূড়ান্ত করে আগামী তিন মাসের মধ্যে বাংলাদেশকে দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, রাশিয়ার সহযোগিতায় ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে ভিভিইআর-১২০০ প্রযুক্তির দুটি রিঅ্যাক্টর নির্মাণাধীন। প্রথম ইউনিট ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর এবং দ্বিতীয়টি ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর হস্তান্তরের কথা রয়েছে।

ঈশ্বরদীতে ফেন্সিং ক্লাব গঠনের উদ্যোগ, পরিদর্শনে ফেডারেশন সভাপতি


নিজস্ব প্রতিবেদক: তরবারি খেলাকে গ্রাম ও শহরের তরুণদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবার ঈশ্বরদীতে ফেন্সিং ক্লাব গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ ফেন্সিং ফেডারেশনের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) কামরুল হাসান সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছেন।

মঙ্গলবার সকালে তিনি প্রথমে উপজেলার রূপপুরে 'আহ্বান' সামাজিক সংগঠনের কার্যালয়ে যান। পরে ক্লাব গঠনের জন্য সম্ভাব্য স্থান হিসেবে পাকশী নর্থ বেঙ্গল পেপার মিলস্ উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের মাঠ ঘুরে দেখেন। মাঠের অবকাঠামো, উন্নয়ন পরিকল্পনা ও ক্লাব গঠনের বিভিন্ন দিক নিয়ে তিনি ‘আহ্বান’ সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

এই আয়োজনের অন্যতম উদ্যোক্তা ‘আহ্বান’ সংগঠনের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং আত-তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মডেল মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হাফেজ হাবিবুল্লাহ বেলালী।

পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফেন্সিং ফেডারেশনের কোচ রেজাউল করিম আসাদ, আহ্বানের সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ সাঈদ, উপদেষ্টা ডা. আনিসুর রহমান, সদস্য জাহিদুল ইসলাম রনি, সোহেল রানা, শফিকুল ইসলাম রাজীব, ইমতিয়াজ হোসেন শাফি, হিমেল মুন্সী, সাংবাদিক ওহিদুল ইসলাম সোহেল, খায়রুল বাশার মিঠু, সিয়াম রহমানসহ সংগঠনের অন্য সদস্যরা।

ফেডারেশন সভাপতি কামরুল হাসান বলেন,'বর্তমানে অনেক তরুণ গেম ও মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ছে। ফেন্সিং খেলাটি শৃঙ্খলা, ধৈর্য এবং মানসিক বিকাশে সহায়ক। ঈশ্বরদীতে এই খেলার প্রসার তরুণদের একটি সুস্থ ও গঠনমূলক পথে নিয়ে যাবে। আমরা সবার সহযোগিতা চাই।'

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন,'ফেডারেশনের সভাপতির আগমন আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। আশা করি, সবার সহায়তায় আমরা ঈশ্বরদীতে ফেন্সিং ক্লাব গঠন করতে পারব।'

স্বত্ব © ২০২৫ সংবাদ সাতদিন