নিজস্ব প্রতিবেদক: স্ত্রীর ওপর সন্ত্রাসী হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ব্যক্তি। বুধবার বিকেলে ঈশ্বরদী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
লিখিত বক্তব্যে ঈশ্বরদী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের শৈলপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. আবু তালেব বলেন, ‘আমার বাড়ি থেকে আব্দুল করিমের বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে মূল সড়কে যাতায়াত করতাম। এটাই ছিল আমাদের বাড়ির একমাত্র চলাচলের পথ। আওয়ামী লীগের এক সময়ের চেয়ারম্যান মিন্টু, তার জামাতা মিতুল ও তার ভাই টুটুল, পলক, পিয়াস, বজলু, শিরিন আক্তার, স্মৃতি এবং আব্দুল করিম ওই রাস্তাটি বন্ধ করে দেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক দিন অন্যের বাড়ি ঘুরে চলাফেরা করেছি। এর মধ্যে আমার পরিবারকে হেনস্তা করতে আমাদের নামে একাধিক মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। এসব মামলার বেশির ভাগেই আমরা আদালত থেকে মুক্ত হই।’
আবু তালেবের ভাষ্য, গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর তিনি ও তাঁর ছেলে ফিরোজ ওই অবৈধ প্রাচীর ভেঙে ফেলেন। পরে আব্দুল করিম জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন এবং আগের দলবল নিয়ে আবারও প্রাচীর তুলে চলাচল বন্ধের চেষ্টা চালাতে থাকেন।
তিনি অভিযোগ করেন, ‘একদিন প্রাচীর তোলার সময় আমার স্ত্রী ফিরোজা বেগম বাধা দিতে গেলে তাঁকে লোহার রড, পাইপ, লাঠি ও চেনি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। আমি ও আমার ছেলে তখন বাড়িতে ছিলাম না। প্রতিবেশীরা তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।’

